<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোট গল্পকার হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এর কারণ হলো, ছোট গল্পের যে সুনির্দিষ্ট কাঠামো বা বৈশিষ্ট্য—যেমন জীবনের কোনো একটি বিশেষ মুহূর্তের খণ্ডচিত্র ফুটিয়ে তোলা—তা রবীন্দ্রনাথের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে পূর্ণতা পায়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>'দেনাপাওনা'</strong> গল্পটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোট গল্প হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তিনি ছোট গল্পের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, "শেষ হইয়াও হইল না শেষ"—এই দর্শনই তার গল্পগুলোকে অনন্য করে তুলেছে।</li>
<li>তার হাত ধরেই বাংলা ছোট গল্প তার শৈল্পিক উৎকর্ষ ও আধুনিকতায় পৌঁছেছে।</li>
</ul>
<p>গল্পগুচ্ছের লেখক হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি মূলত তাঁর লেখা ছোটগল্পের একটি বিশাল সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয়।</li>
<li>তাঁর লেখা ছোটগল্পগুলো নিয়ে যে বিখ্যাত সংকলনটি তৈরি হয়েছে, তার নামই হলো <strong>গল্পগুচ্ছ</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি, যা মূলত তাঁর ছোটগল্পের ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নৌকাডুবি</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'নৌকাডুবি' কোনো নাটক নয়, এটি মূলত একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>নৌকাডুবি</strong> একটি সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ডাকঘর</strong>, <strong>নলিনী</strong> এবং <strong>মুক্তধারা</strong>—এই তিনটিই রবীন্দ্রনাথের লেখা জনপ্রিয় নাটক।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসগুলোর তালিকার সাথে নাটকগুলো আলাদা করে মিলিয়ে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুধিত পাষাণ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের ভাণ্ডারে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং রহস্যময় গল্প।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বিখ্যাত ছোটগল্পগুলোর মধ্যে <strong>ক্ষুধিত পাষাণ</strong> অন্যতম।</li>
<li>এটি মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও ভৌতিক ঘরানার গল্প, যা পাঠকদের মনে গভীর ছাপ ফেলে।</li>
<li>পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের গল্পের তালিকা থেকে প্রশ্ন আসলে এই নামটি প্রায়ই দেখা যায়, তাই এটি আলাদা করে মনে রাখা খুব সহজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হৈমন্তী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গল্পটি পড়ার সময় আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারি যে, কেন এটি যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ।</p>
<ul>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হৈমন্তীর বিয়েতে তার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক মোটা অঙ্কের যৌতুক আদায় করা হয়েছিল।</li>
<li>বিয়ের পর হৈমন্তীর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার প্রতি যে অমানবিক আচরণ করে, তার মূল কারণই ছিল যৌতুকের টাকা নিয়ে তাদের অতৃপ্তি।</li>
<li>গল্পের প্রতিটি বাঁকে লেখক দেখিয়েছেন, কীভাবে যৌতুক প্রথা একজন নারীর আত্মসম্মান ও জীবনকে ধ্বংস করে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, হৈমন্তী গল্পের মূল উপজীব্যই হলো তৎকালীন সমাজের এই কুপ্রথা, যা আজও আমাদের সমাজে একটি বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থ হলো <strong>য়ুরোপ প্রবাসী পত্র</strong>। এটি ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে তিনি বিলেত ভ্রমণ করেছিলেন।</li>
<li>সেই ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই তিনি এই পত্রগুলো লিখেছিলেন, যা পরবর্তীতে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: য়ুরোপ যাত্রীর ডায়রী বা জাপানযাত্রীর পত্র) তাঁর পরবর্তী সময়ের ভ্রমণকাহিনি, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তাঁর গদ্য রচনার হাতেখড়ি বা শুরুর দিকের কাজ হিসেবে <strong>য়ুরোপ প্রবাসী পত্র</strong>-কেই প্রথম গদ্যগ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>‘জীবনস্মৃতি’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি তার শৈশব, কৈশোর এবং বেড়ে ওঠার দিনগুলোর কথা খুব সহজ ও সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শুরুর দিকের ঘটনাবলি জানতে এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ।</li>
<li>এটি ১৯১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>সাহিত্যিক ও শৈল্পিক জীবনের বিকাশের ধারা বুঝতে এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আত্মজীবনী হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>‘পঞ্চভূত’ হলো বিশ্বকবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। এটি মূলত একটি রম্য বা ব্যঙ্গাত্মক রচনার সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>বইটি ১৮৯৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিভিন্ন কাল্পনিক চরিত্রের কথোপকথনের মাধ্যমে দর্শন, সমাজ ও জীবন নিয়ে গভীর সব আলোচনা ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি রবীন্দ্রনাথের চিন্তাশীল ও মননশীল গদ্যের এক চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
১১৩৪
‘দেনাপাওনা’ উন্যাস ও ‘দেনাপাওনা’ ছোটগল্পের লেখক যথাক্রমে-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই দুটি নাম বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল।</p>
<ul>
<li><strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘দেনাপাওনা’। এটি তার সামাজিক বাস্তবধর্মী রচনার অন্যতম সেরা নিদর্শন।</li>
<li><strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> লেখা ‘দেনাপাওনা’ হলো একটি জনপ্রিয় ছোটগল্প, যা মূলত যৌতুক প্রথা ও সামাজিক কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপন্যাসের ক্ষেত্রে শরৎচন্দ্র এবং ছোটগল্পের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ—এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলেই পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হবে না।</p>
১১৩৫
‘রক্তকরবী’ ও ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ লিখেছেন যথাক্রমে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মুনীর চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই দুটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যের মাইলফলক:</p>
<ul>
<li><strong>রক্তকরবী:</strong> এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কালজয়ী রূপকধর্মী নাটক।</li>
<li><strong>রক্তাক্ত প্রান্তর:</strong> এটি প্রখ্যাত নাট্যকার মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রথম নামটি রবীন্দ্রনাথের এবং দ্বিতীয়টি মুনীর চৌধুরীর—এভাবে মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী লেখক <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> অমর সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>গোরা</strong>, <strong>শেষের কবিতা</strong> এবং <strong>নৌকাডুবি</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong> ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে লেখকের নামের সাথে উপন্যাসের তালিকাটি একবার মিলিয়ে নিলেই বিভ্রান্তি দূর হয়ে যাবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কোনো বই নয়, বরং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক।</p>
<ul>
<li><strong>কৃষ্ণকুমারী</strong> নাটকটি রচনা করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>অন্যদিকে, শেষের কবিতা, সোনার তরী এবং বলাকা—এই তিনটিই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের কাব্য বা উপন্যাসের তালিকার সাথে এই নাটকটি কোনোভাবেই মেলে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরাঙ্গনা</strong>। কারণ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত পত্রকাব্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বীরাঙ্গনা</strong> কাব্যটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়, যার রচয়িতা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>শেষের কবিতা</em>, <em>সোনার তরী</em> এবং <em>বলাকা</em>—এই তিনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের বইগুলো চেনার জন্য তাঁর কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকার দিকে একটু নজর রাখলেই এমন প্রশ্নগুলো খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজবন্দীর জবানবন্দী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়, বরং এটি লিখেছিলেন বিদ্রোহী কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>রাজবন্দীর জবানবন্দী</strong> হলো নজরুলের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ বা গদ্য সংকলন, যা তিনি আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় লিখেছিলেন।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>সোনার তরী</strong>, <strong>রক্তকরবী</strong> এবং <strong>চোখের বালি</strong>—এই তিনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে শুধু লেখকের নাম আর বইয়ের তালিকার দিকে একটু নজর দিলেই খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলনচাঁপা</strong>। কারণ, দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থটি বিদ্রোহী কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলামের</strong> লেখা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে গীতাঞ্জলি, সোনার তরী এবং মানসী।</li>
<li>অন্যদিকে, দোলনচাঁপা নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই রবীন্দ্রনাথের রচনার তালিকা থেকে দোলনচাঁপা আলাদা।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।