<p>আধুনিক বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>তিনিই প্রথম বাঙালি মুসলমান লেখক যিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সার্থক সূচনা করেছিলেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'বিষাদ সিন্ধু'</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
<li>তিনি গদ্য, নাটক, উপন্যাস এবং প্রবন্ধ—সব ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন, যা তৎকালীন মুসলিম সমাজের সাহিত্যিক দৈন্যতা দূর করতে বড় ভূমিকা পালন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে মুসলিম নবজাগরণের অগ্রদূত বা পথিকৃৎ হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম সবার আগে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত শক্তিশালী লেখক। তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় <strong>'রত্নবতী'</strong> একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। এটি মূলত একটি সামাজিক উপন্যাস, যা তাঁর লেখনশৈলীর অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ হলো একটি <strong>ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি বা ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>লেখক এখানে ইতিহাসের সত্য ঘটনার সাথে নিজের কল্পনাশক্তি ও সাহিত্যিক রস মিশিয়ে একটি চমৎকার আখ্যান তৈরি করেছেন।</li>
<li>যেহেতু এটি কোনো সরাসরি ইতিহাস গ্রন্থ বা আত্মজীবনী নয়, বরং উপন্যাসের ঢঙে লেখা, তাই একে সাহিত্যিক ভাষায় ‘ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঐতিহাসিক পটভূমিকে উপন্যাসের আঙ্গিকে উপস্থাপন করার কারণেই এটি এই ধারার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>বাঙালি মুসলমানের লেখা প্রথম উপন্যাস হলো <strong>রত্নবতী</strong>। এটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রচয়িতা হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল লেখক।</li>
<li>তার এই উপন্যাসটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে মুসলিম লেখকদের উপন্যাসের যাত্রা শুরু হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'বিষাদ সিন্ধু'কে প্রথম উপন্যাস মনে করেন, কিন্তু এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক মহাকাব্যিক আখ্যান, উপন্যাস নয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের একমাত্র গদ্য মহাকাব্য হলো <strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত।</p>
<p>কেন এটি মহাকাব্য হিসেবে গণ্য হয়, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>গদ্য শৈলী:</strong> এটি পদ্যে না লিখে গদ্যে লেখা হলেও এর বিশালতা, গাম্ভীর্য এবং ঘটনার ব্যাপকতা একে মহাকাব্যের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> মহাকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বিশাল কোনো ঘটনা বা বীরত্বগাথা, যা এখানে ইমাম হোসেনের আত্মত্যাগের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>অনন্যতা:</strong> বাংলা সাহিত্যে গদ্যের মাধ্যমে এমন মহাকাব্যিক আখ্যান আর দ্বিতীয়টি নেই, তাই এটি অনন্য।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যে মীর মোশাররফ হোসেন <strong>গাজী মিয়া</strong> ছদ্মনামে পরিচিত। তিনি তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা <strong>'গাজী মিয়ার বস্তানী'</strong>-তে এই নামটি ব্যবহার করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মোশাররফ হোসেনের সামাজিক ও রাজনৈতিক সমকালীন চিত্র ফুটে উঠেছে তাঁর এই ছদ্মনামে লেখা বইটিতে।</li>
<li>সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বা ব্যঙ্গাত্মক রচনার ক্ষেত্রে এমন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন, যা সেই সময়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল।</li>
</ul>
১০৫৭
বাংলা সাহিত্যে মুসলমান চরিত্র অবলম্বনে রচিত প্রতম নাটক কোনটি?
<p>বাংলা সাহিত্যে মুসলমান চরিত্র অবলম্বনে রচিত প্রথম নাটক হলো <strong>জমিদার দর্পণ</strong>। নাটকটি রচনা করেছেন মীর মশাররফ হোসেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।</li>
<li>১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকটিতে তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার এবং গ্রামীণ মুসলিম সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা নাটকের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর আগে নাটকে মুসলিম চরিত্রের এমন বলিষ্ঠ ও বাস্তবসম্মত উপস্থাপন খুব একটা দেখা যায়নি।</li>
</ul>
<p>মীর মোশাররফ হোসেনের প্রহসন হিসেবে এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলো</strong>। কারণ তিনি তাঁর সাহিত্যিক জীবনে সামাজিক কুসংস্কার ও অসংগতি নিয়ে বেশ কিছু চমৎকার প্রহসন রচনা করেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>এর উপায় কি</strong>: এটি মীর মোশাররফ হোসেনের একটি জনপ্রিয় প্রহসনমূলক নাটক।</li>
<li><strong>ফাঁস কাগজ</strong>: এই প্রহসনটিতে তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও দুর্নীতিকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li><strong>ভাই ভাই এই তো চাই</strong>: এটিও তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য প্রহসন, যা সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি রচনাই মীর মোশাররফ হোসেনের লেখনীতে প্রহসন বা ব্যঙ্গাত্মক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>সবগুলো</strong>।</p>
<p>'এর উপায় কি?' প্রহসনটির রচয়িতা হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। এটি তাঁর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যঙ্গাত্মক নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এই প্রহসনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>তিনি মূলত সামাজিক কুসংস্কার ও অসংগতিগুলো নিয়ে তার লেখায় দারুণ সব বিদ্রূপ তুলে ধরতেন, যা এই প্রহসনটিতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
১০৬০
মোশাররফ হোসেনের কোন নাটকে দীনবন্ধুর 'নীলদর্পণ' নাটকের প্রভাব লক্ষণীয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার দর্পণ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের এই নাটকটি রচনার পেছনে দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক 'নীলদর্পণ'-এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> 'নীলদর্পণ' নাটকে যেমন নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ফুটে উঠেছে, তেমনি 'জমিদার দর্পণ' নাটকে তৎকালীন জমিদারদের শোষণ ও অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li><strong>নামের সাদৃশ্য:</strong> নাটকের নামকরণের ধরণ দেখলেই বোঝা যায়, এটি দীনবন্ধু মিত্রের সামাজিক নাটকের আদলে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> সমাজের অন্যায় ও অবিচারকে নাটকের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরার যে ধারা দীনবন্ধু শুরু করেছিলেন, মীর মশাররফ হোসেন সেই ধারাটিই এই নাটকে অনুসরণ করেছেন।</li>
</ul>
<p>মুসলিম সাহিত্যিক রচিত প্রথম নাটক হলো <strong>বসন্ত কুমারী</strong>। এটি ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। নাটকটির রচয়িতা হলেন মীর মশাররফ হোসেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল।</li>
<li>তার হাত ধরেই মুসলিম সাহিত্যিকদের নাট্যচর্চার সূচনা হয়।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত <strong>বসন্ত কুমারী</strong> নাটকটিই মুসলিম সাহিত্যিকের লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন কালজয়ী লেখক। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'অমর জীবনী'</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি মূলত তাঁর নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার একটি সংকলন, যা তিনি নিজেই লিখে গেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> মীর মশাররফ হোসেন।</li>
<li><strong>ধরণ:</strong> আত্মজীবনী বা আত্মচরিত।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত বিষাদ-সিন্ধুর পাশাপাশি তাঁর এই আত্মজীবনীমূলক লেখাটিও বাংলা সাহিত্যে তাঁর নিজস্ব জীবনদর্শনের পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>। মীর মোশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'বসন্তকুমারী'</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর লেখা প্রথম সার্থক নাটক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মূলত একটি সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>মীর মোশাররফ হোসেনের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের কাজগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা তৎকালীন নাট্যচর্চায় বিশেষ অবদান রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যদি প্রশ্ন আসে 'বসন্তকুমারী' কী, তবে চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে <strong>নাটক</strong>। এটি তাঁর অমর সৃষ্টি 'বিষাদ সিন্ধু'-এর মতো গদ্যধর্মী কোনো উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী একটি নাটক।</p>
<p>মীর মোশাররফ হোসেনের অমর ও কালজয়ী গ্রন্থের নাম হলো <strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসটি মূলত কারবালার প্রান্তরে সংঘটিত ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক ঘটনা অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>এটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব।</li>
<li>মীর মোশাররফ হোসেনের অসাধারণ লেখনী এবং আবেগময় বর্ণনার কারণে এই বইটি আজও পাঠকদের কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
১০৬৫
মীর মোশাররফ হোসেন কোন ধরনের গ্রন্থ রচনায় কৃতিত্ব দেখিয়েছেন?
<p>মীর মোশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি মূলত উপন্যাস, নাটক ও আত্মজীবনীমূলক রচনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। তার লেখাগুলো কেবল তথ্যবহুল নয়, বরং তাতে রয়েছে গভীর আবেগ, হাস্যরস এবং জীবনের বাস্তব চিত্রায়ন।</p>
<p>কেন এটি সঠিক উত্তর:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদ সিন্ধু</strong>-এর মতো কালজয়ী উপন্যাসে তিনি যে ভাষার কারুকাজ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, তা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।</li>
<li>তার লেখায় গদ্যের সাবলীলতা এবং বর্ণনার শৈল্পিক গুণ তাকে একজন সার্থক <strong>সাহিত্যরস সমৃদ্ধ</strong> রচয়িতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
<li>তিনি জীবনের নানা অভিজ্ঞতাকে সাহিত্যের রসে সিক্ত করে উপস্থাপন করতে পারতেন, যা তার প্রতিটি গ্রন্থকে পাঠকপ্রিয় করে তুলেছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।