<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'বিষাদসিন্ধু'</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ গদ্য মহাকাব্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক।</li>
<li>তিনি ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে এই তিন খণ্ডের বিশাল গ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>বিষাদসিন্ধুর তিনটি খণ্ড হলো: <strong>মহরম পর্ব</strong>, <strong>উদ্ধার পর্ব</strong> এবং <strong>এজিদ বধ পর্ব</strong>।</li>
</ul>
<p>এই বইটি বাংলা সাহিত্যে তার অমর কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা আজও পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আধুনিক যুগের</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> বাংলা সাহিত্যে ১৮৬০ সালের পরবর্তী সময়কে আধুনিক যুগ হিসেবে ধরা হয়। ‘বিষাদ সিন্ধু’ ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসের মতো গদ্যধর্মী শিল্পরূপ মূলত আধুনিক যুগেরই বৈশিষ্ট্য।</li>
<li><strong>শৈলী:</strong> মধ্যযুগের সাহিত্যে সাধারণত পদ্য বা ছন্দের প্রাধান্য ছিল, কিন্তু ‘বিষাদ সিন্ধু’ সম্পূর্ণ গদ্যে রচিত, যা আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপন্যাসের কাঠামো এবং গদ্যের ব্যবহারই প্রমাণ করে এটি আধুনিক যুগের একটি ধ্রুপদী সাহিত্যকর্ম।</p>
<p>‘বিষাদসিন্ধু’ হলো মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। অনেকে একে ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লেখা বলে ভুল করেন, কিন্তু সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি সার্থক উপন্যাস। এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এটি ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা হলেও লেখক এতে প্রচুর কল্পনা ও সৃজনশীলতার মিশেল ঘটিয়েছেন।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর কাহিনিবিন্যাস, চরিত্রচিত্রণ এবং সংলাপের শৈল্পিক ব্যবহার, যা এই বইটিতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে লেখকের নিজস্ব আবেগ ও বর্ণনার শৈল্পিক সংমিশ্রণই একে একটি অনন্য <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</p>
১০৩৯
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ কোন ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লিখিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কারবালার যুদ্ধ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ মূলত ইসলামের ইতিহাসের এক করুণ ও শোকাবহ অধ্যায়কে কেন্দ্র করে লেখা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম ‘বিষাদ সিন্ধু’—অর্থাৎ বিষাদের বা শোকের সমুদ্র।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর শাহাদাত এবং কারবালার প্রান্তরের ট্র্যাজেডিই এই বিষাদের মূল উৎস।</li>
<li>লেখক এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উপন্যাসের তিনটি খণ্ড—মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব সাজিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘বিষাদ সিন্ধু’র কথা আসবে, তখনই মনে রাখবেন এটি <strong>কারবালার যুদ্ধ</strong> ও এর পরবর্তী করুণ পরিণতির ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি অমর সাহিত্যকর্ম।</p>
১০৪০
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ গ্রন্থটি সম্পর্কে কোন উক্তিটি উপযোগী?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এটি ঐতিহাসিক ঘটনার আবেগ-নির্ভর মর্মস্পর্শীবর্ণনা</strong>। কারণ মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ কোনো সাধারণ ইতিহাস গ্রন্থ নয়, বরং এটি কারবালার করুণ ও ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক ভিত্তি:</strong> কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডিকে লেখক এখানে উপজীব্য করেছেন।</li>
<li><strong>আবেগ ও শিল্পগুণ:</strong> লেখক ইতিহাসের শুষ্ক তথ্যের চেয়ে ঘটনার ভেতরের মানবিক আবেগ, শোক এবং মর্মস্পর্শী বর্ণনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।</li>
<li><strong>সাহিত্যের ধরন:</strong> এটি ইতিহাস বা মহাকাব্য নয়, বরং ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি আবেগঘন গদ্যশিল্প।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের বিচারে এটি ঐতিহাসিক ঘটনার এক অনন্য ও আবেগপূর্ণ শৈল্পিক রূপায়ণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মজৈবনিক উপন্যাস</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের লেখা ‘উদাসীন পাথিকের মনের কথা’ মূলত একটি চমৎকার আত্মজৈবনিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই রচনায় লেখক নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে উপন্যাসের শৈল্পিক রূপ মিশিয়ে দিয়েছেন।</li>
<li>এটি লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনাপ্রবাহ এবং সমসাময়িক সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে, যা একে আত্মজৈবনিক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের জীবনের ছায়া অবলম্বনে লেখা বলেই এটি আত্মজৈবনিক ঘরানার একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।</li>
<li>১৮৯০ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে তৎকালীন নীলকরদের অত্যাচার এবং গ্রামীণ সমাজের চিত্র খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের লেখনীতে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার যে দক্ষতা ছিল, এই বইটি তার অন্যতম সেরা উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নীল বিদ্রোহ ও তৎকালীন সামাজিক অসংগতি নিয়ে লেখা এই কালজয়ী রচনার লেখক হলেন মীর মশাররফ হোসেন।</p>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনার সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong>। এটি মূলত লেখকের নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও সমসাময়িক সমাজের চিত্র নিয়ে লেখা একটি অনন্য গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong> গ্রন্থটি লেখকের আত্মজীবনীমূলক রচনার একটি অন্যতম নিদর্শন।</li>
<li>এই বইটিতে লেখক ছদ্মনামে নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই নামটির সাথে 'আত্মজীবনী' শব্দটি মিলিয়ে নিলেই হবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের লেখা ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এটি একটি <strong>ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস</strong>, যেখানে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বইটির নাম ‘বস্তানী’ হলেও এর গঠনশৈলী এবং বিষয়বস্তু কথাসাহিত্যের বা উপন্যাসের ধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত রচনার ভিড়ে এটি তার গদ্যশৈলী ও সমাজ সচেতনতার এক চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
১০৪৫
মীর মশাররফ হোসেনের ‘মোসলেম বীরত্ব’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের তালিকায় ‘মোসলেম বীরত্ব’ একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। এটি মূলত একটি কাব্যধর্মী রচনা, যেখানে তিনি মুসলিম বীরদের শৌর্য-বীর্যের কাহিনী কাব্যিক ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের গদ্য রচনার পাশাপাশি কাব্যচর্চাও ছিল বেশ সমৃদ্ধ।</li>
<li>‘মোসলেম বীরত্ব’ নামটি শুনলেই বোঝা যায় এটি কোনো কাহিনী বা বীরত্বগাথা, যা তিনি কাব্যের আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong> হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু সাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ ধাপটি অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১৮৪৭ সাল।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৯১২ সাল।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ১৮৪৭ থেকে ১৯১২ পর্যন্ত সময়কালটি মীর মশাররফ হোসেনের জীবনকাল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৮৪৭-১৯১২</strong>। এই সাল দুটি বারবার দেখলে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে মিলিয়ে নিলে খুব দ্রুত মনে রাখা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়ার বস্তানী</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>গাজী মিয়ার বস্তানী</strong> মূলত একটি সামাজিক নকশা বা ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস, যেখানে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত বিষাদ সিন্ধুর পাশাপাশি এই বইটি তাঁর গদ্যশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>‘গাজী মিয়ার বস্তানী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এই বইটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কিছু বিষয়:</p>
<ul>
<li>এটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস</strong>।</li>
<li>বইটিতে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি এবং বিচার ব্যবস্থার চিত্র খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতার একটি দর্পণ, যা লেখক তার নিজস্ব শৈলীতে তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—যখনই ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’র কথা আসবে, তখনই মীর মশাররফ হোসেনের নাম মনে রাখবেন। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার দর্পণ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে <strong>জমিদার দর্পণ</strong> অন্যতম।</li>
<li>এটি মূলত তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচারের চিত্র তুলে ধরার জন্য লেখা হয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে 'দর্পণ' যুক্ত এই নাটকটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
<p>জমিদার দর্পণ নাটকের নাট্যকার হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন কালজয়ী লেখক, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি ও জমিদারদের অত্যাচার তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মূলত সিরাজগঞ্জের জমিদারদের অত্যাচারের পটভূমিতে লেখা একটি প্রতিবাদী সৃষ্টি।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত সব নাটকের নামের শেষে প্রায়ই 'দর্পণ' বা সামাজিক চিত্র ফুটে ওঠে, যা থেকে সহজেই এই নাটকটিকে আলাদা করা যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।