eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১০৩৬

Bengali Epic 'Bishaad Shindhu' was written by : বাংলা মহাকাব্য বিষাদসিন্ধু রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
Mir Mosharrof Hossain
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'বিষাদসিন্ধু'</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ গদ্য মহাকাব্য।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক।</li>
<li>তিনি ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে এই তিন খণ্ডের বিশাল গ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>বিষাদসিন্ধুর তিনটি খণ্ড হলো: <strong>মহরম পর্ব</strong>, <strong>উদ্ধার পর্ব</strong> এবং <strong>এজিদ বধ পর্ব</strong>।</li>
</ul>

<p>এই বইটি বাংলা সাহিত্যে তার অমর কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা আজও পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
১০৩৭

‘বিষাদ সিন্ধু’ কোন যুগের গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আধুনিক যুগের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আধুনিক যুগের</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> বাংলা সাহিত্যে ১৮৬০ সালের পরবর্তী সময়কে আধুনিক যুগ হিসেবে ধরা হয়। ‘বিষাদ সিন্ধু’ ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসের মতো গদ্যধর্মী শিল্পরূপ মূলত আধুনিক যুগেরই বৈশিষ্ট্য।</li>
<li><strong>শৈলী:</strong> মধ্যযুগের সাহিত্যে সাধারণত পদ্য বা ছন্দের প্রাধান্য ছিল, কিন্তু ‘বিষাদ সিন্ধু’ সম্পূর্ণ গদ্যে রচিত, যা আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উপন্যাসের কাঠামো এবং গদ্যের ব্যবহারই প্রমাণ করে এটি আধুনিক যুগের একটি ধ্রুপদী সাহিত্যকর্ম।</p>
১০৩৮

‘বিষাদসিন্ধু’ কী ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>‘বিষাদসিন্ধু’ হলো মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। অনেকে একে ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লেখা বলে ভুল করেন, কিন্তু সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি সার্থক উপন্যাস। এর কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li>এটি ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা হলেও লেখক এতে প্রচুর কল্পনা ও সৃজনশীলতার মিশেল ঘটিয়েছেন।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর কাহিনিবিন্যাস, চরিত্রচিত্রণ এবং সংলাপের শৈল্পিক ব্যবহার, যা এই বইটিতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে লেখকের নিজস্ব আবেগ ও বর্ণনার শৈল্পিক সংমিশ্রণই একে একটি অনন্য <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</p>
১০৩৯

মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ কোন ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লিখিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কারবালার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কারবালার যুদ্ধ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ মূলত ইসলামের ইতিহাসের এক করুণ ও শোকাবহ অধ্যায়কে কেন্দ্র করে লেখা।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম ‘বিষাদ সিন্ধু’—অর্থাৎ বিষাদের বা শোকের সমুদ্র।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর শাহাদাত এবং কারবালার প্রান্তরের ট্র্যাজেডিই এই বিষাদের মূল উৎস।</li>
<li>লেখক এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উপন্যাসের তিনটি খণ্ড—মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব সাজিয়েছেন।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘বিষাদ সিন্ধু’র কথা আসবে, তখনই মনে রাখবেন এটি <strong>কারবালার যুদ্ধ</strong> ও এর পরবর্তী করুণ পরিণতির ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি অমর সাহিত্যকর্ম।</p>
১০৪০

মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ গ্রন্থটি সম্পর্কে কোন উক্তিটি উপযোগী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
এটি ঐতিহাসিক ঘটনার আবেগ-নির্ভর মর্মস্পর্শীবর্ণনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এটি ঐতিহাসিক ঘটনার আবেগ-নির্ভর মর্মস্পর্শীবর্ণনা</strong>। কারণ মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ কোনো সাধারণ ইতিহাস গ্রন্থ নয়, বরং এটি কারবালার করুণ ও ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক ভিত্তি:</strong> কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডিকে লেখক এখানে উপজীব্য করেছেন।</li>
<li><strong>আবেগ ও শিল্পগুণ:</strong> লেখক ইতিহাসের শুষ্ক তথ্যের চেয়ে ঘটনার ভেতরের মানবিক আবেগ, শোক এবং মর্মস্পর্শী বর্ণনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।</li>
<li><strong>সাহিত্যের ধরন:</strong> এটি ইতিহাস বা মহাকাব্য নয়, বরং ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি আবেগঘন গদ্যশিল্প।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যের বিচারে এটি ঐতিহাসিক ঘটনার এক অনন্য ও আবেগপূর্ণ শৈল্পিক রূপায়ণ।</p>
১০৪১

‘উদাসীন পাথিকের মনের কথা’ কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আত্মজৈবনিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মজৈবনিক উপন্যাস</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের লেখা ‘উদাসীন পাথিকের মনের কথা’ মূলত একটি চমৎকার আত্মজৈবনিক উপন্যাস।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই রচনায় লেখক নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে উপন্যাসের শৈল্পিক রূপ মিশিয়ে দিয়েছেন।</li>
<li>এটি লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনাপ্রবাহ এবং সমসাময়িক সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে, যা একে আত্মজৈবনিক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের জীবনের ছায়া অবলম্বনে লেখা বলেই এটি আত্মজৈবনিক ঘরানার একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
১০৪২

‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস।</li>
<li>১৮৯০ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে তৎকালীন নীলকরদের অত্যাচার এবং গ্রামীণ সমাজের চিত্র খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের লেখনীতে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার যে দক্ষতা ছিল, এই বইটি তার অন্যতম সেরা উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নীল বিদ্রোহ ও তৎকালীন সামাজিক অসংগতি নিয়ে লেখা এই কালজয়ী রচনার লেখক হলেন মীর মশাররফ হোসেন।</p>
১০৪৩

মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
ব্যাখ্যা:
<p>মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনার সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong>। এটি মূলত লেখকের নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও সমসাময়িক সমাজের চিত্র নিয়ে লেখা একটি অনন্য গ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গাজী মিয়াঁর বস্তানী</strong> গ্রন্থটি লেখকের আত্মজীবনীমূলক রচনার একটি অন্যতম নিদর্শন।</li>
<li>এই বইটিতে লেখক ছদ্মনামে নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও তৎকালীন সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই নামটির সাথে 'আত্মজীবনী' শব্দটি মিলিয়ে নিলেই হবে।</li>
</ul>
১০৪৪

‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ কি ধরনের রচনা

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের লেখা ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এটি একটি <strong>ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস</strong>, যেখানে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি ও বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বইটির নাম ‘বস্তানী’ হলেও এর গঠনশৈলী এবং বিষয়বস্তু কথাসাহিত্যের বা উপন্যাসের ধারার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত রচনার ভিড়ে এটি তার গদ্যশৈলী ও সমাজ সচেতনতার এক চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
১০৪৫

মীর মশাররফ হোসেনের ‘মোসলেম বীরত্ব’ কোন ধরনের গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের তালিকায় ‘মোসলেম বীরত্ব’ একটি বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে। এটি মূলত একটি কাব্যধর্মী রচনা, যেখানে তিনি মুসলিম বীরদের শৌর্য-বীর্যের কাহিনী কাব্যিক ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের গদ্য রচনার পাশাপাশি কাব্যচর্চাও ছিল বেশ সমৃদ্ধ।</li>
<li>‘মোসলেম বীরত্ব’ নামটি শুনলেই বোঝা যায় এটি কোনো কাহিনী বা বীরত্বগাথা, যা তিনি কাব্যের আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong> হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
১০৪৬

নিচের কোনটি মীর মশাররফ হোসেনের জন্মমৃত্যু সাল?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭-১৯১২
ব্যাখ্যা:
<p>মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ও মৃত্যু সাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ ধাপটি অনুসরণ করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১৮৪৭ সাল।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৯১২ সাল।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ১৮৪৭ থেকে ১৯১২ পর্যন্ত সময়কালটি মীর মশাররফ হোসেনের জীবনকাল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৮৪৭-১৯১২</strong>। এই সাল দুটি বারবার দেখলে বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সাথে মিলিয়ে নিলে খুব দ্রুত মনে রাখা সম্ভব।</p>
১০৪৭

কোন বইটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়ার বস্তানী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়ার বস্তানী</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>গাজী মিয়ার বস্তানী</strong> মূলত একটি সামাজিক নকশা বা ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস, যেখানে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত বিষাদ সিন্ধুর পাশাপাশি এই বইটি তাঁর গদ্যশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না।</li>
</ul>
১০৪৮

‘গাজী মিয়ার বস্তানী’ কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>‘গাজী মিয়ার বস্তানী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এই বইটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কিছু বিষয়:</p>

<ul>
<li>এটি মীর মশাররফ হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস</strong>।</li>
<li>বইটিতে তৎকালীন সমাজের নানা অসঙ্গতি, দুর্নীতি এবং বিচার ব্যবস্থার চিত্র খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতার একটি দর্পণ, যা লেখক তার নিজস্ব শৈলীতে তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—যখনই ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’র কথা আসবে, তখনই মীর মশাররফ হোসেনের নাম মনে রাখবেন। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্য রচনা হিসেবে পরিচিত।</p>
১০৪৯

নিচের কোন পুস্তকিটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জমিদার দর্পণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার দর্পণ</strong>। মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে <strong>জমিদার দর্পণ</strong> অন্যতম।</li>
<li>এটি মূলত তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচারের চিত্র তুলে ধরার জন্য লেখা হয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, মীর মশাররফ হোসেনের নামের সাথে 'দর্পণ' যুক্ত এই নাটকটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</li>
</ul>
১০৫০

জমিদার দর্পণ নাটকের নাট্যকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>জমিদার দর্পণ নাটকের নাট্যকার হলেন <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন কালজয়ী লেখক, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি ও জমিদারদের অত্যাচার তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি মূলত সিরাজগঞ্জের জমিদারদের অত্যাচারের পটভূমিতে লেখা একটি প্রতিবাদী সৃষ্টি।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত সব নাটকের নামের শেষে প্রায়ই 'দর্পণ' বা সামাজিক চিত্র ফুটে ওঠে, যা থেকে সহজেই এই নাটকটিকে আলাদা করা যায়।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।