<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: শ্র + √ধা + আ</strong>।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'শ্রদ্ধা' শব্দটি ভাঙলে প্রথমে পূর্বপদ <strong>'শ্র'</strong> পাই।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয় ধারণ অর্থে ধাতু <strong>'√ধা'</strong>।</li>
<li>এবং সবশেষে স্ত্রীবাচক বা ভাবার্থে প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় <strong>'আ'</strong>।</li>
<li>সবগুলো অংশ মিলিয়েই তৈরি হয় সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়টি: <strong>শ্র + √ধা + আ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রম + ইন</strong>।</p>
<p>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক <strong>'শ্রম'</strong>-এর সাথে কর্তৃকারকে 'ইন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'শ্রমী' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ যে শ্রম দেয় বা যে পরিশ্রম করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্যামলিমা</strong>। 'শ্যামলতা' বিশেষ্য পদটির একটি বহুল ব্যবহৃত এবং সুন্দর বিশেষ্য রূপ হলো 'শ্যামলিমা', যার অর্থ সবুজ বা স্নিগ্ধতার ভাব। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সাথে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এর রূপ পরিবর্তিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ ফয়জুল্লাহ</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে 'সত্যপীর' বা 'সত্যনারায়ণ' পুঁথি বা কাব্য রচনার ধারা বেশ জনপ্রিয় ছিল। কবি শেখ ফয়জুল্লাহ এই ধারার অন্যতম একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রণেতা এবং তার রচিত 'সত্যপীর' গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।</p>
১০৯৪০
মেঘশ্যাম উপমান কর্মধারয় সমাসের সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মেঘের মত শ্যাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! উপমান কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ ধর্মবাচক পদের (এখানে 'শ্যাম' বা কালো) সাথে উপমান পদের (প্রকৃত বস্তু 'মেঘ') তুলনা করা হয়। মেঘের মতো শ্যাম বা কালো—এই অর্থে সঠিক ব্যাসবাক্যটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: শচী+ইন্দ্র</strong>।</p>
<p>সন্ধি ভাঙার নিয়মটা খুব সহজ। এখানে প্রথম শব্দটির শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ($\text{ঈ}$) আছে এবং পরের শব্দটির শুরুতে হ্রস্ব ই-কার ($\text{ই}$) আছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ, কিংবা ই বা ঈ-এর পর ই বা ঈ থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। এই নিয়মে <strong>শচী + ইন্দ্র</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>শচীন্দ্র</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাগধী প্রাকৃত থেকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত ভাষার রূপ নেয়।</li>
<li>এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় রূপ বা <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong> থেকেই মূলত আমাদের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
<li>তাই বাংলা ভাষার উৎপত্তির মূল উৎস হিসেবে মাগধী প্রাকৃতকেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পশুরী</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণের এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচ সেরে সমাহার বা পাঁচ সের ওজনের পরিমাপকে এক কথায় <strong>পশুরী</strong> বলা হয়। এটি ঐতিহ্যগত ওজন পরিমাপের একটি পরিচিত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শায়িত</strong>।</p>
<p>শব্দরূপের নিয়মে 'শোয়া' ক্রিয়াপদের বিশেষণের রূপ হলো <strong>শায়িত</strong>, যার অর্থ শুয়ে আছে এমন। পরীক্ষার হলে এই ধরণের কনফিউজিং শব্দগুলো দ্রুত মনে রাখতে মূল শব্দের সাথে বিশেষণের রূপটা কেমন হয় (যেমন: পড়া থেকে পঠিত, শোয়া থেকে শায়িত) সেটা একটু খেয়াল রাখলেই উত্তর খুব সহজে বের করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুবর্ণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'সুবর্ণ' শব্দের অর্থ হলো খাঁটি সোনা বা স্বর্ণ। অন্যদিকে, 'সুচারু', 'সুকান্ত' এবং 'শোভন'—এই তিনটি শব্দই কোনো কিছুর সুন্দর বা আকর্ষণীয় রূপ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। তাই এরা সবাই সুন্দরের সমার্থক হলেও 'সুবর্ণ' সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উচ্চারণের সুবিধা</strong>।</p>
<p>সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো কথা বলার সময় বা উচ্চারণের সময় জিহ্বার কষ্ট কমানো। পাশাপাশি দুটি ধ্বনি দ্রুত ও সহজে একসাথে উচ্চারণ করার জন্য সন্ধি ব্যবহার করা হয়, যা আমাদের ভাষা ও বাকভঙ্গি আরও সুন্দর ও সাবলীল করে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেঁচে থাকার ইচ্ছা</strong>। খুব সহজ কথায়, কোনো কিছু জয় করার ইচ্ছাকে বলা হয় 'জিগীষা', কাউকে মারার ইচ্ছাকে বলে 'জিঘাংসা', আর কোনো কিছু শোনার ইচ্ছাকে বলা হয় 'শ্রুতিকষা' বা 'শুশ্রূষা'। ঠিক তেমনি, মানুষের মনে যে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার প্রবল স্পৃহা বা বাসনা কাজ করে, তাকে এক কথায় <strong>'জিজীবিষা'</strong> বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, তাই একটু খেয়াল রাখলেই এগুলো সহজে মনে রাখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শোক রূপ অনল</strong>।</p>
<p>কারণ, এটি একটি <strong>রূপক কর্মধারয় সমাস</strong>। যেখানে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা মিল কল্পনা করা হয়। এখানে 'শোক' (উপমেয়) এবং 'অনল' বা আগুন (উপমান)-এর মধ্যে অভেদ বোঝাতে মাঝখানে 'রূপ' ব্যবহার করে সঠিক ব্যাসবাক্য তৈরি করা হয়েছে।</p>
১০৯৪৯
‘গরিবের জন্য বড়লোকের দরজাটা মাছের মায়ের পুত্রশোকের মতোই’ - এ বাক্যে ‘মাছের পুত্রশোক’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথ্যা শোক</strong>।</p>
<p>বাংলা প্রবচনে <strong>‘মাছের মায়ের পুত্রশোক’</strong> প্রবাদটি অত্যন্ত চমৎকার একটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। মাছ ডিম পাড়ার পর তা খেয়ে ফেলে, তাই মাছের প্রকৃত অর্থে সন্তানের জন্য কোনো মায়া বা শোক থাকে না। ঠিক তেমনি, কেউ যখন মুখে বড় বড় মায়া কিংবা দুঃখের কথা দেখায় কিন্তু অন্তরে কোনো বেদনা বা আন্তরিকতা থাকে না, সেই কৃত্রিম ও ভান করা শোক বোঝাতেই এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। বাক্যটিতে গরিব মানুষের প্রতি বড়লোকদের অনুকম্পার ভানকে এই অর্থেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শোক রূপ অনল</strong>। এটি একটি <strong>রূপক কর্মধারয় সমাস</strong>-এর উদাহরণ।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, যেখানে উপমেয় (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে) এবং উপমানের (যার তুলনা করা হচ্ছে) মধ্যে অভেদ বা একরকম কল্পনা করা হয়, সেখানে 'রূপ' শব্দটি ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য লিখতে হয়। এখানে শোক এবং অনল (আগুন) দুটি আলাদা জিনিস নয়, বরং শোকটাই যেন আগুনের মতো পুড়ছে—এমন বোঝাতেই <strong>শোক রূপ অনল</strong> ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।