<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ + ণ</strong>।</p>
<p>‘উষ্ণ’ শব্দটির দিকে খেয়াল করলে দেখা যায়, এখানে মূর্ধন্য 'ষ'-এর সাথে মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়ে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি তৈরি করেছে। বানানের নিয়ম অনুযায়ী এমন শব্দগুলোতে সবসময় ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়, 'ন' নয়। তাই সহজ কথায় মনে রাখবেন—</p>
<ul>
<li>উষ্ণ = <strong>ষ + ণ</strong></li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাল</strong>। খুব সহজ কথায়, কোনো কিছুর মন্দ বা নেতিবাচক অবস্থার ঠিক উল্টো বা বিপরীত ধারণা প্রকাশ করতেই 'খারাপ' শব্দের বিপরীতে <strong>ভাল</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যতম</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, অনেকগুলো বিষয়ের বা ব্যক্তির মধ্য থেকে প্রধান বা বিশেষ কাউকে বোঝাতে <strong>‘অন্যতম’</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, "অনেকের মধ্যে একজন বা একটি" হলো অন্যতম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>শ্রুতিমধুর করে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। এই মিলনের মূল উদ্দেশ্য হলো কথা বলার সময় বা লেখার সময় উচ্চারণ সহজ করা এবং ভাষার সৌন্দর্য বাড়িয়ে কানকে আরাম দেওয়া, অর্থাৎ ভাষাকে আরও <strong>শ্রুতিমধুর করে</strong> তোলা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রু + অন</strong>। খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>প্রকৃতি বা ধাতু নির্ণয়ের সময় মূল কাজটি ধরতে হয়, এখানে শোনার কাজটি মূল ধাতু <strong>'শ্রু'</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>আর শব্দের শেষে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>তাই কৃৎপ্রত্যয় যোগে সঠিক বিশ্লেষণটি হলো: <strong>শ্রু + অন = শ্রবণ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীহীন</strong>।</p>
<p>শব্দার্থ ও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'শ্রীযুক্ত' শব্দের অর্থ হলো শ্রী বা শোভা যুক্ত। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয় <strong>শ্রীহীন</strong> শব্দটি, যার অর্থ যার কোনো শ্রী বা কান্তি নেই। তাই খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারি সঠিক উত্তরটি অপশন সি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীধর</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতান ফিরোজ শাহের আমলেই কবি শ্রীধর 'বিদ্যাসুন্দর' কাব্য রচনা করেছিলেন, যা সে thờiকার সাহিত্য ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবীন্দ্র পরমেশ্বর</strong>। কারণ, সুলতানি আমলের বাংলার করণের শাসক পরাগল খাঁর অর্দেশে মহাভারতের একটি অংশের বাংলা অনুবাদ শুরু করেছিলেন এই কবি। আর তাঁর নামানুসারেই এই অনুবাদগ্রন্থটির নাম দেওয়া হয় <strong>'পরাগলী মহাভারত'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্তরঞ্জন রায়</strong>।</p>
<p>বাঁকুড়ার কাঁটরা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে ১৯০৯ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী যে প্রাচীন পুথিটি আবিষ্কার করেন, তার গায়ে কোনো নাম লেখা ছিল না। পরবর্তীতে পুথিটির ভেতরের কাহিনীর সাথে মিল রেখে এর নাম দেন <strong>'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'</strong> এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশ করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।</p>
১০৯১৫
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের একখানি পুঁথিতে এর প্রকৃত নামের যে পরোক্ষ হদিস পাওয়া যায়, সেটি কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্যাবিন্দূপ যখন বাঁকুড়ার কাঁটরা গ্রাম থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন, তখন এর কোনো প্রারম্ভিক বা সমাপনী পাতা ছিল না। তবে পুঁথির ভেতরে বা শেষাংশে প্রাপ্ত সূত্র ও নামের ইঙ্গিত থেকে জানা যায় যে, এর প্রকৃত নামটি ছিল <strong>শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ</strong>। এই নামটির পরোক্ষ হদিস থেকেই পরবর্তীতে একে মধ্যযুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে চেনা সহজ হয়েছে।</p>
১০৯১৬
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণবিজয়</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এটি হলো দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ। মালাধর বসু এটি সংস্কৃত গ্রন্থ থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন। আর যদি প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ জানতে চাও, তবে সেটার উত্তর হবে কৃত্তিবাস ওঝার করা 'রামায়ণ'। এভাবে নামগুলো একটু মনে রাখলেই পরীক্ষায় খুব সহজে উত্তর করা যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণবিজয়</strong>। কারণ মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি মালাধর বসু শ্রীভাগবত বা শ্রীমদ্ভাগবত গ্রন্থের দশম ও একাদশ স্কন্ধের বাংলা অনুবাদ করেন, যা পরবর্তীতে <strong>'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'</strong> নামে খ্যাতি লাভ করে। এই গ্রন্থটির জন্য সুলতান শাহ হোসেন শাহ তাঁকে 'গুণরাজ খাঁ' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</p>
১০৯১৮
বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনীকাব্য কাকে অবলম্বন করে লেখা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীচৈতন্যদেবকে</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে জীবনী কাব্য লেখার ধারা মূলত শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও তাঁর অলৌকিক প্রচারণাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছিল। মুরারি গুপ্তের 'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত' বা বৃন্দাবনাদাসের 'শ্রীচৈতন্যভাগবত' হলো এই ধারادলের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন, যা সরাসরি শ্রীচৈতন্যদেবকে অবলম্বন করেই রচিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য</strong>। একটু খেয়াল রাখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়—মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আবিষ্কৃত প্রথম নিদর্শন হলো বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্যটি। চর্যাপদ হলো প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন, আর শূন্যপূরণ একটি ধর্মীয় গ্রন্থ হলেও তা মধ্যযুগের আদি নিদর্শন হিসেবে গণ্য হয় না। তাই মধ্যযুগের সূচনার প্রথম ও আদি নিদর্শন হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটিকেই ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বা কাব্য হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই কাব্যটিকে প্রামাণ্যভাবে গ্রহণ করা হয়। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে লেখা এই কাব্যটি আবিষ্কারের পর থেকেই মধ্যযুগের সূচনার ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।