<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এই নির্দেশক কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি গীতনাট্য বা নাট্যগীত কাব্য। এটি সমসাময়িক সমাজে পালাগানের মতো অভিনীত হতো এবং এতে নাটকীয় সংলাপ ও গীতের অপূর্ব সমন্বয় দেখতে পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মালাধর বসু</strong>। কারণ, বাংলার সুলতান বাতশাহ হোসেন শাহ বা গন্ধর্ব সেনের আমলে মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি মালাধর বসু তাঁর অসাধারণ অনুবাদ সাহিত্য কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ <strong>'গুণরাজ খান'</strong> উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরাগল খাঁ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো, সুলতানি আমলের মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে পরাগল খাঁর পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত বিখ্যাত। তিনি চট্টগ্রামের গভর্নর ছিলেন এবং তাঁরই উৎসাহ ও আদেশে কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের একটি অংশ বাংলায় অনুবাদ করেন। পরবর্তীতে তাঁর পুত্র ছুটি খাঁর উৎসাহেও শ্রীকর নন্দী মহাভারত অনুবাদ করেন, যা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়। তাই মনে রাখবে, মূল মহাভারতের অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর কাজটি করেছিলেন <strong>পরাগল খাঁ</strong>-এর অনুপ্রেরণায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবীন্দ্র পরমেশ্বর</strong>। বাংলার সুলতানি আমলের শাসক পরাগল খানের নির্দেশে তিনি মহাভারতের একটি অংশের বাংলা অনুবাদ শুরু করেন। তাই তাকেই মহাভারতের প্রাচীনতম বা আদি অনুবাদক হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মালাধর বসু</strong>। খুব সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক হলো, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা এবং শ্রীভাগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক হিসেবে মালাধর বসুর নাম বিশেষভাবে পরিচিত। তাকে তৎকালীন গৌড়ীয় সমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন সাহিত্যিক হিসেবে গণ্য করা হয়, যিনি সুলতান কসরত শাহের (গুনরাজ খান উপাধি প্রাপ্ত) পৃষ্ঠপোষকতায় এই অনুবাদ কর্ম সম্পন্ন করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য-চরিতামৃতম</strong>। মুরারিগুপ্ত শ্রীচৈতন্যদেবের একজন পরম ভক্ত ও ঘনিষ্ট পার্ষদ ছিলেন। তিনি সংস্কৃতে মহাপ্রভুর লীলানিয়া নিয়ে যে প্রামাণিক মহাকাব্য রচনা করেছিলেন, তার আসল ও পূর্ণাঙ্গ নাম হলো 'শ্রী শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য-চরিতামৃতম', যা সাধারণত 'মুরারিগুপ্তের কড়চা' নামেই বেশি পরিচিত হলেও মূল গ্রন্থটির সঠিক নাম এটিই।</p>
১০৯২৭
বাংলা সাহিত্যের প্রথম কোন ব্যক্তির জীবনী কাহিনী লেখা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী চৈতন্যদেব</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যে কারো জীবনকে কেন্দ্র করে পূর্ণাঙ্গ জীবনকাব্য বা জীবনী গ্রন্থ রচনার ধারা তাঁর মাধ্যমেই প্রথম শুরু হয়। বৃন্দাবনদাস ঠাকুরের লেখা 'শ্রীচৈতন্যভাগবত' হলো বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম কোনো ব্যক্তির জীবনকাহিনীর ওপর রচিত গ্রন্থ। তাই খুব সহজেই মনে রাখতে পারite যে, বাংলা সাহিত্যের প্রথম জীবনী সাহিত্য রচিত হয়েছে শ্রী চৈতন্যদেবকে নিয়ে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী বসন্তরঞ্জন রায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার কাঁকড়িয়ার এক গোয়ালঘর থেকে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি আবিষ্কার করেন <strong>শ্রী বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বানবিনোদ</strong>। বসুমতী সাহিত্য মন্দির থেকে তাঁর সম্পাদনাতেই এই কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয়। তাই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারক হিসেবে তাঁর নামটির কথা সবসময় মনে রাখতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমগ্র ভাগবতের সংক্ষিপ্ত অনুবাদ</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি শ্রীধর পণ্ডিত রচিত 'শ্রী কৃষ্ণপ্রেমতরঙ্গিনী' গ্রন্থটি মূলত পুরো শ্রীমদ্ভগবত পুরাণের একটি সহজ ও সংক্ষিপ্ত বাংলা রূপ বা অনুবাদ। তাই এটি কোনো আংশিক অনুবাদ বা নিছক প্রেমকাহিনী নয়, বরং সমগ্র ভাগবতের সারসংক্ষেপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী চৈতন্যভাগবত</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম জীবনী সাহিত্য বা জীবনীগ্রন্থ হলো বৃন্দাবনদাস ঠাকুর রচিত এই মহাকাব্যটি, যা শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী চৈতন্যদেব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মলগ্নে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল 'নিমাই' (বা বিশ্বম্ভর), কারণ তাঁর জন্ম হয়েছিল নিম গাছের নিচে। তাই ছোটবেলায় তাঁকে সবাই আদর করে নিমাই বলেই ডাকতেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুড়ি</strong>। কারণ এটি আমাদের আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা একটি দেশী শব্দ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এমন কিছু পরিচিত শব্দ যেমন— কুড়ি, ঢেঁকি, কুলা, গঞ্জ ইত্যাদি হলো দেশী শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রুতিধর</strong>। কথাটি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন— 'শ্রুতি' মানে শোনা এবং 'ধর' মানে ধারণ করা বা মনে রাখা। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি একবার শুনেই সবকিছু সহজে মনে রাখতে পারে, তাকে এককথায় <strong>শ্রুতিধর</strong> বলা হয়।</p>
১০৯৩৫
চোর শব্দে আ প্রত্যয় যুক্ত করলে কি অর্থ প্রকাশ করে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবজ্ঞা</strong>।</p>
<p>'চোর' একটি সাধারণ শব্দ। এর সাথে যখন 'আ' প্রত্যয় যুক্ত করা হয় (যেমন—চোরা), তখন তা চোরের প্রতি এক ধরণের অবজ্ঞা, অবহেলা বা হেয় প্রতিপন্ন করার অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করে এমন বিশেষ ভাব বা অর্থের প্রকাশ ঘটানো হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।