<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফাল্গুনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>ফাল্গুনী</strong> কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি বিখ্যাত <strong>সাংকেতিক নাটক</strong>।</li>
<li>১৯১৬ সালে প্রকাশিত এই নাটকটি তিনি তাঁর বন্ধু ও চিত্রশিল্পী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।</li>
<li>অন্যদিকে, সোনারতরী, সেঁজুতি এবং ক্ষণিকা—এই তিনটিই তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের ধরণ অনুযায়ী <strong>ফাল্গুনী</strong> কাব্যগ্রন্থের তালিকায় পড়ে না, এটি মূলত নাট্যসাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জল পড়ে পাতা নড়ে (উপন্যাস)</strong>। এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>জল পড়ে পাতা নড়ে</strong> হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি উপন্যাস, যেখানে তিনি শৈশবের স্মৃতি ও জীবনের নানা টানাপোড়েন ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ হলো—'গোরা' একটি উপন্যাস (গল্পগ্রন্থ নয়), 'শেষের কবিতা' একটি উপন্যাস (নাটক নয়), এবং 'শেষ প্রশ্ন' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস (নাটক নয়)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, হুমায়ূন আহমেদের এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে তার নিজস্ব ঘরানার এক অনন্য সৃষ্টি, তাই এটি একটি উপন্যাস হিসেবেই পরিচিত।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনারতরী’ কবিতাটি <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি অক্ষরের মাত্রা গণনা করা হয়। এখানে মুক্তাক্ষর সাধারণত ১ মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষর ২ মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>‘সোনারতরী’ কবিতার প্রতিটি চরণের পর্ববিন্যাস এবং মাত্রার বিন্যাস লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এটি একটি সুনির্দিষ্ট লয় বা ছন্দের তালে চলে, যা মাত্রাবৃত্তের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ছন্দে শব্দের ধ্বনি বা মাত্রার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক ছন্দ বজায় থাকে, সেটিই মাত্রাবৃত্ত। রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত কবিতাটি এই ছন্দের নিখুঁত প্রয়োগের একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
</ul>
১১৪৪
‘ছিন্নপত্র’ এর অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
<p>‘ছিন্নপত্র’ এর অধিকাংশ পত্রের প্রাপক হলেন <strong>ইন্দিরা দেবী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ যখন শিলাইদহ বা শাহজাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার কাজে থাকতেন, তখন তাঁর মনের ভাব ও প্রকৃতির বর্ণনা দিয়ে ইন্দিরা দেবীকে নিয়মিত চিঠি লিখতেন।</li>
<li>এই পত্রগুলোই পরবর্তীতে ‘ছিন্নপত্র’ বা ‘ছিন্নপত্রাবলী’ নামে সংকলিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পত্রসাহিত্য হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা <strong>'ভানুসিংহের পদাবলী'</strong> অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। তিনি বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন। তাই যখনই 'পদাবলী' বা 'ভানুসিংহের পদাবলী'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উত্তর হিসেবে বেছে নিতে পারেন।</p>
১১৪৬
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায়কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির মূল উপলব্ধি হলো <strong>ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>কবিতাটিতে কবি তার মনের জড়তা কাটিয়ে নতুন এক জীবনের জয়গান গেয়েছেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আবেগ ও সৃজনশীলতা যেন একটি ঝরনার মতো বাধা ভেঙে বেরিয়ে আসতে চাইছে।</li>
<li>কবি অনুভব করেছেন যে, সামনের দিনগুলো কেবল গণ্ডিবদ্ধ নয়, বরং তা অসীম এবং নতুন নতুন সম্ভাবনায় ভরপুর।</li>
<li>এই উপলব্ধির মাধ্যমেই কবি তার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে অবারিত পৃথিবীর বিশালতায় ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবি এখানে সংকীর্ণতাকে পেছনে ফেলে অজানাকে জানার এবং অসীমকে পাওয়ার যে আনন্দ, তা-ই ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই ভবিষ্যৎ তার কাছে অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় ও সম্ভাবনাময় মনে হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাজে কথা</strong>। এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে অসংখ্য প্রবন্ধ লিখেছেন।</li>
<li>'বাজে কথা' প্রবন্ধটি তাঁর চিন্তাশীল ও রম্য রচনার একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই মূল প্রবন্ধগ্রন্থের নামগুলো একবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৭ আগস্ট, ১৯৪১</strong>। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসটি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি বাংলা ১৩৪৮ সনের ২২ শ্রাবণ মৃত্যুবরণ করেন, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মৃত্যুর তারিখ: <strong>৭ আগস্ট, ১৯৪১</strong></li>
<li>বাংলা তারিখ: <strong>২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮</strong></li>
</ul>
<p>তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই তারিখটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৮ সালে</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ব্রিটিশ সরকার ১৯১৫ সালে ‘নাইট’ উপাধি প্রদান করে, তবে ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি এই উপাধি বর্জন করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য ছোট একটি কৌশল:</p>
<ul>
<li>উপাধি প্রাপ্তি: <strong>১৯১৫</strong></li>
<li>উপাধি বর্জন: <strong>১৯১৯</strong></li>
<li>যেহেতু প্রশ্নে উপাধি লাভের কথা বলা হয়েছে, তাই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ১৯১৫ সালটিই সঠিক।</li>
</ul>
<p>উল্লেখ্য যে, অনেক সময় পাঠ্যবই বা তথ্যের ভিন্নতার কারণে ১৯১৫ সালকে সঠিক ধরা হয়। আপনার অপশন অনুযায়ী ১৯১৮ সাল থাকলে সেটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।</p>
১১৫১
কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘নাইট’ উপাধি বর্জন করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে ব্রিটিশ বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালায়।</li>
<li>এই ঘটনার ভয়াবহতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গভীরভাবে মর্মাহত হন।</li>
<li>এর প্রতিবাদস্বরূপ তিনি ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া <strong>'নাইট' (Knight)</strong> উপাধি বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রিটিশদের এই অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে নিজের ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করতেই তিনি এই সম্মানজনক উপাধিটি ত্যাগ করেছিলেন।</p>
১১৫২
পারিবারিকভাবে ঐতিহ্যসূত্রে রবীন্দ্রনাথ কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রাহ্ম ধর্ম</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার ছিল ব্রাহ্মধর্মের অনুসারী।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের বাবা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের অন্যতম প্রধান নেতা।</li>
<li>পারিবারিকভাবেই ঠাকুর পরিবার মূর্তিপূজার পরিবর্তে নিরাকার ঈশ্বর উপাসনায় বিশ্বাসী ছিল, যা ব্রাহ্মধর্মের মূল ভিত্তি।</li>
<li>তাই ঐতিহাসিকভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আজীবন ব্রাহ্মধর্মের আদর্শ ও দর্শনের সাথেই যুক্ত ছিলেন।</li>
</ul>
১১৫৩
রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করেন কে?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি'-র ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশের পেছনে একটি চমৎকার যৌথ প্রচেষ্টা ছিল। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ও W. B Yeats</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ নিজে তাঁর কবিতার মূল ভাব ও দর্শন ইংরেজিতে রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>বিখ্যাত আইরিশ কবি <strong>W. B Yeats</strong> সেই অনুবাদের ভাষা ও শৈলীকে পরিমার্জন করে একে বিশ্বসাহিত্যের উপযোগী করে তোলেন।</li>
<li>এই যৌথ প্রচেষ্টার ফলেই 'গীতাঞ্জলি' বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয় এবং রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের ভাব আর ইয়েটসের শৈল্পিক ছোঁয়ার সংমিশ্রণই ছিল এই অনুবাদের মূল ভিত্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনপুরা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জমিদারির দেখাশোনা করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে কাটিয়েছেন, কিন্তু মনপুরায় তাঁর কোনো জমিদারি বা দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের ইতিহাস নেই।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের জমিদারি পরিচালনার প্রধান কেন্দ্রগুলো ছিল মূলত কুষ্টিয়ার <strong>শিলাইদহ</strong>, সিরাজগঞ্জের <strong>শাহজাদপুর</strong> এবং নওগাঁর <strong>পতিসর</strong>।</li>
<li>তিনি এই তিন জায়গায় বারবার যাতায়াত করেছেন এবং তাঁর অনেক বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম এই স্থানগুলোর পটভূমিতেই রচিত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>মনপুরা</strong> ভোলা জেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ, যার সাথে কবির ব্যক্তিগত বা কর্মজীবনের কোনো সংযোগ পাওয়া যায় না।</li>
</ul>
১১৫৫
‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ভূমিকা ইংরেজিতে লিখেন কোন কবি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ডব্লিও বি ইয়েটস্</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থটি যখন ১৯১২ সালে লন্ডনে প্রকাশিত হয়, তখন এর ইংরেজি অনুবাদের নাম ছিল <em>Song Offerings</em>।</li>
<li>এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির গুরুত্ব বিশ্বদরবারে তুলে ধরার জন্য এর ভূমিকা লিখেছিলেন আইরিশ কবি <strong>ডব্লিও বি ইয়েটস্</strong> (W. B. Yeats)।</li>
<li>ইয়েটসের লেখা সেই চমৎকার ভূমিকাটিই মূলত গীতাঞ্জলিকে বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।