<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগাযোগ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসটি মূলত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা।</p>
<p>কেন এটি সঠিক, তা খুব সহজে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>যোগাযোগ</strong> উপন্যাসে কুমুদিনী ও মধুসূদনের দাম্পত্য জীবনের মাধ্যমে তৎকালীন উচ্চবিত্ত সমাজের রক্ষণশীলতা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল ভিত্তিই হলো বংশমর্যাদা এবং সামাজিক নিয়মনীতির সাথে ব্যক্তির নিজস্ব সত্তার সংঘাত।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ এখানে দেখিয়েছেন, কীভাবে সামাজিক প্রথা ও সংস্কার মানুষের স্বাভাবিক আবেগকে বাধাগ্রস্ত করে, যা এই উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য।</li>
</ul>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোটগল্প হলো <strong>ভিখারিনী</strong>। এটি ১৮৭৪ সালে 'জ্ঞানঙ্কুর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন মাত্র ১৩-১৪ বছরের কিশোর, তখন তিনি এই গল্পটি লিখেছিলেন।</li>
<li>সাহিত্যিক জীবনের একদম শুরুর দিকের কাজ হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখা জরুরি যে তাঁর প্রথম ছোটগল্পটি হলো <strong>ভিখারিনী</strong>।</li>
</ul>
১১৭৩
‘মা আমার ছুটি হয়েছে, আমি বাড়ি যাচ্ছি’ -কোন গল্পের উদ্ধৃতি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছুটি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ফটিকের মুখে এই সংলাপটি শোনা যায়।</p>
<p>গল্পের মূল ভাবটি বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>গল্পের শুরুতে ফটিক তার বন্ধুদের সাথে মিলে নদীর ধারে একটি গাছের গুঁড়ি সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করে।</li>
<li>যখন সে তার বন্ধুদের সাথে খেলায় মত্ত, তখন তার মা তাকে ডাকতে আসেন।</li>
<li>মায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে এবং নিজের খেলার জগত থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই ফটিক এই কথাটি বলে।</li>
<li>এই সংলাপটি মূলত ফটিকের মনের সেই চিরচেনা আকুতিকে প্রকাশ করে, যা গল্পের নামকরণের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ল্যাবরেটরী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের ভাণ্ডার অনেক বিশাল, তবে তাঁর লেখা সর্বশেষ ছোটগল্পটি হলো 'ল্যাবরেটরী'।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে ১৯৪১ সালে এই গল্পটি রচনা করেন।</li>
<li>গল্পটি তাঁর মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগে প্রকাশিত হয়, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই তাঁর শেষ ছোটগল্প হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, রবীন্দ্রনাথের জীবনের একদম শেষ দিকের সৃষ্টিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা তাঁর আধুনিক মননশীলতার পরিচয় বহন করে।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>বিশ্বপরিচয়</strong>। এই বইটি মূলত বিজ্ঞানের বিভিন্ন জটিল বিষয়কে সহজ ও সাবলীল ভাষায় সাধারণ পাঠকের কাছে তুলে ধরার জন্য লেখা হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিশ্বপরিচয়</strong> গ্রন্থটিতে মহাবিশ্ব, নক্ষত্র এবং বিজ্ঞানের মৌলিক তত্ত্বগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য সাহিত্যকর্মের তুলনায় এটি সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ এখানে তিনি বিজ্ঞানমনস্কতার পরিচয় দিয়েছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, এটি একটি প্রবন্ধগ্রন্থ, কোনো গল্প বা উপন্যাস নয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কালান্তর’ মূলত একটি চিন্তাশীল প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই গ্রন্থে তিনি সমসাময়িক সমাজ, রাজনীতি এবং রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
<li>যেহেতু এখানে কোনো কাল্পনিক গল্প বা ছন্দের ব্যবহার নেই, বরং যুক্তিনির্ভর আলোচনা রয়েছে, তাই এটি একটি <strong>প্রবন্ধ</strong> জাতীয় গ্রন্থ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন, ‘কালান্তর’ মানেই সময়ের পরিবর্তন নিয়ে লেখকের নিজস্ব বিশ্লেষণ বা প্রবন্ধ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভ্রমণকাহিনী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৩০ সালে সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই বইটি লিখেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ যখনই কোনো দেশ ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার সমাজ, রাজনীতি বা জীবনযাত্রা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন, সেই লেখাগুলোই মূলত <strong>ভ্রমণসাহিত্য</strong> বা <strong>ভ্রমণকাহিনী</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>‘রাশিয়ার চিঠি’ কোনো সাধারণ ব্যক্তিগত পত্র নয়, বরং এটি রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি কবির মুগ্ধতা ও বিশ্লেষণের এক অনন্য দলিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘রাশিয়ার চিঠি’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>ভ্রমণকাহিনী</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। কারণ এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> হলো কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, সোনার তরী, চিত্রা এবং বলাকা—এই তিনটিই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখুন, 'বিদ্রোহী' ভাবধারার যেকোনো কাব্যগ্রন্থের নাম শুনলেই সেটি সাধারণত নজরুলের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।</p>
১১৭৯
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ -এটি রচনার প্রেক্ষাপট কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গবিভাগজনিত জাতীয় আন্দোলন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন যখন বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেন, তখন পুরো বাংলায় তীব্র অসন্তোষ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।</li>
<li>এই সময়কার স্বদেশি আন্দোলনের মূল সুর ছিল বাংলার মানুষের ঐক্য ও দেশপ্রেম।</li>
<li>কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই উত্তাল সময়েই বঙ্গভঙ্গ রদ করার দাবি এবং বাংলার মানুষের অটুট বন্ধনকে তুলে ধরতে এই কালজয়ী গানটি রচনা করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে যে জাতীয়তাবাদী চেতনার জন্ম হয়েছিল, সেই প্রেক্ষাপটেই এই গানটি বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।</p>
১১৮০
রবীন্দ্রনাথ নিচের কোন দেশে ভ্রমণ করে প্রবন্ধ লিখেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপান</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৬ সালে জাপান ভ্রমণ করেন এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধগুলো রচনা করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ১৯১৬ সালে জাপানে যান এবং সেখানে তিনি জাপানি সংস্কৃতি ও শিল্পকলা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর এই সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা প্রবন্ধগুলো পরবর্তীতে <strong>'জাপান যাত্রী'</strong> নামক গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।</li>
<li>জাপানের প্রকৃতি এবং সে দেশের মানুষের জীবনধারা তাঁর লেখায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটকের নাম</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘রক্তকরবী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রতীকী নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই সৃষ্টিটি মূলত একটি রূপকধর্মী নাটক, যেখানে যক্ষপুরীর প্রেক্ষাপটে মানুষের যন্ত্রসভ্যতা ও শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক ধারায় এটি কোনো গল্প বা উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী একটি ধ্রুপদী নাটক হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফাল্গুনী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের ধরন অনুযায়ী এর একটি নির্দিষ্ট শ্রেণিবিভাগ রয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>ফাল্গুনী</strong> মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত <strong>নাটক</strong> বা রূপক-সাংকেতিক নাটক, কাব্যগ্রন্থ নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, সোনার তরী, সেঁজুতি এবং ক্ষণিকা—এই তিনটিই তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, রবীন্দ্রনাথের নাটক এবং কাব্যগ্রন্থের নামগুলো আলাদাভাবে একটু খেয়াল করলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। প্রতি বছর বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫শে বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন পালন করা হয়। এই দিনটি আমাদের কাছে 'রবীন্দ্রজয়ন্তী' হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম: ২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ।</li>
<li>ইংরেজি তারিখ অনুযায়ী এটি সাধারণত ৮ই মে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ২৫শে বৈশাখ বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশ্বকবির সেই চিরচেনা মুখ। তাই এই প্রশ্নের উত্তরটি মনে রাখা একদমই কঠিন কিছু নয়!</p>
<p>ঠাকুর পরিবারের আদি পদবী ছিল <strong>কুশারী</strong>। এই বিষয়টি নিয়ে অনেকের মনেই কৌতূহল থাকে, তবে এর পেছনের ইতিহাসটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>ঠাকুর পরিবারের পূর্বপুরুষরা মূলত বন্দ্যোপাধ্যায় বংশের ছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে একজন 'কুশ' নামক গ্রাম থেকে দীক্ষা বা বিশেষ সম্মান লাভ করেছিলেন।</li>
<li>সেই গ্রাম বা অঞ্চলের নামানুসারেই তাদের বংশের পদবী হয়ে যায় <strong>কুশারী</strong>।</li>
</ul>
<p>পরবর্তীকালে এই পরিবারের সদস্যরা যখন জোড়াসাঁকোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং তাদের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়, তখন থেকেই তারা 'ঠাকুর' পদবীতে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তবে ঐতিহাসিকভাবে তাদের মূল শিকড় বা আসল পদবী হলো কুশারী।</p>
<p>বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'র রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই কালজয়ী গানটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই গানের প্রথম দশ লাইন আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।