<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ লেখা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পরে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান একটি কাজ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলোতে যে কবিতাগুলো লিখেছিলেন, সেগুলোই এই কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।</li>
<li>নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি তাঁর জীবনের <strong>শেষ</strong> পর্যায়ের <strong>লেখা</strong> বা সৃষ্টি।</li>
<li>তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, তাই একে তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বনফুল</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে লেখা এটিই তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের কাব্যচর্চার একদম শুরুর দিকের কাজ এটি।</li>
<li>১৮৮০ সালে যখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর, তখন তিনি এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ক্যারিয়ারের প্রথম ধাপ হিসেবে 'বনফুল' নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার জন্য একদম সহজ হয়ে যাবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষের কবিতা</strong>। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শেষের কবিতা</strong> মূলত অমিত ও লাবণ্যের প্রেমকাহিনি নিয়ে রচিত একটি আধুনিক উপন্যাস।</li>
<li>বাকি অপশনগুলোর মধ্যে পদ্মাবতী হলো নাটক, মহাশ্মশান হলো মহাকাব্য এবং রক্তাক্ত প্রান্তর হলো একটি ঐতিহাসিক নাটক।</li>
<li>তাই সাহিত্যের ধরন অনুযায়ী এটিই একমাত্র উপন্যাস।</li>
</ul>
১১৫৯
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গদ্য নাটকটি শরৎচন্দ্রকে উৎসর্গ করেছিলেন?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত গদ্য নাটক <strong>'কালের যাত্রা'</strong> শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেছিলেন। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ও শরৎচন্দ্রের মধ্যে গভীর সাহিত্যিক ও ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই নাটকটি উৎসর্গ করার সময় শরৎচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী লেখক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে এই উৎসর্গপত্রটি বেশ আলোচিত, কারণ এটি দুই দিকপালের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, <strong>'কালের যাত্রা'</strong> নাটকটির সাথে শরৎচন্দ্রের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
১১৬০
নিচের কবিতাংশটি কোন কবির রচনা? ‘নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিন ঠাঁই আর নাহিরে’।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কবিতা <strong>'বর্ষার দিনে'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>কবিতাটি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি বিষয়ক কবিতায় বর্ষার রূপ বর্ণনা করার এক অনন্য শৈলী রয়েছে।</li>
<li>'নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে'—এই ছন্দময় ও গীতিধর্মী শব্দচয়ন মূলত রবীন্দ্রনাথের কাব্যরীতিরই বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>তিনি বর্ষার প্রকৃতিকে যেভাবে মানুষের মনের অনুভূতির সাথে মিলিয়েছেন, তা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।</li>
</ul>
১১৬১
'যে আছে অপেক্ষা করে, তার পরণে ঢাকাই শাড়ী, কপালে সিদুঁর-কার লেখা?
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> লেখা। তাঁর কাব্যশৈলীতে নারীর রূপ ও অপেক্ষার যে স্নিগ্ধ চিত্র ফুটে ওঠে, এই লাইনটি তারই এক অনন্য উদাহরণ।</p>
<ul>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অপেক্ষা' বা এই জাতীয় ভাবধারার কবিতার অংশবিশেষ।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> রবীন্দ্রনাথের কবিতায় প্রায়ই এমন সহজ অথচ গভীর আবেগের প্রকাশ দেখা যায়, যা খুব সহজেই পাঠককে স্পর্শ করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম নাটক হলো <strong>বাল্মীকি প্রতিভা</strong>। এটি ১৮৮১ সালে প্রকাশিত হয়। এই নাটকটি মূলত একটি গীতিনাট্য, যা বাল্মীকি মুনির দস্যু থেকে ঋষিতে পরিণত হওয়ার পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে লেখা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের নাট্য রচনার শুরুর দিকেই এই গীতিনাট্যটি স্থান পায়।</li>
<li>এটি কবির প্রথম সার্থক গীতিনাট্য হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সালটি মনে রাখতে পারেন: <strong>১৮৮১</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিত্রাঙ্গদা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি বিশেষ ধারার সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>চিত্রাঙ্গদা</strong> মূলত একটি গীতিনাট্য বা নৃত্যনাট্য হিসেবে পরিচিত, যেখানে নাচ ও গানের মাধ্যমে কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্যগুলোর মধ্যে <strong>চিত্রাঙ্গদা</strong>, <strong>চণ্ডালিকা</strong> এবং <strong>শ্যামা</strong> সবচেয়ে জনপ্রিয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে 'বিসর্জন' ও 'রক্তকবরী' নাটক এবং 'চতুরঙ্গ' একটি উপন্যাস, তাই এগুলো নৃত্যনাট্যের তালিকায় পড়ে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মঞ্চে নৃত্য ও সংগীতের সমন্বয়ে পরিবেশিত হয় বলেই এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নৃত্যনাট্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রক্তকরবী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই রূপকধর্মী নাটকটি মূলত যক্ষপুরীর যান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়গান গায়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নন্দিনী</strong> এই নাটকের প্রধান চরিত্র, যে প্রাণশক্তির প্রতীক।</li>
<li><strong>কিশোর</strong> হলো নন্দিনীর ভক্ত এক কিশোর চরিত্র, যে মাটির নিচে সোনা খোঁজার কাজ করত।</li>
<li>পুরো নাটকটি আবর্তিত হয়েছে নন্দিনীকে কেন্দ্র করেই, তাই এই চরিত্রগুলোর নাম শুনলেই সরাসরি <strong>রক্তকরবী</strong> নাটকের কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিরকুমার সভা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই নাটকটি একটি চমৎকার প্রহসন বা রঙ্গনাট্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটকগুলোর মধ্যে <strong>চিরকুমার সভা</strong> তার হালকা মেজাজ এবং হাস্যরসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>এটি মূলত একটি সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক নাটক, যেখানে অবিবাহিত থাকার শপথ নেওয়া একদল যুবকের মজার সব কাণ্ডকারখানা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন, রবীন্দ্রনাথের রঙ্গনাট্য বা প্রহসন বললেই <strong>চিরকুমার সভা</strong> নামটি সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাকঘর</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো ছোট্ট ছেলে অমল।</p>
<p>অমল চরিত্রটি কেন এত জনপ্রিয়, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>অমল একটি অসুস্থ শিশু, যে তার ঘরের জানালার পাশে বসে বাইরের বিশাল পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে।</li>
<li>তার এই সরল কৌতূহল এবং অজানাকে জানার তীব্র আকাঙ্ক্ষাই নাটকের মূল বিষয়বস্তু।</li>
<li>অমল চরিত্রটি মূলত মানুষের আত্মার মুক্তি এবং অসীমকে পাওয়ার আকুলতার প্রতীক হিসেবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘অমল’ চরিত্রের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি রবীন্দ্রনাথের <strong>ডাকঘর</strong> নাটকেরই অংশ।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস হলো <strong>করুণা</strong>। অনেকেই হয়তো 'বৌ-ঠাকুরাণীর হাট' বা 'রাজর্ষি'র কথা ভাবেন, কিন্তু সাহিত্যিক বিচারে রবীন্দ্রনাথের লেখা প্রথম উপন্যাস হিসেবে <strong>করুণা</strong>-কেই ধরা হয়।</p>
<ul>
<li>এটি ১৮৭৭-৭৮ সালের দিকে 'ভারতী' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>যদিও পরবর্তীকালে তিনি একে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেননি, তবুও কালানুক্রমিক হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস রচনার হাতেখড়ি হয়েছিল এই <strong>করুণা</strong> দিয়েই।</p>
১১৬৮
রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিপ্রসূত উপন্যাস কোনটি?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে মূলত <strong>গোরা</strong> এবং <strong>চার অধ্যায়</strong> উপন্যাসে। এই দুটি উপন্যাসকে তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বলা হয়। কেন এই উত্তরটি সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গোরা:</strong> এই উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথ জাতীয়তাবাদ, ধর্ম এবং ঔপনিবেশিক শাসনের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় সমাজের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>চার অধ্যায়:</strong> এটি তাঁর শেষ উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন বিপ্লবী আন্দোলনের আদর্শ এবং তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে অত্যন্ত গভীর ও সমালোচনামূলক রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই দুটি উপন্যাসের মূল উপজীব্যই হলো রাজনীতি এবং দেশপ্রেম, যা অন্য অপশনগুলোর তুলনায় একদম আলাদা ও স্পষ্ট।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী উপন্যাস <strong>‘শেষের কবিতা’</strong>-এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো অমিত রায় এবং লাবণ্য। এই উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এই দুই চরিত্রের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রেম ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে।</p>
<ul>
<li><strong>অমিত রায়:</strong> বিলেতফেরত ব্যারিস্টার, যে কিনা বুদ্ধিদীপ্ত এবং কিছুটা বাচাল প্রকৃতির।</li>
<li><strong>লাবণ্য:</strong> শান্ত, ধীরস্থির এবং গভীর ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন নারী।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই উপন্যাসে অমিত ও লাবণ্যের মধ্যকার কথোপকথন এবং তাদের সম্পর্কের বিবর্তনই মূল উপজীব্য, যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতা তৈরি করেছে।</p>
১১৭০
উপন্যাস রচনার প্রথমদিকে রবীন্দ্রনাথ কার উপন্যাস দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন?
<p>উপন্যাস রচনার শুরুর দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মূলত <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> সাহিত্যশৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন বাংলা উপন্যাসের জনক, তাই তৎকালীন সময়ের প্রায় সব লেখকই তাঁর লেখার ধরণ ও শৈলী অনুসরণ করতেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোতে বঙ্কিমী ঘরানার রোমান্টিকতা এবং ভাষার ব্যবহারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।</li>
<li>পরবর্তীতে রবীন্দ্রনাথ নিজের স্বতন্ত্র ও আধুনিক গদ্যশৈলী তৈরি করে ফেললেও, শুরুর দিকে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রভাব ছিল অনিবার্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা উপন্যাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রভাব তৎকালীন সাহিত্যিকদের ওপর ছিল ব্যাপক, যার বাইরে রবীন্দ্রনাথও ছিলেন না।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।