eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১২৩১

”অপর্ণা” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের নায়িকা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিসর্জন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিসর্জন</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী নাটকের প্রধান নারী চরিত্র হলো অপর্ণা।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের <strong>বিসর্জন</strong> নাটকের মূল উপজীব্য হলো অন্ধকারের বিপরীতে সত্য ও প্রেমের জয়।</li>
<li>এখানে অপর্ণা চরিত্রটি তার অটল বিশ্বাস এবং ত্যাগের মাধ্যমে নাটকের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন—<strong>অপর্ণা</strong> মানেই হলো <strong>বিসর্জন</strong> নাটকের সেই সাহসী ও মমতাময়ী নায়িকা।</li>
</ul>
১২৩২

প্রমথ চৌধুরী একজন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রাবন্ধিক
১২৩৩

‘বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি কোন ধরনে রচনা

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। প্রমথ চৌধুরী, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন, তাঁর লেখা এই গ্রন্থটি মূলত একটি প্রবন্ধ সংকলন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে <strong>চলিত রীতির</strong> প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর অধিকাংশ রচনাই মূলত চিন্তাশীল ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রবন্ধ।</li>
<li>‘বীরবলের হালখাতা’ বইটিতে লেখকের বিভিন্ন সময়ে লেখা সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধগুলো একত্রিত করা হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যের ধরণ অনুযায়ী এটি একটি চমৎকার <strong>প্রবন্ধ</strong> গ্রন্থ।</p>
১২৩৪

‘চার ইয়ারী কথা’ গ্রন্থ কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। তাঁর লেখা <strong>‘চার ইয়ারী কথা’</strong> গ্রন্থটি মূলত চারটি গল্পের সমষ্টি, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটি তাঁর অনন্য গদ্যশৈলী এবং বুদ্ধিবৃত্তিক রসবোধের এক দারুণ উদাহরণ।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> প্রমথ চৌধুরী</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৬ সাল</li>
<li><strong>ধরন:</strong> গল্প সংকলন</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, প্রমথ চৌধুরীর তীক্ষ্ণ লেখনী ও আধুনিক মননশীলতার পরিচয় পাওয়া যায় এই বিখ্যাত গ্রন্থটিতে।</p>
১২৩৫

চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তন কে করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বীরবল
ব্যাখ্যা:
<p>চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>, যিনি সাহিত্যে <strong>বীরবল</strong> ছদ্মনামে পরিচিত। বাংলা গদ্যকে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>

<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি চলিত ভাষারীতিকে বাংলা সাহিত্যে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
<li>তাঁর লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা গদ্য এক নতুন প্রাণশক্তি ও সাবলীল গতি পায়।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চলিত গদ্যের জনক বা সার্থক প্রবর্তক হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
১২৩৬

চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষাকে একটি সুসংহত ও মার্জিত রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর অবদান সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের প্রধান বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
<li>তাঁর বলিষ্ঠ লেখনী ও যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধের মাধ্যমেই চলিত ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে তিনি বাংলা গদ্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন।</p>
১২৩৭

প্রমথ চৌধুরী কোন বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রভাবিত করেছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চলিত ভাষার ব্যবহারে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত ভাষার ব্যবহারে</strong>। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক এবং এর অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী তাঁর <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহারের পক্ষে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমথ চৌধুরীর এই আধুনিক ও বলিষ্ঠ গদ্যরীতির দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।</li>
<li>এর ফলে রবীন্দ্রনাথ তাঁর পরবর্তী অনেক লেখায় সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষার সাবলীল ব্যবহার শুরু করেন, যা বাংলা সাহিত্যকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।</li>
</ul>
১২৩৮

‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরী ছিলেন চলিত ভাষার প্রবর্তক এবং একজন অত্যন্ত রুচিশীল লেখক। তিনি তাঁর লেখনীতে সবসময়ই কৃত্রিমতা ও আড়ষ্টতা পরিহার করে সহজ-সরল ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশভঙ্গিকে প্রাধান্য দিতেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী তাঁর <strong>'বীরবলের হালখাতা'</strong> বা বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে সাহিত্যের গাম্ভীর্য বজায় রেখেও বাহুল্য বর্জিত ভাষার পক্ষে কথা বলেছেন।</li>
<li>তিনি মনে করতেন, সাহিত্যে অহেতুক আবেগ বা 'ন্যাকামি' এবং জীবনে অকালপক্কতা বা 'জ্যাঠামি'—কোনোটাই সুস্থ মানসিকতার পরিচয় নয়।</li>
<li>তাঁর এই স্পষ্টবাদী ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তিনি এই উক্তিটির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
১২৩৯

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে? বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষাকে একটি মার্জিত ও শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র পত্রিকা:</strong> ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সার্থক ও বলিষ্ঠ ব্যবহার শুরু হয়।</li>
<li><strong>বীরবল ছদ্মনাম:</strong> তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন এবং তাঁর গদ্যশৈলী ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও আধুনিক।</li>
<li><strong>আন্দোলন:</strong> সাধু ভাষার গুরুগম্ভীর রীতির পরিবর্তে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তা-ই বাংলা গদ্যকে আজকের এই সহজ ও সাবলীল রূপ দিয়েছে।</li>
</ul>
১২৪০

সাহিত্য খেলা প্রবন্ধের ‘রোদ্যাঁ’ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
এক ব্যক্তির নাম
ব্যাখ্যা:
<p>সাহিত্য খেলা প্রবন্ধে ‘রোদ্যাঁ’ বলতে একজন বিখ্যাত ফরাসি ভাস্করকে বোঝানো হয়েছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক ব্যক্তির নাম</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রবন্ধে লেখক শিল্পকলা ও সৃজনশীলতার প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে অগাস্ত রোদ্যাঁ (Auguste Rodin)-এর কথা উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>রোদ্যাঁ কোনো জায়গা বা রেস্টুরেন্ট নয়, বরং তিনি ছিলেন আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন কিংবদন্তি শিল্পী।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক আলোচনায় যখনই রোদ্যাঁ নামটি আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে হবে এটি একজন <strong>ব্যক্তির নাম</strong>।</li>
</ul>
১২৪১

‘তেল-নুন-লাকড়ী’ প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এই লেখক তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য বিখ্যাত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল <strong>‘বীরবল’</strong>।</li>
<li>তাঁর প্রবন্ধের ভাষা ও বিষয়বস্তু সবসময়ই বেশ আলাদা এবং আধুনিক।</li>
<li>‘তেল-নুন-লাকড়ী’ ছাড়াও তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘বিরাটের পদ্মিনী’ ও ‘নানা চর্চা’।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—<strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> মানেই বুদ্ধিদীপ্ত ও চলিত ভাষার সার্থক প্রবন্ধ।</p>
১২৪২

প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলো</strong>। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে অত্যন্ত প্রভাবশালী। তাঁর লেখা প্রবন্ধের বইগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>তেল-নুন-লাকড়ী</strong>: এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li><strong>বীরবলের হালখাতা</strong>: এই গ্রন্থে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও রসবোধপূর্ণ প্রবন্ধগুলো স্থান পেয়েছে।</li>
<li><strong>নানা কথা</strong>: এটিও তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাহিত্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই তিনটি গ্রন্থই প্রমথ চৌধুরীর মৌলিক প্রবন্ধ রচনার অনন্য নিদর্শন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে সবগুলো।</p>
১২৪৩

প্রমথ চৌধুরি সম্পাদিত পত্রিকার নাম-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সবুজপত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচয় এবং বাংলা গদ্যের চলিত রীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম।</p>

<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করতে প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।</li>
<li>এর সম্পাদনার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছিল, যা তৎকালীন বুদ্ধিজীবী মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
১২৪৪

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দেবানন্দপুর গ্রাম
ব্যাখ্যা:
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হলো <strong>দেবানন্দপুর গ্রাম</strong>। এটি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় অবস্থিত। সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই লেখকের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা থাকলেও, ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তিনি হুগলির এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন।</p>

<ul>
<li><strong>জন্মস্থান:</strong> দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শৈশবের অনেকটা সময় এই দেবানন্দপুরেই কেটেছিল, যা তাঁর বিভিন্ন লেখায় নানাভাবে ফুটে উঠেছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>দেবানন্দপুর গ্রাম</strong>।</p>
১২৪৫

কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা:
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে <strong>১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে</strong> মর্যাদাপূর্ণ ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদকে ভূষিত করে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্য জীবনের অন্যতম বড় স্বীকৃতি ছিল এই পদকটি।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে তার অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে এই বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করে।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: ১৯২২ সালে 'পল্লীসমাজ' বা তার অন্যান্য জনপ্রিয় রচনার প্রভাব তুঙ্গে ছিল, ঠিক তার পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৯২৩</strong> সালে তিনি এই পদকটি পান।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।