<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিসর্জন</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী নাটকের প্রধান নারী চরিত্র হলো অপর্ণা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের <strong>বিসর্জন</strong> নাটকের মূল উপজীব্য হলো অন্ধকারের বিপরীতে সত্য ও প্রেমের জয়।</li>
<li>এখানে অপর্ণা চরিত্রটি তার অটল বিশ্বাস এবং ত্যাগের মাধ্যমে নাটকের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন—<strong>অপর্ণা</strong> মানেই হলো <strong>বিসর্জন</strong> নাটকের সেই সাহসী ও মমতাময়ী নায়িকা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। প্রমথ চৌধুরী, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন, তাঁর লেখা এই গ্রন্থটি মূলত একটি প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে <strong>চলিত রীতির</strong> প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর অধিকাংশ রচনাই মূলত চিন্তাশীল ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রবন্ধ।</li>
<li>‘বীরবলের হালখাতা’ বইটিতে লেখকের বিভিন্ন সময়ে লেখা সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধগুলো একত্রিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ধরণ অনুযায়ী এটি একটি চমৎকার <strong>প্রবন্ধ</strong> গ্রন্থ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। তাঁর লেখা <strong>‘চার ইয়ারী কথা’</strong> গ্রন্থটি মূলত চারটি গল্পের সমষ্টি, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটি তাঁর অনন্য গদ্যশৈলী এবং বুদ্ধিবৃত্তিক রসবোধের এক দারুণ উদাহরণ।</p>
<p>চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>, যিনি সাহিত্যে <strong>বীরবল</strong> ছদ্মনামে পরিচিত। বাংলা গদ্যকে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি চলিত ভাষারীতিকে বাংলা সাহিত্যে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
<li>তাঁর লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা গদ্য এক নতুন প্রাণশক্তি ও সাবলীল গতি পায়।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চলিত গদ্যের জনক বা সার্থক প্রবর্তক হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষাকে একটি সুসংহত ও মার্জিত রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর অবদান সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের প্রধান বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
<li>তাঁর বলিষ্ঠ লেখনী ও যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধের মাধ্যমেই চলিত ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে তিনি বাংলা গদ্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন।</p>
১২৩৭
প্রমথ চৌধুরী কোন বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রভাবিত করেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত ভাষার ব্যবহারে</strong>। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক এবং এর অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী তাঁর <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহারের পক্ষে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমথ চৌধুরীর এই আধুনিক ও বলিষ্ঠ গদ্যরীতির দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।</li>
<li>এর ফলে রবীন্দ্রনাথ তাঁর পরবর্তী অনেক লেখায় সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষার সাবলীল ব্যবহার শুরু করেন, যা বাংলা সাহিত্যকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।</li>
</ul>
১২৩৮
‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরী ছিলেন চলিত ভাষার প্রবর্তক এবং একজন অত্যন্ত রুচিশীল লেখক। তিনি তাঁর লেখনীতে সবসময়ই কৃত্রিমতা ও আড়ষ্টতা পরিহার করে সহজ-সরল ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রকাশভঙ্গিকে প্রাধান্য দিতেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী তাঁর <strong>'বীরবলের হালখাতা'</strong> বা বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে সাহিত্যের গাম্ভীর্য বজায় রেখেও বাহুল্য বর্জিত ভাষার পক্ষে কথা বলেছেন।</li>
<li>তিনি মনে করতেন, সাহিত্যে অহেতুক আবেগ বা 'ন্যাকামি' এবং জীবনে অকালপক্কতা বা 'জ্যাঠামি'—কোনোটাই সুস্থ মানসিকতার পরিচয় নয়।</li>
<li>তাঁর এই স্পষ্টবাদী ও যুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই তিনি এই উক্তিটির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
১২৩৯
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে? বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতির ব্যবহারকারী কে?
<p>বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষাকে একটি মার্জিত ও শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র পত্রিকা:</strong> ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির সার্থক ও বলিষ্ঠ ব্যবহার শুরু হয়।</li>
<li><strong>বীরবল ছদ্মনাম:</strong> তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন এবং তাঁর গদ্যশৈলী ছিল অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও আধুনিক।</li>
<li><strong>আন্দোলন:</strong> সাধু ভাষার গুরুগম্ভীর রীতির পরিবর্তে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, তা-ই বাংলা গদ্যকে আজকের এই সহজ ও সাবলীল রূপ দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সাহিত্য খেলা প্রবন্ধে ‘রোদ্যাঁ’ বলতে একজন বিখ্যাত ফরাসি ভাস্করকে বোঝানো হয়েছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক ব্যক্তির নাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রবন্ধে লেখক শিল্পকলা ও সৃজনশীলতার প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে অগাস্ত রোদ্যাঁ (Auguste Rodin)-এর কথা উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>রোদ্যাঁ কোনো জায়গা বা রেস্টুরেন্ট নয়, বরং তিনি ছিলেন আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন কিংবদন্তি শিল্পী।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক আলোচনায় যখনই রোদ্যাঁ নামটি আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে হবে এটি একজন <strong>ব্যক্তির নাম</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এই লেখক তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য বিখ্যাত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল <strong>‘বীরবল’</strong>।</li>
<li>তাঁর প্রবন্ধের ভাষা ও বিষয়বস্তু সবসময়ই বেশ আলাদা এবং আধুনিক।</li>
<li>‘তেল-নুন-লাকড়ী’ ছাড়াও তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘বিরাটের পদ্মিনী’ ও ‘নানা চর্চা’।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—<strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> মানেই বুদ্ধিদীপ্ত ও চলিত ভাষার সার্থক প্রবন্ধ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলো</strong>। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন এবং তিনি চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে অত্যন্ত প্রভাবশালী। তাঁর লেখা প্রবন্ধের বইগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তেল-নুন-লাকড়ী</strong>: এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li><strong>বীরবলের হালখাতা</strong>: এই গ্রন্থে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত ও রসবোধপূর্ণ প্রবন্ধগুলো স্থান পেয়েছে।</li>
<li><strong>নানা কথা</strong>: এটিও তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাহিত্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি গ্রন্থই প্রমথ চৌধুরীর মৌলিক প্রবন্ধ রচনার অনন্য নিদর্শন। তাই সঠিক উত্তরটি হবে সবগুলো।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক পরিচয় এবং বাংলা গদ্যের চলিত রীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম।</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করতে প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।</li>
<li>এর সম্পাদনার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছিল, যা তৎকালীন বুদ্ধিজীবী মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান হলো <strong>দেবানন্দপুর গ্রাম</strong>। এটি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় অবস্থিত। সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই লেখকের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা থাকলেও, ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী তিনি হুগলির এই গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<ul>
<li><strong>জন্মস্থান:</strong> দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শৈশবের অনেকটা সময় এই দেবানন্দপুরেই কেটেছিল, যা তাঁর বিভিন্ন লেখায় নানাভাবে ফুটে উঠেছে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>দেবানন্দপুর গ্রাম</strong>।</p>
১২৪৫
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে <strong>১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে</strong> মর্যাদাপূর্ণ ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদকে ভূষিত করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্য জীবনের অন্যতম বড় স্বীকৃতি ছিল এই পদকটি।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে তার অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে এই বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করে।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: ১৯২২ সালে 'পল্লীসমাজ' বা তার অন্যান্য জনপ্রিয় রচনার প্রভাব তুঙ্গে ছিল, ঠিক তার পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৯২৩</strong> সালে তিনি এই পদকটি পান।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।