<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদক লাভ করেন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে এই সম্মানজনক পদকে ভূষিত করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম বড় স্বীকৃতি ছিল এই পদক।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'গৃহদাহ' প্রকাশের ঠিক পরেই (১৯২০-এর দশকের শুরুতে) তিনি এই সম্মান পান।</li>
<li>সঠিক সালটি হলো <strong>১৯২৩</strong>।</li>
</ul>
১২৬২
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর কোন উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিম হয়েছে।
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের <strong>'গৃহদাহ'</strong> উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের এক চমৎকার ও জটিল চিত্র ফুটে উঠেছে। এই উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হলো অচলা, মহিম এবং সুরেশ।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>অচলা</strong> মহিমকে বিয়ে করলেও, তার মনের ভেতর সুরেশের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ ও টান তৈরি হয়।</li>
<li>এই টানাপোড়েন এবং সম্পর্কের টানাহেঁচড়া নিয়েই উপন্যাসের কাহিনী এগিয়েছে।</li>
<li>মূলত মহিম, অচলা এবং সুরেশ—এই তিনজনের সম্পর্কের জটিল সমীকরণই এখানে ত্রিভুজ প্রেমের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক বিচারে 'গৃহদাহ' উপন্যাসটি ত্রিভুজ প্রেমের উপাখ্যান হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হলো ‘দেনা পাওনা’।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের নামগুলো সাধারণত সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা হয়।</li>
<li>‘দেনা পাওনা’ গল্প বা উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও নারীর অসহায়ত্ব, যা শরৎচন্দ্রের লেখনীতে সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এই উপন্যাসটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<ul>
<li>গল্পের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে গফুর নামের এক দরিদ্র কৃষক এবং তার প্রিয় বলদ গরু ‘মহেশ’-কে ঘিরে।</li>
<li>গফুর তার অভাবের সংসারেও মহেশকে সন্তানের মতো ভালোবাসত, যা এই গল্পের মূল আবেগ।</li>
<li>তাই ‘মহেশ’ কোনো দেবতা বা দ্বীপের নাম নয়, বরং এটি একটি প্রাণীর নাম।</li>
</ul>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা সবচেয়ে সার্থক ছোটগল্প হলো <strong>মহেশ</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>এই গল্পে গ্রামীণ সমাজের দারিদ্র্য, কুসংস্কার এবং শোষণের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র গফুর এবং তার প্রিয় বলদ 'মহেশ'-এর মধ্যকার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও করুণ পরিণতি পাঠককে গভীরভাবে আবেগপ্রবণ করে তোলে।</li>
<li>গল্পের গঠনশৈলী এবং মানবিক অনুভূতির নিখুঁত প্রকাশ একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্পের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজনৈতিক</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের দাবী’ মূলত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন।</li>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক একজন বিপ্লবী, যার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তৎকালীন পরাধীন ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বিপ্লবের আদর্শ ফুটে উঠেছে।</li>
<li>ব্রিটিশ সরকার এই বইটিকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে গণ্য করে নিষিদ্ধ করেছিল, যা এর রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং পরাধীন ভারতের মুক্তি সংগ্রামের এক সাহসী দলিল।</p>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সাহিত্যকর্ম হলো <strong>মন্দির</strong>। এটি একটি ছোটগল্প যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল এই গল্পের মাধ্যমেই।</li>
<li>কুন্তলীন পুরস্কার প্রতিযোগিতার জন্য তিনি এটি লিখেছিলেন এবং এতে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন।</li>
<li>যদিও 'বড়দিদি' তাঁর প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত, কিন্তু সামগ্রিকভাবে তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম হলো এই <strong>মন্দির</strong> গল্পটি।</li>
</ul>
১২৬৮
নারীর বঞ্চনা, নারীর দুঃখ প্রভৃতি কোন ঔপন্যাসিকের উপন্যাস রচনার বিশেষ দিক?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্রকে বলা হয় 'নারীর কথাশিল্পী'। তাঁর উপন্যাসগুলো পড়ার সময় খুব সহজেই বোঝা যায় কেন তিনি এই উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। এর মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র তাঁর উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের অবহেলিত, লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত নারীদের জীবনকে অত্যন্ত মমতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তিনি নারীদের মনের গভীরের কষ্ট, তাদের আত্মত্যাগ এবং সামাজিক শৃঙ্খলের বিরুদ্ধে তাদের নীরব প্রতিবাদকে সাহিত্যের মূল উপজীব্য করেছেন।</li>
<li>তাঁর লেখনীতে নারী চরিত্রগুলো কেবল অবলা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চেয়েও বেশি সাহসী ও মানবিক হয়ে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমাজের চোখে যারা ছিল উপেক্ষিত, শরৎচন্দ্র তাদেরই জীবনের গল্প শুনিয়েছেন, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অনন্য করে তুলেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকান্ত</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'-এর অন্যতম প্রধান এবং অবিস্মরণীয় চরিত্র হলো ইন্দ্রনাথ।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল নায়ক শ্রীকান্তের বন্ধু হিসেবে ইন্দ্রনাথের আবির্ভাব ঘটে।</li>
<li>ইন্দ্রনাথের সাহসী, নির্ভীক এবং রোমাঞ্চপ্রিয় ব্যক্তিত্ব পুরো উপন্যাসের কাহিনীকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
<li>গল্পের শুরু থেকেই শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতায় ইন্দ্রনাথের প্রভাব অপরিসীম, তাই এই চরিত্রের কথা মনে এলেই 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>
১২৭০
‘সতীশ’, ‘সাবিত্রী’, শরৎচন্দ্র সৃষ্ট কোন উপন্যাসের চরিত্র?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চরিত্রহীন</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘চরিত্রহীন’-এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো সতীশ ও সাবিত্রী।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম ‘চরিত্রহীন’ হলেও, এর মূল উপজীব্য হলো সতীশ ও সাবিত্রীর মধ্যকার জটিল মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্ক।</li>
<li>শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের তুলনায় এই উপন্যাসে সতীশের চারিত্রিক বিবর্তন এবং সাবিত্রীর আত্মত্যাগ পাঠকদের মনে বিশেষভাবে দাগ কাটে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ—সতীশ ও সাবিত্রী মানেই শরৎচন্দ্রের <strong>চরিত্রহীন</strong> উপন্যাস।</li>
</ul>
১২৭১
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শরৎচন্দ্র চট্টেপাধ্যায় কি অভিধায় ভূষিত?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে <strong>অপরাজেয় কথাশিল্পী</strong> বলা হয়। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র মানুষের মনের গভীরের আবেগ, দুঃখ-কষ্ট এবং সমাজের বাস্তব চিত্র যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।</li>
<li>তার লেখার ভাষা অত্যন্ত সাবলীল এবং হৃদয়স্পর্শী, যা সব শ্রেণির পাঠকের কাছে তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।</li>
<li>মানুষের জীবনের জটিল মনস্তত্ত্বকে সহজভাবে উপস্থাপন করার এই অসাধারণ ক্ষমতার কারণেই তাকে <strong>অপরাজেয় কথাশিল্পী</strong> অভিধায় ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
১২৭২
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন প্রকারের সাহিত্যকর্মের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই মাথায় আসে তার কালজয়ী সব উপন্যাসের কথা। তিনি মূলত বাংলা সাহিত্যের একজন শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের লেখনীতে মানুষের আবেগ, সমাজবাস্তবতা এবং মধ্যবিত্ত জীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস যেমন— <strong>শ্রীকান্ত</strong>, <strong>গৃহদাহ</strong>, <strong>চরিত্রহীন</strong> এবং <strong>দেবদাস</strong> বাংলা সাহিত্যে তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
<li>গল্প বা প্রবন্ধ লিখলেও, তার মূল খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তা মূলত তার অসাধারণ সব <strong>উপন্যাস</strong> রচনার জন্যই।</li>
</ul>
<p>তাই সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো তিনি একজন অসাধারণ ঔপন্যাসিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকান্ত</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি মূলত তাঁর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা, তাই একে আত্মচরিতমূলক উপন্যাস বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকান্ত</strong> উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও ভ্রমণকাহিনি লেখকের নিজের জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি।</li>
<li>শরৎচন্দ্রের ব্যক্তিগত জীবনের নানা টানাপোড়েন, ভ্রমণ এবং অভিজ্ঞতার প্রতিফলন এই উপন্যাসের প্রতিটি পাতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ আত্মজীবনীমূলক সৃষ্টি হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেবদাস</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘দেবদাস’-এর প্রধান নারী চরিত্র হলো পার্বতী বা পারু।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে দেবদাস এবং পার্বতীর শৈশবের প্রেম ও পরবর্তী বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাজিক প্রেমের গল্পের নাম বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে <strong>দেবদাস</strong> ও <strong>পার্বতী</strong>-র নাম।</li>
</ul>
<p>তাই পার্বতী চরিত্রটি যে দেবদাস উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি 'শ্রীকান্ত' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>'শ্রীকান্ত' মূলত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, যেখানে লেখক নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতাকে শ্রীকান্ত চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি চারটি পর্বে বিভক্ত এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ আখ্যান।</li>
<li>গল্পের গভীরতা এবং চরিত্র চিত্রণের শৈলীর কারণেই এটি ছোটগল্প বা অন্য কোনো ধারার চেয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।