<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের বিশাল সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই সম্মাননা প্রদান করে।</p>
<ul>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯৩৬ সাল।</li>
<li><strong>সম্মাননা:</strong> সম্মানসূচক ডি. লিট (D. Litt) ডিগ্রি।</li>
<li><strong>কারণ:</strong> বাংলা সাহিত্যে তার অসাধারণ অবদান ও জনপ্রিয়তার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শরৎচন্দ্রের সাহিত্য প্রতিভার প্রতি সম্মান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ডিগ্রি দেয়, যা তৎকালীন সময়ে বাংলা সাহিত্যের জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।</p>
১২৪৭
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডি লিটি ডিগ্রী প্রদান করা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই সম্মাননা প্রদান করে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৩৬ সালে। পরীক্ষার জন্য এই সালটি মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' বা অন্যান্য রচনার জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করে।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: ১৯৩৬ সাল, যখন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত করেছিল।</li>
</ul>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো <strong>বড়দিদি</strong>। এটি ১৯০৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকেই এই উপন্যাসটি আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>এটি প্রকাশের পর থেকেই তিনি বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক হিসেবে তার প্রথম উপন্যাস হিসেবে <strong>বড়দিদি</strong> নামটিই সবার আগে মনে রাখতে হবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পথের দাবী (উপন্যাস)</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মাইলফলক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>পথের দাবী</strong> মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।</li>
<li>এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিল।</li>
<li>শরৎচন্দ্রের লেখনীতে এই উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র এবং কাহিনী বিন্যাস একে একটি সার্থক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পথের দাবী’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু বিষয়:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং বিপ্লবীদের আত্মত্যাগের কাহিনী।</li>
<li>এর প্রধান চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক, যা তৎকালীন সময়ে পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক ধারার বিচারে এটি একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবেই পরিচিত।</p>
১২৫৩
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পথের দাবী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্রিটিশ শাসনামলে এই উপন্যাসটি বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা জোগাত, যা তৎকালীন সরকারের জন্য ছিল ভয়ের কারণ।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ব্রিটিশ সরকার এর বিপ্লবী আদর্শের কারণে এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।</li>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই কালজয়ী উপন্যাসে তৎকালীন পরাধীন ভারতের মুক্তি সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছিল।</li>
<li>সরকার মনে করেছিল, এই বইয়ের বক্তব্য সাধারণ মানুষকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী করে তুলবে, তাই তারা এটি বাজেয়াপ্ত করে।</li>
</ul>
<p>‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম মূলত মানুষের আবেগ, প্রেম এবং সামাজিক জটিলতাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>‘গৃহদাহ’ উপন্যাসে তিনি অচল, মহিম এবং সুরেশ—এই তিন চরিত্রের মাধ্যমে সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, শরৎচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসই পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে লেখা, যার মধ্যে ‘গৃহদাহ’ একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত গ্রামীণ সমাজ, মানুষের আবেগ এবং সামাজিক কুসংস্কার নিয়ে লিখতে পছন্দ করতেন।</li>
<li>তাঁর অধিকাংশ বিখ্যাত উপন্যাসের নামেই গ্রাম বা সমাজকেন্দ্রিক আবহ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ‘পল্লীসমাজ’ অন্যতম।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি তৎকালীন গ্রামবাংলার সমাজব্যবস্থা এবং মানুষের সম্পর্কের জটিলতা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
১২৫৬
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিতহয়েছে?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের <strong>গৃহদাহ</strong> উপন্যাসে মূলত একটি জটিল ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। এই উপন্যাসের মূল চরিত্র অলা, মহিম এবং সুরেশকে কেন্দ্র করেই পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>মহিম:</strong> অলার স্বামী, যে অত্যন্ত শান্ত ও যুক্তিবাদী।</li>
<li><strong>সুরেশ:</strong> মহিমের বন্ধু, যে অলার প্রতি গভীর অনুরাগী।</li>
<li><strong>অলা:</strong> এই দুই পুরুষের টানাপোড়েনের মাঝে পড়ে যাওয়া কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র।</li>
</ul>
<p>গল্পের প্রতিটি বাঁকে অলা, মহিম ও সুরেশের মধ্যকার এই মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও আবেগীয় টানাপোড়েনই ত্রিভুজ প্রেমের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। তাই সাহিত্যিক বিচারে <strong>গৃহদাহ</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
<p>‘বৈকুণ্ঠের উইল’ উপন্যাসটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> লেখা। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি সামাজিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনার মূল বৈশিষ্ট্য হলো সাধারণ মানুষের জীবন ও পারিবারিক টানাপোড়েন।</li>
<li>‘বৈকুণ্ঠের উইল’ উপন্যাসেও তিনি পারিবারিক সম্পত্তি এবং সম্পর্কের জটিলতাকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, শরৎচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসই গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অনন্য করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটক</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘ষোড়শী’ মূলত তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘দেনা-পাওনা’-এর নাট্যরূপ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের অনেক উপন্যাসই পরবর্তীতে মঞ্চস্থ করার জন্য নাটকে রূপান্তর করা হয়েছে।</li>
<li>‘ষোড়শী’ নাটকটি মূলত একটি সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত, যা মঞ্চে অভিনয়ের উপযোগী করে লেখা।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ধারায় এটি একটি সার্থক <strong>নাটক</strong> হিসেবেই পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই কালজয়ী উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা নয়।</p>
<ul>
<li><strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা।</li>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে দেবদাস, শ্রীকান্ত, বড়দিদি, গৃহদাহ এবং চরিত্রহীন।</li>
<li>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখতে পারেন, শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে সাধারণত গ্রামীণ সমাজ ও নারীর মনস্তত্ত্ব প্রাধান্য পায়, আর নজরুলের এই উপন্যাসে তৎকালীন সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনিলা দেবী</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে বিভিন্ন সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন, যার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো <strong>অনিলা দেবী</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনামগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং পরীক্ষায় বারবার আসে।</li>
<li>তিনি তাঁর অনেক বিখ্যাত রচনার ক্ষেত্রে এই নামটি ব্যবহার করেছিলেন, তাই সাহিত্যিক পরিচয়ের খাতিরে এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।