<p>'বিরাজ বৌ' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি তাঁর লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য হলো গ্রামীণ জীবন ও মানুষের আবেগ-অনুভূতির নিখুঁত চিত্রায়ন।</li>
<li>'বিরাজ বৌ' উপন্যাসে তিনি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আত্মত্যাগের এক অনন্য গল্প তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে উপন্যাসের নামটি একবার মনে গেঁথে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৪টি</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' মোট চারটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য খণ্ডগুলোর নামগুলো দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>প্রথম খণ্ড (১৯১৭)</li>
<li>দ্বিতীয় খণ্ড (১৯১৮)</li>
<li>তৃতীয় খণ্ড (১৯২৭)</li>
<li>চতুর্থ খণ্ড (১৯৩৩)</li>
</ul>
<p>এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আত্মজৈবনিক ধাঁচের রচনা, যা ধারাবাহিকভাবে এই চারটি খণ্ডেই সমাপ্ত হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৃহদাহ</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'গৃহদাহ'-এর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো অচলা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের নাম 'গৃহদাহ' মানেই হলো ঘরের শান্তি নষ্ট হওয়া বা আগুনের মতো জ্বলে ওঠা।</li>
<li>অচলা, মহিম এবং সুরেশের মধ্যকার জটিল ত্রিভুজ প্রেমের টানাপোড়েনই এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
<li>অচলার জীবনের টানাপোড়েন এবং তার মানসিক দ্বন্দ্বই মূলত 'গৃহদাহ' উপন্যাসের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'অচলা' নামটি দেখবেন, সরাসরি 'গৃহদাহ' উপন্যাসের কথা মনে করে ফেলবেন। এটি শরৎচন্দ্রের অন্যতম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>'মেজদিদি' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো গ্রামীণ জীবন ও পারিবারিক সম্পর্কের নিখুঁত চিত্রায়ন।</li>
<li>'মেজদিদি' গল্প বা উপন্যাসটি মূলত দিদি ও ভাইয়ের সম্পর্কের আবেগঘন টানাপোড়েন নিয়ে লেখা, যা শরৎচন্দ্রের লেখনীতে অত্যন্ত জীবন্ত হয়ে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে পারিবারিক গল্পের কথা বললেই শরৎচন্দ্রের নাম সবার আগে আসে, তাই এই নামটি মনে রাখা বেশ সহজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই যে, তিনি কেবল উপন্যাসেই নয়, ছোটগল্পের ক্ষেত্রেও ছিলেন অনন্য।</p>
<ul>
<li><strong>বিলাসী:</strong> এটি শরৎচন্দ্রের অন্যতম জনপ্রিয় এবং মনস্তাত্ত্বিক একটি ছোটগল্প।</li>
<li><strong>মামলার ফল:</strong> এটিও তাঁর একটি চমৎকার ছোটগল্প, যেখানে সমাজের নানা অসঙ্গতি ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>মহেশ:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প হিসেবে বিবেচিত, যেখানে গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও মানবিকতার করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি রচনাই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা কালজয়ী ছোটগল্পের অন্তর্ভুক্ত। তাই সঠিক উত্তরটি হলো তিনটিই।</p>
১২৮২
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন রচনার জন্য কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে লেখা <strong>'মন্দির'</strong> গল্পটি তাকে বিশেষ খ্যাতি এনে দেয়। এই রচনার জন্যই তিনি ১৯০৩ সালে কুন্তলীন পুরস্কার লাভ করেন।</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্য প্রতিভার প্রথম বড় স্বীকৃতি আসে এই গল্পের মাধ্যমে।</li>
<li>কুন্তলীন পুরস্কার তৎকালীন সময়ে বাংলা সাহিত্যের নতুন লেখকদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ছিল।</li>
<li>পুরস্কারপ্রাপ্তির পর থেকেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে শুরু করেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৃহদাহ</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'গৃহদাহ'-এর মূল চরিত্রগুলো হলো মহিম, অচলা এবং সুরেশ।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখার জন্য এই সহজ সূত্রটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অচলা</strong> হলো উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র, যার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বই গল্পের মূল ভিত্তি।</li>
<li><strong>মহিম</strong> হলো অচলার স্বামী, যে তার আদর্শ ও ব্যক্তিত্বে অটল।</li>
<li><strong>সুরেশ</strong> হলো মহিমের বন্ধু, যে অচলার প্রতি অনুরাগী হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>এই ত্রিভুজ প্রেমের জটিল সমীকরণ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই মূলত <strong>গৃহদাহ</strong> উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে। তাই এই তিনটি নাম দেখলেই চোখ বন্ধ করে 'গৃহদাহ' দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো <strong>'বড়দিদি'</strong>। এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ১৯০৭ সালে তৎকালীন জনপ্রিয় পত্রিকা <strong>'ভারতী'</strong>-তে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের কাজগুলো প্রায়ই সমসাময়িক বিখ্যাত পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হতো।</li>
<li>'বড়দিদি' উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে <strong>'ভারতী'</strong> পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমেই তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।</li>
</ul>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'দেবদাস'-এর প্রকাশকাল হলো <strong>১৯১৭</strong> সাল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯০১ সালে 'দেবদাস' লেখা শুরু করলেও এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় অনেক পরে।</li>
<li>উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১৭</strong> সালে, যা বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক ধারায় এক নতুন মাত্রা যোগ করে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য সালটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে (১৯১৪-১৯১৮) এর মাঝামাঝি সময়ে অর্থাৎ <strong>১৯১৭</strong> সালে এটি পাঠকের হাতে পৌঁছায়।</li>
</ul>
১২৮৬
শ্রীকান্ত উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র কয়টি পর্বে রচনা করেছেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৪টি</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' মোট চারটি পর্বে বিভক্ত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি প্রকাশের সময়কাল ছিল দীর্ঘ, যা ১৯১৭ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত।</li>
<li>এই দীর্ঘ সময়ে লেখক কাহিনীকে চারটি স্বতন্ত্র খণ্ডে বা পর্বে সাজিয়েছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই আত্মজৈবনিক উপন্যাসের প্রতিটি পর্বই শ্রীকান্তের জীবনের ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার প্রতিফলন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শুভদা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের ধরন অনুযায়ী আমরা একে আলাদা করতে পারি:</p>
<ul>
<li><strong>শুভদা</strong> কোনো ছোটগল্প নয়, বরং এটি শরৎচন্দ্রের একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বিলাসী', 'মহেশ' এবং 'মামলার ফল'—এই তিনটিই লেখকের অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্পের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, শরৎচন্দ্রের ছোটগল্পগুলো সাধারণত গ্রামীণ জীবন ও মানবিক আবেগের ওপর ভিত্তি করে লেখা, আর 'শুভদা' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ও বিস্তৃতি অনেক বড় হওয়ায় এটি ছোটগল্পের তালিকায় পড়ে না।</p>
<p>'গৃহদাহ' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হলো 'গৃহদাহ'।</li>
<li>এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো সুরেশ, অচলা এবং মহিম।</li>
<li>ত্রিকোণ প্রেমের জটিল মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু নামটা মনে রাখলেই হবে—<strong>গৃহদাহ মানেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকান্ত</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি মূলত তাঁর নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা, তাই একে তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকান্ত</strong> উপন্যাসের মূল চরিত্র শ্রীকান্তের জীবনের নানা ঘটনা ও ভ্রমণকাহিনি লেখকের নিজের জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি।</li>
<li>শরৎচন্দ্র তাঁর বাস্তব জীবনের দেখা মানুষ, প্রকৃতি এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে এই উপন্যাসে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এই উপন্যাসের চারটি পর্ব রয়েছে, যেখানে লেখকের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেনাপাওনা</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের নামগুলো সাধারণত সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি।</li>
<li><strong>দেনাপাওনা</strong> উপন্যাসটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়, যা তৎকালীন সমাজের যৌতুক প্রথা ও পারিবারিক জটিলতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর লেখক ভিন্ন—যেমন <strong>পঞ্চগ্রাম</strong> লিখেছেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, আর <strong>ইন্দিরা</strong> ও <strong>নৌকাডুবি</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সৃষ্টি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।