<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বলাকা</strong>। কারণ, এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। বরং এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে: <strong>অগ্নিবীণা</strong>, <strong>দোলচাঁপা</strong>, <strong>চক্রবাক</strong>, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী ইত্যাদি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যপ্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে নজরুলের কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি তালিকা মিলিয়ে নিলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
<p><strong>ব্যথার দান</strong> হলো বিদ্রোহী কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি মূলত একটি <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি কবির প্রথম প্রকাশিত বই, যা ছোটগল্পের সংকলন।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২২ সালে এটি প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের এই সৃষ্টিটি মূলত আবেগ ও অনুভূতির মিশেলে লেখা ছোটগল্পের একটি চমৎকার সংকলন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ঝিলিমিলি</strong> নাটকটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি মূলত তিনটি একাঙ্কিকা নাটকের সংকলন, যা নজরুল ইসলামের সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নজরুল ইসলামের নাট্যকর্মের তালিকায় ‘ঝিলিমিলি’ নামটি আলাদাভাবে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মার্চ পাস্ট</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>মার্চ পাস্ট</strong> হলো নজরুলের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা বা গান যা মূলত জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাওয়া হয়।</li>
<li>এটি কবির দেশাত্মবোধক রচনার মধ্যে অন্যতম, যা তার বিদ্রোহী সত্তা ও উদ্দীপনামূলক লেখনীর পরিচয় বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নজরুলের এই ধরনের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ রচনাগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্চিতা</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>সঞ্চিতা</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সঞ্চিতা</strong> হলো নজরুলের কবিতার একটি সংকলন বা কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে এই গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয় ঘটনা।</li>
</ul>
১৪১৬
কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত পত্রিকা নয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্যিক জীবনে বেশ কিছু পত্রিকা সম্পাদনা করলেও 'শিখা' পত্রিকাটির সাথে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন না।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নজরুলের সম্পাদিত প্রধান পত্রিকাগুলো একনজরে দেখে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>ধূমকেতু:</strong> এটি নজরুলের নিজস্ব সম্পাদনায় প্রকাশিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পত্রিকা।</li>
<li><strong>দৈনিক নবযুগ:</strong> এই পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি কাজ করেছেন।</li>
<li><strong>লাঙল:</strong> লাঙল পত্রিকার প্রধান পরিচালক ও সম্পাদক ছিলেন নজরুল নিজেই।</li>
</ul>
<p>অন্যদিকে, <strong>শিখা</strong> পত্রিকাটির সাথে মূলত 'শিখা গোষ্ঠী' বা ঢাকা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবীদের নাম জড়িয়ে আছে, তাই এটি নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা নয়।</p>
<p>‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হলো আমাদের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত গদ্য রচনা। ব্রিটিশ শাসনামলে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে তিনি যখন কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন আদালতে নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি এই জবানবন্দীটি দিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি কোনো সাধারণ প্রবন্ধ নয়, বরং কবির নিজের জীবনের একটি সাহসী ও ঐতিহাসিক দলিল।</li>
<li>ব্রিটিশ সরকারের অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে কবির আপসহীন মনোভাব এই রচনার মূল ভিত্তি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—বিদ্রোহী কবির জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটিই হলো <strong>‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রিক্তের বেদন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলো নিয়ে প্রায়ই আমাদের বিভ্রান্তি হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>, <strong>বাঁধনহারা</strong> এবং <strong>কুহেলিকা</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>রিক্তের বেদন</strong> কোনো উপন্যাস নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় ভুল এড়াতে শুধু এই তিনটি উপন্যাসের নাম মনে রাখলেই চলবে। বাকিগুলো নজরুলের লেখা হলেও সেগুলো উপন্যাস নয়, বরং গল্প বা প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত।</p>
১৪১৯
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ঝিঙেফুল’ কোন শ্রেণীর কবিতা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিশুতোষ</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের ‘ঝিঙেফুল’ কবিতাটি মূলত ছোটদের উপযোগী করে লেখা একটি চমৎকার ছড়া বা কবিতা।</p>
<p>এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির ভাষা অত্যন্ত সহজ, সাবলীল এবং ছন্দময়, যা শিশুদের মনে সহজেই গেঁথে যায়।</li>
<li>প্রকৃতির সাধারণ উপাদান যেমন—ঝিঙেফুল, লতা, পাতা এবং ছোট ছোট প্রাণীকে এখানে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>শিশুদের কল্পনাশক্তি ও আনন্দকে প্রাধান্য দিয়েই কবি এই কবিতাটি রচনা করেছেন, তাই এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি শিশুতোষ কবিতা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
১৪২০
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কবিতা ‘মুক্তি’ কত সালে প্রকাশিত হয়?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতা হলো <strong>‘মুক্তি’</strong>। এটি ১৯১৯ সালের জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় ‘বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা’-তে প্রকাশিত হয়। তবে প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৯১৯ সাল</strong>।</p>
<p>আপনার দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক সময়কালটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>নজরুল তখন করাচি সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।</li>
<li>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই, অর্থাৎ <strong>১৯১৯ সালে</strong> তাঁর এই প্রথম সাহিত্যকর্মটি আত্মপ্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হবে <strong>১৯১৯ সালে</strong>। (দ্রষ্টব্য: আপনার দেওয়া অপশনগুলোতে ১৯১৯ সালটি 'অপশন বি' হিসেবে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হবে <strong>অপশন বি</strong>)।</p>
<p>‘দুর্দিনের যাত্রী’ প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীতে সবসময় শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কথা বলেছেন, যা ‘দুর্দিনের যাত্রী’ শিরোনামটির সাথে বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>এটি তাঁর গদ্য রচনার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর বিদ্রোহী সত্তাকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে সরাসরি মনে রাখার জন্য নজরুল ইসলামের বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর তালিকার সাথে এটি মিলিয়ে নিতে পারেন, যা আপনাকে দ্রুত উত্তর দিতে সাহায্য করবে।</p>
১৪২২
‘শিউলিমালা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোন শ্রেণীর রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গল্প</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘শিউলিমালা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের গদ্য রচনার মধ্যে ‘শিউলিমালা’ বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>এটি মূলত ছোটগল্পের একটি সংকলন, যেখানে তিনি বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—নজরুলের এই বইটি কোনো উপন্যাস বা কাব্য নয়, বরং এটি একটি <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</li>
</ul>
<p>‘তুর্কি মহিলার ঘোমটা খোলা’ প্রবন্ধটি আমাদের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা। এটি মূলত তাঁর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ, যা তিনি তৎকালীন মুসলিম সমাজের কুসংস্কার ও রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে লিখেছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম সব সময় প্রথা ভাঙার কথা বলতেন।</li>
<li>‘ঘোমটা খোলা’ শিরোনামটিই ইঙ্গিত দেয় যে এটি কোনো প্রথাগত বা রক্ষণশীল চিন্তার লেখা নয়, বরং এটি প্রগতিশীল ও বিদ্রোহী চেতনার বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>তাই যখনই এমন কোনো সাহসী বা সংস্কারমূলক শিরোনাম দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এর লেখক আমাদের বিদ্রোহী কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</li>
</ul>
১৪২৪
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ সালে সেনাবাহিনীর কোন পল্টনে যোগদান করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৪৯ নং বাঙালি পল্টন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯১৭ সালে কাজী নজরুল ইসলাম ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।</li>
<li>তিনি মূলত করাচি সেনানিবাসে অবস্থিত <strong>৪৯ নং বাঙালি পল্টনে</strong> হাবিলদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</li>
<li>এই পল্টনে থাকার সময় থেকেই তার সাহিত্যচর্চা এবং সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ আরও বিকশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯১৭ সালে তার সামরিক জীবনের শুরুটা হয়েছিল এই <strong>৪৯ নং বাঙালি পল্টনের</strong> মাধ্যমেই।</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। আমাদের জাতীয় কবি ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ সালে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক ৫ বছর পর তিনি পরলোকগমন করেন।</li>
<li>অর্থাৎ, স্বাধীনতা সাল $1971 + 5 = 1976$।</li>
</ul>
<p>এই সহজ হিসাবটি মনে রাখলেই সালটি আর ভুল হবে না।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।