<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলনচাঁপা</strong>। এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>দোলনচাঁপা</strong> মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ, যেখানে কবি তার আবেগ ও অনুভূতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সেগুলোর নামের শেষে 'কাব্য' থাকলেও সেগুলো মূলত উপন্যাস বা প্রবন্ধ জাতীয় রচনা, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকায় <strong>দোলনচাঁপা</strong> একটি অন্যতম নাম।</li>
</ul>
<p>‘ফণিমনসা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি তাঁর প্রকাশিত অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong> ১৯২৭ সালে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এই কাব্যে কবির বিদ্রোহী সত্তার পাশাপাশি রোমান্টিক ও মানবিক চেতনার অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ফণিমনসা’ বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
<p>‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলামকে বলা হয় <strong>‘বিদ্রোহী কবি’</strong>।</li>
<li>তাঁর লেখায় সবসময় শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কথা উঠে এসেছে।</li>
<li>‘সর্বহারা’ নামটি থেকেই বোঝা যায় এটি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সংগ্রামের কথা বলছে, যা নজরুলের লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক ও বিষয়বস্তুর গভীরতা বিবেচনা করলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় যে, এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থটি নজরুলেরই সৃষ্টি।</p>
১৩৬৯
কাজী নজরুল ইসলামের গ্রন্থগুলোর মধ্য কোনটি নাটক নয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছায়ানট</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—কাজী নজরুল ইসলামের <strong>ছায়ানট</strong> কোনো নাটক নয়, বরং এটি তাঁর একটি বিখ্যাত <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>।</p>
<p>মনে রাখার সুবিধার্থে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ছায়ানট</strong> ১৯২৫ সালে প্রকাশিত একটি কাব্যগ্রন্থ, যেখানে কবির দেশপ্রেম ও বিদ্রোহের সুর ফুটে উঠেছে।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>ঝিলিমিলি</em>, <em>পুতুলের বিয়ে</em> এবং <em>আলেয়া</em>—এই তিনটিই নজরুলের লেখা জনপ্রিয় নাটক।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে শুধু মনে রাখুন, নজরুলের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় <strong>ছায়ানট</strong> একটি অন্যতম নাম, নাটক নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘সঞ্চিতা’ হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন।</li>
<li>এই সংকলনটি ১৯২৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>নজরুল ইসলামের কাব্য প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শনগুলো এই বইটিতে একত্রে পাওয়া যায়, তাই এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল ইসলামের কবিতার ভাণ্ডার বললেই আমাদের মাথায় ‘সঞ্চিতা’র নাম সবার আগে আসে।</p>
১৩৭১
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘সঞ্চিতা’ কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
<p>কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সঞ্চিতা’ উৎসর্গ করেছিলেন বিশ্বকবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>-কে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম তাঁর সাহিত্যিক জীবনে রবীন্দ্রনাথকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন এবং তাঁকে গুরুতুল্য মনে করতেন।</li>
<li>এই গভীর শ্রদ্ধাবোধ থেকেই তিনি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সঞ্চিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে উৎসর্গ করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে লেখক ও কবির পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
১৩৭২
বঙ্গী মুসলিম সাহিত্য পত্রিকায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দে কাজী নজরুল ইসলামের প্রতশ প্রকাশিত কবিতার নাম-
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। সেই ধারাবাহিকতায়:</p>
<ul>
<li>১৩২৬ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা'-তে নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা ছিল <strong>মুক্তি</strong>।</li>
<li>এটিই ছিল তাঁর মুদ্রিত প্রথম বাংলা কবিতা, যা তাঁর সাহিত্যিক যাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রায়ই তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা বা প্রবন্ধ নিয়ে প্রশ্ন আসে। তাই সাল এবং পত্রিকার নামসহ কবিতাটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
১৩৭৩
কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। ব্রিটিশ শাসনামলে এই কবিতাটি প্রকাশের পর নজরুল ইসলামকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>১৯২২ সালে নজরুল ইসলাম <strong>'ধূমকেতু'</strong> পত্রিকায় এই কবিতাটি লিখেছিলেন।</li>
<li>কবিতাটিতে ব্রিটিশ সরকারের অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।</li>
<li>এই সাহসী লেখনীর কারণেই ব্রিটিশ সরকার তাকে কারাদণ্ড দেয়, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা।</li>
</ul>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>‘মহরম’</strong> কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ <strong>‘অগ্নিবীণা’</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> হলো নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এই কাব্যের মূল সুর হলো বিদ্রোহ ও বিপ্লব।</li>
<li>‘মহরম’ কবিতাটি এই কাব্যের অন্যতম প্রধান কবিতা, যা কারবালার ট্র্যাজেডি ও ত্যাগের মহিমাকে তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ যে, নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার বহিঃপ্রকাশ যেখানে, সেখানেই ‘মহরম’-এর মতো শক্তিশালী কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে।</p>
১৩৭৫
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্ভূক্ত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সিন্ধুহিন্দোল</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি তাঁর এই কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী সত্তা ও সামাজিক বৈষম্যের চিত্র তাঁর বিভিন্ন কাব্যে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি মূলত তাঁর <strong>সিন্ধুহিন্দোল</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলা সাহিত্যে দারিদ্র্যের কশাঘাত ও মানুষের অসহায়ত্বের এক অনন্য দলিল।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখতে ‘দারিদ্র্য’ ও ‘সিন্ধুহিন্দোল’ শব্দ দুটিকে একসাথে মিলিয়ে মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</li>
</ul>
১৩৭৬
কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বহারা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতাটি তাঁর <strong>সর্বহারা</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এই কবিতাটি মূলত দেশের মুক্তিপাগল মানুষের জাগরণের গান।</li>
<li>নজরুল তাঁর <strong>সর্বহারা</strong> কাব্যগ্রন্থে সাধারণ মানুষের অধিকার ও মুক্তির কথা তুলে ধরেছেন, যার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এই কবিতাটি।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য ‘কাণ্ডারী’ বা ‘পথপ্রদর্শক’ শব্দটিকে ‘সর্বহারা’ মানুষের মুক্তির সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাম্যবাদী</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সাম্যবাদী</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই গ্রন্থে কবি মানুষের সাম্য, ভ্রাতৃত্ব এবং শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ তুলে ধরেছেন।</li>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য নিদর্শন হলো এই কাব্যগ্রন্থটি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার জন্য নজরুলের 'সাম্যবাদী' চেতনাকে তার কবিতার মূল সুর হিসেবে মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
১৩৭৮
কাজী নজরুল ইসলামের ‘সাম্যবাদী’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>লাঙ্গল</strong> পত্রিকায়। ১৯২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, যার প্রধান সম্পাদক ছিলেন স্বয়ং নজরুল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সাম্যবাদী</strong> মানেই সাম্যের কথা, আর নজরুল তার সাম্যবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন <strong>লাঙ্গল</strong> পত্রিকার মাধ্যমে।</li>
<li>পত্রিকাটির নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি ছিল মূলত কৃষক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের কণ্ঠস্বর, যেখানে নজরুলের সাম্যবাদী কবিতাগুলো দারুণভাবে মানিয়ে গিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘ঝিঙেফুল’ কবিতাটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>কবিতাটি নজরুলের <strong>‘ঝিঙেফুল’</strong> নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>প্রকৃতি ও শিশুদের নিয়ে লেখা এই ছড়াধর্মী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
১৩৮০
‘বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি’ কবিতাটি কে রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের প্রকৃতিবিষয়ক কবিতায় প্রায়ই গ্রামবাংলার সহজ-সরল রূপ ফুটে ওঠে।</li>
<li>'বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি' কবিতাটি তাঁর <strong>'নতুন চাঁদ'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য কবির এই কাব্যগ্রন্থটির নাম এবং কবিতার পঙ্ক্তিটি একসাথে মিলিয়ে পড়লে খুব দ্রুত মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রকৃতির নিবিড় বর্ণনা এবং গুবাক তরুর (সুপারি গাছ) এই চিত্রকল্পটি নজরুলের কাব্যশৈলীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।