<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৪০০ সালে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই বিখ্যাত কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়।</p>
<ul>
<li><strong>১৪০০ সালে</strong> কবিতাটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।</li>
<li>এটি তার বিখ্যাত 'ক্ষণিকা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কালজয়ী কবিতা।</li>
<li>অন্যদিকে, বিদ্রোহী, ধূমকেতু এবং পূজারিণী—এই তিনটিই কাজী নজরুল ইসলামের অনবদ্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউশন এড়াতে মনে রাখবেন, <strong>১৪০০ সালে</strong> শিরোনামটি দেখলেই বুঝে নেবেন এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> হলো নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতাই হলো কালজয়ী সৃষ্টি <strong>‘বিদ্রোহী’</strong>।</li>
<li>কবি যখন এই কবিতাটি লেখেন, তখন তার মনের ভেতরের অগ্নিঝরা চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল এই কাব্যের মাধ্যমেই।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থের কথা মনে রাখবেন। এটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য!</p>
<p>‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম ‘অগ্নিবীণা’ অর্থাৎ আগুনের বা ধ্বংসের সুর।</li>
<li>কবিতাটির নাম ‘প্রলয়োল্লাস’—যার অর্থ প্রলয় বা ধ্বংসের মাঝে আনন্দ খুঁজে পাওয়া।</li>
<li>যেহেতু কাব্যগ্রন্থটি ব্রিটিশবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ, তাই এর শুরুতেই ধ্বংসের মাধ্যমে নতুন সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, অগ্নিবীণার প্রথম কবিতা হিসেবে <strong>প্রলয়োল্লাস</strong> সবসময় তালিকার শীর্ষে থাকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের ঘটনা এটি।</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলাম ১৯১৯ সালে প্রথম এই গল্পটি লিখেছিলেন।</li>
<li>এটি সেই বছরের মে মাসে 'সওগাত' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্রে এটিই ছিল তার প্রথম মুদ্রিত বা প্রকাশিত রচনা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি যে, তার প্রথম প্রকাশিত লেখা হিসেবে <strong>বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী</strong>-ই স্বীকৃত।</p>
১৪০০
“বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কতযামিনী” এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি নজরুলের <strong>'বউ কথা কও'</strong> নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম এবং মূল ভাব নজরুলের রোমান্টিক ও প্রকৃতি-নির্ভর কাব্যশৈলীর সাথে হুবহু মিলে যায়।</li>
<li>নজরুলের কবিতায় প্রায়ই এমন আবেগঘন এবং ছন্দময় শব্দের ব্যবহার দেখা যায়, যা খুব সহজেই পাঠককে আকৃষ্ট করে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, প্রকৃতির সাথে মানবী রূপের এমন চমৎকার তুলনা নজরুলের লেখনীতেই সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যথার দান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো <strong>ব্যথার দান</strong>।</li>
<li>এটি একটি গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'অগ্নিবীণা'কে প্রথম গ্রন্থ মনে করেন, কিন্তু মনে রাখবেন 'অগ্নিবীণা' হলো নজরুলের প্রথম প্রকাশিত <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>, আর সামগ্রিকভাবে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো 'ব্যথার দান'।</li>
</ul>
১৪০২
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয় কোন সনে?
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এর পেছনের মূল ঘটনাগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।</li>
<li>এর ঠিক দুই বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৯৭৪ সালে</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কবিকে সম্মানসূচক 'ডি-লিট' ডিগ্রি প্রদান করা হয়।</li>
<li>একই বছরে তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশে আসার পর কবিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ১৯৭৪ সালেই পূর্ণতা পায়।</p>
<p>‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি তাঁর অন্যতম প্রভাবশালী একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>নজরুল তাঁর বিদ্রোহী সত্তা এবং শোষিত মানুষের প্রতি ভালোবাসা ফুটিয়ে তুলতে এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো ব্যবহার করেছেন।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকার এই বইটির তেজস্বী বার্তার কারণে এটি বাজেয়াপ্ত করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুলের অগ্নিঝরা কবিতার সংকলন হিসেবে ‘বিষের বাঁশী’ বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য নাম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সিন্ধু হিন্দোল [কাব্য]</strong>। এটি কবি নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সিন্ধু হিন্দোল</strong> নামটি শুনলেই বোঝা যায় এটি একটি কাব্যধর্মী বা ছন্দময় নাম।</li>
<li>নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা মূলত সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বা আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: <strong>সিন্ধু হিন্দোল = কাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের এই ধরনের ক্লাসিক কাজগুলো মনে রাখার জন্য বইয়ের নামের সাথে তার ধরনটি (যেমন: কাব্য, উপন্যাস বা নাটক) বারবার পড়ার অভ্যাস করলে খুব দ্রুত আয়ত্তে চলে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলনচাঁপা</strong>। এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>দোলনচাঁপা</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থে কবির রোমান্টিক ও বিদ্রোহী চেতনার এক দারুণ সংমিশ্রণ দেখা যায়।</li>
<li>নজরুলের কাব্যধারায় এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত, তাই পরীক্ষার জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
১৪০৬
বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দে কাজী নজরুল ইসলামের প্রতম প্রকাশিত কবিতার নাম-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তি</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো এই কবিতাটি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম যখন সাহিত্য জগতে নিজের পদচিহ্ন রাখছিলেন, তখন ১৩২৬ বঙ্গাব্দে <strong>বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকা</strong>-তে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা হিসেবে <strong>মুক্তি</strong> ছাপা হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কবিতার কথা ভাবেন, কিন্তু নজরুলের প্রথম মুদ্রিত কবিতা হিসেবে <strong>মুক্তি</strong>-ই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>মুক্তি</strong> অপশনটি বেছে নেবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ প্রশ্ন</strong>। কারণ, এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো বই নয়, বরং এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> একটি বিখ্যাত উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>দোলনচাঁপা</strong>, <strong>কুহেলিকা</strong> এবং <strong>অগ্নিবীণা</strong>—এই তিনটিই কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li><strong>শেষ প্রশ্ন</strong> উপন্যাসটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়, যার রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখবেন, নজরুল সাধারণত কাব্যগ্রন্থ বা বিদ্রোহী চেতনার রচনায় বেশি পরিচিত, আর শরৎচন্দ্র তাঁর সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।</p>
<p>জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>চন্দ্রবিন্দু</strong>। এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত, যেখানে কবি সমসাময়িক সমাজ ও রাজনীতির বিভিন্ন অসঙ্গতিকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও হাস্যরসাত্মক ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চন্দ্রবিন্দু</strong> কাব্যগ্রন্থটি নজরুলের ব্যঙ্গাত্মক ধারার সাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই কবির কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।</li>
</ul>
১৪০৯
কবি নজরুল ইসলামের কোন কবিতাটির জন্যে বৃটিশ সরকার তা বাজেয়াপ্ত করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। ব্রিটিশ শাসনামলে নজরুলের এই কবিতাটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রতিবাদী ছিল, যা তৎকালীন সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল।</p>
<ul>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯২২ সালে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার একে রাজদ্রোহমূলক হিসেবে গণ্য করে।</li>
<li><strong>মূল কারণ:</strong> কবিতায় দেবী দুর্গাকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে তীব্র শ্লেষ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছিল, তা ব্রিটিশদের আতঙ্কিত করে তোলে।</li>
<li><strong>ফলাফল:</strong> এই কবিতার কারণেই কবিকে কারাবরণ করতে হয়েছিল এবং সরকার পত্রিকা ও কবিতাটি বাজেয়াপ্ত করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রিটিশদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোর কারণেই এই কালজয়ী সৃষ্টিটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ নজরুলের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় ‘দোলনচাঁপা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ নাম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘দোলনচাঁপা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় <strong>১৯২৩</strong> সালে।</li>
<li>এটি নজরুলের রোমান্টিক ধারার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ‘অগ্নিবীণা’, ‘বিষের বাঁশি’ এবং ‘দোলনচাঁপা’—এই নামগুলো একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।