<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিউলিমালা</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি একটু খেয়াল করলেই এটি পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li><strong>আলেয়া</strong>, <strong>পুতুলের বিয়ে</strong> এবং <strong>ঝিলিমিলি</strong>—এই তিনটিই কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত নাটক।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>শিউলিমালা</strong> কোনো নাটক নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি জনপ্রিয় <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, নজরুল মূলত কাব্য ও গানের জন্য পরিচিত হলেও তাঁর নাটকগুলো বেশ নির্দিষ্ট কিছু নামে পরিচিত। তাই নাটক নয় এমন অপশনটি খুঁজে বের করতে হলে তাঁর গল্পের বইগুলোর নাম আলাদাভাবে মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের কবিতার ভাবানুবাদ করে এই অমর গ্রন্থটি রচনা করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম ফারসি সাহিত্যের প্রতি ভীষণ অনুরাগী ছিলেন।</li>
<li>তিনি হাফিজের রুবাই বা চতুর্দশপদী কবিতাগুলোর বাংলা রূপ দেন, যা <strong>রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যে অনুবাদের ক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন, যেখানে তিনি মূল কবিতার ভাব ও সুর অক্ষুণ্ণ রেখেছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রবিন্দু</strong>। এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গানের সংকলন বা গানের বই।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুলের অনেকগুলো বইয়ের নামের মধ্যে <strong>চন্দ্রবিন্দু</strong> বিশেষভাবে তার গানের বই হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের কাব্যগ্রন্থ এবং গানের বইয়ের মধ্যে পার্থক্য করতে দেওয়া হয়, তাই এই নামটি আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুলবুল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকায় 'ছায়ানট', 'সর্বহারা' এবং 'সাম্যবাদী' অন্তর্ভুক্ত থাকলেও 'বুলবুল' তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়।</p>
<ul>
<li>'বুলবুল' মূলত কবি জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য আপনি এই ছন্দটি মনে রাখতে পারেন: <em>অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট, সর্বহারা, সাম্যবাদী</em>—এগুলো সবই তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নামের সাথে জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের পার্থক্যটা একটু খেয়াল রাখলেই হবে।</p>
<p>‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’র অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটি প্রকাশের সঠিক সময়কাল হলো <strong>১৯২২ সালের জানুয়ারি</strong> মাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯২২</strong> সালের জানুয়ারি মাসে।</li>
<li>এটি তৎকালীন ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই কবিতাটি প্রকাশের তারিখটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রকাশের পরপরই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিতি পান।</li>
</ul>
<p>জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুদিন মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন বলে অনেকের মনে হতে পারে, কিন্তু সঠিক তারিখটি হলো <strong>১৯৭৬ সালের ২৬ আগস্ট</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>কবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।</li>
<li>তার মৃত্যু সালটি হলো <strong>১৯৭৬</strong>।</li>
<li>তার প্রয়াণের সঠিক তারিখটি হলো <strong>২৬ আগস্ট</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৯৭৬, ২৬ আগস্ট</strong>। এই তারিখটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
১৪৪৭
কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের প্রকাশকাল কত?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'মৃত্যুক্ষুধা'</strong>-এর প্রকাশকাল হলো <strong>১৯৩০</strong> সাল। এটি মূলত ১৯৩০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের এই সময়টি ছিল বেশ ঘটনাবহুল।</li>
<li>উপন্যাসটি ১৯৩০ সালে প্রথম বই আকারে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>পরীক্ষায় সাল মনে রাখার জন্য নজরুল ইসলামের প্রধান উপন্যাসগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে বারবার রিভিশন দিলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের শিল্পীজীবন মূলত তাঁর সাহিত্যিক ও সৃজনশীল কর্মকালের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। তাঁর এই বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ছিল মোট <strong>২৩ বছর</strong>।</p>
<ul>
<li>১৯২১ সাল থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত সময়কালকে তাঁর প্রধান সৃজনশীল সময় হিসেবে ধরা হয়।</li>
<li>১৯৪২ সালের জুলাই মাসে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি ও কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন।</li>
<li>এই দীর্ঘ সময়ের হিসাব করলে দেখা যায়, তাঁর সক্রিয় সাহিত্যচর্চার সময়কাল ছিল ঠিক <strong>২৩ বছর</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯২১ থেকে ১৯৪২ পর্যন্ত সময়টিই তাঁর শিল্পীজীবনের মূল ভিত্তি।</p>
<p>কবি নজরুল ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। এই ঘটনাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত দুঃখজনক অধ্যায়। বিষয়টিকে সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৯৪২ সালের শুরুর দিকেই কবির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।</li>
<li>এই অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং সাহিত্যচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪২ সালের মাঝামাঝি সময়েই তিনি পুরোপুরি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন এই সময়েই কবি নজরুল শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন, যা পরবর্তীতে তার দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪২</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যুগবাণী</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের দিকে তাকালে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>যুগবাণী</strong> হলো নজরুলের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>এই বইটিতে মূলত সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে লেখা তাঁর বিভিন্ন জ্বালাময়ী প্রবন্ধগুলো স্থান পেয়েছে।</li>
<li>নজরুলের গদ্যশৈলী এবং তাঁর চিন্তাধারার পরিচয় পেতে এই প্রবন্ধগ্রন্থটি একটি অনন্য দলিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুলের প্রবন্ধের কথা উঠলেই <strong>যুগবাণী</strong> নামটি সবার আগে আসে, কারণ এটি তাঁর গদ্য রচনার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।</li>
<li>একই বছর, অর্থাৎ <strong>১৯৭৬</strong> সালেই তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে <strong>একুশে পদক</strong> দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নাগরিকত্ব পাওয়ার বছরটিই হলো তার একুশে পদক পাওয়ার বছর। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৭৬</strong>।</p>
১৪৫২
কাজী নজরুল ইসলামের 'মহররম' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'অগ্নিবীণা'</strong>-এর অন্যতম প্রধান কবিতা হলো 'মহররম'। ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> হলো নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাই বিদ্রোহী চেতনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ভরপুর।</li>
<li>'মহররম' কবিতাটি এই গ্রন্থের প্রথম দিকেই স্থান পেয়েছে, তাই এটি অগ্নিবীণার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে <strong>অগ্নিবীণা</strong> থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, আর 'মহররম' কবিতাটি এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>সিন্ধু হিন্দোল</strong>। নজরুল মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও, তাঁর লেখায় রোমান্টিকতা ও প্রেমের গভীর প্রকাশ ঘটেছে অত্যন্ত চমৎকারভাবে।</p>
<ul>
<li><strong>সিন্ধু হিন্দোল</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত প্রেমের কবিতা ও গানের সংকলন।</li>
<li>এই কাব্যে কবির হৃদয়ের আবেগ, বিরহ এবং প্রেমের এক অনন্য রূপ ফুটে উঠেছে।</li>
<li>নজরুলের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো মূলত বিদ্রোহ বা সাম্যবাদী চেতনার হলেও, এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি তাঁর প্রেমের কাব্যধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>। এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একমাত্র উপন্যাস। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>নজরুলের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> একটি কালজয়ী উপন্যাস, যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয় 'জীবনক্ষুধা' এবং 'মৃত্যুক্ষুধা' নিয়ে। মনে রাখবেন, নজরুলের উপন্যাসের নামের শেষে <strong>'ক্ষুধা'</strong> থাকলেও সেটি 'মৃত্যু' দিয়ে শুরু হয়।</li>
<li>সহজ ট্রিক: নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার সাথে 'মৃত্যু' শব্দটি বেশি মানানসই, তাই এভাবে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মগোখরা</strong>। এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের গল্পগুলোর মধ্যে <strong>পদ্মগোখরা</strong>, <strong>হেনা</strong> এবং <strong>ব্যথার দান</strong> বেশ পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির ছোটগল্পের তালিকার শুরুতে এই নামটির কথা মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।