ফুসফুস হলো স্তন্যপায়ী প্রাণীদের প্রধান শ্বসন অঙ্গ, যা আমাদের নিশ্বাস ও প্রশ্বাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। ফুসফুস সংখ্যায় দুটি এবং হালকা গোলাপী রঙের স্পঞ্জের মতো নরম অঙ্গ। বাম ফুসফুসটি আকারে ছোট, ওজনে ৫৬৫ গ্রাম, দুই লোব বিশিষ্ট এবং ডান ফুসফুস আকারে বড়, ওজনে ৬২৫ গ্রাম, তিন লোব বিশিষ্ট। ফুসফুস দ্বিস্তরী পিউরাল পর্দা (pleural membrane) দিয়ে আবৃত থাকে।
৩৩২
একটি স্নয়ুকোষে স্নায়ু অনুভূতি পরিবহনের সঠিক গতিপথ কোনটি?
কোষদেহ-নিউরনের কোষ দেহকে নিউরোসাইটন বলে।কোষদেহে প্লাজমামেমব্রেন বা কোষপর্দা,, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াসসহ বিভিন্ন অঙ্গানু রয়েছে। এটা নিউরোনের মুখ্য অংশ এবং এটি গোলাকার, ডিম্বাকার, মোচাকার, সুঁচালো, তারকাকৃতি প্রভৃতি বিভিন্ন আকৃতির হয়ে থাকে। কোষদেহের ব্যাস ৬ মাইক্রন থেকে ১২০ মাইক্রন পর্যন্ত হতে পারে। কোষদেহ থেকে নির্গত বা বহির্গত শাখা-প্রশাখাকে প্রবর্ধক অংশ বলে। এটি দু’ধরনের যথা : ক. ডেনড্রাইট (Dendrite) ও খ অ্যাক্সন (Axon)। ডেনড্রাইট -কোষদেহের চারদিকে সৃষ্ট ক্ষুদ্র তন্তুময় শাখাবিশিষ্ট অংশকে ডেনড্রাইট বলে। অ্যাক্সন- কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা ও শাখাবিহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন।
যে সকল স্নায়ু উভয় দিকেই অর্থাৎ গ্রাহক অংশ থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে কারক অঙ্গে স্নায়ু উদ্দীপনা বহন করে নিয়ে যায় , তাকে মিশ্র স্নায়ু বলে । উদা : ভেগাস স্নায়ু , ফেসিয়াল স্নায়ু । ভেগাস স্নায়ুর উৎপত্তিস্থল সুষুম্না শীর্ষকের অঙ্কীয়দেশ হতে। ভেগাস নার্ভ যা আমাদের হার্টবিট নিয়ন্ত্রন করে ঘাম নিয়ন্ত্রন করে। এটা আমাদের কথা বলতে সাহায্যকরে এমনকি বমি করতে বাধ্য করে অনেক সময়। এই স্নায়ু প্রকৃতপক্ষে মস্তিষ্ক থেকে গোটা শরীরের তথ্য সরবরাহের হাইওয়ে। 'vagus' হল একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিচরন করা।
ভাইরাস হলো এক প্রকার অতিক্ষুদ্র জৈব কণা বা অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই মাত্র বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এরা এক্যারিওটা শ্রেণির সদস্য ও আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয়। এরা সরলতম জীব। ভাইরাস জৈব রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে গঠিত এবং উপযুক্ত পোষক দেহের অভ্যন্তরে পোষক দেহের জৈব রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে সক্ষম । সকল ভাইরাসে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান । তাই ভাইরাসকে এক প্রকার জীব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।ভাইরাস মানুষ, পশু-পাখি, উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী। এমনকি, কিছু ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়ার মধ্যে বংশবৃদ্ধি করে- এদের ব্যাক্টেরিওফেজ (Bacteriophage)বলা হয়।ভাইরাস ল্যাটিন ভাষা হতে গৃহীত একটি শব্দ। এর অর্থ হল বিষ। আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোন বিষাক্ত পদার্থকে ভাইরাস বলা হত। বর্তমান কালে ভাইরাস বলতে এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক অকোষীয় রোগ সৃষ্টিকারী বস্তুকে বোঝায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বহু রোগ সৃষ্টির কারণ হল ভাইরাস। ভাইরাস কে জীবাণু না বলে 'বস্তু' বলা হয়। কারণ, জীবদেহ ডিএনএ, আরএনএ ও নিওক্লিক এসিড দিয়ে গঠিত, প্রোটিন তাই ভাইরাস অকোষীয়।
দুটি বড়, কুন্ডলী পাকানো ও খাজঁ বিশিষ্ট খন্ড নিয়ে সেরেব্রাম (ইংরেজি: cerebrum) গঠিত। খন্ড দুটিকে সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে। সেরেব্রাম মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ এবং মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশকে আবৃত করে রাখে। খন্ড দুটি ভেতরের দিকে কর্পাস ক্যালোসাম নামে চওড়া স্নায়ুগুচ্ছ দিয়ে যুক্ত।
উদ্ভিদের পুষ্টির প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় মাইক্রোমৌল ৬টি। যথা: দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, মলিবডেনাম, বোরন, তামা, ক্লোরিন। এগুলো খুব কম পরিমাণে লাগে বলে এগুলোকে মাইক্রোমৌল বলে।
শিরার বৈশিষ্ট্য:১৷ শিরার উৎসস্থল জালক এবং মিলনস্থল হৃৎপিণ্ড।২৷ শিরার প্রাচীর পাতলা ও গহ্বর বড়।৩৷ শিরার মধ্যে কপাটিকা থাকে।৪৷ শিরার মাধ্যমে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিণ্ডে পরিবাহিত হয়।৫৷ শিরার মাধ্যমে দূষিত রক্ত বা ডি অক্সিজিনেটেড ব্লাড পরিবাহিত হয়, (ব্যতিক্রম ফুসফুসীয় শিরা, যেখানে যুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়)।৬৷ শিরার মধ্যে দিয়ে রক্ত ধীরে প্রবাহিত হয়।৭৷ শিরার স্পন্দন নেই।৮৷ শিরা কেটে গেলে গল গল করে রক্ত বেরোয়।৯।দেহ থেকে হৃদপিন্ডের দিকে পরিবহন করে১০।কম চাপে রক্ত পরিবহন করে১১।পালমোনারী শিরাতে কপাটিকা থাকে না
প্লিনি (Pliny the Elder) একজন রোমান লেখক ও প্রকৃতিবাদী দার্শনিক ছিলেন যিনি বিশ্বের প্রথম বিশ্বকোষ রচনা করার জন্য জগদ্বিখ্যাত। তাঁর লেখা সেই বিশ্বকোষের নাম ছিল ‘ন্যাচারালিস হিস্টোরিয়া’ তথা ‘ন্যাচারাল হিস্ট্রি’। তাঁর লেখা এই বইটিই পরবর্তীকালে আধুনিকতম বিশ্বকোষ রচনার নমুনা হিসেবে পরিগণিত হয়। প্লিনি তাঁর অবসর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই লেখালিখি, পড়াশোনা ও প্রাকৃতিক এবং ভৌগোলিক নানাবিধ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেই কাটিয়েছিলেন। প্লিনির অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ কাজের মধ্য উল্লেখযোগ্য হল ‘বেলা জার্মানিয়া’ তথা ‘দ্য হিস্ট্রি অফ দ্য জার্মান ওয়ার্স’। কিন্তু এই বইটি বর্তমানে লুপ্ত। অনেক বিখ্যাত ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ ট্যাসিটাস জার্মানির উপর একটি বই রচনার সময় প্লিনির লেখা ‘বেলা জার্মানিয়া’ বইটিকেই প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
সেক্স লিংকড জিনের কারণে মানুষের যেসব সমস্যা দেখা দেয় :বর্ণান্ধতা , হিমোফিলিয়া, রাতকানা, অপটিক অ্যাট্রফি, জুভেনাইল গ্লুকোমা, হোয়াইট ফোরলক, মায়োপিয়া, মাসক্যুলার ডিসট্রফি।
৩৪২
কোষ বিভাজনে স্পিন্ডল যন্ত্রের যে তন্ত্রুর সাথে সেন্ট্রোমিয়ার সংযুক্ত হয় তাকে বলা হয়--
প্রাে-মেটাফেজ (Pro-metaphase) পর্যায়ের একেবারে প্রথম দিকে উদ্ভিদকোষে কতকগুলাে তন্তুময় প্রােটিনের সমন্বয়ে দুই মেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্রের (spindle apparatus) সৃষ্টি হয়। স্পিন্ডল যন্ত্রের দুই মেরুর মধ্যবর্তী স্থানকে ইকুয়েটর বা বিষুবীয় অঞ্চল বলা হয়। কোষ কংকালের মাইক্রোটিবিউল দিয়ে তৈরি স্পিন্ডলযন্ত্রের তন্তুগুলাে এক মেরু থেকে অপর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত, এদেরকে স্পিন্ডল তন্তু (spindle fibre) বলা হয়। এ পর্যায়ে ক্রোমােজোমের সেন্ট্রোমিয়ার স্পিড়লষত্রের কিছু নির্দিষ্ট তন্তুর সাথে সংযুক্ত হয়। এই তন্তুগুলােকে আকর্ষণ তন্তু (traction fibre) বলা হয়। ক্রোমােজোমের সাথে এই তন্তুগুলি সংযুক্ত বলে এদের ক্রোমােসােমাল তন্দুও বলা হয়। ক্রোমােজোমগুলাে এ সময়ে বিষুবীয় অঞ্চলে বিন্যস্ত হতে থাকে। কোষের নিউক্লিয়াসের নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি ঘটতে থাকে। প্রাণিকোষে স্পিন্ডল। যন্ত্র সৃষ্টি ছাড়াও পূর্বে বিভক্ত সেন্ট্রিওল দুটি দুই মেরুতে অবস্থান করে এবং সেন্ট্রিওল দুটির চারদিক থেকে রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। একে অ্যাস্টার রে বলে।
প্যারেনকাইমা বৈশিষ্ট্য ও গঠন: কোষগুলো জীবিত ও সমান আকারের । কোষ প্রাচীর পাতলা, সমান পুরু ও সেলুলোজ দিয়ে তৈরি । কোষগুলো গোলাকার, বহুভুজাকৃতি, ডিম্বাকার ও প্রোটোপ্লাজম যুক্ত। এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে।
অণুজীব হল সেই সকল ক্ষুদ্র এককোষী জীব যাদের খালি চোখে দেখা যায় না। এরা প্রাককেন্দ্রিক, সুকেন্দ্রিক উভয় প্রকার হতে পারে। সকল প্রকার ব্যাক্টেরিয়া, আরকিয়া, প্রটোজোয়া, এককোষী শৈবাল, ছত্রাক অণুজীবের অন্তর্গত।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।