প্রতিটি অক্ষিগোলকের বাইরের দিকে সাতটি করে এক্সট্রিনসিক পেশি থাকে। এর মধ্যে ৪টি রেক্টাস (rectus), ২টি অবলিক (oblique) এবং ১টি লিভেটর পালপেত্রি সুপিরিওরিস |
৮৫৮
মানুষের মধ্যে সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া ঘণ্টায় Plasmodium এর কোন প্রজাতি?
সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়ার একটি গুরুতর এবং সম্ভাব্য মারাত্মক স্নায়বিক জটিলতা যার ফলে কোমা, খিঁচুনি এবং অন্যান্য গুরুতর লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এটি প্রোটোজোয়ান প্যারাসাইট প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরামের সংক্রমণের কারণে ঘটে, যা প্লাজমোডিয়ামের বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে একটি যা মানুষের মধ্যে ম্যালেরিয়া হতে পারে।প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম হল প্লাজমোডিয়ামের সবচেয়ে মারাত্মক প্রজাতি এবং বিশ্বব্যাপী ম্যালেরিয়াজনিত মৃত্যুর সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য দায়ী। এটি সংক্রামিত মহিলা অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয় এবং জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা এবং ক্লান্তি সহ বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।যদি চিকিত্সা না করা হয় বা চিকিত্সা বিলম্বিত হয়, প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার মতো গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যা মস্তিষ্কের কর্মহীনতা, খিঁচুনি এবং কোমা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া হল একটি চিকিৎসা জরুরী এবং ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ দিয়ে জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজন, প্রায়ই হাসপাতালের সেটিংয়ে।
উদাহরণ— Hydrilla, Utricularia, Elodea প্রভৃতি। প্রােথিত মূলযুক্ত নিমজ্জিত জলজ উদ্ভিদ : এই শ্রেণিভুক্ত উদ্ভিদ জলের নীচে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত অবস্থায় কাদামাটিতে মূল দ্বারা আটকে থাকে। উদাহরণ পাতাশ্যাওলা, বানশ্যাওলা, পাথরমূল, শিংমূল, পুকুরের আগাছা ও অধিকাংশ আণুবীক্ষণিক অ্যালগি।
অনেক ব্যাকটেরিয়া বিশেষ করে অন্ত্রের গুলো মানুষের জন্যে উপকারী, তথাপি কিছু ব্যাকটেরিয়ার প্রজাতি রোগজনক এবং সংক্রামক ব্যাধির কারণ। যেমন, কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, সিফিলিস, অ্যানথ্রাক্স, কুষ্ঠব্যাধি, বিউবনিক প্লেগ ইত্যাদি। শ্বাস নালীর সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট রোগসমূহ হলো ব্যাকটেরিয়াজনিত সর্বাপেক্ষা মারত্মক ব্যাধি।
মায়োসিস প্রক্রিয়াকে দুটি প্রধান পর্যায়ে ভাগ করা হয় ; যথা - (ক) মায়োসিস-১ ও (খ) মায়োসিস-২মায়োসিস-১ বা প্রথম মায়োটিক বিভাজন :• প্রোফেজ-১ ➞ এই পর্যায়টি অনেক দীর্ঘ হয়, এর উপ-পর্যায়ে ক্রোমোমিয়ার, বুকে, পোলারাইজড, সিন্যাপসিস, বাইভেলেন্ট, টেট্রাড, কায়াজমা, ক্রসিংওভার, প্রান্তীয়করণ ইত্যাদি দেখা যায়• মেটাফেজ-১ ➞ এই পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় না• অ্যানাফেজ-১ ➞ প্রতি মেরুতে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়• টেলোফেজ-১ ➞ নিউক্লিয়ার এনভেলপ ও নিউক্লিওলাসের আবির্ভাব ঘটে, জলযোজন ঘটে ফলে ক্রোমোসোমগুলো ক্রমান্বয়ে সরু হতে থাকে ।মায়োসিস-২ বা দ্বিতীয় মায়োসিস বিভাজন :এই বিভাজন প্রক্রিয়াটি মাইটোসিস কোষ বিভাজনের অনুরূপ তাই একে সমীকরণিক বিভাজনও বলা হয় ।
ভাইরাসের দেহে DNA অথবা RNA,যেকোনো একরকমের নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে। উদ্ভিদ ভাইরাস শুধুমাত্র RNA এবং ব্যাক্টেরিয়া ভাইরাসেশুধুমাত্র DNA ঘটিত হয়। তবে Cauliflower mosaic উদ্ভিদ ভাইরাস -এ DNA থাকে |
রাইবোসোমের কাজ ➞ রাইবোসোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ (তৈরি) করা । তাই রাইবোসোমকে কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয় । প্রোটিন সংশ্লেষণের শুরুতে mRNA আদি কোষের 30 S এবং প্রকৃত কোষের 40 S সাব-ইউনিটের সাথে সংযোগ স্থাপন করে । এরপর আদি কোষে 30 S এর সাথে 50 S মিলে 70 S একক গঠন করে এবং প্রকৃত কোষে 40 S এর সাথে 60 S সাব-ইউনিট এসে একত্রিত হয়ে 80 S একক গঠন করে এবং প্রোটিন সংশ্লেষণ শুরু হয় । এরা সাইটোক্রোম উৎপন্ন করে যারা কোষীয় শ্বসনে ইলেকট্রন পরিবহন করে । গ্লুকোজের ফসফোরাইলেশন এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক রাইবোসোমে সংঘটিত হয় । mRNA কে নিউক্লিয়েজ এনজাইম ও নতুন পলিপেপটাইড চেইনকে প্রোটিওলাইটিক এনজাইমের যেকোনো ক্ষতিকর ক্রিয়া থেকে সুরক্ষা করে ।
মানবদেহে শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় এন্টিজেন ভক্ষণ করে দেহ নিরোগ রাখে। প্রধান ফ্যাগোসাইটিক কোষগুলো হলো ম্যাক্রোফেজ ও নিউট্রোফিল। এর পাশাপাশি রয়েছে ইউসিনোফিল, মনোসাইট, ডেনড্রাইটিক সেল ও বি লিম্ফোসাইট।
তুলনীয় বিষয়পুরুষ আরশোলাস্ত্রী আরশোলাআকারঅপেক্ষাকৃত লম্বা ও সরুখাটো ও চওড়াডানাউদর অপেক্ষা বড়উদরের পেছনে বাড়ানো নয়, বলা যায় সমানজননরন্ধ্রনবম ও দশম খণ্ডের সংযোগস্থলে পুং জননরন্ধ্র আছে।অষ্টম খণ্ডের অঙ্কীয়দেশের মাঝখানে স্ত্রী জননরন্ধ্র থাকে।সপ্তম খণ্ডকসাধারণ আকৃতিরনৌকাকৃতি ধারণ করে জননথলি তৈরি করে।
বৃহদন্ত্র, বৃহৎ অন্ত্র নামেও পরিচিত, যা গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল নালীর এবং মেরুদন্ডীদের পরিপাকতন্ত্রের শেষ অংশ। পানি এখানে শোষিত হয় এবং অবশিষ্ট বর্জ্য পদার্থ মল হিসেবে সংরক্ষণ করে মলত্যাগ এর পূর্ব পর্যন্ত। মানবদেহের পরিপাককারী এই অংশে এনজাইম অনুপস্থিত থাকে।
সয়াবিন তেল হল উদ্ভিজ্জ তেল, যা সয়াবিনের (Scientific name: Glycine max) বীজ থেকে পাওয়া যায়। এটি সর্বাধিক ব্যবহৃত রান্নার তেলগুলির মধ্যে একটি এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত উদ্ভিজ্জ তেল। শুকানোর তেল হিসাবে, প্রক্রিয়াকৃত সয়াবিন তেলকে ছাপানোর কালি ( সয়া কালি ) এবং তেল রঙের জন্য ভিত্তি হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
জীববিজ্ঞান
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।