<p>উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি মূলত <strong>দিনে</strong> ঘটে। এর পেছনে খুব সহজ একটি কারণ রয়েছে:</p>
<ul>
<li>প্রস্বেদন হওয়ার জন্য উদ্ভিদের পাতার পত্ররন্ধ্র বা স্টোমাটা খোলা থাকা জরুরি।</li>
<li>দিনের বেলা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পত্ররন্ধ্রগুলো খোলা থাকে।</li>
<li>পত্ররন্ধ্র খোলা থাকার সুযোগেই উদ্ভিদ তার দেহের অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের করে দেয়, যাকে আমরা প্রস্বেদন বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দিনের বেলা সূর্যালোকের তাপে বাষ্পীভবনের হার বেশি থাকে এবং পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় প্রস্বেদন প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে সক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।</p>
৪৭
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস কী?
<p>সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস হলো <strong>পানি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে পানি ($H_2O$) এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ($CO_2$) ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে।</li>
<li>এই প্রক্রিয়ায় পানির অণু ভেঙে যায়, যাকে বলা হয় ফটোলাইসিস বা পানির আলোক বিশ্লেষণ।</li>
<li>পানির অণু ভাঙার ফলে সেখান থেকে উপজাত হিসেবে অক্সিজেন ($O_2$) নির্গত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উদ্ভিদ যে অক্সিজেন ত্যাগ করে, তা মূলত পানি থেকেই আসে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>পানি</strong>।</p>
<p>বাজারে প্রাপ্ত বা পানযোগ্য মদের মূল রাসায়নিক উপাদান হলো <strong>ইথাইল অ্যালকোহল</strong>, যার রাসায়নিক সংকেত হলো $C_2H_5OH$। একে ইথানলও বলা হয়।</p>
<ul>
<li>সাধারণত গাঁজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাবার থেকে এই অ্যালকোহল তৈরি করা হয়।</li>
<li>এটি মানুষের শরীরের জন্য সহনশীল মাত্রায় বিপাকযোগ্য, তাই এটিই একমাত্র অ্যালকোহল যা পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অ্যালকোহল যেমন মিথাইল অ্যালকোহল অত্যন্ত বিষাক্ত এবং তা পান করলে অন্ধত্ব বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেকোনো নিরাপদ বা পানযোগ্য মদের প্রধান কার্যকরী উপাদান হলো এই <strong>ইথাইল অ্যালকোহল</strong>।</p>
<p>ভিটামিন D তৈরিতে সাহায্য করে <strong>UV (Ultra Violet)</strong> বা অতিবেগুনি রশ্মি। আমাদের ত্বকের নিচে থাকা কোলেস্টেরল জাতীয় পদার্থ এই রশ্মির সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ভিটামিন D-তে রূপান্তরিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে বিষয়টি এভাবে কাজ করে:</p>
<ul>
<li>সূর্যের আলো থেকে আসা <strong>UV রশ্মি</strong> আমাদের ত্বকে পড়ে।</li>
<li>ত্বকের নিচে থাকা <strong>7-dehydrocholesterol</strong> এই রশ্মি শোষণ করে।</li>
<li>এর ফলে শরীরে ভিটামিন D সংশ্লেষণ প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>তাই প্রতিদিন অল্প সময় রোদে থাকা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেকটিফায়ার হিসাবে</strong>। ডায়োডের প্রধান কাজই হলো বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী করা, আর এই কাজটিকে ইলেকট্রনিক্সের ভাষায় বলা হয় রেকটিফিকেশন।</p>
<p>সহজভাবে বিষয়টি বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>ডায়োডের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি শুধুমাত্র একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিক থেকে আসা বিদ্যুৎকে বাধা দেয়।</li>
<li>আমাদের বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত এসি (AC) কারেন্টকে ডিসি (DC) কারেন্টে রূপান্তর করার জন্য এই একমুখী করার প্রক্রিয়াটি অপরিহার্য।</li>
<li>এই কারণেই পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা চার্জার সার্কিটে ডায়োডকে রেকটিফায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সংক্ষেপে, এসি থেকে ডিসি তৈরির মূল কারিগরই হলো ডায়োড, তাই রেকটিফায়ার হিসেবে এর ব্যবহারই সবচেয়ে জনপ্রিয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলোই</strong>। অভিজাত ধাতু বা Noble Metals বলতে মূলত সেইসব ধাতুকে বোঝায়, যারা প্রকৃতিতে খুব একটা বিক্রিয়া করে না এবং সহজে ক্ষয় হয় না। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই এদের অভিজাত বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>সোনা (Gold):</strong> এটি অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় এবং উজ্জ্বল ধাতু, যা বাতাসের অক্সিজেন বা পানির সাথে বিক্রিয়া করে না।</li>
<li><strong>রূপা (Silver):</strong> এটিও একটি মূল্যবান ধাতু যা দীর্ঘ সময় চকচকে থাকে এবং সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।</li>
<li><strong>প্লাটিনাম (Platinum):</strong> এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং রাসায়নিকভাবে খুবই স্থিতিশীল, তাই গয়না বা ল্যাবরেটরির সরঞ্জামে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিনটি ধাতুই প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং এদের স্থায়িত্ব অনেক বেশি, তাই এগুলো সবই অভিজাত ধাতুর অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে <strong>ভিটামিন E</strong> অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এর কারণগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ:</strong> ভিটামিন E শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা রক্তনালীতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়।</li>
<li><strong>রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখা:</strong> এটি রক্তনালীর দেয়ালকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সচল থাকে এবং হৃদপিণ্ডের ওপর চাপ কম পড়ে।</li>
<li><strong>প্রদাহ হ্রাস:</strong> শরীরের ভেতরে কোনো ধরনের প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন থাকলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন E এই প্রদাহ কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিয়মিত ভিটামিন E সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে ধমনী সুস্থ থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শুশুক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শুশুক মাছের মতো ফুলকা দিয়ে শ্বাস নেয় না, বরং এদের মাথার ওপর একটি ছিদ্র বা 'ব্লোহোল' থাকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শুশুক হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী, তাই এদের ফুসফুস থাকে।</li>
<li>মাছেরা পানির নিচে দ্রবীভূত অক্সিজেন নিতে পারলেও, শুশুককে অক্সিজেন নেওয়ার জন্য নিয়মিত পানির উপরিভাগে ভেসে উঠতে হয়।</li>
<li>এরা বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় বলেই পানির উপরে এসে শ্বাস নিয়ে আবার ডুব দেয়।</li>
</ul>
<p>গোয়েন্দা বিভাগে বা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক্সরে রশ্মি</strong>। এর কারণটা বেশ মজার এবং সহজ:</p>
<ul>
<li>এক্সরে রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অনেক বেশি, যা সাধারণ আলো বা অন্য রশ্মি দিয়ে সম্ভব নয়।</li>
<li>এটি সহজেই মানুষের চামড়া বা কাপড়ের ভেতর দিয়ে চলে যেতে পারে, কিন্তু হাড় বা ধাতব বস্তুর মতো ঘন পদার্থের ভেতর দিয়ে যেতে বাধা পায়।</li>
<li>এই বিশেষ গুণের কারণেই ব্যাগের ভেতরে থাকা লুকানো অস্ত্র বা ধাতব বস্তু এক্সরে মেশিনের পর্দায় খুব স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এক্সরে রশ্মি আমাদের চোখের অগোচরে থাকা বস্তুর ভেতরের গঠন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে, তাই গোয়েন্দা কাজে এটি সবচেয়ে কার্যকর।</p>
৫৫
আকৃতি , অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের ?
<p>আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যুকে প্রধানত <strong>৪</strong> ভাগে ভাগ করা হয়। এই টিস্যুগুলো মূলত কোষের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিন্যস্ত থাকে।</p>
<ul>
<li><strong>আঁশাকার বা স্কোয়ামাস (Squamous):</strong> এগুলো দেখতে অনেকটা মাছের আঁশের মতো চ্যাপ্টা।</li>
<li><strong>কিউবয়ডাল (Cuboidal):</strong> এই কোষগুলো দেখতে ঘনক বা কিউবের মতো।</li>
<li><strong>কলামনার (Columnar):</strong> এগুলো দেখতে অনেকটা লম্বাটে বা স্তম্ভের মতো।</li>
<li><strong>সিউডোস্ট্র্যাটিফাইড (Pseudostratified):</strong> এগুলো দেখতে স্তরীভূত মনে হলেও আসলে এক স্তরবিশিষ্ট।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোষের এই ৪টি ভিন্ন গঠনই আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ তৈরি করে সুরক্ষা ও পরিবহনের কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৪</strong>।</p>
<p>দৃশ্যমান বর্ণালীর মাঝামাঝি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রং হলো <strong>সবুজ</strong>। এর কারণ হলো দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে রঙের বিন্যাস বা বেনীআসহকলা (VIBGYOR) অনুযায়ী, সবুজ রংটি ঠিক মাঝখানে অবস্থান করে।</p>
<ul>
<li>দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত $380\text{ nm}$ থেকে $750\text{ nm}$ পর্যন্ত হয়ে থাকে।</li>
<li>এই বর্ণালীর ঠিক কেন্দ্রে অবস্থিত রংটি হলো সবুজ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় $500\text{ nm}$ থেকে $565\text{ nm}$ এর মধ্যে থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, বর্ণালীর একপাশে থাকে ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেগুনি এবং অন্যপাশে থাকে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল, আর এদের ঠিক ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানেই সবুজ রঙের অবস্থান।</li>
</ul>
<p>অধরা কণা বা 'ওয়েল ফার্মিওন' (Weyl fermion) কণার অস্তিত্ব প্রমাণে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী <strong>ড. জাহিদ হাসান</strong>। পদার্থবিজ্ঞানের জগতে এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ড. জাহিদ হাসান</strong> প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক।</li>
<li>তিনি এবং তার গবেষক দল দীর্ঘ ৮৫ বছর ধরে বিজ্ঞানীদের ধারণার মধ্যে থাকা এই কণাটি পরীক্ষাগারে শনাক্ত করতে সক্ষম হন।</li>
<li>এই আবিষ্কারটি আধুনিক কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভিটা–বি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভিটামিনগুলোকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—পানিতে দ্রবণীয় এবং চর্বিতে দ্রবণীয়।</p>
<ul>
<li><strong>পানিতে দ্রবণীয়:</strong> ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি।</li>
<li><strong>চর্বিতে দ্রবণীয়:</strong> ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে (এগুলোকে মনে রাখার সহজ কৌশল হলো <strong>ADEK</strong>)।</li>
</ul>
<p>যেহেতু ভিটামিন বি পানিতে সহজেই মিশে যায়, তাই এটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের তালিকায় পড়ে। এই ছোট কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না!</p>
<p>খাবার লবণের মূল উপাদান হলো <strong>সোডিয়াম ক্লোরাইড</strong>। আমরা প্রতিদিন রান্নায় যে লবণ ব্যবহার করি, তার রাসায়নিক নামই হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড। এর সংকেত হলো $NaCl$।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সোডিয়াম ($Na$) এবং ক্লোরিন ($Cl$) পরমাণু মিলে এই যৌগটি গঠিত হয়।</li>
<li>এটি একটি আয়নিক যৌগ, যা পানিতে খুব সহজেই দ্রবীভূত হয়ে যায়।</li>
<li>আমাদের শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখতে এবং খাবারের স্বাদ বাড়াতে এই $NaCl$ অপরিহার্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফসফরাস</strong>। উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং প্রজনন প্রক্রিয়ায় ফসফরাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর অভাব হলে গাছের শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাঘাত ঘটে, যার ফলে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দেয়:</p>
<ul>
<li>গাছের পাতাগুলো অস্বাভাবিকভাবে ঝরে পড়তে শুরু করে।</li>
<li>ফুল আসার হার কমে যায় এবং ফুল ঝরে পড়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।</li>
<li>উদ্ভিদের মূল বা শিকড় সঠিকভাবে বাড়তে পারে না, ফলে গাছ পুষ্টি সংগ্রহে পিছিয়ে পড়ে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফসফরাস গাছের কোষ বিভাজন ও শক্তি স্থানান্তরের কাজ করে। তাই এর অভাবে গাছ তার ফুল ও পাতা ধরে রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
সাধারণ বিজ্ঞান
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।