eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৮৯৫৯ টি
সকল বিষয়
সাধারণ বিজ্ঞান
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬১

কোষের প্রাণশক্তি বলা কোনটিকে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইটোকণ্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইটোকণ্ড্রিয়া</strong>। একে কোষের পাওয়ার হাউস বা প্রাণশক্তি বলা হয় কারণ এটি কোষের যাবতীয় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কোষের বেঁচে থাকার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়, যা মূলত <strong>ATP</strong> (Adenosine Triphosphate) আকারে তৈরি হয়।</li>
<li>মাইটোকণ্ড্রিয়া কোষের ভেতরে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই শক্তি উৎপন্ন করে।</li>
<li>যেহেতু এটি শরীরের প্রতিটি কোষে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো শক্তি সরবরাহ করে, তাই একে কোষের <strong>পাওয়ার হাউস</strong> বা প্রাণশক্তি বলা হয়।</li>
</ul>
৬২

জোয়ার –ভাটার তেজকটাল কখন হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>জোয়ার-ভাটার তেজকটাল হওয়ার সঠিক সময় হলো <strong>অমাবস্যা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>তেজকটাল বা ভরা জোয়ার তখনই হয় যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে।</li>
<li>অমাবস্যার সময় চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে থাকে, ফলে সূর্য ও চাঁদের মিলিত আকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।</li>
<li>এই প্রবল আকর্ষণের কারণেই সমুদ্রের জলস্তর স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ফুলে ওঠে, যাকে আমরা তেজকটাল বলি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন সূর্য ও চাঁদের আকর্ষণ বল একই দিকে কাজ করে, তখনই তেজকটাল সৃষ্টি হয়।</p>
৬৩

ডায়োট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রেক্টিফায়ার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেক্টিফায়ার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ডায়োডের প্রধান কাজই হলো বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী করা।</p>

<ul>
<li>ডায়োড মূলত একটি ইলেকট্রনিক ভালভ হিসেবে কাজ করে, যা কারেন্টকে কেবল একদিকে প্রবাহিত হতে দেয়।</li>
<li>আমাদের বাসা-বাড়িতে যে এসি (AC) বিদ্যুৎ আসে, তাকে ডিসি (DC) বিদ্যুতে রূপান্তর করার জন্য এই একমুখী করার প্রক্রিয়াটিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়।</li>
<li>এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার যন্ত্র বা সার্কিটকে বলা হয় <strong>রেক্টিফায়ার</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এসি থেকে ডিসি পাওয়ার জন্য ডায়োড ব্যবহার করে রেক্টিফায়ার তৈরি করা হয়, যা ইলেকট্রনিক্সের প্রায় সব ডিভাইসেই অপরিহার্য।</p>
৬৪

কোনো মাধ্যমের তাপমাত্রা বাড়ালে ঐ মাধ্যমে শব্দের গতি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাড়ে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় শব্দের গতির সাথে তাপমাত্রার সম্পর্কের মাধ্যমে।</p>

<p>শব্দের গতি মাধ্যমের তাপমাত্রার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের অণুগুলোর গতিশক্তি বেড়ে যায়, ফলে শব্দতরঙ্গ দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করতে পারে। গাণিতিকভাবে শব্দের গতি ও তাপমাত্রার সম্পর্কটি হলো:</p>

<ul>
<li>শব্দের বেগ ($v$) পরম তাপমাত্রার ($T$) বর্গমূলের সমানুপাতিক।</li>
<li>অর্থাৎ, $v \propto \sqrt{T}$</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বৃদ্ধি পায়। সাধারণত প্রতি $1^\circ\text{C}$ তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের গতি প্রায় $0.6 \text{ m/s}$ হারে বেড়ে যায়।</p>
৬৫

কোন কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পেশি কোষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পেশি কোষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>আমাদের শরীরের ঐচ্ছিক পেশি বা কঙ্কাল পেশিগুলো বেশ লম্বা হয়।</li>
<li>এই লম্বা কোষগুলোকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নিউক্লিয়াস যথেষ্ট নয়।</li>
<li>তাই কাজের সুবিধার জন্য একটি পেশি কোষে অনেকগুলো নিউক্লিয়াস থাকে, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় <strong>সিনসিটিয়াম (Syncytium)</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পেশির সংকোচন ও প্রসারণের মতো জটিল কাজগুলো দ্রুত সামলানোর জন্যই প্রকৃতি এই কোষে একাধিক নিউক্লিয়াসের ব্যবস্থা রেখেছে।</p>
৬৬

গামা রশ্মির চার্জ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চার্জ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>গামা রশ্মির চার্জ হলো <strong>চার্জ নিরপেক্ষ</strong>। এর কারণ হলো গামা রশ্মি কোনো কণা নয়, বরং এটি উচ্চ শক্তির এক ধরণের তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ বা ফোটন।</p>

<ul>
<li>গামা রশ্মি কোনো আধানযুক্ত কণা (যেমন প্রোটন বা ইলেকট্রন) দিয়ে গঠিত নয়।</li>
<li>এটি বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না, তাই এর কোনো চার্জ নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি একটি শক্তির তরঙ্গ, যার চার্জের মান হলো $0$।</li>
</ul>
৬৭

খাদ্যের কোন উপাদান রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আমিষ</strong>। আমাদের শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির মূল কারিগর হলো প্রোটিন বা আমিষ। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>হিমোগ্লোবিন মূলত একটি প্রোটিন অণু, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের কাজ করে।</li>
<li>হিমোগ্লোবিনের গঠনশৈলীতে <strong>গ্লোবিন</strong> নামক প্রোটিন থাকে, যা তৈরি হয় অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে।</li>
<li>আমরা যখন পর্যাপ্ত আমিষ জাতীয় খাবার খাই, তখন শরীর প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড পায়, যা দিয়ে হিমোগ্লোবিন তৈরি করা সম্ভব হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শরীরে আমিষের অভাব হলে হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, যার ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রক্ত তৈরিতে আমিষের ভূমিকা অপরিহার্য।</p>
৬৮

সবচেয়ে ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
UV-C
ব্যাখ্যা:
<p>সবচেয়ে ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি হলো <strong>UV-C</strong>। এর কারণ হলো এই রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, যার ফলে এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং উচ্চশক্তির অধিকারী হয়।</p>

<ul>
<li><strong>UV-C</strong> রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত $100\text{ nm}$ থেকে $280\text{ nm}$ এর মধ্যে থাকে।</li>
<li>তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, রশ্মির শক্তি তত বেশি হয়।</li>
<li>এই উচ্চশক্তির কারণে এটি জীবন্ত কোষের ডিএনএ (DNA) ধ্বংস করে ফেলতে পারে, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।</li>
</ul>

<p>যদিও সূর্য থেকে আসা এই রশ্মির বেশিরভাগই বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে বাধা পায়, তবুও সরাসরি সংস্পর্শে এলে এটি ত্বক ও চোখের জন্য চরম ক্ষতির কারণ হতে পারে।</p>
৬৯

আলট্রাভায়োলেট রশ্মি কোন রোগ সৃষ্টি করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্ম ক্যান্সার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্ম ক্যান্সার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মি বা আলট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি সরাসরি আমাদের ত্বকের কোষের ডিএনএ-এর ওপর প্রভাব ফেলে।</li>
<li>দীর্ঘদিন এই রশ্মির সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা শেষ পর্যন্ত <strong>চর্ম ক্যান্সার</strong> বা স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে।</li>
<li>আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় ত্বক সরাসরি এই রশ্মির সংস্পর্শে থাকে, তাই এটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</li>
</ul>
৭০

একজন পরিণত মানুষের দেহে কোষের সংখ্যা কত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৮৫ ট্রিলিয়ন
ব্যাখ্যা:
<p>একজন পরিণত মানুষের দেহে কোষের সংখ্যা প্রায় <strong>৮৫ ট্রিলিয়ন</strong>। আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, রক্ত এবং টিস্যু অসংখ্য ক্ষুদ্র কোষের সমন্বয়ে গঠিত। বিজ্ঞানীদের গবেষণায় প্রাপ্ত গড় হিসাব অনুযায়ী এই সংখ্যাটি নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মানুষের শরীরের গঠন ও কোষের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই গড় মানটি ধরা হয়।</li>
<li>গাণিতিক হিসেবে এটি প্রায় $85 \times 10^{12}$ টি কোষের সমান।</li>
<li>শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের আকার ও কাজের ধরনের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যাটি কম-বেশি হতে পারে, তবে গড় হিসেবে <strong>৮৫ ট্রিলিয়ন</strong>-ই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর।</li>
</ul>
৭১

পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
০.৭৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা:
<p>পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে <strong>০.৭৪° সেলসিয়াস</strong>। জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে করা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এই তথ্যটি উঠে এসেছে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বিংশ শতাব্দী বা গত ১০০ বছরে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় <strong>০.৭৪° সেলসিয়াস</strong>।</li>
<li>এই বৃদ্ধি মূলত শিল্পায়ন এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে যাওয়ার কারণে ঘটে থাকে।</li>
<li>গাণিতিকভাবে আমরা বলতে পারি, তাপমাত্রা পরিবর্তনের হার $\Delta T \approx 0.74^\circ \text{C}$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গত এক শতাব্দীতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় <strong>০.৭৪° সেলসিয়াস</strong> বেড়েছে, যা বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের একটি বড় নির্দেশক।</p>
৭২

কুইনাইন কোন গাছ থেকে তৈরি হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সিনকোনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সিনকোনা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত 'কুইনাইন' মূলত সিনকোনা গাছের ছাল থেকে পাওয়া যায়।</li>
<li>এই গাছের ছালে থাকা বিশেষ এক ধরণের অ্যালকালয়েড থেকেই এই জীবনদায়ী ওষুধটি তৈরি করা হয়।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই সিনকোনা নামটি মাথায় গেঁথে রাখুন।</li>
</ul>
৭৩

কোনটি ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণূজীবের বৃদ্ধি প্রতিরোধ করা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
Sodium bisulflte
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>Sodium bisulfite</strong>। এটি মূলত একটি শক্তিশালী ফুড প্রিজারভেটিভ বা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কাজ করে। এর কার্যপদ্ধতি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>এটি খাবারে থাকা অণুজীবের কোষীয় বিপাক প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়।</li>
<li>এর উপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক তাদের বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।</li>
<li>এটি মূলত জারণ বা অক্সিডেশন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়, ফলে খাবার দীর্ঘক্ষণ সতেজ থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এটি অণুজীবের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে তাদের ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করে ফেলে, তাই খাদ্যদ্রব্য পচন থেকে রক্ষা পায়।</p>
৭৪

প্রাণিজগৎ এর উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-----?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জেনেটিক্স
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জেনেটিক্স</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>জেনেটিক্স</strong> বা বংশগতিবিদ্যা মূলত জীবের বংশপরম্পরায় বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণ এবং এর পরিবর্তনের বিজ্ঞান।</li>
<li>প্রাণিজগৎ বা যেকোনো জীবের উৎপত্তি এবং তাদের বংশগত বৈশিষ্ট্য কীভাবে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে প্রবাহিত হয়, তা এই শাখার মাধ্যমেই জানা যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, ডিএনএ (DNA), জিন এবং বংশগতির ধারা নিয়ে কাজ করাই হলো জেনেটিক্সের মূল কাজ।</li>
</ul>

<p>তাই প্রাণিজগৎ ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে এক কথায় <strong>জেনেটিক্স</strong> বলা হয়।</p>
৭৫

মানুষের চলাফেরা, ভাবনা চিন্তা সবকিছু নির্ভর করে কোনটির কার্যক্ষমতার উপর?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্নায়ুতন্ত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্নায়ুতন্ত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, আমাদের শরীরের প্রতিটি নড়াচড়া এবং চিন্তাভাবনার মূল নিয়ন্ত্রক হলো মস্তিষ্ক ও স্নায়ু।</p>

<p>কেন এটি কাজ করে, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>আমাদের মস্তিষ্ক হলো শরীরের প্রধান কন্ট্রোল রুম, যা স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে পুরো শরীরকে পরিচালনা করে।</li>
<li>আমরা যখন কোনো কিছু চিন্তা করি বা হাত-পা নাড়াই, তখন মস্তিষ্ক থেকে বৈদ্যুতিক সংকেত স্নায়ুর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, স্নায়ুতন্ত্র ছাড়া আমাদের শরীর কোনো নির্দেশই পাবে না, তাই চলাফেরা বা চিন্তাভাবনা করা অসম্ভব।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...