<p>‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যে দেশাত্মবোধক কাব্যধারার অন্যতম পথিকৃৎ।</li>
<li>রাজস্থানের ইতিহাসের বীরত্বগাথা নিয়ে তিনি এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন, যা সেই সময়ে পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—পদ্মিনীর বীরত্বের কাহিনী মানেই রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী আব্দুল ওদুদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী আব্দুল ওদুদ ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা। তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ <strong>'মুক্তবুদ্ধি'</strong> বাংলা সাহিত্যে মুক্তচিন্তার চর্চায় এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> কাজী আব্দুল ওদুদ।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে কুসংস্কারমুক্ত এবং যুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনের কথা প্রচার করতেন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> 'মুক্তবুদ্ধি' মানেই কাজী আব্দুল ওদুদ—এই নাম দুটি একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>বাংলাদেশে ইসলামী রেনসাঁর কবি বলা হয় <strong>ফররুখ আহমদ</strong>-কে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফররুখ আহমদ তাঁর কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ এবং ইসলামী ভাবধারার সার্থক প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' বাংলা সাহিত্যে ইসলামী রেনসাঁর এক অনন্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মুসলিম জাগরণ ও ঐতিহ্যের প্রতি গভীর অনুরাগের কারণেই তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে এই নামটি সরাসরি মনে রাখলেই চলবে।</p>
১৬৩৯
‘বাংলা কাব্য বাংলার ভাষা মিটায় আমার প্রাণের পিপাসা, সে দেশ আমার নয় গো আপন, যে দেশে বাঙালি নেই।’ এ পঙ্ক্তিটি কোন কবির কবিতা থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রামনধি গুপ্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি মূলত বাংলা ভাষার প্রতি গভীর মমত্ববোধ থেকে রচিত।</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই পঙ্ক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
<li>কবি <strong>রামনধি গুপ্ত</strong> তার রচনায় বাঙালি সত্তা ও বাংলা ভাষার যে মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, তা এই পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে দেশে বাংলা ভাষার চর্চা নেই বা বাঙালি নেই, সেই পরিবেশকে কবির কাছে আপন মনে হয় না—এই মূলভাবটিই এখানে প্রধান।</li>
</ul>
১৬৪০
‘রমযানের ঐ রোযার শেষে এল খুশির ঈদ’ গানটির রচয়িতা কে?
<p>‘রমযানের ঐ রোযার শেষে এল খুশির ঈদ’ গানটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামকে বলা হয় আমাদের জাতীয় কবি এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে ইসলামি ভাবধারার গান ও গজল রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এই কালজয়ী গানটি মূলত তাঁরই সৃষ্টি, যা প্রতি বছর ঈদের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।</p>
<ul>
<li>গানটির রচয়িতা: <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ঈদ-সংগীত।</li>
<li>নজরুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে বাংলা গানে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন, যার অন্যতম উদাহরণ এই গানটি।</li>
</ul>
<p>রামায়ণের প্রথম মহিলা অনুবাদকের নাম হলো <strong>চন্দ্রাবতী</strong>। তিনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি ছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তিনি তাঁর নিজস্ব শৈলীতে রামায়ণের কাহিনী অনুবাদ করেছিলেন, যা 'চন্দ্রাবতীর রামায়ণ' নামে পরিচিত।</li>
<li>অন্যান্য অনুবাদকদের থেকে তাঁর কাজের মূল পার্থক্য হলো, তিনি রামায়ণের কাহিনীকে সীতার দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রাবতী</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। ‘মণিমঞ্জুষা’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত এই কবির একটি অনবদ্য সৃষ্টি।</p>
<p>মনে রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস:</p>
<ul>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যশৈলী এবং শব্দচয়নের চমৎকার বৈচিত্র্য এই বইটিতে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ছন্দের কারুকাজ বুঝতে হলে তাঁর এই ধরনের কাজগুলো মনে রাখা জরুরি।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য কবির নামের সাথে ‘মণিমঞ্জুষা’ শব্দটি বারবার মনে মনে মিলিয়ে নিন, এতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
১৬৪৪
‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি।’ এই পঙ্ক্তিটি কোন কবির থেকে নেয়া হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের লেখা <strong>'পরোপকার'</strong> নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটির পুরো লাইনটি হলো:</p>
<ul>
<li>‘যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে ঘুচাতে ভীতি।’</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই কবিতায় কবি মানুষের পরোপকারী মনোভাব এবং নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের উপকারের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই সাহিত্যিক এই পঙ্ক্তিটি মনে রাখার জন্য কবির নামটির সাথে কবিতাটির মূল ভাবটি মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
১৬৪৫
‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি’- কোন কবি একথা বলেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের লেখা <strong>'সুরঞ্জনা'</strong> নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত কবির এক গভীর আবেগ ও বিষণ্ণতার বহিঃপ্রকাশ। এখানে কিছু সহজ বিষয় মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় <strong>'রূপসী বাংলার কবি'</strong>।</li>
<li>তার কবিতায় প্রকৃতি এবং নারীর প্রতি এক ধরনের রহস্যময় টান সবসময়ই ফুটে ওঠে।</li>
<li>'সুরঞ্জনা' কবিতাটি তার <strong>'বনলতা সেন'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুরঞ্জনার প্রতি কবির এই আকুতি আসলে এক ধরনের মায়া ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, যা জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
১৬৪৬
“........... কে হায় হৃদয় খুড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে।” কবিতাংশটি কোন কবির রচনা?
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি বিষ্ণু দে-র লেখা। তার কাব্যশৈলী এবং শব্দ ব্যবহারের ধরণ থেকেই এই লাইনটি সহজেই চেনা যায়। মনে রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস:</p>
<ul>
<li>বিষ্ণু দে-র কবিতায় প্রায়ই মানুষের গভীর আবেগ এবং অস্তিত্বের সংকট ফুটে ওঠে।</li>
<li>এই নির্দিষ্ট লাইনটি তার <strong>'স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতার অংশ।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরণের উদ্ধৃতি আসলে কবির নাম এবং তার কাব্যধারার সাথে মিলিয়ে মনে রাখা সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</li>
</ul>
<p>বসন্তরঞ্জন রায়ের সঠিক উপাধি হলো <strong>বিদ্বদ্বল্লভ</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বসন্তরঞ্জন রায় মূলত প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তার এই অসাধারণ পাণ্ডিত্য এবং গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে <strong>বিদ্বদ্বল্লভ</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li>তিনি বিশেষ করে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন, যা তাকে বিদ্বৎসমাজে অত্যন্ত সম্মানিত করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিশুতোষ গ্রন্থ</strong>। বন্দে আলী মিয়ার লেখা 'কুঁচবর কন্যা' মূলত ছোটদের জন্য লেখা একটি চমৎকার গল্প বা শিশুতোষ সাহিত্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বন্দে আলী মিয়া তাঁর সহজ-সরল ও গ্রামবাংলার চিত্রধর্মী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>তাঁর অধিকাংশ শিশুতোষ রচনার মধ্যে 'কুঁচবর কন্যা' অন্যতম, যা ছোটদের পাঠ্য হিসেবেই সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, বন্দে আলী মিয়ার শিশুতোষ রচনার তালিকায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।</li>
</ul>
১৬৪৯
‘আজ হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি, আমার.... কবিতাখানি কৌতুহলভরে। শূন্যস্থানে প্রচলিত শব্দটি চিহ্নিত করুন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিতাখানি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘১৪০০ সাল’ কবিতার এই পঙ্ক্তিটি আমাদের সবারই কমবেশি পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর এই কবিতায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পাঠকের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখেছেন।</li>
<li>মূল কবিতার লাইনটি হলো: <em>“আজ হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি, আমার <strong>কবিতাখানি</strong> কৌতুহলভরে।”</em></li>
<li>এখানে কবির নিজের সৃষ্টির প্রতি যে মমতা ও কৌতূহল ফুটে উঠেছে, তা মূলত ‘কবিতাখানি’ শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমেই পূর্ণতা পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক শুদ্ধতা এবং কবির মূল রচনার সাথে মিল রাখতে এখানে <strong>কবিতাখানি</strong> শব্দটিই সঠিক।</p>
১৬৫০
ড. এনামূল হকের ‘বুলগেরিয়া ভ্রমণ’ কোন জাতীয় গ্রন্থ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভ্রমণবিষয়ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বইটির নামেই এর পরিচয় লুকিয়ে আছে।</p>
<ul>
<li>বইটির শিরোনামে সরাসরি <strong>‘ভ্রমণ’</strong> শব্দটি উল্লেখ রয়েছে।</li>
<li>ড. এনামূল হক যখন কোনো দেশ বা স্থান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখেন, তখন সেই সাহিত্যকর্মকে ভ্রমণকাহিনি বা ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু তিনি বুলগেরিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে এটি লিখেছেন, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।