<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাসিমাখা মুখ - হাসিমুখ</strong>।</p>
<p>মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চেনার উপায় খুব সহজ। এখানে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়। বিষয়টি এভাবে দেখুন:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্য: <strong>হাসিমাখা মুখ</strong></li>
<li>এখানে মাঝখানের অংশটি হলো <strong>'মাখা'</strong>।</li>
<li>সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ রূপটি হলো <strong>'হাসিমুখ'</strong>।</li>
<li>লক্ষ্য করুন, সমস্ত পদে মাঝখানের <strong>'মাখা'</strong> শব্দটি আর নেই।</li>
</ul>
<p>যেহেতু মাঝখানের পদটি লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>ক্ষণেক শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>ক্ষণ + এক</strong>। এটি মূলত বাংলা সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি এভাবে খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে অ-কার (ক্ষণ = ক্ষণ্ + অ) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে এ-কার (এক) রয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + এ মিলে এখানে 'এ' কার হিসেবেই যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>ক্ষণ + এক = ক্ষণেক</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ধরণের সন্ধিতে শব্দের মূল অর্থ ঠিক রেখে বর্ণগুলোর মিলন ঘটানো হয়, তাই এটি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভোগ্যপণ্য</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—অর্থনীতিতে যে পণ্যগুলো সরাসরি মানুষের অভাব মেটানোর জন্য ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে ইংরেজিতে 'Consumer goods' বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ভোগ্য</strong> শব্দের অর্থ হলো যা ভোগ বা ব্যবহার করা যায়।</li>
<li><strong>পণ্য</strong> মানে হলো সামগ্রী বা জিনিস।</li>
<li>তাই সরাসরি ব্যবহারের উপযোগী পণ্যকেই বাংলায় আমরা <strong>ভোগ্যপণ্য</strong> হিসেবে চিনি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে পণ্যগুলো আমরা বাজার থেকে কিনে সরাসরি ব্যবহার করি বা খেয়ে ফেলি, সেগুলোই হলো ভোগ্যপণ্য। তাই অন্য কোনো জটিলতায় না গিয়ে সরাসরি 'ভোগ্যপণ্য' শব্দটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যজ্ঞ</strong>। ‘মেধ’ শব্দটি মূলত বৈদিক বা প্রাচীন সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে, যেখানে এর অর্থ হিসেবে যজ্ঞ বা আহুতি প্রদানকে বোঝানো হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘মেধ’ শব্দটি ‘মেধা’ বা ‘মেধ্য’ শব্দের সাথে সম্পর্কিত, যা পবিত্র বা যজ্ঞের যোগ্য কোনো কিছুকে নির্দেশ করে।</li>
<li>প্রাচীন সাহিত্যে মেধ বলতে দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য যে বিশেষ অনুষ্ঠান বা যজ্ঞ করা হতো, তাকেই বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মেধ মানেই হলো পবিত্র যজ্ঞ বা আহুতি দেওয়ার প্রক্রিয়া। তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি যজ্ঞের সাথে মিলিয়ে নিলেই উত্তরটি সহজে মনে থাকবে।</p>
২০১৫
ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ধ্বনি</strong> বা <strong>শব্দ</strong> যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তাদের বিন্যাস বা সাজানোর নিয়মগুলো যেখানে আলোচনা করা হয়, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong> বা Syntax বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, একটি বাক্যে কোন শব্দের পর কোন শব্দ বসবে এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে—এই পুরো বিষয়টিই বাক্যতত্ত্বের আওতাভুক্ত।</li>
<li>তাই ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্য গঠনের নিয়মগুলো মূলত বাক্যতত্ত্বেই আলোচিত হয়।</li>
</ul>
২০১৬
লাল ফুল ফুটেছে- এ বাক্যের উদ্দেশ্যের সম্প্রাসারণ ঘটেছে কি ভাবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ যোগে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যের মূল উদ্দেশ্য হলো <strong>'ফুল'</strong>।</li>
<li>এখানে 'ফুল' কেমন বা কী রঙের, তা বোঝাতে <strong>'লাল'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বিশেষ্য পদের আগে তার দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে কোনো শব্দ যুক্ত হয়, তখন তাকে <strong>বিশেষণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু 'লাল' শব্দটি 'ফুল' (উদ্দেশ্য)-এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে, তাই এখানে উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ ঘটেছে বিশেষণ যোগে।</li>
</ul>
২০১৭
যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বুঝায়, তাকে বলা হয়-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া-বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে—যখন কোনো শব্দ বাক্যের ক্রিয়াপদটি কীভাবে, কখন বা কতটুকু তীব্রতায় ঘটছে, তা প্রকাশ করে, তখনই তাকে আমরা ক্রিয়া-বিশেষণ বলি।</p>
<ul>
<li><strong>ক্রিয়া</strong> মানে হলো কাজ।</li>
<li><strong>বিশেষণ</strong> মানে হলো কোনো কিছুর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করা।</li>
<li>সহজ কথায়, কাজটি কেমনভাবে হচ্ছে (যেমন: দ্রুত, ধীরে, খুব) তা বোঝাতে যে পদ ব্যবহৃত হয়, সেটিই হলো <strong>ক্রিয়া-বিশেষণ</strong>।</li>
</ul>
<p>উদাহরণস্বরূপ, "সে <strong>দ্রুত</strong> দৌড়াচ্ছে"—এখানে 'দৌড়ানো' হলো ক্রিয়া, আর 'দ্রুত' শব্দটি দৌড়ানোর ধরন বা প্রকৃতি বোঝাচ্ছে। তাই 'দ্রুত' একটি ক্রিয়া-বিশেষণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভিন্নার্থক শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন একটি শব্দের একাধিক বা ভিন্ন ভিন্ন অর্থ থাকে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় বিভিন্নার্থক শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিভিন্ন</strong> মানে হলো আলাদা বা ভিন্ন।</li>
<li><strong>অর্থক</strong> মানে হলো অর্থ বহনকারী।</li>
<li>অর্থাৎ, যে শব্দ একটি হলেও তার ভেতর দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অর্থ প্রকাশ পায়, সেটিই বিভিন্নার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>উদাহরণস্বরূপ, 'কপাল' শব্দটি দিয়ে ভাগ্য আবার শরীরের অংশ—উভয়ই বোঝানো যেতে পারে। তাই প্রসঙ্গের ওপর ভিত্তি করে যখন একটি শব্দ নানা অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে আমরা বিভিন্নার্থক শব্দ হিসেবেই চিনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো ধাতুর সাথে <strong>'অন'</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেটি সাধারণত কোনো কাজের নাম বা ভাব প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন: 'চল্' ধাতুর সাথে 'অন' যুক্ত হয়ে হয় 'চলন', 'পঠ্' ধাতুর সাথে 'অন' যুক্ত হয়ে হয় 'পঠন'।</li>
<li>যেহেতু 'চলন' বা 'পঠন' দিয়ে কোনো কাজ করা বোঝায় এবং এগুলো বাক্যে বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে, তাই এগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কাজের নাম বোঝাতে 'অন' প্রত্যয়টি ব্যবহৃত হয়, যা সবসময় বিশেষ্য পদ গঠন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ যোগে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যের উদ্দেশ্য হলো <strong>ফুল</strong>।</li>
<li>এই 'ফুল' কেমন বা কী রঙের, তা বোঝাতে তার আগে <strong>সাদা</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিশেষ্য বা উদ্দেশ্যের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে যে শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাকে <strong>বিশেষণ</strong> বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'সাদা' শব্দটি 'ফুল'-এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে, তাই এটি বিশেষণ যোগে উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কোনো শব্দ যখন বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তখন তাকে বিশেষণ বলা হয়।</li>
<li>'মেঘলা' শব্দটি দিয়ে মূলত আকাশের একটি বিশেষ <strong>অবস্থা</strong> বোঝানো হয়। যেমন— 'মেঘলা আকাশ'।</li>
<li>এখানে 'আকাশ' হলো বিশেষ্য আর 'মেঘলা' শব্দটি সেই আকাশের অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি বিশেষণ পদ।</li>
</ul>
২০২৩
‘সে সকাল থেকেই খাই খাই করছে।’ এ বাক্যে ‘খাই খাই’ কোন ধরনের পদ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিত্ব বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করে কোনো বিশেষ অবস্থা বা গুণ বোঝানো হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>দ্বিত্ব শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'খাই খাই' শব্দটি দিয়ে খাওয়ার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা লোভের একটি বিশেষ অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, যা বিশেষণের কাজ করছে।</li>
<li>যেহেতু একই শব্দ দুবার বসে বিশেষণের কাজ করছে, তাই এটি <strong>দ্বিত্ব বিশেষণ</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু পাওয়ার বা করার তীব্রতা বোঝাতে যখন একই শব্দ জোড়ায় জোড়ায় বসে, তখন সেটিই দ্বিত্ব বিশেষণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর নাম বোঝায়, তাকেই বিশেষ্য বলে।</li>
<li>'লাজ' শব্দটি দিয়ে লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি ভাব বা অবস্থার নাম বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>আমরা যখন বলি "তার খুব লাজ", তখন এখানে 'লাজ' একটি নামপদ হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি কোনো গুণের নাম বা ভাববাচক বিশেষ্য, তাই এটি বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাম প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠনের সময় প্রত্যয় দুই ধরনের প্রকৃতির সাথে যুক্ত হয়।</li>
<li>ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।</li>
<li>অন্যদিকে, বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনাম পদের মূল অংশকে বলা হয় <strong>নাম প্রকৃতি</strong>।</li>
<li>যেহেতু তদ্ধিত প্রত্যয় সবসময় নামবাচক শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাই একে নাম প্রকৃতির সাথে যুক্ত প্রত্যয় বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্রিয়া ছাড়া অন্য সব শব্দের মূল অংশই হলো নাম প্রকৃতি, আর এর সাথেই তদ্ধিত প্রত্যয়ের সম্পর্ক।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।