eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২০২৬

প্রাতিপাদিক এর অপর নাম কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মূল শব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>প্রাতিপাদিক বলতে মূলত বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বোঝায়। ব্যাকরণের ভাষায়, কোনো শব্দের সাথে যখন কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তখন সেই শব্দটিকে বলা হয় <strong>মূল শব্দ</strong> বা প্রাতিপাদিক।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের যে রূপ, সেটিই হলো প্রাতিপাদিক।</li>
<li>যেমন: 'হাত', 'বই', 'কলম' — এগুলো সবই প্রাতিপাদিক বা মূল শব্দ।</li>
<li>এর সাথে যখন বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -এর) যুক্ত হয়, তখন তা পদে পরিণত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই প্রাতিপাদিক মানেই হলো শব্দের সেই আদি বা <strong>মূল শব্দ</strong> রূপ, যার সাথে কোনো বিভক্তি নেই।</p>
২০২৭

ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয়যোগে যে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কি বলা হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৃদন্ত শব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃদন্ত শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় <strong>ধাতু</strong>।</li>
<li>যখন কোনো ধাতুর সাথে <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> যুক্ত হয়, তখন সেই নতুন গঠিত শব্দটিকে বলা হয় <strong>কৃদন্ত শব্দ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, কৃৎ প্রত্যয় দিয়ে তৈরি হয় বলেই এর নাম কৃদন্ত শব্দ।</li>
</ul>

<p>উদাহরণস্বরূপ, চল্ (ধাতু) + অন্ত (প্রত্যয়) = চলন্ত। এখানে 'চলন্ত' একটি কৃদন্ত শব্দ। এভাবে যেকোনো ধাতুর সাথে প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা কৃদন্ত শব্দ পেয়ে যাই।</p>
২০২৮

সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া ও সর্বনাম
২০২৯

সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য কোন পদে বেশি বেশি দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া ও সর্বনাম
ব্যাখ্যা:
<p>সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে <strong>ক্রিয়া ও সর্বনাম</strong> পদের রূপের ক্ষেত্রে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়ার রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়ে যায় (যেমন: করছি, চলল)।</li>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধু ভাষার সর্বনামগুলো বেশ দীর্ঘ হয় (যেমন: তাহার, কাহারা), যা চলিত ভাষায় ছোট হয়ে যায় (যেমন: তার, কারা)।</li>
</ul>

<p>এই দুটি পদের পরিবর্তনের কারণেই মূলত সাধু ও চলিত ভাষার গঠনশৈলীতে বড় পার্থক্য তৈরি হয়। তাই ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
২০৩০

তুমি এতক্ষণ কী করেছ? এই বাক্যে কী কোন পদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম
২০৩১

সাধুরীতিতে কোন পদটি দীর্ঘরূপ হয় না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যের মূল জায়গাটি হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপান্তর।</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম:</strong> সাধু রীতিতে এগুলো দীর্ঘ বা পূর্ণরূপে থাকে (যেমন: 'করিতেছে', 'তাহারা')।</li>
<li><strong>অব্যয় পদ:</strong> অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর হয় না। এটি সাধু বা চলিত উভয় রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো সংক্ষিপ্ত বা দীর্ঘ রূপ নেই, তাই এটি সব সময় একই রকম থাকে।</p>
২০৩২

‘এ এক বিরাট সত্য’ - এ বাক্যে ‘সত্য’ কোনপদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘সত্য’ শব্দটি একটি গুণ বা অবস্থাকে নির্দেশ করছে না, বরং একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা ধারণাকে বোঝাচ্ছে।</li>
<li>সাধারণত ‘সত্য’ শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, যখন এটি কোনো বাক্যে বিশেষ কোনো বিষয় বা বস্তুর নাম হিসেবে বসে, তখন তা <strong>বিশেষ্য</strong> পদ হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে ‘বিরাট’ শব্দটি ‘সত্য’কে বিশেষিত করছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিশেষণ পদ (বিরাট) যখন কোনো শব্দের আগে বসে সেটিকে বিশেষিত করে, তখন সেই শব্দটি অবশ্যই বিশেষ্য পদ হয়।</li>
</ul>
২০৩৩

তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক। বাক্যটিতে ‘পুণ্য’ শব্দটি হলো -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘পুণ্য’ শব্দটি ‘প্রচেষ্টা’ নামক বিশেষ্য পদটিকে বিশেষিত করছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাকেই <strong>বিশেষণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে ‘প্রচেষ্টা’ কেমন? উত্তর আসে—‘পুণ্য’ বা পবিত্র। যেহেতু এটি প্রচেষ্টার গুণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি বিশেষণ পদ।</li>
</ul>
২০৩৪

‘গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত’ - এখানে ‘নিশীথে’ কোন পদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>‘নিশীথ’ বা ‘নিশীথে’ শব্দটি দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় বা কালকে বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছুর নাম (যেমন: সময়, স্থান, বস্তু বা ব্যক্তি) বোঝালে সেটি <strong>বিশেষ্য পদ</strong> হয়।</li>
<li>বাক্যটিতে ‘নিশীথ’ বলতে রাতের গভীর সময়কে নির্দেশ করা হয়েছে, তাই এটি একটি নামবাচক বিশেষ্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দ দিয়ে সময় বা কালের নাম বোঝায়, চোখ বন্ধ করে সেটিকে বিশেষ্য পদ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
২০৩৫

‘লাবণ্য' কোন পদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>‘লাবণ্য’ শব্দটি দিয়ে কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থার নাম বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, জাতি বা গুণের <strong>নাম</strong> বোঝায়, তখন তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়।</li>
<li>‘লাবণ্য’ মূলত ‘লবণ’ শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য রূপ, যা সৌন্দর্য বা কমনীয়তার নাম প্রকাশ করে।</li>
</ul>

<p>তাই নাম বোঝালেই সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>বিশেষ্য</strong> পদ হিসেবে গণ্য হবে।</p>
২০৩৬

কোন বাংলা পদের সাথে সন্ধি হয় না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>

<p>সন্ধি মানেই হলো পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন। কিন্তু বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অব্যয় পদের ক্ষেত্রে এই মিলন ঘটে না। এর কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> পদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না, তাই এটি অন্য পদের সাথে মিশে গিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করতে পারে না।</li>
<li>সন্ধি মূলত বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর হয়, কারণ এদের রূপ পরিবর্তনের সুযোগ থাকে।</li>
<li>যেহেতু অব্যয় অপরিবর্তনীয়, তাই সন্ধির মাধ্যমে এদের রূপ বদলানো সম্ভব নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধি হওয়ার জন্য শব্দের যে পরিবর্তন প্রয়োজন, অব্যয়ের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ নেই বলেই এটি সন্ধিবদ্ধ হয় না।</p>
২০৩৭

অপরিবর্তনীয় পদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণে কিছু শব্দ আছে যা কখনোই পরিবর্তিত হয় না।</p>

<ul>
<li><strong>অব্যয়</strong> শব্দের অর্থই হলো যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই।</li>
<li>লিঙ্গ, বচন, পুরুষ বা বিভক্তিভেদে অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।</li>
<li>যেমন: 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'কিন্তু'—এগুলো আপনি বাক্যের যেখানেই ব্যবহার করেন না কেন, এদের চেহারা বা রূপ সবসময় একই থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে পদটি সব সময় অপরিবর্তিত থাকে, সেটিই অব্যয় পদ।</p>
২০৩৮

অকেজো, অচেনা, প্রভৃতি শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিন্দিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিন্দিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দগুলোর গঠন লক্ষ্য করি।</p>

<ul>
<li>'অ' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে সেটিকে নেতিবাচক বা খারাপ অর্থে প্রকাশ করে, তখন তাকে 'নিন্দিত' বা 'মন্দ' অর্থে ধরা হয়।</li>
<li>যেমন: 'অকেজো' মানে যা কাজের নয় বা মন্দ কাজের, আর 'অচেনা' মানে যাকে চেনা বা জানা নেই (যা এখানে নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত)।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের শব্দে 'অ' উপসর্গটি মূলত কোনো কিছুর অভাব বা নিন্দনীয় অবস্থাকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>

<p>তাই, এই ধরনের শব্দে 'অ' উপসর্গটি <strong>নিন্দিত</strong> অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
২০৩৯

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রতীক কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্যাঙ্গারু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্যাঙ্গারু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণী বললেই সবার আগে ক্যাঙ্গারুর কথা মাথায় আসে।</p>

<ul>
<li>অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রতীক হিসেবে <strong>ক্যাঙ্গারু</strong> এবং <strong>ইমু</strong>—এই দুটি প্রাণীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।</li>
<li>দেশটির সরকারি সিলমোহর বা 'কোট অফ আর্মস'-এ এই দুটি প্রাণীকে দেখা যায়, যা মূলত অস্ট্রেলিয়ার এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক।</li>
<li>ক্যাঙ্গারু সাধারণত সামনের দিকে লাফিয়ে চলে, তাই এটি অস্ট্রেলিয়ার অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
২০৪০

‘ ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ এর কথায় প্রকাশ হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৌশলে কার্যোদ্ধার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৌশলে কার্যোদ্ধার</strong>। প্রবাদটির অর্থ বুঝতে হলে এর পেছনের ভাবার্থটি খেয়াল করলেই হয়:</p>

<ul>
<li>'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' কথাটি এমন একজন মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যে কোনো কাজ খুব চতুরতার সাথে সম্পন্ন করে।</li>
<li>এখানে মাছ ধরাটা হলো মূল কাজ বা উদ্দেশ্য, আর পানি না ছোঁয়া মানে হলো নিজেকে ঝামেলামুক্ত রাখা।</li>
<li>অর্থাৎ, কোনো ঝক্কি বা ঝুঁকি না নিয়ে বা নিজেকে পরিষ্কার রেখে নিজের কাজ গুছিয়ে নেওয়াকেই এই প্রবাদ দিয়ে বোঝানো হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নিজের স্বার্থ হাসিল করার সময় কোনো প্রকার ঝামেলায় না জড়িয়ে চতুরতার সাথে কাজ শেষ করাই হলো <strong>কৌশলে কার্যোদ্ধার</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।