<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়—তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী।</p>
<p>‘দর’ উপসর্গটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। যেহেতু এটি অন্য ভাষা থেকে আগত, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একে <strong>বিদেশী উপসর্গ</strong> বলা হয়। মনে রাখার সুবিধার্থে কিছু সাধারণ বিদেশী উপসর্গের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: সংস্কৃত, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী।</li>
<li>'আ' একটি অত্যন্ত পরিচিত খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা সাধারণত কোনো শব্দের শুরুতে বসে শব্দের অর্থকে বদলে দেয় বা নতুন মাত্রা যোগ করে।</li>
<li>'আঁকড়া' শব্দটিতে 'আ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে শব্দের মূল অর্থকে আরও জোরালো বা বিশেষিত করেছে, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গের একটি বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এই 'আ' উপসর্গটি কোনো সংস্কৃত বা বিদেশী উৎস থেকে আসেনি, বরং এটি সরাসরি আমাদের নিজস্ব <strong>খাঁটি বাংলা</strong> উপসর্গ।</li>
</ul>
১৯৬৮
সুকাজ শব্দটির 'সু' উপসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'সু' একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ।</li>
<li>বাংলা ভাষায় যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এসেছে, সেগুলোকে তৎসম উপসর্গ বলা হয়।</li>
<li>'সু' উপসর্গটি সাধারণত 'উত্তম' বা 'ভালো' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: সুকাজ (ভালো কাজ), সুদিন (ভালো দিন), সুকণ্ঠ (সুন্দর কণ্ঠ)।</li>
</ul>
<p>যেহেতু 'সু' শব্দটি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি <strong>তৎসম উপসর্গ</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>নিখুঁত শব্দটির 'নি' উপসর্গটি মূলত একটি <strong>খাঁটি বাংলা উপসর্গ</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশন অনুযায়ী, ব্যাকরণগত বিচারে এই ধরনের উপসর্গগুলো যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে তার অর্থ বদলে দেয়, তখন সেগুলোকে আমরা দেশি বা খাঁটি বাংলা উপসর্গের আওতায় ফেলি।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নি</strong> উপসর্গটি বাংলা ভাষায় কোনো শব্দের অভাব বা বিশেষ কোনো অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: নিখুঁত (যার কোনো খুঁত নেই), নিলাজ (যার লজ্জা নেই), নিরেট (যা একদম ঠাসা)।</li>
<li>যেহেতু 'নি' উপসর্গটি সরাসরি বাংলা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাই এটি <strong>খাঁটি বাংলা উপসর্গ</strong> হিসেবেই পরিচিত।</li>
</ul>
১৯৭০
ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া - এই বাক্যে আঁকাড়াশব্দের 'আ' কোন উপসর্গ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাঁটি বাংলা</strong> উপসর্গ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: সংস্কৃত, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশী।</li>
<li>'আ' উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে অভাব, বক্রতা বা বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন সেটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>'আঁকাড়া' শব্দটিতে 'আ' উপসর্গটি যুক্ত হয়ে চালের একটি বিশেষ অবস্থাকে (যা কাড়া হয়নি বা অসম্পূর্ণ) বোঝাচ্ছে, যা খাঁটি বাংলা উপসর্গের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে 'আ' হলো একটি <strong>খাঁটি বাংলা</strong> উপসর্গ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর উৎস বোঝা যায়।</p>
<ul>
<li>'পাঠক' শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>পঠ্</strong> ধাতুর সাথে <strong>অক (ণক)</strong> প্রত্যয় যোগ করে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত এই <strong>পঠ্</strong> ধাতুটির মূল উৎস হলো সংস্কৃত ভাষা।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি সংস্কৃত ধাতু থেকে সরাসরি এসেছে, তাই ব্যাকরণগতভাবে এটি সংস্কৃত শ্রেণীর শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের ধাতু যদি সংস্কৃত হয়, তবে সেই ধাতু থেকে উৎপন্ন শব্দটিও সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
<p>'শশাঙ্ক' শব্দের সঠিক উত্তর হলো <strong>চাঁদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li><strong>শশ</strong> মানে হলো খরগোশ।</li>
<li><strong>অঙ্ক</strong> মানে হলো চিহ্ন বা কোল।</li>
</ul>
<p>পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, চাঁদের গায়ে যে কালো দাগ দেখা যায়, তাকে খরগোশের চিহ্নের সাথে তুলনা করা হয়। তাই যার গায়ে খরগোশের চিহ্ন বা দাগ আছে, তিনিই হলেন 'শশাঙ্ক' বা চাঁদ। এই সহজ লজিকটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো পরীক্ষায় এটি অনায়াসে উত্তর করতে পারবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাপ</strong>। ‘ভুজঙ্গ’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো যে তার ভুজ বা বক্ষদেশ দিয়ে গমন করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় ‘ভুজ’ মানে বাহু বা বক্ষ এবং ‘গ’ মানে গমনকারী।</li>
<li>যেহেতু সাপ বুক দিয়ে ভর দিয়ে চলে, তাই একে ‘ভুজঙ্গ’ বলা হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা ব্যাকরণে সাপের সমার্থক শব্দ হিসেবে ভুজঙ্গ, অহি, নাগ, সর্প বা পন্নগ শব্দগুলো নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটির অর্থ হলো তোষামোদকারী বা চাটুকার। ঠিক একই অর্থে ‘খয়ের খাঁ’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঢাকের কাঠি:</strong> যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের প্রশংসা করে বা তোষামোদ করে বেড়ায়।</li>
<li><strong>খয়ের খাঁ:</strong> যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের গুণগান গায় বা তোষামোদ করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।</li>
</ul>
<p>উভয় বাগধারাই মূলত এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যারা নিজেদের স্বার্থে বা স্বভাবগত কারণে সবসময় অন্যের স্তুতি বা তোষামোদ করতে পছন্দ করে। তাই এদের অর্থগত মিল রয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ু চণ্ডিদাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি বড়ু চণ্ডিদাসের রচনা হিসেবেই স্বীকৃত।</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পুঁথির ভণিতায় কবির নাম হিসেবে <strong>'বড়ু চণ্ডীদাস'</strong> উল্লেখ রয়েছে।</li>
<li>এটি রাধাকৃষ্ণলীলা বিষয়ক একটি আখ্যান কাব্য, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মানেই বড়ু চণ্ডিদাসের অমর সৃষ্টি। পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি একদম মুখস্থ করে রাখতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খদ্দর, হরতাল</strong>। এই শব্দ দুটি সরাসরি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। মনে রাখার সুবিধার্থে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>খদ্দর:</strong> এটি মূলত মোটা সুতির কাপড়কে বোঝায়, যা গুজরাটি শব্দ থেকে উদ্ভূত।</li>
<li><strong>হরতাল:</strong> ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় এই শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গুজরাটি শব্দগুলো চেনার জন্য এই দুটি শব্দ নিয়মিত চর্চায় রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>টোপর, ঢেঁকি</strong>। আমাদের বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলোর উৎস বা মূল খুঁজে পাওয়া যায় না, এগুলোই মূলত দেশি শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>টোপর</strong> এবং <strong>ঢেঁকি</strong> শব্দ দুটি আমাদের প্রাচীন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</li>
<li>এগুলো সংস্কৃত, আরবি, ফারসি বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, বরং সরাসরি আমাদের দেশি উৎস থেকে এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন—যেসব শব্দ শুনলেই গ্রামবাংলার ঐতিহ্য বা দৈনন্দিন ব্যবহারের সাধারণ জিনিসের কথা মনে পড়ে, সেগুলোই সাধারণত দেশি শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, মিশ্র বাক্য এবং জটিল বাক্য একই ধরনের বাক্যকে বোঝায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, তাকেই <strong>জটিল বা মিশ্র বাক্য</strong> বলে।</li>
<li>এই বাক্যগুলো সাধারণত 'যে', 'সে', 'যদি', 'তবে', 'যিনি', 'তিনি'—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় মিশ্র বাক্য দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>জটিল বাক্য</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এই দুটি নাম মূলত একই বিষয়ের দুটি ভিন্ন পরিচয়।</p>
১৯৮০
‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।’ - এটি কোন ধরনের বাক্য?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো খেয়াল করলে:</p>
<ul>
<li><strong>জটিল বাক্যের বৈশিষ্ট্য:</strong> যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে, তাকে জটিল বাক্য বলে।</li>
<li><strong>চিহ্ন চেনার উপায়:</strong> জটিল বাক্যে সাধারণত 'যিনি-তিনি', 'যে-সে', 'যেমন-তেমন', 'যদি-তবে'—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>বিশ্লেষণ:</strong> এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে বসেছে। 'যিনি বিদ্বান' অংশটি একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা 'তিনি সর্বত্র আদরণীয়' প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভর করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো বাক্যে এমন জোড়া শব্দ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে সেটাকে জটিল বাক্য হিসেবে ধরে নিতে পারেন!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।