<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাক্যটি খেয়াল করলে দেখবেন এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্যটি নির্ভরশীল।</p>
<p>সহজভাবে চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এই বাক্যে <strong>"যিনি"</strong> এবং <strong>"তিনি"</strong>—এই সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়া ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো এতে একটি সাপেক্ষ বা নির্ভরশীল অংশ থাকে, যা ছাড়া বাক্যটি পূর্ণতা পায় না।</li>
<li>যেহেতু এখানে "যিনি বিদ্বান" অংশটি "তিনি সর্বত্র আদরণীয়" অংশের ওপর নির্ভর করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি জটিল বাক্য।</li>
</ul>
১৯৮২
‘ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন’ -এটি কোন ধরনের বাক্য
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খণ্ড</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় বাক্যের গঠন দেখে।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বড় বাক্যের অংশবিশেষ আলাদাভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে খণ্ডবাক্য বলা হয়।</li>
<li>এখানে ‘ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন’ অংশটি একটি বৃহত্তর বাক্যের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা স্বাধীনভাবে একটি খণ্ড বা অংশ হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যের অংশ বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে বাক্যের ভেতরে অবস্থান করে, তখন তাকে <strong>খণ্ডবাক্য</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পণ</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত শব্দের শেষে বা মাঝে ‘ণ’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কাজ করে। তবে ‘পণ’ শব্দটি একটি মৌলিক শব্দ যেখানে কোনো বিশেষ সন্ধি বা সমাস ছাড়াই স্বাভাবিকভাবেই ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ আছে যা কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই <strong>‘ণ’</strong> গ্রহণ করে।</li>
<li>‘পণ’ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে ‘প’ এর সাথে ‘ণ’ যুক্ত হয়েই শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা বাংলা ভাষার নিজস্ব রীতি বা স্বভাবজাত রূপ।</li>
<li>ব্যাকরণের ভাষায় একে <strong>স্বভাবতই ণ-ত্ব বিধান</strong> বলা হয়, যেখানে কোনো সন্ধি বা প্রত্যয়ের নিয়ম ছাড়াই ‘ণ’ বসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পারি না</strong>।</p>
<p>বিষয়টি একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>শব্দার্থের ক্ষেত্রে 'নাড়ী' বলতে আমরা সাধারণত শরীরের শিরা বা ধমনীকে বুঝি।</li>
<li>অন্যদিকে, 'নারি' শব্দটি বাংলা অভিধানে কোনো অর্থবহ শব্দ হিসেবে প্রচলিত নয়।</li>
<li>যদি শব্দটি 'নারী' (দন্ত্য-নয় আকার, বিন্দুসহ র) হতো, তবে এর অর্থ হতো স্ত্রীলোক। কিন্তু প্রশ্নে দেওয়া 'নারি' বানানে কোনো অর্থ পাওয়া যায় না, তাই সঠিক উত্তরটি এখানে 'পারি না' হিসেবেই গণ্য হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খ ও গ উভয়ই</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>নিত্য সমাস:</strong> যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। "যুগান্তর" শব্দটির ব্যাসবাক্য হয় "অন্য যুগ", যা নিত্য সমাসের একটি অন্যতম উদাহরণ।</li>
<li><strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ:</strong> সমাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যাকরণবিদরা "যুগান্তর" শব্দটিকে "যুগের অন্তর" হিসেবে বিশ্লেষণ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের ভিন্নতার কারণে এই শব্দটি একই সাথে <strong>নিত্য সমাস</strong> এবং <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>—উভয় নিয়মেই সিদ্ধ। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে এমন অপশন থাকলে নির্ভয়ে "খ ও গ উভয়ই" বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খ ও গ উভয়ই</strong>। এর কারণ হলো ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর গবেষণার ইতিহাসটি বেশ চমৎকার।</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি পুঁথিগুলো উদ্ধার করেন।</li>
<li>তিনি মূলত <strong>চর্যাপদ</strong> আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হলেও, একই সাথে তিনি <strong>ডাকার্ণব</strong> এবং <strong>দোঁহাকোষ</strong>-এর পুঁথিও উদ্ধার করেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তিনি এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা একত্রে <strong>হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা</strong> নামে প্রকাশ করেন।</li>
</ul>
<p>তাই সহজ কথায়, ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উদ্ধার করা তালিকার মধ্যে <strong>ডাকার্ণব</strong> এবং <strong>দোঁহাকোষ</strong>—দুটোই অন্তর্ভুক্ত ছিল।</p>
১৯৮৮
'কবি ছিলেন একজন বড় রবীন্দ্রনাথ' বাক্যটিতে কিসের অভাব রয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আসত্তি</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের পদগুলোকে সঠিক জায়গায় বা ক্রমানুসারে সাজানোই হলো আসত্তি।</p>
<p>বাক্যটিতে শব্দের বিন্যাস এলোমেলো হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী পদগুলো সাজালে হতো, 'রবীন্দ্রনাথ ছিলেন একজন বড় কবি'। যেহেতু এখানে পদগুলো তার নির্দিষ্ট জায়গায় নেই, তাই বাক্যের অর্থ বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। এই পদবিন্যাসের সুশৃঙ্খল বিন্যাসের অভাবকেই ব্যাকরণের ভাষায় আসত্তি বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের পদগুলোকে অর্থপূর্ণভাবে সাজানোর যোগ্যতা।</li>
<li><strong>সহজ ট্রিক:</strong> যখন দেখবেন শব্দগুলো উল্টোপাল্টা জায়গায় বসে অর্থ অস্পষ্ট করে দিচ্ছে, তখনই বুঝবেন সেখানে আসত্তির অভাব রয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে <strong>'হর'</strong> একটি অত্যন্ত পরিচিত উপসর্গ। এটি মূলত হিন্দি এবং উর্দু উভয় ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় এসেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>খ ও গ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গের তালিকায় 'হর' শব্দটি হিন্দি ও উর্দু উভয় উৎসের সাথেই যুক্ত।</li>
<li>যেমন: 'হররোজ' বা 'হরহামেশা' শব্দগুলোতে আমরা এই উপসর্গটি ব্যবহার করি, যা হিন্দি ও উর্দু ভাষার প্রভাব বহন করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে হিন্দি ও উর্দু উভয়কেই সঠিক হিসেবে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>সাপের দেবী মনসার অপর নাম হলো <strong>কেতকা</strong> এবং <strong>পদ্মাবতী</strong>। তাই সঠিক উত্তর হলো খ ও গ।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পুরাণ ও মঙ্গলকাব্যের বর্ণনা অনুযায়ী, মনসা দেবীকে অনেক সময় <strong>কেতকা</strong> নামে ডাকা হয়।</li>
<li>আবার, পদ্মফুলের ওপর উপবিষ্ট থাকেন বলে তাকে <strong>পদ্মাবতী</strong> নামেও অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই দুটি নামই মনসা দেবীর বিভিন্ন পরিচিতি বা উপাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
১৯৯১
পূর্ববঙ্গ গীতিকায় ময়মনসিংহ ছাড়া আর কোন অঞ্চলের গান সংগৃহীত হয়েছে?
<p>পূর্ববঙ্গ গীতিকা মূলত দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সংগৃহীত লোকগাথার এক বিশাল ভাণ্ডার। এখানে শুধু ময়মনসিংহ নয়, বরং বৃহত্তর বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকসংস্কৃতি ও জীবনগাথা স্থান পেয়েছে। সঠিক উত্তর হলো <strong>খ ও গ</strong>, অর্থাৎ নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের গানও এই সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<ul>
<li><strong>ময়মনসিংহ গীতিকা:</strong> এটি পূর্ববঙ্গ গীতিকার একটি বিশেষ অংশ যা মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গাথা নিয়ে গঠিত।</li>
<li><strong>অন্যান্য অঞ্চল:</strong> পূর্ববঙ্গ গীতিকার সামগ্রিক সংকলনে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট এবং ত্রিপুরার মতো অঞ্চলের লোকগাথা ও পালাগানগুলোও গুরুত্বের সাথে সংগৃহীত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পূর্ববঙ্গ গীতিকা কোনো নির্দিষ্ট একটি জেলার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বৃহত্তর পূর্ববঙ্গের লোকসাহিত্যের এক অনন্য দলিল।</p>
১৯৯২
কোন দুটির ব্যবহারে ভাব-সম্প্রসারণে আগাগোড়া সংযত হওয়া উচিৎ?
<p>ভাব-সম্প্রসারণের মূল উদ্দেশ্য হলো মূল ভাবটিকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রকাশ করা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়াপদ ও জটিল বাক্য</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> ভাব-সম্প্রসারণে খুব বেশি জটিল বা অপ্রচলিত ক্রিয়াপদ ব্যবহার করলে লেখার স্বাভাবিক গতি নষ্ট হয়। তাই সহজ ও চলিত ভাষার ক্রিয়াপদ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
<li><strong>জটিল বাক্য:</strong> অনেক বড় বা প্যাঁচানো জটিল বাক্য ব্যবহার করলে মূল ভাবটি অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে। পাঠক যেন সহজেই বিষয়টি বুঝতে পারে, সেজন্য ছোট ও অর্থবহ বাক্য ব্যবহার করা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাব-সম্প্রসারণ যত সহজ ও প্রাঞ্জল হবে, ততই তা মানসম্মত হবে। তাই অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়িয়ে চলাই উত্তম।</p>
১৯৯৩
ভাব-সম্প্রসারণে কোনটির নির্দিষ্ট কোন ধরাবাঁধা নিয়ম নেই?
<p>ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>আয়তন</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>ভাব-সম্প্রসারণ মূলত একটি নির্দিষ্ট ভাব বা গুঢ় অর্থকে নিজের ভাষায় সহজ করে ফুটিয়ে তোলার প্রক্রিয়া।</li>
<li>এখানে কোনো নির্দিষ্ট শব্দসংখ্যা বা পৃষ্ঠার বাধ্যবাধকতা নেই।</li>
<li>মূল ভাবটি কতটুকু গভীর, তার ওপর ভিত্তি করে এটি ছোট বা বড় হতে পারে।</li>
<li>তাই এর কোনো ধরাবাঁধা আয়তন বা সীমানা নেই, বরং মূল বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলাই এখানে আসল কথা।</li>
</ul>
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>‘ক্ষ’</strong> একটি যুক্তবর্ণ, যা মূলত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘ক্ষ’ বর্ণটি তৈরি হয় <strong>ক</strong> এবং <strong>ষ</strong>-এর মিলনে।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: $ক + ষ = ক্ষ$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যখন ‘ক্ষ’ উচ্চারণ করেন, তখন খেয়াল করবেন এতে ‘ক’ এবং ‘ষ’-এর মিলিত একটি ধ্বনি পাওয়া যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক + ষ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চোখ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'নেত্র' একটি তৎসম শব্দ যার আভিধানিক অর্থই হলো চোখ বা চক্ষু।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'নেত্র' শব্দটি মূলত চোখের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: 'নেত্রকোণা' বা 'নেত্রপল্লব' শব্দগুলোতেও 'নেত্র' অংশটি চোখকেই নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলা যায়, নেত্র মানেই হলো চোখ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।