<p>‘যুগপৎ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>একই সময়ে</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘যুগপৎ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘যুগ’ এবং ‘পদ’ শব্দ থেকে, যার মূল ভাব হলো কোনো কিছু যখন অন্য কিছুর সাথে বা পাশাপাশি ঘটে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্যিক প্রয়োগে যখন দুটি ঘটনা বা কাজ কোনো বিরতি ছাড়াই <strong>একই সময়ে</strong> সম্পন্ন হয়, তখন তাকে ‘যুগপৎ’ বলা হয়।</li>
<li>যেমন: "ঘটনাটি যুগপৎভাবে ঘটেছে" মানে হলো ঘটনাগুলো আলাদা সময়ে না ঘটে একেবারে একই মুহূর্তে ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>'মৌন' শব্দের অর্থ হলো যে কথা বলে না বা নীরব।</li>
<li>এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>'মুখর'</strong> বা <strong>'বাচাল'</strong>।</li>
<li>প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 'মুখর' শব্দটি থাকলেও, অনেক সময় ব্যাকরণগত বা প্রাসঙ্গিক বিচারে 'মৌন' শব্দের বিপরীত হিসেবে 'মুখর' সরাসরি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। তবে যদি প্রশ্নে 'মুখর' অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে না থাকে, তবেই 'কোনোটিই নয়' বেছে নিতে হয়।</li>
<li>যেহেতু 'মৌন' এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'মুখর' একটি প্রচলিত শব্দ, তাই এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তরটি হবে <strong>মুখর</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সলিল সমাধি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>'Watery'</strong> মানে হলো জলীয় বা পানি সংক্রান্ত।</li>
<li>আর <strong>'Grave'</strong> মানে হলো সমাধি বা কবর।</li>
<li>যখন কেউ পানিতে ডুবে মারা যায়, তখন তাকে রূপক অর্থে <strong>'Watery grave'</strong> বা <strong>'সলিল সমাধি'</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করাকেই বাংলায় সলিল সমাধি বলা হয়। তাই এই বাগধারাটির অর্থ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ অপশনে থাকা প্রতিটি শব্দই বানানগতভাবে ভুল। চলুন দেখে নিই সঠিক বানানগুলো কী হবে:</p>
<ul>
<li><strong>উর্ধ</strong> নয়, সঠিক বানান হলো <strong>ঊর্ধ্ব</strong>। এখানে 'ঊ' দীর্ঘ হবে এবং 'ধ'-এর নিচে 'ব' ফলা যুক্ত হবে।</li>
<li><strong>অত্যান্ত</strong> নয়, সঠিক বানান হলো <strong>অত্যন্ত</strong>। এখানে 'ত'-এর সাথে কোনো আকার হবে না।</li>
<li><strong>উচিৎ</strong> নয়, সঠিক বানান হলো <strong>উচিত</strong>। এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে 'চ'-এর সাথে কোনো দীর্ঘ ই-কার হয় না।</li>
</ul>
<p>তাই শুদ্ধ বানানের অভাবে উপরের কোনোটিই সঠিক নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষ্পন্ন</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'নি' উপসর্গের সাথে 'স্পন্ন' যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'স' ধ্বনির আগে সাধারণত মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'নি' উপসর্গের পর 'স্প' থাকলে সেখানে দন্ত্য-স (স) পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয়ে যায়।</li>
<li>তাই সঠিক বানানটি হবে <strong>নিষ্পন্ন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে ‘বাঘের মাসি’ বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো <strong>বিড়াল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাঘ এবং বিড়ালের শারীরিক গঠন ও স্বভাবের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে।</li>
<li>সেই সাদৃশ্য থেকেই বিড়ালকে মজা করে ‘বাঘের মাসি’ বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে ‘বিড়াল’ শব্দটি নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে ‘কোনোটিই নয়’।</li>
</ul>
<p>‘ধর্মের ষাঁড়’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অকর্মণ্য বা যা ইচ্ছা তাই করে বেড়ায় এমন ব্যক্তি</strong>। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কোনো কাজ করে না এবং নিজের ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ায়, তাকেই আমরা ধর্মের ষাঁড় বলে থাকি।</p>
<p>যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে এই অর্থটি নেই, তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন D: কোনোটিই নয়</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>বাগধারার অর্থ:</strong> অকর্মণ্য বা স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> মন্দিরের ষাঁড় যেমন কোনো কাজ করে না এবং যেখানে খুশি ঘুরে বেড়ায়, তেমনি অলস বা দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
২০৬৩
অকাল কুষ্মাণ্ড ছেলেটিকে সাহায্য করতে পার। বাক্যটিতে ‘অকাল কুষ্মাণ্ড’ ব্যবহৃত হয়েছে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগধারা হিসেবে</strong>। কারণটা খুব সহজ—আমাদের বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে আমরা বাগধারা বলি।</p>
<p>বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>‘অকাল কুষ্মাণ্ড’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো অসময়ে জন্মানো কুমড়ো, কিন্তু এখানে এটি দিয়ে আসলে <strong>‘অপদার্থ’</strong> বা <strong>‘অকর্মণ্য’</strong> ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো শব্দগুচ্ছ তার সাধারণ অর্থ ছেড়ে বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে, তখন ব্যাকরণের ভাষায় তাকে বাগধারা বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে ছেলেটির অকর্মণ্যতা বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটি একটি বাগধারা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ ‘রাঘব বোয়াল’ বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ হলো <strong>সর্বগ্রাসী বা শক্তিশালী ব্যক্তি</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রাঘব বোয়াল মাছ যেমন জলাশয়ের সব ছোট মাছ খেয়ে ফেলে, তেমনি সমাজে যারা খুব প্রভাবশালী বা ক্ষমতাধর ব্যক্তি, যারা সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, তাদেরই ব্যঙ্গ করে ‘রাঘব বোয়াল’ বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এই অর্থের কোনোটিই নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে ‘কোনোটিই নয়’।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে <strong>‘হাড়ে বাতাস লাগা’</strong> বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ হলো <strong>‘স্বস্তি পাওয়া’</strong> বা <strong>‘নিশ্চিন্ত হওয়া’</strong>।</p>
<p>যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এই অর্থটি নেই, তাই সঠিক উত্তরটি হবে ‘কোনোটিই নয়’। মনে রাখার জন্য সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>যখন আমরা অনেক দুশ্চিন্তা বা চাপের মধ্যে থাকি, তখন কোনো সমস্যার সমাধান হলে বা বিপদ কেটে গেলে মনে হয় যেন শরীরে স্বস্তির হাওয়া লাগল।</li>
<li>এভাবেই মনে রাখতে পারেন: হাড়ে বাতাস লাগা = স্বস্তি পাওয়া।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃহৎ বিষয়</strong>।</p>
<p>এই বাগধারাটি মূলত কোনো বিশাল বা দীর্ঘ বিষয়কে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>রামায়ণ মহাকাব্যটি সাতটি কাণ্ড বা খণ্ডে বিভক্ত, যা আকারে অত্যন্ত বিশাল।</li>
<li>সেই বিশালতা থেকেই বাংলায় কোনো বড় বা দীর্ঘ বিষয়ের বর্ণনা দিতে আমরা মজা করে বা রূপক হিসেবে <strong>সপ্তকাণ্ড রামায়ণ</strong> কথাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো বিষয় অনেক বড় বা বিস্তারিত বোঝাতে হয়, তখনই এই বাগধারাটি একদম মানানসই!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুরন্ত</strong>। ‘ডাকাবুকো’ শব্দটি মূলত এমন কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যে খুব সাহসী, নির্ভীক এবং কিছুটা বেপরোয়া স্বভাবের।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ডাকাবুকো</strong> মানে হলো যে কোনো কিছু করতে ভয় পায় না বা যার মধ্যে অসীম সাহস আছে।</li>
<li>সাধারণত যারা খুব চঞ্চল বা দুরন্ত প্রকৃতির হয়, তাদের সাহসিকতা বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>তাই অর্থগত দিক থেকে ‘দুরন্ত’ বা সাহসী মানুষই হলো এই প্রবাদের সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরিণের চামড়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রাচীনকালে মুনি-ঋষিরা সাধনার জন্য যে বিশেষ ধরনের আসন ব্যবহার করতেন, তাকেই বলা হয় <strong>অজিন</strong>। মূলত হরিণের চামড়া দিয়ে তৈরি আসনকেই শাস্ত্রীয় ভাষায় ‘অজিন’ বা ‘মৃগচর্ম’ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অজিন</strong> = হরিণের চামড়া।</li>
<li>এটি মূলত পবিত্রতা ও ত্যাগের প্রতীক হিসেবে প্রাচীন ঐতিহ্যে ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অরিন্দম</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘শত্রুকে দমন করে যে’—এই পুরো বাক্যটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় ‘অরিন্দম’।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘অরি’ শব্দের অর্থ হলো শত্রু।</li>
<li>‘দম’ বা ‘দমন’ করা থেকে এসেছে ‘অরিন্দম’।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি তার শত্রুকে জয় বা দমন করতে সক্ষম, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>অরিন্দম</strong>।</li>
</ul>
<p>‘নৌকা চলাচলের যোগ্য’ বা নদী দিয়ে নৌকা বা জাহাজ চলাচল করতে পারে এমন অবস্থাকে এক কথায় বলা হয় <strong>নাব্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নাব্য</strong> শব্দটি এসেছে 'নৌ' বা নৌকা থেকে।</li>
<li>যে নদী বা জলাশয় দিয়ে অনায়াসে নৌকা চলাচল করতে পারে, তাকেই আমরা ভৌগোলিক ও ভাষাগত দিক থেকে <strong>নাব্য</strong> নদী বলে থাকি।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, তাই সরাসরি <strong>নাব্য</strong>-ই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।