<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও</strong>। কারণটা খুব সহজ—সম্প্রদান কারকের মূল শর্ত হলো কাউকে কোনো কিছু নিঃস্বার্থভাবে দান করা বা দিয়ে দেওয়া।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সম্প্রদান কারক:</strong> যখন আমরা কাউকে কোনো কিছু চিরতরে দিয়ে দেই এবং তা আর ফেরত পাওয়ার আশা করি না, তখন সেটি সম্প্রদান কারক হয়।</li>
<li><strong>চতুর্থী বিভক্তি:</strong> যাকে দান করা হচ্ছে, তার সাথে যখন <strong>'কে'</strong> বা <strong>'রে'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন সেটি হয় সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>এই বাক্যে ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, যা একটি নিঃস্বার্থ দান। তাই এখানে 'ভিক্ষুক' শব্দের সাথে 'কে' বিভক্তি যুক্ত হয়ে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তির নিখুঁত উদাহরণ হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ ইংরেজি প্রবাদ <strong>"After meat comes mustard"</strong>-এর অর্থ হলো কোনো কাজ শেষ হওয়ার পর বা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর কোনো কিছুর আগমন। অর্থাৎ, যখন কোনো কিছুর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, তখন তার গুরুত্ব বা উপস্থিতি অর্থহীন হয়ে পড়ে।</p>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোর সাথে এর কোনো মিল নেই, কারণ:</p>
<ul>
<li>প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে ভাবার্থগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অন্য কোনো প্রবাদের অর্থ বহন করে।</li>
<li>এই প্রবাদটির মূল ভাব হলো <strong>"সময় পেরিয়ে গেলে আর কোনো কিছুর প্রয়োজন থাকে না"</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাজটি শেষ হওয়ার পর কোনো সাহায্য বা উপকরণের উপস্থিতি অনেকটা <strong>"বিয়ের পর বরযাত্রী আসার"</strong> মতো, যা এখানে দেওয়া অপশনগুলোর কোনোটির সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটি নয়</strong>, কারণ 'নাবিক' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নৌ + ইক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ও-কার বা ঔ-কারের পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ও-কার স্থানে 'অব' এবং ঔ-কার স্থানে 'আব' হয়।</li>
<li>সেই নিয়ম মেনে: <strong>নৌ + ইক = নাবিক</strong>।</li>
<li>যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে 'নৌ + ইক' নেই, তাই সঠিক উত্তরটি হবে 'কোনোটি নয়'।</li>
</ul>
<p>‘নিষ্ঠা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + ঠা</strong>। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি ‘ট’ বা ‘ঠ’ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় ‘ষ’ (মূর্ধন্য-স) এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ</strong> এর সাথে <strong>ঠা</strong> যুক্ত হয়ে বিসর্গটি ‘ষ’ হয়ে গেছে, ফলে শব্দটি দাঁড়িয়েছে <strong>নিষ্ঠা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মের কারণেই এখানে ‘নিঃ’ এর সাথে ‘ঠা’ যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘চোখে বালি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>শত্রু</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চোখে বালি পড়লে যেমন অস্বস্তি হয় এবং চোখে দেখা যায় না, তেমনি কোনো ব্যক্তি যখন কারো চোখের বিষ বা অপছন্দের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন তাকেই আমরা ‘চোখে বালি’ বলে থাকি।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কারো চক্ষুশূল বা শত্রু হিসেবে গণ্য হয়, তাকেই এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শক্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাসের নাম 'চোখের বালি' হলেও, বাংলা বাগধারায় এর অর্থ হলো এমন কেউ যে সবসময় চোখের সামনে থাকে এবং যার উপস্থিতিতে অস্বস্তি বা বিরক্তি তৈরি হয়। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আমাদের পছন্দ নয় বা যার সাথে সম্পর্ক ভালো নয়, তাকেই আমরা রূপক অর্থে <strong>শক্র</strong> বা চক্ষুশূল বলে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>চোখের বালি</strong> = চক্ষুশূল বা অপ্রিয় ব্যক্তি।</li>
<li>সহজ কথায়, যা দেখলে বিরক্তি লাগে বা যা চোখের সামনে থাকা মানেই অশান্তি, সেটিই হলো <strong>শক্র</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রিকসা, হারিকেন</strong>। জাপানি শব্দগুলো মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত এই শব্দগুলো আমরা প্রায়ই শুনে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>রিকসা:</strong> এটি একটি জাপানি শব্দ, যা মূলত জাপানি 'Jin-riki-sha' (মানুষ চালিত গাড়ি) থেকে এসেছে।</li>
<li><strong>হারিকেন:</strong> এটিও জাপানি ভাষার একটি শব্দ যা বাংলায় ঘূর্ণিঝড় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জাপানি শব্দ চেনার জন্য এই দুটি শব্দ মাথায় রাখলেই চলবে। পরীক্ষার জন্য এই শব্দগুলো বারবার আসে, তাই এগুলো আলাদা করে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
২০৭৮
“কে জানত আমার ভাগ্যে এমন হবে”-এই বাক্যটি নিম্নের কোন কালের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধারণ বর্তমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ক্রিয়াপদ হলো 'জানত'। সাধারণত 'ত' বিভক্তি যুক্ত ক্রিয়া দেখে মনে হতে পারে এটি অতীত কাল, কিন্তু এখানে 'কে জানত' বলতে বর্তমান সময়ের কোনো বিস্ময় বা অনুশোচনাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে বর্তমান সময়ের কোনো সাধারণ সত্য বা মনের ভাব প্রকাশ পায়, তখন তাকে সাধারণ বর্তমান কাল হিসেবে ধরা হয়।</li>
<li>এখানে 'জানত' শব্দটি অতীত নির্দেশ না করে বর্তমানের একটি বিশেষ আবেগ বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি <strong>সাধারণ বর্তমান</strong> কালের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পড়াতাম</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে যে ক্রিয়া দিয়ে অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসগতভাবে হতো বোঝায়, তাকেই নিত্যবৃত্ত অতীত বলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিত্যবৃত্ত অতীত:</strong> অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত করা হতো এমন বোঝালে ক্রিয়ার শেষে 'তাম', 'তে', 'তেন' বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন—আমি নিয়মিত বই <strong>পড়াতাম</strong>।</li>
<li>এখানে 'পড়াতাম' শব্দটি দিয়ে অতীতে নিয়মিত পড়ানোর অভ্যাস প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটিই নিত্যবৃত্ত অতীত।</li>
</ul>
২০৮০
‘প্রিয়ংবদা যথার্থ কহিয়াছে।”-বাক্যটির নেতিবাচক রূপ নিম্নের কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রিয়ংবদা অযথার্থ কহে নাই</strong>। কোনো বাক্যের নেতিবাচক রূপ করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন না করে বিপরীত শব্দ ব্যবহার করাই হলো সবচেয়ে সহজ কৌশল।</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূল বাক্যের মূল শব্দ 'যথার্থ'-এর বিপরীত শব্দ <strong>'অযথার্থ'</strong> নিতে হবে।</li>
<li>এরপর ক্রিয়াপদ 'কহিয়াছে'-এর নেতিবাচক রূপ <strong>'কহে নাই'</strong> যোগ করতে হবে।</li>
<li>এভাবে মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে বাক্যটি দাঁড়ায়: <strong>প্রিয়ংবদা অযথার্থ কহে নাই</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুকে 'যথার্থ' বলা আর 'অযথার্থ নয়' বলা একই কথা। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটিই সবচেয়ে সঠিক রূপ।</p>
২০৮১
‘তুই যেতে পারবি না।’ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ নিম্নের কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তোকে থাকতে হবে</strong>। কারণ, কোনো নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্যে রূপান্তর করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত ভাব ব্যবহার করতে হয়।</p>
<ul>
<li>‘তুই যেতে পারবি না’—এই বাক্যটির মূল অর্থ হলো তোমার যাওয়ার অনুমতি নেই বা তোমাকে এখানেই অবস্থান করতে হবে।</li>
<li>অস্তিবাচক রূপ দেওয়ার সময় আমরা ‘যেতে পারবি না’-এর পরিবর্তে এর সমার্থক বা বিপরীত ভাব প্রকাশকারী শব্দ ‘থাকতে হবে’ ব্যবহার করেছি।</li>
<li>এতে বাক্যের মূল অর্থ ঠিক থাকে এবং বাক্যটি হ্যাঁ-বোধক বা অস্তিবাচক রূপ লাভ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুমি যেও না</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সরল বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং কোনো অব্যয় বা যোজক দিয়ে বাক্যটি যুক্ত থাকে না।</p>
<ul>
<li><strong>তুমি যেও না</strong> বাক্যটিতে 'যেও না' একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া।</li>
<li>এখানে অন্য কোনো খণ্ডবাক্য বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যখন-তখন, যদি-তবে) নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, যে বাক্যে একটি কর্তা ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া সরাসরি প্রকাশ পায়, সেটিই সরল বাক্য।</li>
</ul>
২০৮৩
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্য কোন দোষে দুষ্ট হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্য দোষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন কোনো বাক্যে অর্থ প্রকাশের জন্য যতটুকু শব্দ প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়, তখন তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় বাহুল্য দোষ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে একই অর্থের শব্দ বারবার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হয়।</li>
<li>যেমন: 'তিনি সপরিবারে ঢাকা থাকেন' না বলে যদি বলা হয় 'তিনি সপরিবারে ঢাকায় সপরিবারে থাকেন', তবে সেখানে অতিরিক্ত শব্দের কারণে বাহুল্য দোষ তৈরি হয়।</li>
<li>বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর রাখাই হলো শুদ্ধ বাক্য গঠনের মূল কৌশল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অচিরেই তাদের ভুল ভাঙে</strong>। বাক্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মূল অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে শব্দ বিন্যাসে পরিবর্তন আনাই হলো আসল কৌশল।</p>
<ul>
<li>এখানে নেতিবাচক বাক্যে 'দেরি হয় না' বলতে বোঝানো হয়েছে যে কাজটি খুব দ্রুত বা অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে।</li>
<li>'দেরি হয় না' এর বিপরীত বা অস্তিবাচক শব্দ হিসেবে আমরা <strong>'অচিরেই'</strong> শব্দটি ব্যবহার করতে পারি, যার অর্থ হলো খুব দ্রুত বা শীঘ্রই।</li>
<li>তাই মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে বাক্যটিকে অস্তিবাচক রূপ দিলে দাঁড়ায়: <strong>অচিরেই তাদের ভুল ভাঙে</strong>।</li>
</ul>
<p>‘মেধাবী’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মেধা + বীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে যদি ‘ঈ’ কার থাকে, তবে অনেক ক্ষেত্রে মূল প্রত্যয়টি ‘বীন’ বা ‘বিন’ হয়।</li>
<li>এখানে ‘মেধা’ হলো মূল শব্দ বা প্রকৃতি।</li>
<li>এর সাথে ‘বীন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মেধাবীন’ শব্দটি গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে সন্ধি বা পরিবর্তনের নিয়মে ‘মেধাবী’ রূপ ধারণ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশটি আলাদা করে তার সাথে প্রত্যয়টি মিলিয়ে নিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মেধা + বীন</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।