<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদটি হলো <strong>আয়কর</strong>।</li>
<li>এর ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>আয়ের উপর কর</strong>।</li>
<li>লক্ষ্য করুন, ব্যাসবাক্যের মাঝখানের অংশ <strong>'উপর'</strong> শব্দটি সমস্ত পদে এসে লোভ পেয়েছে বা হারিয়ে গেছে।</li>
<li>যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি লোভ পায়, তাকেই <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong> সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন মাঝখানের কোনো শব্দ বাদ দিয়ে ছোট করে একটি শব্দ তৈরি হয়, তখনই সেটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় হয়।</p>
২০৮৭
পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে কোন বহুব্রীহি সমাস হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমানাধিকরণ বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন সমাসবদ্ধ পদের পূর্বপদটি <strong>বিশেষণ</strong> হয় এবং পরপদটি <strong>বিশেষ্য</strong> হয়, তখন তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে দুটি পদের বিভক্তি একই থাকে এবং তারা মিলে অন্য একটি অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন: 'নীল অম্বর যার' = নীলাম্বর। এখানে 'নীল' বিশেষণ এবং 'অম্বর' বিশেষ্য, তাই এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদের ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে বিভক্তি (যেমন: হতে, থেকে, চেয়ে) লোপ পায়, তখন সেটি <strong>পঞ্চমী তৎপুরুষ</strong> সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'পাপমুক্ত' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয় 'পাপ হতে মুক্ত'।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'হতে' বিভক্তিটি যুক্ত আছে এবং সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় তা লোপ পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যাসবাক্যে বিভক্তির উপস্থিতিই বলে দেয় এটি তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌরাস্তা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ দ্বিগু সমাস চেনার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এর গঠন।</p>
<ul>
<li>দ্বিগু সমাসের ক্ষেত্রে পূর্বপদটি সবসময় একটি <strong>সংখ্যাবাচক শব্দ</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'চৌরাস্তা' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় 'চার রাস্তার সমাহার'।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'চার' একটি সংখ্যা বোঝাচ্ছে এবং এটি সমাহার বা সমষ্টির অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি অনায়াসেই দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই সংখ্যার সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমষ্টি বোঝায়, সেটিই দ্বিগু সমাস।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, ‘মেদিনি’ শব্দটির আভিধানিক অর্থই হলো ধরা বা পৃথিবী। বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় পৃথিবীকে বোঝাতে ‘মেদিনি’ শব্দটি বেশ চমৎকারভাবে ব্যবহার করা হয়। এটি মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘মেদিনি’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত শব্দ ‘মেদিনী’ থেকে এসেছে।</li>
<li>এর সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা <strong>ধরা</strong>, <strong>বসুন্ধরা</strong>, <strong>অবনী</strong> বা <strong>পৃথিবী</strong> ব্যবহার করে থাকি।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে সরাসরি মনে রাখবেন যে, মেদিনি মানেই আমাদের এই বিশাল পৃথিবী।</li>
</ul>
<p>‘পল্লবগ্রাহিতা’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>ভাসা ভাসা জ্ঞান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘পল্লব’ মানে হলো গাছের পাতা বা ডগা।</li>
<li>গাছের মূলে বা গভীরে না গিয়ে শুধু ওপরের পাতা বা ডগা স্পর্শ করাকে রূপক অর্থে ‘পল্লবগ্রাহিতা’ বলা হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, কোনো বিষয়ে গভীর পড়াশোনা বা অভিজ্ঞতা না থেকে কেবল ওপর ওপর বা অগভীর জ্ঞান থাকাকেই এক কথায় <strong>ভাসা ভাসা জ্ঞান</strong> বা পল্লবগ্রাহিতা বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'নীর' শব্দের অর্থ হলো জল বা পানি।</li>
<li>বাংলা অভিধান ও সমার্থক শব্দের নিয়ম অনুযায়ী, 'লোর' শব্দটি জল বা পানির একটি প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই যখনই 'নীর' শব্দের সমার্থক শব্দ খুঁজতে বলা হবে, তখন চোখ বন্ধ করে 'লোর' বেছে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পানির অপর নামই হলো লোর, যা নীর শব্দের সাথে সরাসরি মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নদী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'তটিনী' শব্দটি মূলত প্রবাহমান জলধারা বা নদীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'তট' মানে হলো কিনারা বা তীর। যার দুই পাশে তীর বা কিনারা আছে, সেই হলো তটিনী বা নদী।</li>
<li>সহজ কথায়, নদীকে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে তটিনী বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খয়ের</strong>।</p>
<p>বাংলা অভিধান অনুযায়ী 'খাদির' শব্দটি মূলত একটি তৎসম শব্দ, যার অর্থ হলো খয়ের গাছ বা খয়ের। এটি সাধারণত পান খাওয়ার অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার সুবিধার্থে এভাবে ভাবতে পারেন:</p>
<ul>
<li>খাদির = খয়ের গাছ।</li>
<li>খয়ের গাছ থেকেই খয়ের তৈরি হয়, তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, খয়েরের সংস্কৃত বা তৎসম রূপই হলো খাদির। তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি খয়ের দাগিয়ে দেবেন।</p>
<p>কাদম্বিনী শব্দের সঠিক উত্তর হলো <strong>মেঘ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে এবং কবিতায় 'কাদম্বিনী' শব্দটি মূলত মেঘমালা বা মেঘের সারি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত অভিধান অনুযায়ী, 'কাদম্ব' শব্দের অর্থ হলো মেঘ।</li>
<li>'কাদম্বিনী' শব্দটি সেই মেঘের সমষ্টি বা সারিকে নির্দেশ করে, যা আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়ায়।</li>
<li>অনেক সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প 'কাদম্বিনী'র কথা মনে হতে পারে, কিন্তু আভিধানিক অর্থে এটি মেঘ বা মেঘমালাকেই বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'কাদম্বিনী' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি আকাশছোঁয়া <strong>মেঘের</strong> কথা বলা হচ্ছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটিই না</strong>। এর কারণ হলো, সূর্য একটি বিশেষ প্রাকৃতিক বস্তু বা জ্যোতিষ্ক, যার কোনো নির্দিষ্ট বিপরীত শব্দ বাংলা ব্যাকরণে নেই।</p>
<ul>
<li><strong>তপন</strong> হলো সূর্যেরই একটি প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ।</li>
<li><strong>পবন</strong> মানে বাতাস এবং <strong>কানন</strong> মানে বন বা বাগান।</li>
<li>যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে সূর্যের বিপরীত কোনো অর্থবোধক শব্দ নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনটিই না</strong>।</li>
</ul>
<p>'মনীষী' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>নির্বোধ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>মনীষী</strong> বলতে বোঝায় এমন কাউকে, যিনি অত্যন্ত জ্ঞানী, বুদ্ধিমান বা প্রজ্ঞাবান।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>নির্বোধ</strong> শব্দের অর্থ হলো যার বুদ্ধি কম বা যে বোকা।</li>
</ul>
<p>যেহেতু মনীষী জ্ঞানের প্রতীক, তাই এর বিপরীত হিসেবে নির্বোধ শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।