<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐ কারণে আমি অবশ্যই তোমার সঙ্গ ত্যাগ করব</strong>। বাক্যটির ভাবার্থ বুঝতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি বাগধারা <strong>"part company with someone"</strong>-এর অর্থ হলো কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা বা সঙ্গ ত্যাগ করা।</li>
<li>এখানে <strong>"On the question"</strong> অংশটি দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা কারণকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>পুরো বাক্যটি বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায়, কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে মতের অমিল বা অন্য কোনো কারণে আমি তোমার সাথে আর চলব না বা সঙ্গ ত্যাগ করব।</li>
</ul>
<p>তাই সহজ কথায়, এই বাক্যটির সঠিক ও সাবলীল অনুবাদ হলো <strong>"ঐ কারণে আমি অবশ্যই তোমার সঙ্গ ত্যাগ করব"</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিস্তার</strong>। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় কোনো তরঙ্গ বা কম্পনশীল বস্তুর সাম্যাবস্থান থেকে সর্বোচ্চ যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকেই ইংরেজিতে <strong>Amplitude</strong> বলা হয়। বাংলায় এর যথাযথ পরিভাষা হলো <strong>বিস্তার</strong>।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, কোনো ঢেউ বা তরঙ্গের উচ্চতা বা গভীরতা যতটুকু হয়, সেটাই তার বিস্তার।</li>
<li>তরঙ্গ বা দোলনের ক্ষেত্রে এটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাপক হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: বিস্তৃত বা প্রসারিত) সাধারণত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পরিমাপের একক বা নাম হিসেবে <strong>বিস্তার</strong>-ই সঠিক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুশীল সমাজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা সমাজবিজ্ঞানের আলোচনায় 'Civil society' বলতে সাধারণত এমন একটি গোষ্ঠীকে বোঝানো হয় যারা সরাসরি সরকারি ক্ষমতার সাথে যুক্ত নয়, কিন্তু জনমত গঠন ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<ul>
<li>বাংলায় একে পারিভাষিকভাবে <strong>সুশীল সমাজ</strong> হিসেবেই অভিহিত করা হয়।</li>
<li>এটি মূলত নাগরিক অধিকার, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বা ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি।</li>
<li>সহজ কথায়, সাধারণ নাগরিকরা যখন সংঘবদ্ধভাবে সমাজের কল্যাণে কাজ করেন, তখনই তাকে আমরা সুশীল সমাজ বলি।</li>
</ul>
<p>বাক্যে সেমিকোলন (;) ব্যবহারের ক্ষেত্রে থামার সময়কাল মনে রাখা খুব সহজ। বিরামচিহ্নের ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী, সেমিকোলন থাকলে আমাদের এক বলার দ্বিগুণ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিষয়টি এভাবে মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<p>‘Subjudice’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বিচারাধীন</strong>। আইনি পরিভাষায় যখন কোনো মামলা বা বিষয় আদালতের বিবেচনায় থাকে এবং যার ওপর এখনো কোনো চূড়ান্ত রায় আসেনি, তখন তাকেই ইংরেজিতে ‘Subjudice’ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Sub</strong> মানে নিচে বা অধীনে।</li>
<li><strong>Judice</strong> শব্দটি এসেছে ‘Judicial’ বা বিচার সংক্রান্ত বিষয় থেকে।</li>
<li>অর্থাৎ, বিষয়টি যখন বিচারের অধীনে বা প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকে, তখন তাকে আমরা এক কথায় বলি <strong>বিচারাধীন</strong>।</li>
</ul>
<p>বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল <strong>৩৪ জন</strong>।</p>
<ul>
<li>কমিটিতে মোট সদস্য ছিলেন <strong>৩৪ জন</strong>।</li>
<li>এর মধ্যে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।</li>
<li>কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, সংবিধান তৈরির এই খসড়া কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ঠিক <strong>৩৪</strong>।</p>
২১২২
প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যারক্ষেত্রে ‘আলামাআতা’ ঘোষণা কোন সনে করা হয়?
<p>প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার ইতিহাসে ‘আলামাআতা’ (Alma-Ata) ঘোষণা একটি মাইলফলক। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৭৮</strong> সাল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>১৯৭৮ সালের ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের আলামাআতা শহরে এই ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।</li>
<li>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল <strong>'সবার জন্য স্বাস্থ্য'</strong> (Health for All) নিশ্চিত করা।</li>
<li>এই ঘোষণার মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে (Primary Health Care) বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার থেকেই <strong>১৯৭৮</strong> সালে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাটি আসে।</p>
২১২৩
ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্র ও উচ্চারণের মূল উপকরণ কোনটি ?
<p>ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুখবিবর, জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>মুখবিবর:</strong> এটি হলো ধ্বনি তৈরির প্রধান জায়গা বা চেম্বার, যেখানে বাতাস বাধা পেয়ে বিভিন্ন ধ্বনি তৈরি করে।</li>
<li><strong>জিহ্বা:</strong> এটি সবচেয়ে সক্রিয় অঙ্গ। জিহ্বার নড়াচড়ার ওপর ভিত্তি করেই আমরা বিভিন্ন স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণ করতে পারি।</li>
<li><strong>ওষ্ঠ্য (ঠোঁট):</strong> ঠোঁটের আকৃতি পরিবর্তন বা বন্ধ করার মাধ্যমে ধ্বনির পূর্ণতা পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমাদের মুখগহ্বর, জিহ্বার সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং ঠোঁটের ব্যবহার—এই তিনটির সমন্বয়েই আমরা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারি। তাই ধ্বনি উচ্চারণের মূল উপকরণ হিসেবে এই তিনটি অঙ্গই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সাহচর্য শব্দের সঠিক গঠন হলো <strong>সহচর + য</strong>। এটি মূলত একটি তদ্ধিত প্রত্যয়জাত শব্দ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ বা প্রকৃতি হলো <strong>সহচর</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>য (ষ্ণ্য)</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, <strong>য</strong> প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের প্রথম স্বর 'অ' পরিবর্তিত হয়ে 'আ' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, $সহচর + য = সাহচর্য$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দের সাথে <strong>য</strong> প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত শব্দটি পেয়ে যাই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পঙ্কজ</strong>। কারণ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে শব্দগুলো সমাস বা প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়ে মূল শব্দের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকেই যৌগরূঢ় শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>পঙ্কজ</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: পঙ্কে (কাদায়) জন্মে যা।</li>
<li>সাধারণ অর্থে কাদা থেকে জন্ম নেওয়া যেকোনো কিছুকেই পঙ্কজ বলা যায়, কিন্তু এই শব্দটি নির্দিষ্টভাবে শুধুমাত্র <strong>পদ্মফুল</strong>-কে বোঝায়।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি তার সাধারণ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ছেড়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থকে (পদ্ম) গ্রহণ করেছে, তাই এটি একটি যৌগরূঢ় শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটিই নয়</strong>। কারণ, একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ হলো <strong>আকাঙ্ক্ষা</strong>, <strong>যোগ্যতা</strong> এবং <strong>আসত্তি</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর মধ্যে অর্থের সংগতি ও ভাবের মিল থাকা।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য পদগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজিয়ে রাখা।</li>
</ul>
<p>যেহেতু অপশনগুলোতে 'উদ্দেশ্য' বা 'বিধেয়' শব্দগুলো যুক্ত করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি এখানে নেই। বাক্যের গঠনগত উপাদান হলো উদ্দেশ্য ও বিধেয়, কিন্তু বাক্যের গুণ হিসেবে এই তিনটিই সর্বজনস্বীকৃত।</p>
<p>একটি সার্থক বাক্যের প্রাণ হলো এর তিনটি প্রধান গুণ। সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা</strong>। বিষয়টি সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের এক অংশ শোনার পর অন্য অংশ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ থাকে, তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। যেমন: "আমি ভাত" বললে মনে প্রশ্ন জাগে "কী করব?"—এই অসম্পূর্ণতাই আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li><strong>আসক্তি:</strong> বাক্যের পদগুলোকে অর্থপূর্ণভাবে সাজানোর নামই আসক্তি। শব্দগুলো এলোমেলো থাকলে অর্থ বোঝা যায় না, তাই সঠিক বিন্যাস জরুরি।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অর্থগত ও ভাবগত মিল থাকাটাই হলো যোগ্যতা। যেমন: "আমি আগুন দিয়ে জল পান করি" বললে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই, তাই এটি যোগ্যতাহীন।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি গুণের সমন্বয়েই একটি বাক্য পূর্ণতা পায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অনুসর্গ</strong> বাক্যের ভেতরে আলাদাভাবে বা স্বাধীন পদ হিসেবে বসে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে। যেমন: 'আমার <strong>জন্য</strong> এটি করো'—এখানে 'জন্য' একটি অনুসর্গ যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>অন্যদিকে, বিভক্তি বা উপসর্গ কখনোই শব্দের সাথে আলাদাভাবে বসে না; এগুলো শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বা আগে-পিছে লেগে থেকে কাজ করে।</li>
<li>তাই যখনই কোনো শব্দ বাক্যে আলাদা অস্তিত্ব নিয়ে বসে অন্য পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, সেটিই অনুসর্গ।</li>
</ul>
২১২৯
শব্দ প্রয়োগ কালে যদি তার যোগ্যতা হারায় তবে কোন দোষে দুষ্ট বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটিই নয়</strong>। কারণ বিষয়টি ব্যাকরণের একটি মৌলিক নিয়ম।</p>
<ul>
<li>শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থগত ও ভাবগত সামঞ্জস্য থাকাকেই <strong>যোগ্যতা</strong> বলা হয়।</li>
<li>যদি কোনো শব্দ তার স্বাভাবিক অর্থ বা প্রয়োগের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>যোগ্যতা দোষে দুষ্ট</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে 'যোগ্যতা দোষ' বা 'যোগ্যতার অভাব' নামক কোনো অপশন নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনটিই নয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের অর্থ যদি বাস্তবসম্মত না হয় বা শব্দের সাথে অর্থের মিল না থাকে, তবেই সেই বাক্যটি যোগ্যতা হারায়।</p>
২১৩০
'চন্দ্র পৃথিবীর চারিদিকে' বাক্যটিতে কিসের অভাব রয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাঙ্ক্ষা</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো আকাঙ্ক্ষা।</p>
<p>সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যের এক অংশ শোনার পর যদি আরও কিছু শোনার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়, তবে তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।</li>
<li>এখানে 'চন্দ্র পৃথিবীর চারিদিকে' বলার পর বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছে। কারণ, চন্দ্র পৃথিবীর চারিদিকে কী করছে (ঘোরে নাকি স্থির আছে), তা না বলা পর্যন্ত মনের তৃপ্তি মিটছে না।</li>
<li>অর্থাৎ, বাক্যটি পূর্ণ করতে আরও কিছু শব্দ প্রয়োজন, আর এই অসম্পূর্ণতাই হলো আকাঙ্ক্ষার অভাব।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।