<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে, তাকেই জটিল বাক্য বলে।</li>
<li>এই বাক্যে <strong>'যদিও'</strong> এবং <strong>'তথাপি'</strong>—এই সাপেক্ষ অব্যয়গুলো জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যখনই কোনো বাক্যে 'যদি-তবে', 'যে-সে', বা 'যদিও-তথাপি'র মতো সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় থাকে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে 'তিনি অত্যন্ত দরিদ্র' অংশটি 'তিনি দানশীল' হওয়ার ওপর নির্ভরশীল, তাই এটি একটি আদর্শ জটিল বাক্য।</p>
২১৩২
'ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে'- এই সরল বাক্যের মিশ্র বাক্যের রূপ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মিশ্র বাক্য চেনার উপায় হলো বাক্যের গঠন। মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে। এই রূপান্তরটি বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মিশ্র বাক্যে সাধারণত 'যে', 'যারা', 'সে', 'তারা'—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সরল বাক্যের 'ভালো ছেলেরা' অংশটিকে ভেঙে এখানে <strong>'যারা ভালো ছেলে'</strong> করা হয়েছে, যা একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য।</li>
<li>বাকি অংশ <strong>'তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে'</strong> হলো প্রধান খণ্ডবাক্য।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখনই কোনো সরল বাক্যকে মিশ্র বাক্যে রূপান্তর করতে হয়, তখন বাক্যটিকে দুটি অংশে ভাগ করে সাপেক্ষ সর্বনামের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে দিলেই কাজ শেষ!</p>
২১৩৩
শব্দ প্রয়োগকালে যদি তার যোগ্যতা হারায় তবে কোন দোষে দুষ্ট বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটিই নয়</strong>। কারণ, শব্দ প্রয়োগ করার সময় যদি সেটি তার অর্থ বা যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>যোগ্যতা দোষ</strong> বলা হয়।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যের অর্থপূর্ণ হওয়ার জন্য শব্দের যে সামঞ্জস্য বা ভাবগত মিল থাকা প্রয়োজন, তাকেই যোগ্যতা বলে।</li>
<li>যদি কোনো শব্দ তার স্বাভাবিক অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ হয় বা অসংলগ্ন অর্থ তৈরি করে, তবে সেই বাক্যটি <strong>যোগ্যতা হারায়</strong>।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য কোনো অপশনই এই সংজ্ঞার সাথে মেলে না, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনটিই নয়</strong>।</li>
</ul>
২১৩৪
'যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখ ও আসে'। গঠন অনুসারে বাক্যটি কোন শ্রেণীর?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই বাক্যের শুরুতে <strong>'যখন'</strong> এবং মাঝখানে <strong>'তখন'</strong> অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, তাকেই মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'দুঃখ আসে' অংশটি 'যখন বিপদ আসে'—এই শর্তের ওপর নির্ভর করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো বাক্যে <strong>'যখন-তখন'</strong>, <strong>'যে-সে'</strong> বা <strong>'যদি-তবে'</strong> জোড়া অব্যয় দেখবেন, চোখ বন্ধ করে সেটাকে মিশ্র বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদরার্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো নামের শেষে 'আই' বা 'ই' যোগ করে ছোট বা আদরের সম্বোধন করা হয়, তখন তাকে আদরার্থে তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।</li>
<li>যেমন: কানাই, নিমাই, রাঙাই—এগুলো মূলত কোনো ব্যক্তিকে আদর করে বা স্নেহভরে ডাকার জন্য ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই এই শব্দগুলোতে 'আই' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে আদর বা স্নেহের ভাব প্রকাশ করছে, যা আদরার্থে তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বি + অর্থ</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে থাকা 'ব্য' অংশটি মূলত 'বি' উপসর্গের সাথে 'অ' যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ই/ঈ পরিবর্তিত হয়ে <strong>য</strong>-ফলা হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>বি + অর্থ</strong> মিলে হয় <strong>ব্যর্থ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে <strong>ই + অ = য</strong> এই সূত্রটি কাজ করেছে। তাই মনে রাখা সহজ যে, 'ব্য' থাকলে সেখানে 'বি' উপসর্গটিই মূল হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>‘ব্ধ’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>ব্ + ধ</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ উচ্চারণের সময় আমরা প্রথমে ‘ব’ এবং পরে ‘ধ’-এর ধ্বনি শুনতে পাই।</p>
<ul>
<li>শব্দটির গঠন: <strong>ব্ + ধ = ব্ধ</strong></li>
<li>এখানে ‘ব’ বর্ণটি নিচে যুক্ত হয়ে ‘ধ’-এর সাথে মিলেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখনই কোনো বর্ণের নিচে ব-ফলা বা অন্য কোনো বর্ণ যুক্ত থাকে, তখন প্রথম বর্ণটি হসন্ত (্) যুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্ + ধ</strong>। এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো যুক্তবর্ণ সহজেই ভেঙে ফেলা সম্ভব!</p>
<p>চর্যাপদের মূল বিষয়বস্তু হলো <strong>বৌদ্ধোধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথা</strong>। সহজ কথায় বলতে গেলে, চর্যাপদ কোনো সাধারণ গল্প বা কবিতা নয়, বরং এটি ছিল তৎকালীন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনপদ্ধতি ও দর্শনের একটি সংকলন।</p>
<p>বিষয়টি কেন সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সহজিয়া সাধনা:</strong> চর্যাপদের পদগুলোতে রূপক ও সাংকেতিক ভাষার আড়ালে বৌদ্ধ ধর্মের গভীর আধ্যাত্মিক তত্ত্ব লুকিয়ে আছে।</li>
<li><strong>গূঢ় অর্থ:</strong> এখানে সাধারণ মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতার সাথে বৌদ্ধ দর্শনের জটিল বিষয়গুলোকে মিলিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা কেবল দীক্ষিত সাধকরাই বুঝতে পারতেন।</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> এই পদগুলোর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল নির্বাণ লাভের পথ বা বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় রহস্য সাধারণের কাছে (যারা সাধক) পৌঁছে দেওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদকে কেবল ধর্ম প্রচারের মাধ্যম না বলে, বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় তত্ত্বকথার এক অনন্য কাব্যিক রূপ বলাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।</p>
২১৩৯
হ্যানা ক্যাথারিনের ‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’ গ্রন্থে কোন ধর্মের মাহাত্ম্য করা হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খ্রিস্টান ধর্মের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>হ্যানা ক্যাথারিন মুলেন্স ছিলেন একজন মিশনারি, যিনি মূলত খ্রিস্টধর্মের প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করতেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’</strong> গ্রন্থটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই বইটির মূল লক্ষ্যই ছিল খ্রিস্টান জীবনদর্শনের নৈতিক শিক্ষা ও আদর্শকে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই বলা যায়, এই গ্রন্থে মূলত <strong>খ্রিস্টান ধর্মের</strong> মাহাত্ম্য ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>পদ বা পদাবলী</strong> বলতে মূলত মধ্যযুগের এক বিশেষ কাব্যধারাকে বোঝায়। এটি কেন বৌদ্ধ ও বৈষ্ণবীয় ধর্মের গুঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বৌদ্ধ প্রভাব:</strong> চর্যাপদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের যাত্রা শুরু হয়, যা ছিল মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত। এখানে ধর্মের গুঢ় তত্ত্বগুলো রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।</li>
<li><strong>বৈষ্ণবীয় প্রভাব:</strong> পরবর্তীতে বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মিলনের আধ্যাত্মিক দর্শন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এই পদগুলো সাধারণ ছন্দে লেখা হলেও এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে গভীর দার্শনিক ও ধর্মীয় রহস্য, যা সাধারণ মানুষের কাছে ভক্তির মাধ্যমে সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পদাবলী হলো এমন এক কাব্যশৈলী যেখানে সুর ও ছন্দের আশ্রয়ে ধর্মের জটিল ও গুঢ় বিষয়গুলোকে অত্যন্ত সহজ ও মধুরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বোস্টম</strong> ও <strong>গিন্নী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যা সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>মূল সংস্কৃত শব্দ 'বৈষ্ণব' থেকে এসেছে <strong>বোস্টম</strong>।</li>
<li>আবার সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে <strong>গিন্নী</strong>।</li>
<li>যেহেতু এই শব্দগুলো পুরোপুরি সংস্কৃত (তৎসম) নয়, আবার পুরোপুরি খাঁটি বাংলাও (তদ্ভব) নয়, তাই এগুলোকে আমরা অর্ধ-তৎসম শব্দ বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংস্কৃত শব্দের যে রূপটি কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে আমাদের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেটাই অর্ধ-তৎসম।</p>
২১৪২
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী পুঁথি সাহিত্য সংগ্রহের জন্য গিয়েছেন-
<p>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন <strong>চর্যাপদ</strong> আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি মূলত প্রাচীন পুঁথির সন্ধানে নেপাল ও তিব্বতের রাজদরবার এবং মঠগুলোতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>নেপাল:</strong> ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li><strong>তিব্বত:</strong> পুঁথির খোঁজে তিনি তিব্বতের বিভিন্ন মঠেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রাচীন পুঁথি ও হারিয়ে যাওয়া সাহিত্যিক সম্পদ উদ্ধারের নেশায় তিনি বারবার <strong>তিব্বত ও নেপাল</strong> ভ্রমণ করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে</strong>। প্রবচনটি খুব চমৎকারভাবে একটি পরিস্থিতিকে তুলে ধরে যেখানে কোনো ক্ষতি না করেই উদ্দেশ্য হাসিল করা যায়।</p>
<p>সহজ কথায় এর অর্থ হলো:</p>
<ul>
<li>কোনো কাজ এমনভাবে সম্পন্ন করা যাতে নিজের কোনো ক্ষতি বা লোকসান হয় না।</li>
<li>একই সাথে নিজের স্বার্থ রক্ষা করা এবং ঝামেলা থেকে দূরে থাকা।</li>
<li>অর্থাৎ, উভয় পক্ষ বা উভয় দিক বজায় রেখে কাজ গুছিয়ে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই যখন আমরা এমন কোনো কৌশলের কথা বলি যেখানে কোনো পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না কিন্তু কাজ ঠিকঠাক হয়ে যায়, তখনই এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃস্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'কপর্দক' শব্দের অর্থ হলো অতি ক্ষুদ্র মুদ্রা বা পয়সা।</li>
<li>যার কাছে একটি পয়সাও নেই, তাকেই এক কথায় বলা হয় 'কপর্দকহীন'।</li>
<li>আর যার কাছে কিছুই নেই বা সব হারিয়েছে, তাকেই আমরা সহজ ভাষায় <strong>নিঃস্ব</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই অর্থের দিক থেকে 'কপর্দকহীন' এবং 'নিঃস্ব' শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘অর্বাচিন’ শব্দের অর্থ হলো যা নতুন বা আধুনিক।</li>
<li>বিপরীত শব্দ বের করার সময় আমাদের সময়ের বিপরীত দিকটি চিন্তা করতে হয়।</li>
<li>যেহেতু অর্বাচিন মানে নতুন বা বর্তমান সময়ের কিছু বোঝায়, তাই এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অবস্থাটি হবে <strong>প্রাচীন</strong>, যা অনেক পুরনো সময়কে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সময়ের বিচারে নতুন বা অর্বাচিনের বিপরীত হিসেবে প্রাচীন শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।