<p>‘বার্ষিক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বর্ষ + ষ্ণিক</strong>। এটি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে (যাকে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয়)।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>বর্ষ</strong>। এর সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ‘অ’ কারটি ‘আ’ কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>ফলে শব্দটি দাঁড়ায়: $বর্ষ + ষ্ণিক = বার্ষিক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে ‘ব’ এর সাথে ‘আ’ কার যুক্ত হয়ে ‘বা’ হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো এখানে মূল কারসাজি। তাই নির্ভুল উত্তরটি হলো <strong>বর্ষ + ষ্ণিক</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্ত</strong>। ঋতুরাজ বসন্তকে কেন 'মধুকাল' বলা হয়, তার কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বসন্তকালে প্রকৃতি নতুন সাজে সেজে ওঠে, চারদিকে নতুন ফুল ফোটে এবং গাছে নতুন পাতা গজায়।</li>
<li>এই সময়ে প্রকৃতিতে এক ধরণের মিষ্টি আমেজ বা মাধুর্য বিরাজ করে, যা অন্য কোনো ঋতুতে পাওয়া যায় না।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এবং লোকজ সংস্কৃতিতে এই ঋতুর স্নিগ্ধতা ও সৌন্দর্যের কারণে একে কাব্যিকভাবে 'মধুকাল' বা 'মধুর ঋতু' হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য আর মিষ্টি আবহাওয়ার কারণেই বসন্তকে আমরা মধুকাল বলে থাকি।</p>
<p>বার্ষিক শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বর্ষ + ষ্ণিক</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে, যখন কোনো শব্দের সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে।</li>
<li>এখানে 'বর্ষ' শব্দের আদি স্বর 'অ' পরিবর্তিত হয়ে 'আ' হয়ে যায়, ফলে শব্দটি দাঁড়ায় <strong>বার্ষিক</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>বর্ষ + ষ্ণিক = বার্ষিক</strong>। এখানে 'ষ্ণ' লোপ পায় এবং 'ইক' অবশিষ্ট থাকে, যা মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্মী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই অন্য ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে 'লুঙ্গি' শব্দটি মূলত মিয়ানমারের বা তৎকালীন বার্মার ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>লুঙ্গি শব্দটি একটি বিশেষ অঞ্চলের পোশাকের নাম থেকে এসেছে।</li>
<li>ভাষাবিদদের মতে, এটি সরাসরি <strong>বর্মী</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলো বারবার আসে, তাই উৎসগুলো একবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপানি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘প্যাগোডা’ শব্দটি মূলত জাপানি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>প্যাগোডা হলো বৌদ্ধধর্মীয় এক ধরনের সুউচ্চ মন্দির বা স্তূপ।</li>
<li>ভাষাগত উৎস অনুযায়ী, এই শব্দটি জাপানি শব্দ <strong>Pagoda</strong> থেকে গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য এটি একটি নির্দিষ্ট শব্দভাণ্ডারের অংশ হিসেবে মুখস্থ রাখা সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</li>
</ul>
<p>‘বর্ধিষ্ণু’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বৃধ + ইষ্ণু</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘বৃদ্ধি’ বা ‘বর্ধন’ বোঝাতে মূল ধাতু হিসেবে <strong>বৃধ</strong> ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর সাথে ‘ইষ্ণু’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর প্রবণতা বা স্বভাব বোঝায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>বৃধ</strong> (ধাতু) + <strong>ইষ্ণু</strong> (প্রত্যয়) মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>বর্ধিষ্ণু</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শেষে ‘ইষ্ণু’ দেখবেন, তখন মূল ধাতু হিসেবে ‘বৃধ’ খুঁজে বের করাই হবে আপনার প্রথম কাজ। এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করতে পারবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবী</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'ভূত' বলতে আমরা সাধারণত যা ঘটে গেছে বা অতীতকে বুঝি।</li>
<li>অন্যদিকে, 'ভাবী' শব্দটি দিয়ে যা ঘটবে বা ভবিষ্যৎকে বোঝানো হয়।</li>
<li>তাই সময়ের বিচারে 'ভূত' বা অতীতের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'ভাবী' বা ভবিষ্যৎ সবচেয়ে মানানসই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সন্ধি মূলত ভাষার উচ্চারণকে সহজ ও শ্রুতিমধুর করার জন্য তৈরি হয়েছে।</p>
<ul>
<li>পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনের ফলে উচ্চারণে যে জড়তা থাকে, তা দূর হয়।</li>
<li>এর ফলে কথা বলার সময় বা পড়ার সময় এক ধরণের সাবলীলতা ও <strong>ধ্বনিগত মাধুর্য</strong> তৈরি হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, সন্ধি আমাদের ভাষাকে শুনতে আরও বেশি সুন্দর ও সাবলীল করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণচোরা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'বর্ণ' মানে হলো রং বা রূপ, আর 'চোরা' মানে যে চুরি করে বা লুকিয়ে রাখে।</li>
<li>অর্থাৎ, যে ব্যক্তি নিজের আসল রূপ বা স্বভাব লুকিয়ে রাখে, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>বর্ণচোরা</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যারা বাইরে একরকম কিন্তু ভেতরে অন্যরকম, তাদের বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>ভাষার মূল উপাদান হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে আওয়াজ বের হয়, সেটাই হলো ধ্বনি।</li>
<li>এই ধ্বনিগুলো যখন একত্রিত হয়, তখন তৈরি হয় শব্দ।</li>
<li>শব্দ থেকে বাক্য এবং সবশেষে পূর্ণাঙ্গ ভাষা গঠিত হয়।</li>
<li>তাই ভাষার একদম শুরুর বা ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে <strong>ধ্বনি</strong>-কেই ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধ্বনি ছাড়া কোনো শব্দ বা বাক্য গঠন করা সম্ভব নয়, তাই ধ্বনিই ভাষার মূল ভিত্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বুনো</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে সাধু ভাষার শব্দকে চলিত ভাষায় রূপান্তর করার সময় উচ্চারণ ও বানানের কিছুটা পরিবর্তন ঘটে।</p>
<ul>
<li>'বন্য' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>চলিত ভাষায় কথা বলার সুবিধার্থে এবং সহজ উচ্চারণের জন্য 'বন্য' শব্দটিকে আমরা সাধারণত <strong>বুনো</strong> হিসেবে ব্যবহার করি।</li>
<li>যেমন: 'বন্য প্রাণী' না বলে আমরা সচরাচর 'বুনো প্রাণী' বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত রীতিতে শব্দের সহজলভ্য ও শ্রুতিমধুর রূপটিই গৃহীত হয়, আর সেই নিয়মেই 'বন্য' এর চলিত রূপ হলো <strong>বুনো</strong>।</p>
২৬০৮
যে শব্দ বা শব্দাংশের অংশকে আর কোনো বিশ্লেষণ বা ক্ষুদ্রতম অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে বলে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>শব্দ বা শব্দাংশের যে মূল অংশকে আর কোনোভাবেই ভাঙা যায় না, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>প্রকৃতি</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'চলন্ত' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>চল্ + অন্ত</strong>। এখানে 'চল্' অংশটিকে আর ভাঙা সম্ভব নয়, তাই এটিই হলো প্রকৃতি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের একদম গোড়ার বা মৌলিক অংশটিই হলো প্রকৃতি, যা শব্দের অর্থ তৈরির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>সারাংশ লেখার মূল নিয়ম হলো মূল অনুচ্ছেদের মূলভাবকে নিজের ভাষায় সংক্ষেপে তুলে ধরা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্জন করতে হয়</strong>, কারণ বিষয়টি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>সারাংশ মানেই হলো মূল কথাকে ছোট করে আনা।</li>
<li>মূল অনুচ্ছেদে যদি কোনো প্রত্যক্ষ উক্তি (Direct Speech) থাকে, তবে সারাংশে তা হুবহু না লিখে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করতে হয় অথবা মূল ভাব ঠিক রেখে সেই উক্তিটি <strong>বর্জন করতে হয়</strong>।</li>
<li>অপ্রয়োজনীয় উদ্ধৃতি বা উক্তি বাদ দিলে সারাংশটি আরও বেশি অর্থবহ ও সংক্ষিপ্ত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিগ্ৰহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'সন্ধি' শব্দের অর্থ হলো মিলন বা সংযোগ।</li>
<li>অন্যদিকে, 'বিগ্ৰহ' শব্দের অর্থ হলো বিচ্ছেদ বা লড়াই, যা সন্ধির ঠিক বিপরীত অবস্থা।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে কোনো কিছুর মিলন বা যুক্ত হওয়ার উল্টোটা হলো বিচ্ছিন্ন হওয়া, তাই সন্ধির বিপরীত শব্দ হিসেবে বিগ্ৰহ শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।