<p>‘ময়নামতীর চর’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বন্দে আলী মিয়া</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বন্দে আলী মিয়া মূলত পল্লী প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর লেখনীতে গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবন ও প্রকৃতির রূপ দারুণভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘ময়নামতীর চর’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের পল্লী-প্রকৃতি নির্ভর ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ণব</strong>। ‘পাথার’ শব্দটি মূলত সমুদ্র বা জলরাশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘পাথার’ শব্দের অর্থ হলো বিশাল জলরাশি বা সমুদ্র।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় সমুদ্রের বিশালতাকে বোঝাতে ‘পাথার’ শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সেই হিসেবে ‘অর্ণব’ শব্দটির অর্থও সমুদ্র, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>‘বনস্পতি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বন্ + পতি</strong>। এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, তাই সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে এটি মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'বন' শব্দের সাথে 'পতি' যুক্ত হয়ে 'বনস্পতি' গঠিত হয়েছে।</li>
<li>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হওয়ার কারণে এখানে কোনো বিশেষ সূত্র কাজ করে না, তাই শব্দটিকে সরাসরি এভাবেই মনে রাখতে হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে, তাই <strong>বন্ + পতি</strong> অংশটি ভালো করে খেয়াল রাখলেই হবে।</li>
</ul>
<p>‘বন্ধন’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>বন্ + ধন্</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনবর্ণের সন্ধি বা যুক্তবর্ণের একটি বিশেষ রূপ। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>‘বন্ধন’ শব্দটিতে ‘ন্ধ’ একটি যুক্তবর্ণ, যা মূলত <strong>ন্</strong> এবং <strong>ধ</strong>-এর সমন্বয়ে গঠিত।</li>
<li>শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: ব + ন্ + ধ + অ + ন্ + অ।</li>
<li>তবে ব্যাকরণগত ও উচ্চারণগত বিন্যাসের সুবিধার্থে একে <strong>বন্ + ধন্</strong> হিসেবে দেখানো হয়, যেখানে প্রতিটি খণ্ড একটি পূর্ণ ধ্বনিগুচ্ছ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যুক্তবর্ণের সঠিক বিভাজনই এখানে মূল বিষয়। তাই সঠিক বিন্যাসটি হলো <strong>বন্ + ধন্</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে</strong>। অপাদান কারক চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, আরম্ভ বা দূরীভূত হওয়া বোঝানো।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ট্রেনটি স্টেশন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বা স্টেশন ত্যাগ করছে।</li>
<li>যখন কোনো স্থান থেকে কোনো কিছু বিচ্ছিন্ন হয় বা ছেড়ে চলে যায়, তখন সেই স্থানটি <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'স্টেশন' থেকে ট্রেনটি বিচ্যুত হচ্ছে, তাই এটি অপাদান কারকের একটি নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু থেকে কোনো কিছু 'আলাদা' হয়ে গেলেই তা অপাদান কারক!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বং থেকে বাংলা</strong>। রাজিয়া রহমান বাংলা সাহিত্যের একজন অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তাঁর লেখা এই উপন্যাসটি মূলত আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির বিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বং থেকে বাংলা</strong> উপন্যাসটি রাজিয়া রহমানের অন্যতম প্রধান সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>তিনি তাঁর লেখনীতে সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয়গুলোকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর এই উপন্যাসটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হিমালয়</strong>। এটি স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ, কারণ এখানে দুটি স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>হিম + আলয়</strong>।</li>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে আছে 'অ' (হিম্ + অ) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে 'আ'।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, অ + আ মিলে হয় 'আ'।</li>
<li>অর্থাৎ, $অ + আ = আ$।</li>
</ul>
<p>যেহেতু সন্ধিটি দুটি স্বরবর্ণের মিলনে তৈরি হয়েছে, তাই একে আমরা স্বরসন্ধি বলি।</p>
<p>মোজাম্মেল হক রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>জোহরা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>জোহরা</strong> উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি তৎকালীন মুসলিম সমাজের পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।</li>
<li>মোজাম্মেল হক মূলত তার এই উপন্যাসের মাধ্যমেই সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।</li>
</ul>
<p>‘অমরা’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>স্বর্গ</strong>। পৌরাণিক বা সাহিত্যিক ভাষায় দেবরাজ ইন্দ্রের আবাসস্থল বা স্বর্গপুরীকে বোঝাতে ‘অমরাবতী’ বা সংক্ষেপে ‘অমরা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অমরা</strong> মানে হলো অমরদের বা দেবতাদের থাকার জায়গা।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি স্বর্গ বা দেবলোককে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>‘বনস্পতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বন+পতি</strong>। এটি মূলত একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়মে বিসর্গ আসার কথা থাকলেও, এখানে নিপাতনে সিদ্ধ হওয়ার কারণে সরাসরি <strong>বন</strong> এবং <strong>পতি</strong> যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের বিশেষ কিছু নিয়ম বা ব্যতিক্রমী শব্দ মনে রাখার জন্য এই সন্ধিটি সরাসরি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সন্ধিটি ভাঙলে আমরা পাই: <strong>বন + পতি = বনস্পতি</strong>।</p>
২৬৩৬
‘বনৌষধি’ একটি সন্ধিবদ্ধ শব্দ। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
<p>‘বনৌষধি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বন + ওষধি</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি 'ও' বা 'ঔ' থাকে, তবে উভয় মিলে 'ঔ' কার হয়। এখানে বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দের শেষে আছে অ-কার (বন = বন্ + অ)</li>
<li>দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে ও-কার (ওষধি)</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী: অ + ও = ঔ</li>
<li>ফলে, বন + ওষধি মিলে হয়ে যায় বনৌষধি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলেই এমন সব শব্দের বিচ্ছেদ মুহূর্তেই করা সম্ভব।</p>
<p>‘বনস্পতি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বনঃ + পতি</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি 'প' থাকে, তবে অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>এখানে <strong>বনঃ</strong> এর বিসর্গটি সন্ধির সময় লোপ পায় না, বরং সেটি 'স' বা অন্য কোনো বর্ণে রূপান্তরিত না হয়ে সরাসরি যুক্ত হয়।</li>
<li>তাই, <strong>বনঃ + পতি = বনস্পতি</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ধরণের সন্ধিগুলো মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দটির গঠন খেয়াল করা। বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে এই বিশেষ ব্যতিক্রমগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তর করা যায়।</p>
<p>‘বনস্পতি’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বন + পতি</strong>। এটি মূলত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়মে বিসর্গ থাকার কথা থাকলেও, নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির ক্ষেত্রে ব্যাকরণের প্রচলিত নিয়ম খাটে না।</li>
<li>এখানে <strong>বন</strong> শব্দের সাথে <strong>পতি</strong> যুক্ত হয়ে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ‘বনস্পতি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই শব্দটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ, কারণ এটি সন্ধির সাধারণ নিয়মের বাইরে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বন + পতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, এটি মূলত একটি নিপাতনে সিদ্ধ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়মে বিসর্গ থাকার কথা থাকলেও, কিছু শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মানে না। এগুলোকে <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> সন্ধি বলা হয়।</li>
<li>'বনস্পতি' শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই <strong>বন + পতি</strong>।</li>
<li>এখানে 'বন' শব্দের সাথে 'পতি' যুক্ত হয়ে 'বনস্পতি' গঠিত হয়েছে, যেখানে মাঝখানে একটি 'স' আগম হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সরাসরি <strong>বন + পতি</strong> দাগিয়ে দিলেই হবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বন + ওষধি</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি ও-কার বা ঔ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে <strong>ঔ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'বন' শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে এবং তার সাথে 'ওষধি' শব্দের শুরুতে ও-কার যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $অ + ও = ঔ$ এই সূত্র মেনে 'বন' ও 'ওষধি' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>বনৌষধি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল শব্দগুলো ঠিক রাখা জরুরি, তাই 'ওষধি' শব্দটিই এখানে সঠিক গঠন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।