<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্ন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ বা শব্দভাণ্ডারে 'ওদন' শব্দটি মূলত ভাত বা অন্ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় 'ওদন' শব্দের অর্থই হলো সেদ্ধ চাল বা ভাত।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় ভাতের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'অন্ন' এবং 'ওদন' একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'ওদন' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি <strong>অন্ন</strong> বা ভাতের কথা বলছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বসুন্ধরা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘বসুন্ধরা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যা বসু বা ধন-সম্পদ ধারণ করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>পৃথিবী শব্দটি মূলত ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে বোঝায়, কারণ পৃথিবী তার বুকে অঢেল সম্পদ ও প্রাণ ধারণ করে রাখে।</li>
<li>সাহিত্যে বা ব্যাকরণে পৃথিবী বোঝাতে ‘বসুন্ধরা’, ‘মেদিনী’, ‘অবনী’ বা ‘ধরা’ শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘পৃথিবী’র সমার্থক শব্দ হিসেবে <strong>বসুন্ধরা</strong> দেখলেই চোখ বন্ধ করে দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘রবি’ শব্দটি সরাসরি সূর্যের একটি নাম বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>রবি</strong> মানেই হলো সূর্য বা দিনমণি।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে, যেমন: ‘শশী’ মানে চাঁদ, ‘পবন’ মানে বাতাস এবং ‘বসুধা’ মানে পৃথিবী।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সূর্য সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে ‘রবি’ বা এর সমজাতীয় শব্দগুলো (যেমন: ভানু, আদিত্য, দিনকর) বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ।</li>
<li>পুঁথিটি আবিষ্কারের পর তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এটি সম্পাদনা করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারক এবং প্রথম সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তটিনী</strong>। নদীকে কেন তটিনী বলা হয়, তা খুব সহজে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'তট' শব্দের অর্থ হলো নদীর কিনারা বা তীর।</li>
<li>যেহেতু নদীর দুই পাশে তট বা কিনারা থাকে, তাই নদীকে বলা হয় <strong>তটিনী</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, নদীর প্রবাহ বা গতিপথ সবসময় তট বা কিনারার মধ্য দিয়ে যায় বলেই এই নামকরণ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'নদী'র সমার্থক শব্দ হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>তটিনী</strong> বেছে নিতে পারেন। এটি নদীর একটি অত্যন্ত প্রচলিত এবং শুদ্ধ প্রতিশব্দ।</p>
<p>বাংলা নাটকের ইতিহাসে <strong>শর্মিষ্ঠা</strong> হলো প্রথম সার্থক বাংলা নাটক। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৫৯ সালে এটি রচনা করেন। এর আগে বাংলা নাটক থাকলেও সেগুলোতে নাট্যরীতির অভাব ছিল, কিন্তু মধুসূদন দত্তই প্রথম পাশ্চাত্য নাট্যরীতির অনুকরণে বাংলা নাটকে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসেন।</p>
<ul>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৫৯ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক হিসেবে স্বীকৃত, কারণ এতেই প্রথম সফলভাবে আধুনিক নাট্যশৈলী ও গঠনশৈলী ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘লেজে খেলানো’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বশীভূত করে রাখা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>কোনো প্রাণীকে যখন তার লেজ ধরে বা লেজের ইশারায় নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তখন সে আর নিজের ইচ্ছামতো চলতে পারে না।</li>
<li>ঠিক একইভাবে, কাউকে যখন নিজের নিয়ন্ত্রণে বা হাতের মুঠোয় রাখা হয়, তখন তাকেই বাগধারার ভাষায় বলা হয় ‘লেজে খেলানো’।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাউকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালনা করা বা বশে রাখাই হলো এই বাগধারাটির মূল ভাব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাতর</strong>। শব্দটির অর্থ ও ব্যবহারের দিক থেকে এটি সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'বিধুর' শব্দটি সাধারণত বিষণ্ণতা, ব্যাকুলতা বা কাতর অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথোপকথনে যখন কেউ কোনো বিচ্ছেদ বা কষ্টের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, তখন তাকে 'বিধুর' বা 'কাতর' বলা হয়।</li>
<li>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে 'কাতর' বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বললেন</strong>। কারণটা খুব সহজ, চলিত রীতিতে আমরা সাধারণত ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত ও সহজ রূপ ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ব্যবহারের সময় বিভক্তি বা প্রত্যয়গুলো ছোট হয়ে আসে।</li>
<li>'বলিলেন', 'বলিয়াছিলেন' বা 'বলাইয়াছিলেন'—এগুলো সাধু রীতির শব্দ, যা বেশ দীর্ঘ এবং গুরুগম্ভীর।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বললেন</strong> শব্দটি শ্রুতিমধুর এবং দৈনন্দিন কথাবার্তায় আমরা অনায়াসেই ব্যবহার করি, যা চলিত রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুরারিগুপ্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ চৈতন্যদেবের জীবনী ও সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে যারা কাজ করেছেন, তাদের মধ্যে মুরারিগুপ্ত অন্যতম প্রধান।</p>
<ul>
<li>মুরারিগুপ্ত ছিলেন চৈতন্যদেবের বাল্যবন্ধু এবং পরম ভক্ত।</li>
<li>তিনি সংস্কৃত ভাষায় <strong>'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত'</strong> নামক বিখ্যাত কড়চা বা জীবনীগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু তিনি চৈতন্যদেবের সমসাময়িক ছিলেন এবং সরাসরি তাঁর সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন, তাই তাঁকে চৈতন্য সমসাময়িক পদকর্তা বা জীবনীকার হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চৈতন্যদেবের জীবনের একেবারে কাছের মানুষ হিসেবে তাঁর সমসাময়িক সাহিত্যিক অবদানের জন্য মুরারিগুপ্তই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপরাম চক্রবর্তী</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম প্রধান কবি হলেন রূপরাম চক্রবর্তী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>ধর্মমঙ্গল কাব্য মূলত ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল।</li>
<li>রূপরাম চক্রবর্তী এই ধারার একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি, যার কাব্যে লৌকিক ও পৌরাণিক উপাদানের চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে।</li>
<li>সাহিত্যিক বিচারে তার রচিত <strong>‘ধর্মমঙ্গল’</strong> কাব্যটি এই ধারার অন্যতম প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সন-তারিখযুক্ত প্রাচীনতম ধর্মমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>রূপরাম চক্রবর্তী</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে তিনি পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবিদের মধ্যে রূপরাম চক্রবর্তীই প্রথম তার কাব্যে সুনির্দিষ্ট সন-তারিখ উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>তার রচিত কাব্যের পুঁথিতে প্রাপ্ত সময়কাল অনুযায়ী, এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম তারিখযুক্ত ধর্মমঙ্গল কাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>সাহিত্যিক গবেষণায় তার কাব্যের রচনাকাল ধরা হয় প্রায় <strong>১৬৫০ খ্রিস্টাব্দের</strong> কাছাকাছি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দৌলত উজির</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বাহরাম খান একজন বিখ্যাত কবি ছিলেন, যিনি তাঁর কাব্য প্রতিভার জন্য এই বিশেষ উপাধিটি পেয়েছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাহরাম খান মূলত চট্টগ্রামের শাসনকর্তা নিজাম শাহের দরবারের কবি ছিলেন।</li>
<li>তাঁর কাব্যিক দক্ষতার কারণে তিনি <strong>দৌলত উজির</strong> উপাধিতে ভূষিত হন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে তিনি মূলত 'লাইলী-মজনু' কাব্যের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাহরাম খান এবং দৌলত উজির একই ব্যক্তি, যেখানে দৌলত উজির তাঁর উপাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
২৫৯৫
'The rains have set in' বাক্যটির বাংলা অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ষা আরম্ব হয়েছে</strong>। কারণ ইংরেজি বাক্য 'The rains have set in' মূলত একটি বিশেষ বাগধারা বা ইডিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'The rains' বলতে এখানে নির্দিষ্ট কোনো বৃষ্টিপাত নয়, বরং ঋতু হিসেবে <strong>বর্ষাকালকে</strong> বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>'Set in' শব্দগুচ্ছটির অর্থ হলো কোনো কিছুর শুরু হওয়া বা স্থায়ীভাবে কোনো ঋতুর আগমন ঘটা।</li>
<li>তাই আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবার্থ অনুযায়ী 'বর্ষা আরম্ব হয়েছে' বা 'বর্ষা নেমেছে' বলাটাই সবচেয়ে যথাযথ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।