<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অব্যয়ীভাব</strong> সমাসে সবসময় পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।</li>
<li>এই সমাসে পূর্বপদে সাধারণত কোনো অব্যয় (যেমন: আ, উপ, প্রতি, যথা) যুক্ত থাকে এবং সেটিই পুরো পদের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের শুরুতে অব্যয় যোগ হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই মূল হয়ে দাঁড়ায়, তখনই সেটি <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>যেমন: 'উপকণ্ঠ' শব্দটিতে 'উপ' অব্যয়টি প্রধান, যা কণ্ঠের নিকটবর্তী হওয়াকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি দারুণ উদাহরণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘গায়ে-হলুদ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়— <strong>গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে</strong>।</li>
<li>এখানে ‘গায়ে’ বা ‘হলুদ’—কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে, পুরো শব্দটি দিয়ে একটি বিশেষ <strong>অনুষ্ঠানকে</strong> বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ বা বস্তুকে বোঝায়, তাকেই আমরা বহুব্রীহি সমাস বলি।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু এখানে হলুদ বা গায়ের চেয়ে ‘অনুষ্ঠান’ নামক নতুন অর্থটি প্রধান হয়ে উঠেছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>।</p>
<p>‘সিংহাসন’ শব্দটি <strong>কর্মধারয়</strong> সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ। এটি মূলত ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’—এই ব্যাসবাক্য থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘আসন’ হলো বিশেষ্য পদ এবং ‘সিংহ’ শব্দটি সেই আসনের একটি বিশেষ রূপ বা বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>‘সিংহাসন’ শব্দটিতে আসনটি কেমন? তা ‘সিংহ’ চিহ্নিত বা সিংহমূর্তিশোভিত—এই বৈশিষ্ট্যটিই এখানে প্রধান।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য ও বিশেষণের এই বিশেষ মিলনই একে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছে।</p>
<p>‘মনগড়া’ শব্দটির সঠিক সমাস হলো <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>। এটি মূলত ৩য়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। বিষয়টি খুব সহজে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>প্রথমে শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>মন দিয়ে গড়া</strong>।</li>
<li>এখানে ‘দিয়ে’ হলো একটি বিভক্তি চিহ্ন (৩য়া বিভক্তি)।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থের প্রাধান্য পায়, তাকেই তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ‘দিয়ে’ বিভক্তিটি লোপ পেয়ে ‘মনগড়া’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন কোনো শব্দকে ভাঙলে মাঝে ‘দিয়ে’, ‘কর্তৃক’ বা ‘দ্বারা’ জাতীয় বিভক্তি আসে, চোখ বন্ধ করে তাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>‘হাভাতে’ শব্দটি হলো <strong>বহুব্রীহি</strong> সমাস। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>‘হাভাতে’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়— <strong>হ (নাই) ভাত যার</strong>।</li>
<li>এখানে ‘হা’ বলতে অভাব বা নাই বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>লক্ষ্য করুন, এখানে ‘ভাত’ বা ‘হা’ কোনোটিই প্রধান নয়, বরং এই শব্দটি দিয়ে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে যার ভাতের অভাব আছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো অর্থ (অর্থাৎ অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি) প্রকাশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তখনই সেটি বহুব্রীহি হয়। ‘হাভাতে’ শব্দটির ক্ষেত্রেও ঠিক এই নিয়মটিই কাজ করছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কর্মধারয় সমাসে সাধারণত একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ হয়।</li>
<li>এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মধ্যে একটি গুণ বা বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক তৈরি হয়।</li>
<li>যেমন: 'নীল যে আকাশ = নীলাকাশ'। এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ এবং 'আকাশ' হলো বিশেষ্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং কোনো গুণের প্রকাশ পায়, তখনই সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>‘হাভাতে’ শব্দটির সঠিক সমাস হলো <strong>অভ্যয়ীভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির গঠন খেয়াল করি:</p>
<ul>
<li>‘হাভাতে’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>‘ভাতের অভাব’</strong>।</li>
<li>এখানে ‘হা’ উপসর্গটি ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দে ‘হা’ উপসর্গটি অভাব বা শূন্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>অভ্যয়ীভাব সমাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই ‘হা’ দিয়ে কোনো কিছুর অভাব বোঝাবে, সেখানেই অভ্যয়ীভাব সমাস হবে। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>অভ্যয়ীভাব</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ:</strong> 'অবোধ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'নাই বোধ যার'।</li>
<li><strong>মূল নিয়ম:</strong> যখন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে 'যার', 'যাহার' বা 'যিনি' থাকে এবং সমস্ত পদটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তখন সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।</li>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> এখানে 'অবোধ' বলতে এমন কাউকে বোঝানো হচ্ছে যার বোধ বা জ্ঞান নেই। অর্থাৎ, এখানে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য একটি অর্থ (অজ্ঞ ব্যক্তি) প্রকাশ পাচ্ছে, যা বহুব্রীহি সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে পূর্বপদে <strong>'অনু'</strong> উপসর্গটি থাকে এবং সেটি পশ্চাৎ বা সাদৃশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'অনুতাপ' শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় 'তাপের পশ্চাৎ' বা 'তাপের অনু'।</li>
<li>যেহেতু 'অনু' একটি অব্যয় বা উপসর্গ হিসেবে এখানে মূল ভূমিকা পালন করছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে 'অনু' থাকলে এবং সেটি কোনো কিছুর পেছনে বা পরে বোঝাতে ব্যবহৃত হলে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং সমস্ত পদটি দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকেই দ্বিগু সমাস বলে।</li>
<li>'তেপান্তর' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>তিন প্রান্তরের সমাহার</strong>।</li>
<li>এখানে 'তে' (তিন) সংখ্যাটি পূর্বপদ হিসেবে বসেছে এবং এটি তিনটি প্রান্তরের সমষ্টি বা সমাহার বোঝাচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দে সংখ্যার উল্লেখ থাকে এবং তা কোনো কিছুর সমষ্টি বোঝায়, চোখ বন্ধ করে সেটাকে দ্বিগু সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
২৫৬৩
সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষণের যে সমাস হয়, তাকে কি সমাস বলে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>যখনই কোনো সমাসে পূর্বপদটি <strong>সংখ্যাবাচক</strong> হয় এবং সমস্ত পদটি কোনো <strong>সমাহার বা মিলন</strong> বোঝায়, তখনই সেটি দ্বিগু সমাস।</li>
<li>সহজ কথায়, সংখ্যা + বিশেষ্য = দ্বিগু। যেমন: তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল, বা পঞ্চ বটের সমাহার = পঞ্চবটী।</li>
<li>এখানে সমাহার বা মিলনের ধারণাটিই এই সমাস চেনার প্রধান চাবিকাঠি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য থেকে।</p>
<p>যখন কোনো সমাসে উপমান বা উপমেয় পদের সাথে সাধারণ ধর্মের মিলন ঘটে অথবা রূপক অর্থে তুলনা বোঝায়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে:</p>
<ul>
<li><strong>হৃদয়</strong> হলো উপমেয় (যাকে তুলনা করা হচ্ছে) এবং <strong>মন্দির</strong> হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে)।</li>
<li>যেহেতু হৃদয়কে মন্দিরের সাথে অভিন্ন বা রূপক অর্থে কল্পনা করা হয়েছে, তাই এটি <strong>রূপক কর্মধারয় সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের ব্যাসবাক্যে <strong>'রূপ'</strong> শব্দটি চলে আসে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে কর্মধারয় সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যেখানে কৃদন্ত পদের (ক্রিয়াবাচক শব্দ) সাথে উপপদের সমাস হয়, তাকেই উপপদ তৎপুরুষ বলে।</li>
<li>'পকেটমার' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>পকেট মারে যে</strong>।</li>
<li>এখানে 'মার' শব্দটি একটি কৃদন্ত পদ (মার্ ধাতু থেকে এসেছে), আর 'পকেট' হলো উপপদ।</li>
<li>যেহেতু এখানে পকেট (উপপদ) এবং মার (কৃদন্ত পদ) মিলে সমাস হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যদি কোনো শব্দের শেষে 'মার', 'কর', 'দ', 'জ্ঞ'—এই জাতীয় কৃদন্ত পদ থাকে, তবে সেটি সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।