<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গো + অক্ষ = গবাক্ষ</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অধিকাংশ সন্ধি নির্দিষ্ট সূত্র মেনে চলে, কিন্তু কিছু সন্ধি কোনো নিয়মই মানে না। এগুলোকেই বলা হয় <strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গবাক্ষ</strong> শব্দটি কোনো সাধারণ সন্ধির নিয়মে পড়ে না, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি আসে, তাই এটি মুখস্থ রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: নরেন্দ্র, ভাবুক, বনৌষধি) স্বরসন্ধির সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে, তাই সেগুলো নিপাতনে সিদ্ধ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'অটবী' শব্দটি মূলত গভীর বন বা অরণ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'অটবী' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো জঙ্গল বা বনভূমি।</li>
<li>কবিতা বা গদ্যে যখন কোনো নিবিড় অরণ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়, তখন লেখক প্রায়ই 'অটবী' শব্দটি ব্যবহার করেন।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় 'অটবী' দেখলেই চোখ বন্ধ করে 'বন' বা 'অরণ্য' অপশনটি বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>‘রেখাচিত্র’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী <strong>আবুল ফজলের</strong> লেখা একটি বিখ্যাত আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।</li>
<li>এই বইটিতে তিনি তাঁর জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক আবুল ফজলের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘চৌচির’, ‘রাঙা প্রভাত’ এবং ‘মানবতন্ত্র’ অন্যতম।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: <strong>রেখাচিত্র = আবুল ফজল</strong>। এই ছোট সূত্রটি মনে রাখলেই যেকোনো পরীক্ষায় খুব সহজে উত্তরটি দাগিয়ে আসতে পারবেন।</p>
<p>'শিক্ষা ও সভ্যতা' প্রবন্ধ বা গ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>অতুলচন্দ্র গুপ্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অতুলচন্দ্র গুপ্ত মূলত তাঁর মননশীল ও যুক্তিনির্ভর রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>'শিক্ষা ও সভ্যতা' তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি প্রবন্ধ, যেখানে তিনি শিক্ষা ও সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে নামের সাথে বইটির শিরোনাম মিলিয়ে একটি ছোট বাক্য তৈরি করে নিতে পারেন, যেমন: <strong>"অতুলনীয় শিক্ষার নামই সভ্যতা"</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি মাথায় চলে আসবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বেচ্ছাচারী</strong>। এই বাগধারাটির পেছনের গল্পটা বেশ মজার, তাই মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>"গোকুলের ষাঁড়" বলতে এমন কাউকে বোঝায় যে কারো কোনো শাসন বা বাধা মানে না।</li>
<li>যেহেতু ষাঁড়টি কারো নিয়ন্ত্রণে থাকে না এবং নিজের ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ায়, তাই এর অর্থ দাঁড়ায় <strong>স্বেচ্ছাচারী</strong> বা যে নিজের ইচ্ছেমতো চলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি বা প্রাণী কারো তোয়াক্কা না করে নিজের মর্জিমাফিক কাজ করে, তাকেই আমরা গোকুলের ষাঁড় বলে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বদ</strong>। এটি একটি ফারসি বা বিদেশী উপসর্গ। বাংলা ব্যাকরণে কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ রয়েছে যা বিদেশী ভাষা থেকে সরাসরি আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বদ</strong> উপসর্গটি সাধারণত খারাপ বা মন্দ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: বদমেজাজ, বদনাম, বদহজম।</li>
<li>যেহেতু 'বদ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত, তাই একে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অনেক উপসর্গের মতো এটি শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো তাঁর অসাধারণ কাব্যশৈলী এবং ভাষার ওপর চমৎকার দখল।</p>
<ul>
<li><strong>অন্নদামঙ্গল কাব্য:</strong> তাঁর লেখা 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
<li><strong>শব্দশৈলী:</strong> তিনি সংস্কৃত ও ফারসি শব্দের এক অপূর্ব মিশ্রণ ঘটিয়ে বাংলা কবিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>উপাধি:</strong> তাঁর কাব্যপ্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ তৎকালীন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে <strong>'রায়গুণাকর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের শেষভাগে এসে তিনি বাংলা কবিতায় যে পরিশীলিত রূপ ও ছন্দময়তা নিয়ে এসেছিলেন, তা আর কোনো কবির মধ্যে সেভাবে দেখা যায়নি। তাই সাহিত্য সমালোচকদের কাছে তিনি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্য।</li>
<li>দীর্ঘদিন এটি অজ্ঞাত ছিল, তবে ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পুঁথির ভণিতায় কবির নাম পাওয়া যায় <strong>'বড়ু চণ্ডীদাস'</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মানেই বড়ু চণ্ডীদাসের অমর সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজবুলি</strong> মূলত কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা।</li>
<li>মৈথিলি কবি <strong>বিদ্যাপতি</strong> এই ভাষায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে অসংখ্য পদ রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তার এই পদগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, পরবর্তীকালে বাংলা ও আসামের অনেক কবিও ব্রজবুলি ভাষায় সাহিত্য চর্চায় অনুপ্রাণিত হন।</li>
</ul>
<p>তাই ব্রজবুলি ভাষার জনক বা প্রধান কবি হিসেবে বিদ্যাপতির নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বজ্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা পৌরাণিক কাহিনীতে দেবরাজ ইন্দ্রের প্রধান অস্ত্র হিসেবে 'কুলিশ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো বজ্র বা অশনি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কুলিশ</strong> এবং <strong>বজ্র</strong>—এই দুটি শব্দই মূলত ইন্দ্রের অস্ত্রের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই 'কুলিশ' শব্দটি দেখবেন, সরাসরি বজ্র বা বিদ্যুৎ চমকানোর সাথে সম্পর্কিত শব্দটিকে বেছে নেবেন।</li>
</ul>
<p>‘বজ্জাত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বদ + জাত</strong>। এটি মূলত একটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। এখানে বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলায় অনেক সময় সন্ধি হওয়ার সময় শব্দের ধ্বনিতে পরিবর্তন আসে।</li>
<li>এখানে 'দ' (d) ধ্বনিটি পরবর্তী 'জ' (j) ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'জ'-এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, নিয়মটি হলো: <strong>বদ + জাত = বজ্জাত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'বদ' উপসর্গটি যখন 'জাত' শব্দের সাথে যুক্ত হয়, তখন উচ্চারণের সুবিধার জন্য 'দ' ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়ে 'জ্জ' রূপ ধারণ করে। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল শব্দ দুটি আলাদা করলে আমরা পাই <strong>বদ + জাত</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়া বা ধাতুর মূল অংশের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকেই <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকলে সেটিই কৃৎ প্রত্যয়। যেমন: 'চল্' (ধাতু) + 'অন্ত' = 'চলন্ত'। এখানে 'চলন্ত' শব্দটি একটি ক্রিয়াবাচক শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>তাই যখনই কোনো শব্দে ক্রিয়া বা ধাতুর উপস্থিতি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>‘উক্তি’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বচ + তি</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি ব্যাকরণিক নিয়ম মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>বচ</strong> হলো ধাতু বা প্রকৃতি, যা মূলত ‘বলা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর সাথে <strong>তি</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘উক্তি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বচ ধাতুর সাথে তি প্রত্যয় যুক্ত হলে ব-এর স্থলে <strong>উ</strong> কার এবং চ-এর স্থলে <strong>ক্ত</strong> যুক্ত হয়ে শব্দটি ‘উক্তি’ রূপ ধারণ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বচ ধাতুর সাথে তি প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা ‘উক্তি’ শব্দটি পাই। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>বচ + তি</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।