eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৬৫৬

'বক্তব্য ' এর প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বচ + তব্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বচ + তব্য</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি ব্যাকরণিক নিয়ম মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বচ' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'চ' পরিবর্তিত হয়ে 'ক্ত' রূপ ধারণ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, বচ + তব্য মিলে তৈরি হয় <strong>বক্তব্য</strong>।</li>
<li>এখানে 'বচ' হলো মূল ধাতু যার অর্থ হলো 'বলা', আর 'তব্য' প্রত্যয়টি সাধারণত কোনো কিছু করার যোগ্য বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'বচ' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যোগ করলেই শব্দটি গঠিত হয়, তাই অন্য কোনো অপশন এখানে খাটে না।</p>
২৬৫৭

উক্তি এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বচ্ + ক্তি
ব্যাখ্যা:
<p><strong>উক্তি</strong> শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বচ্ + ক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'বচ্' ধাতু থেকে 'উক্তি' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে 'বচ্' ধাতুর সাথে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বচ্ + ক্তি' রূপ নেয়।</li>
<li>সন্ধি বা পরিবর্তনের নিয়মে 'বচ্' ধাতুর 'ব' পরিবর্তিত হয়ে 'উ' কারে রূপান্তর ঘটে, ফলে শব্দটি দাঁড়ায় <strong>উক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো <strong>বচ্</strong> এবং এর সাথে যুক্ত প্রত্যয়টি হলো <strong>ক্তি</strong>। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বচ্ + ক্তি</strong>।</p>
২৬৫৮

ভীম সেনের 'গোর্খবিজয়' কাব্যটি সম্পাদনা করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. পঞ্চানন মণ্ডল
ব্যাখ্যা:
<p>ভীম সেনের 'গোর্খবিজয়' কাব্যটি সম্পাদনা করেছেন <strong>ড. পঞ্চানন মণ্ডল</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এই গুরুত্বপূর্ণ নাথধর্মীয় কাব্যটি উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>গোর্খবিজয়</strong> কাব্যটি মূলত নাথ সাহিত্যের একটি বিশেষ নিদর্শন।</li>
<li>ড. পঞ্চানন মণ্ডল দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে এই পাণ্ডুলিপিটি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বড় কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
২৬৫৯

কোনটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভঙ্গ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গভঙ্গ</strong>। তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য খেয়াল করা।</p>

<ul>
<li>তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি লোপ পায়।</li>
<li><strong>বঙ্গভঙ্গ</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>বঙ্গকে ভঙ্গ</strong>।</li>
<li>এখানে 'কে' হলো দ্বিতীয় বিভক্তি। যেহেতু ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদে তা লোপ পেয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে সমাসে বিভক্তি লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেটিই তৎপুরুষ। এখানে 'বঙ্গ' এবং 'ভঙ্গ' মিলে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাকে বোঝাচ্ছে, যেখানে পরপদ 'ভঙ্গ' বা ভাঙার বিষয়টিই প্রধান।</p>
২৬৬০

‘নারী’ বা ‘মহিলা’ র সমার্থক শব্দ হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অঙ্গনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অঙ্গনা</strong>। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের গঠন এবং অর্থ বুঝে নেওয়া সবচেয়ে সহজ উপায়।</p>

<ul>
<li>'অঙ্গনা' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো সুন্দরী নারী বা স্ত্রীলোক।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় নারীদের সম্বোধন করতে প্রায়ই 'অঙ্গনা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: অঞ্জনা বা কঙ্কণা) শুনতে কাছাকাছি মনে হলেও এগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নারী বা মহিলার কাব্যিক ও শুদ্ধ সমার্থক শব্দ হিসেবে <strong>অঙ্গনা</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২৬৬১

কার মৃত্যুশয্যায় রবীন্দ্রনাথ তার স্যার উপাধি ত্যাগ করা প্রবাদলিপিটি পাঠ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং প্রিয় একজন বন্ধু ও চিন্তাবিদ।</li>
<li>১৯১৯ সালে যখন রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তখন রবীন্দ্রনাথ তার কাছে গিয়ে একটি বিশেষ লেখা পাঠ করেছিলেন।</li>
<li>সেই লেখাটিই ছিল ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া <strong>'স্যার' (Knight)</strong> উপাধি ত্যাগের সেই বিখ্যাত প্রতিবাদলিপি।</li>
</ul>

<p>মূলত বন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ এই কাজটি করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।</p>
২৬৬২

'ঈশ্বরগুপ্তের কাব্য চালের কাঁটায়, রান্না ঘরের ধূঁয়ায়, নাটুরে মাঝির ধ্বজির ঠেলায়... পাঠার মজ্জায়' উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত <strong>'ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত'</strong> বিষয়ক প্রবন্ধে ঈশ্বরগুপ্তের কাব্যশৈলী ও তাঁর রচনার বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই চমৎকার মন্তব্যটি করেছিলেন। তিনি ঈশ্বরগুপ্তের কবিতার গ্রাম্য ও লৌকিক বিষয়বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করেই মূলত এই উক্তিটি ব্যবহার করেছিলেন।</p>

<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রসঙ্গ:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও তাঁর কাব্যরীতির সমালোচনা।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং সমালোচক, তাই ঈশ্বরগুপ্তের মতো কবিদের নিয়ে এমন তীক্ষ্ণ ও রসাত্মক মন্তব্য তাঁর লেখনীতেই মানানসই।</li>
</ul>
২৬৬৩

কোন খ্যাতিমান লেখক যুগ সন্ধিক্ষনের কবি হিসেবে পরিচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয় কারণ তার লেখায় মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর চমৎকার এক মেলবন্ধন পাওয়া যায়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মধ্যযুগীয় ধারা:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় প্রাচীন ধারার ছড়া ও শ্লেষের প্রভাব ছিল।</li>
<li><strong>আধুনিকতার ছোঁয়া:</strong> তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি সমসাময়িক সমাজ, রাজনীতি এবং দেশাত্মবোধ নিয়ে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখালেখি শুরু করেন।</li>
<li><strong>সন্ধিক্ষণ:</strong> এই দুই ধারার সেতুবন্ধন তৈরি করার কারণেই তাকে সাহিত্যের এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
২৬৬৪

বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের ধারায় বঙ্কিমচন্দ্রই প্রথম লেখক যিনি পাশ্চাত্য উপন্যাসের গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রণ এবং কাহিনি বিন্যাসের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li>তার রচিত <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর আগে উপন্যাস জাতীয় রচনার চেষ্টা হলেও, শিল্পগুণ এবং উপন্যাসের আধুনিক সংজ্ঞার বিচারে বঙ্কিমচন্দ্রই ছিলেন পথিকৃৎ।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিক উপন্যাসের জনক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামই সবার আগে আসে।</p>
২৬৬৫

বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় কাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে</strong>। এর কারণ হলো বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম সার্থক ও আধুনিক উপন্যাসের ধারা প্রবর্তন করেন।</p>

<ul>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত তার লেখা <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের হাত ধরেই বাংলা উপন্যাসের গঠন, চরিত্র চিত্রণ এবং ভাষার শৈল্পিক রূপ পূর্ণতা পায়।</li>
<li>তার এই যুগান্তকারী কাজের জন্যই তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক বা রূপকার বলা হয়।</li>
</ul>
২৬৬৬

‘আকাঠ’-এর ‘আ’ কোন অর্থ প্রকাশক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মন্দ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘আ’ উপসর্গটি অনেক সময় নেতিবাচক বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>‘আকাঠ’ শব্দটি দিয়ে মূলত এমন কাঠকে বোঝানো হয় যা ভালো নয় বা ব্যবহারের অনুপযোগী, অর্থাৎ ‘মন্দ কাঠ’।</li>
<li>ঠিক একইভাবে, ‘আঘাটা’ (মন্দ ঘাট) বা ‘আকাল’ (মন্দ সময়)-এর ক্ষেত্রেও ‘আ’ উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই ‘আকাঠ’ শব্দে ‘আ’ উপসর্গটি এখানে <strong>মন্দ</strong> অর্থ প্রকাশ করছে।</p>
২৬৬৭

‘আড়চোখে’ শব্দে ‘আড়’ উপসর্গটি কি অর্থ প্রকাশ করছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্র
ব্যাখ্যা:
<p>‘আড়চোখে’ শব্দটিতে ‘আড়’ উপসর্গটি <strong>বক্র</strong> বা বাঁকা অর্থ প্রকাশ করছে। সহজভাবে বললে, যখন আমরা সোজাভাবে না তাকিয়ে বাঁকা দৃষ্টিতে বা আড়াআড়িভাবে তাকাই, তখনই ‘আড়চোখে’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>

<ul>
<li>এখানে ‘আড়’ বলতে কোনো কিছুর সোজা বা স্বাভাবিক অবস্থানের বিপরীতে <strong>বক্রতা</strong> বা বাঁকা ভাবকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘আড়’ উপসর্গটি অনেক সময় আড়াআড়ি বা বাঁকা অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন: আড়চোখ, আড়মোড়া বা আড়কাঠ।</li>
</ul>

<p>তাই, এই শব্দে ‘আড়’ উপসর্গটি সরাসরি <strong>বক্র</strong> অর্থটিই বহন করছে।</p>
২৬৬৮

বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয় না?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্তার মেজাজকে স্পষ্ট করতে
২৬৬৯

সারাংশ লিখতে গেলে কোন বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য বিষয় বুঝতে হবে
ব্যাখ্যা:
<p>সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বড় রচনার মূল ভাবটিকে সংক্ষেপে ফুটিয়ে তোলা। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্তব্য বিষয় বুঝতে হবে</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সারাংশ মানেই হলো মূল কথাটি খুঁজে বের করা। আপনি যদি মূল বক্তব্য বা মূল বিষয়টিই না বোঝেন, তবে তা সংক্ষেপ করা অসম্ভব।</li>
<li>পুরো রচনার সারমর্ম ধরতে পারলে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল ভাবটি নিজের ভাষায় গুছিয়ে লেখা সহজ হয়।</li>
<li>সারাংশ কখনোই বড় বা বিস্তারিত হয় না, তাই মূল বিষয়টি মাথায় থাকলে অল্প কথায় সঠিক বার্তাটি পৌঁছে দেওয়া যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু সংক্ষেপ করার আগে তার মূল সুর বা বক্তব্যটি পরিষ্কারভাবে বোঝা সবচেয়ে জরুরি।</p>
২৬৭০

'যা বলা হবে' এর বাক্য সংকোচন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য
ব্যাখ্যা:
<p>‘যা বলা হবে’ এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো <strong>বক্তব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো কিছু ভবিষ্যতে বলার পরিকল্পনা থাকে বা যা বলার যোগ্য, তাকেই এক কথায় <strong>বক্তব্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, বক্তার মুখ থেকে যা বের হবে বা যা বলার বিষয়বস্তু, সেটাই হলো বক্তব্য।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে দ্বিধা না করে সরাসরি <strong>বক্তব্য</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।