<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বচ + তব্য</strong>। এটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি ব্যাকরণিক নিয়ম মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'বচ' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'চ' পরিবর্তিত হয়ে 'ক্ত' রূপ ধারণ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, বচ + তব্য মিলে তৈরি হয় <strong>বক্তব্য</strong>।</li>
<li>এখানে 'বচ' হলো মূল ধাতু যার অর্থ হলো 'বলা', আর 'তব্য' প্রত্যয়টি সাধারণত কোনো কিছু করার যোগ্য বা উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'বচ' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যোগ করলেই শব্দটি গঠিত হয়, তাই অন্য কোনো অপশন এখানে খাটে না।</p>
<p><strong>উক্তি</strong> শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বচ্ + ক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'বচ্' ধাতু থেকে 'উক্তি' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে 'বচ্' ধাতুর সাথে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'বচ্ + ক্তি' রূপ নেয়।</li>
<li>সন্ধি বা পরিবর্তনের নিয়মে 'বচ্' ধাতুর 'ব' পরিবর্তিত হয়ে 'উ' কারে রূপান্তর ঘটে, ফলে শব্দটি দাঁড়ায় <strong>উক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল ধাতু বা প্রকৃতি হলো <strong>বচ্</strong> এবং এর সাথে যুক্ত প্রত্যয়টি হলো <strong>ক্তি</strong>। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>বচ্ + ক্তি</strong>।</p>
<p>ভীম সেনের 'গোর্খবিজয়' কাব্যটি সম্পাদনা করেছেন <strong>ড. পঞ্চানন মণ্ডল</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এই গুরুত্বপূর্ণ নাথধর্মীয় কাব্যটি উদ্ধারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>গোর্খবিজয়</strong> কাব্যটি মূলত নাথ সাহিত্যের একটি বিশেষ নিদর্শন।</li>
<li>ড. পঞ্চানন মণ্ডল দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে এই পাণ্ডুলিপিটি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বড় কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গভঙ্গ</strong>। তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি লোপ পায়।</li>
<li><strong>বঙ্গভঙ্গ</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>বঙ্গকে ভঙ্গ</strong>।</li>
<li>এখানে 'কে' হলো দ্বিতীয় বিভক্তি। যেহেতু ব্যাসবাক্য করার সময় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং সমাসবদ্ধ পদে তা লোপ পেয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সমাসে বিভক্তি লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেটিই তৎপুরুষ। এখানে 'বঙ্গ' এবং 'ভঙ্গ' মিলে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাকে বোঝাচ্ছে, যেখানে পরপদ 'ভঙ্গ' বা ভাঙার বিষয়টিই প্রধান।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অঙ্গনা</strong>। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের গঠন এবং অর্থ বুঝে নেওয়া সবচেয়ে সহজ উপায়।</p>
<ul>
<li>'অঙ্গনা' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো সুন্দরী নারী বা স্ত্রীলোক।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় নারীদের সম্বোধন করতে প্রায়ই 'অঙ্গনা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: অঞ্জনা বা কঙ্কণা) শুনতে কাছাকাছি মনে হলেও এগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নারী বা মহিলার কাব্যিক ও শুদ্ধ সমার্থক শব্দ হিসেবে <strong>অঙ্গনা</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২৬৬১
কার মৃত্যুশয্যায় রবীন্দ্রনাথ তার স্যার উপাধি ত্যাগ করা প্রবাদলিপিটি পাঠ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং প্রিয় একজন বন্ধু ও চিন্তাবিদ।</li>
<li>১৯১৯ সালে যখন রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী মৃত্যুশয্যায় ছিলেন, তখন রবীন্দ্রনাথ তার কাছে গিয়ে একটি বিশেষ লেখা পাঠ করেছিলেন।</li>
<li>সেই লেখাটিই ছিল ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া <strong>'স্যার' (Knight)</strong> উপাধি ত্যাগের সেই বিখ্যাত প্রতিবাদলিপি।</li>
</ul>
<p>মূলত বন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ এই কাজটি করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত <strong>'ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত'</strong> বিষয়ক প্রবন্ধে ঈশ্বরগুপ্তের কাব্যশৈলী ও তাঁর রচনার বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই চমৎকার মন্তব্যটি করেছিলেন। তিনি ঈশ্বরগুপ্তের কবিতার গ্রাম্য ও লৌকিক বিষয়বস্তুর প্রতি ইঙ্গিত করেই মূলত এই উক্তিটি ব্যবহার করেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রসঙ্গ:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনচরিত ও তাঁর কাব্যরীতির সমালোচনা।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং সমালোচক, তাই ঈশ্বরগুপ্তের মতো কবিদের নিয়ে এমন তীক্ষ্ণ ও রসাত্মক মন্তব্য তাঁর লেখনীতেই মানানসই।</li>
</ul>
২৬৬৩
কোন খ্যাতিমান লেখক যুগ সন্ধিক্ষনের কবি হিসেবে পরিচিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয় কারণ তার লেখায় মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর চমৎকার এক মেলবন্ধন পাওয়া যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মধ্যযুগীয় ধারা:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় প্রাচীন ধারার ছড়া ও শ্লেষের প্রভাব ছিল।</li>
<li><strong>আধুনিকতার ছোঁয়া:</strong> তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি সমসাময়িক সমাজ, রাজনীতি এবং দেশাত্মবোধ নিয়ে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখালেখি শুরু করেন।</li>
<li><strong>সন্ধিক্ষণ:</strong> এই দুই ধারার সেতুবন্ধন তৈরি করার কারণেই তাকে সাহিত্যের এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
২৬৬৪
বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা কে?
<p>বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচয়িতা হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপন্যাসের ধারায় বঙ্কিমচন্দ্রই প্রথম লেখক যিনি পাশ্চাত্য উপন্যাসের গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রণ এবং কাহিনি বিন্যাসের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li>তার রচিত <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর আগে উপন্যাস জাতীয় রচনার চেষ্টা হলেও, শিল্পগুণ এবং উপন্যাসের আধুনিক সংজ্ঞার বিচারে বঙ্কিমচন্দ্রই ছিলেন পথিকৃৎ।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিক উপন্যাসের জনক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে</strong>। এর কারণ হলো বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম সার্থক ও আধুনিক উপন্যাসের ধারা প্রবর্তন করেন।</p>
<ul>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত তার লেখা <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের হাত ধরেই বাংলা উপন্যাসের গঠন, চরিত্র চিত্রণ এবং ভাষার শৈল্পিক রূপ পূর্ণতা পায়।</li>
<li>তার এই যুগান্তকারী কাজের জন্যই তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক বা রূপকার বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘আ’ উপসর্গটি অনেক সময় নেতিবাচক বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>‘আকাঠ’ শব্দটি দিয়ে মূলত এমন কাঠকে বোঝানো হয় যা ভালো নয় বা ব্যবহারের অনুপযোগী, অর্থাৎ ‘মন্দ কাঠ’।</li>
<li>ঠিক একইভাবে, ‘আঘাটা’ (মন্দ ঘাট) বা ‘আকাল’ (মন্দ সময়)-এর ক্ষেত্রেও ‘আ’ উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই ‘আকাঠ’ শব্দে ‘আ’ উপসর্গটি এখানে <strong>মন্দ</strong> অর্থ প্রকাশ করছে।</p>
<p>‘আড়চোখে’ শব্দটিতে ‘আড়’ উপসর্গটি <strong>বক্র</strong> বা বাঁকা অর্থ প্রকাশ করছে। সহজভাবে বললে, যখন আমরা সোজাভাবে না তাকিয়ে বাঁকা দৃষ্টিতে বা আড়াআড়িভাবে তাকাই, তখনই ‘আড়চোখে’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে ‘আড়’ বলতে কোনো কিছুর সোজা বা স্বাভাবিক অবস্থানের বিপরীতে <strong>বক্রতা</strong> বা বাঁকা ভাবকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘আড়’ উপসর্গটি অনেক সময় আড়াআড়ি বা বাঁকা অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন: আড়চোখ, আড়মোড়া বা আড়কাঠ।</li>
</ul>
<p>তাই, এই শব্দে ‘আড়’ উপসর্গটি সরাসরি <strong>বক্র</strong> অর্থটিই বহন করছে।</p>
<p>সারাংশ লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বড় রচনার মূল ভাবটিকে সংক্ষেপে ফুটিয়ে তোলা। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্তব্য বিষয় বুঝতে হবে</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সারাংশ মানেই হলো মূল কথাটি খুঁজে বের করা। আপনি যদি মূল বক্তব্য বা মূল বিষয়টিই না বোঝেন, তবে তা সংক্ষেপ করা অসম্ভব।</li>
<li>পুরো রচনার সারমর্ম ধরতে পারলে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল ভাবটি নিজের ভাষায় গুছিয়ে লেখা সহজ হয়।</li>
<li>সারাংশ কখনোই বড় বা বিস্তারিত হয় না, তাই মূল বিষয়টি মাথায় থাকলে অল্প কথায় সঠিক বার্তাটি পৌঁছে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু সংক্ষেপ করার আগে তার মূল সুর বা বক্তব্যটি পরিষ্কারভাবে বোঝা সবচেয়ে জরুরি।</p>
<p>‘যা বলা হবে’ এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো <strong>বক্তব্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কিছু ভবিষ্যতে বলার পরিকল্পনা থাকে বা যা বলার যোগ্য, তাকেই এক কথায় <strong>বক্তব্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, বক্তার মুখ থেকে যা বের হবে বা যা বলার বিষয়বস্তু, সেটাই হলো বক্তব্য।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে দ্বিধা না করে সরাসরি <strong>বক্তব্য</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।