<p>বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস রচনার প্রথম প্রয়াস হিসেবে <strong>কলকাতা কমলালয়</strong>-কে গণ্য করা হয়। এটি ১৮২৩ সালে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন। যদিও এটি পুরোপুরি আধুনিক উপন্যাসের কাঠামো মেনে লেখা হয়নি, তবুও বাংলা গদ্য সাহিত্যে সমাজচিত্র ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম সার্থক ও সচেতন প্রচেষ্টা।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮২৩ সাল।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> তৎকালীন কলকাতার সমাজ ও নাগরিক জীবনের বাস্তব চিত্র এতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা পরবর্তীকালে বাংলা উপন্যাসের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে।</li>
</ul>
<p>বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ হিসেবে <strong>ফুলমণি ও করুণার বিবরণ</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৫২ সালে হানা ক্যাথারিন ম্যালেন্স এই বইটি রচনা করেন।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে প্রচলিত সাধু ভাষার জটিলতার বদলে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি সহজ-সরল ভাষায় এটি লেখা হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা গদ্য সাহিত্যে কথ্য ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে পাঠ্য বিষয়কে অনেক বেশি সহজবোধ্য করে তুলেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার কৃত্রিমতা ভেঙে মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের ভাষার প্রয়োগ শুরু হওয়ার কারণেই এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য মর্যাদা পেয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুলবাবু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে 'ফুল' শব্দটি একটি ইংরেজি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>ইংরেজি 'Full' (ফুল) শব্দটি বাংলায় উপসর্গ হিসেবে যুক্ত হয়ে 'পূর্ণ' বা 'পুরো' অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>যেমন: 'ফুলবাবু' বলতে বোঝায় যে বাবু পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে বাবুয়ানা ভাব বজায় রাখেন।</li>
<li>বাংলা ভাষায় বিদেশি উপসর্গের ব্যবহারে এমন অনেক শব্দ আমরা নিয়মিত ব্যবহার করি, যা মূল ইংরেজি শব্দের অর্থ থেকেই এসেছে।</li>
</ul>
২৬৮৯
যে নারী জীবনে একটিমাত্র সন্তান প্রসব করেছে তাকে কি বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাকবন্ধ্যা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার অনুযায়ী, যে নারী জীবনে মাত্র একটি সন্তান জন্ম দিয়েছেন, তাকে এক কথায় <strong>কাকবন্ধ্যা</strong> বলা হয়।</li>
<li>শব্দটি মনে রাখার একটি মজার কৌশল হলো—কাক সাধারণত খুব কম ডিম পাড়ে বা তাদের বংশবৃদ্ধির হার সীমিত, এই ধারণা থেকেই মূলত 'কাকবন্ধ্যা' শব্দটি এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের পারিভাষিক শব্দগুলো সরাসরি মনে রাখলে সময় বাঁচে এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে:</p>
<ul>
<li>মৌলিক শব্দ হলো সেই শব্দ, যাকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না।</li>
<li><strong>গায়ক</strong> শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>গৈ + অক</strong>। এটি একটি সাধিত শব্দ, কারণ এর মধ্যে প্রত্যয় যুক্ত আছে।</li>
<li>অন্যদিকে, গোলাপ, হাত এবং ফুল—এই শব্দগুলোকে ভাঙলে এমন কোনো অংশ পাওয়া যায় না যার আলাদা অর্থ আছে। তাই এগুলো মৌলিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের সাথে কোনো প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত থাকে না, সেটিই মৌলিক শব্দ। যেহেতু <strong>গায়ক</strong> শব্দে প্রত্যয় যুক্ত আছে, তাই এটি মৌলিক শব্দ নয়।</p>
<p>'বসুমতী' শব্দটির সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>ধরিত্রী</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'বসু' শব্দের অর্থ হলো সম্পদ বা রত্ন। পৃথিবী তার গর্ভে অঢেল সম্পদ ধারণ করে বলে একে 'বসুমতী' বলা হয়।</li>
<li>'ধরিত্রী' শব্দটিও এসেছে 'ধরা' বা ধারণ করা থেকে, যা পৃথিবীর অপর একটি নাম।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: গিরি বা নগ) পাহাড় বা পর্বতকে বোঝায়, তাই সেগুলো এখানে সঠিক নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পৃথিবী বা ভূমিকে বোঝাতে আমরা 'বসুমতী' এবং 'ধরিত্রী' শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুড কনফারেন্স</strong>। এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক বা রম্য রচনা।</p>
<p>কেন এটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এই রচনায় লেখক তৎকালীন সমাজের খাদ্য সংকট এবং রাজনৈতিক নেতাদের ভণ্ডামিকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও হাস্যরসাত্মকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের মূল চরিত্র এবং ঘটনার আড়ালে লেখক সমাজের অসংগতি ও দুর্নীতিকে বিদ্রূপ করেছেন, যা রম্য সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সহজ ভাষায় বলতে গেলে, লেখক এখানে হাসির ছলে সমাজের কঠিন বাস্তবতাকে আয়নার মতো পরিষ্কার করে দেখিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জুলিয়াস নায়ারে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সাউথ-সাউথ সহযোগিতার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন একজন অগ্রগামী নেতা।</p>
<ul>
<li><strong>সাউথ কমিশন</strong> মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত হয়েছিল।</li>
<li>তানজানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট <strong>জুলিয়াস নায়ারে</strong> ১৯৮৭ সালে এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।</li>
<li>তার নেতৃত্বে এই কমিশন উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশমালা তৈরি করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উন্নয়নশীল বিশ্বের কণ্ঠস্বর হিসেবে জুলিয়াস নায়ারের নামই সাউথ কমিশনের সাথে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে আছে।</p>
<p>বায়োমিট্রিক ভিসা বলতে মূলত এমন এক ধরনের ভিসা পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে আবেদনকারীর শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যাচাই করা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফিঙ্গার প্রিন্ট সংযোজিত ভিসা</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li>বায়োমিট্রিক প্রযুক্তির সবচেয়ে সাধারণ এবং বহুল ব্যবহৃত রূপ হলো আঙুলের ছাপ বা <strong>ফিঙ্গার প্রিন্ট</strong>।</li>
<li>ভিসা প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তার খাতিরে আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি জালিয়াতি রোধে এবং সঠিক ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে অত্যন্ত কার্যকর একটি প্রযুক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো ভিসার সাথে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আঙুলের ছাপ বা অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য যুক্ত থাকে, তাকেই বায়োমিট্রিক ভিসা বলা হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের ভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ। এর মধ্যে ফার্সি ভাষা থেকে সবচেয়ে বেশি শব্দ আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় মিশে গেছে। বিষয়টিকে সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলায় আগত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে <strong>ফার্সি</strong> শব্দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক শব্দ, যেমন—চশমা, দোকান, কারখানা, তারিখ, বাজি, এবং জবানবন্দি—সবই ফার্সি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলা শব্দভাণ্ডারে ফার্সি শব্দের প্রভাব আরবি বা অন্য যেকোনো বিদেশি ভাষার তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ফার্সি থেকে</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের প্রশাসনিক ও দৈনন্দিন জীবনের অনেক শব্দই সরাসরি ফার্সি থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
<p>‘বেটাইম’ শব্দটি মূলত দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের মিলনে তৈরি হয়েছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি ও ইংরেজি শব্দে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>বে-</strong> অংশটি একটি ফারসি উপসর্গ, যার অর্থ হলো ‘না’ বা ‘হীন’।</li>
<li><strong>টাইম</strong> (Time) শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘সময়’।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ফারসি উপসর্গ ‘বে’ এবং ইংরেজি শব্দ ‘টাইম’ মিলে গঠিত হয়েছে ‘বেটাইম’, যার অর্থ হলো অসময়। ভাষার মিশ্রণে এ ধরনের শব্দ গঠন বাংলা ভাষায় বেশ প্রচলিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সাথে যে উপসর্গগুলো যুক্ত থাকে, সেগুলোকে সংস্কৃত উপসর্গ বলা হয়।</li>
<li>‘অন্তঃ’ একটি সংস্কৃত অব্যয়জাত উপসর্গ, যা সাধারণত তৎসম শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>যেহেতু ‘অন্তঃপুর’ শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, তাই এর শুরুতে ব্যবহৃত ‘অন্তঃ’ অংশটি নিশ্চিতভাবেই একটি <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন এবং উৎস বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খাঁটি বাংলা উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অনা' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা সাধারণত অভাব বা না-বাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>শব্দগুলোর গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: <strong>অনা + আচার = অনাচার</strong> এবং <strong>অনা + আদর = অনাদর</strong>।</li>
<li>যেহেতু 'অনা' উপসর্গটি বাংলা ভাষায় নিজস্ব এবং দেশি শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাই এই শব্দ দুটি খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে 'অনা' যুক্ত হয়ে অভাব বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করবে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি, যার উৎস সম্পর্কে আমাদের ধারণা থাকা জরুরি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘রফতানি’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ফারসি ভাষার শব্দগুলো চেনার একটি সহজ উপায় হলো এর গঠন ও ব্যবহারের ধরন।</li>
<li>বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক অনেক শব্দই ফারসি থেকে আগত, যেমন: রফতানি, আমদানি, কারখানা, দোকান ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘রফতানি’ শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>ফারসি</strong> দাগিয়ে দেবেন। এটি মনে রাখার জন্য এই শব্দগুলোকে একটি তালিকার মতো করে বারবার পড়লে খুব সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।</p>
২৭০০
‘আলপিন’ শব্দটি বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে কোন বিদেশি শব্দ হতে এসেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজ নাবিক ও বণিকরা যখন বাংলায় এসেছিলেন, তখন তারা তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের অনেক জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় রেখে যান।</li>
<li>'আলপিন' শব্দটিও ঠিক সেভাবেই পর্তুগিজ শব্দ <strong>alfinete</strong> থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>একইভাবে আলমারি, চাবি, বালতি বা সাবানের মতো শব্দগুলোও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আমাদের শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, ছোটখাটো গৃহস্থালি বা ব্যবহারের জিনিসের নাম দেখলে সাধারণত সেগুলো পর্তুগিজ শব্দ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।