<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘চাকু’ একটি অন্যতম শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তুর্কি ভাষার শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো জিনিসের সাথে সম্পর্কিত হয়।</li>
<li>‘চাকু’ ছাড়াও তুর্কি ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>বাবুর্চি</strong>, <strong>বেগম</strong>, <strong>দারোগা</strong>, <strong>কুলি</strong> এবং <strong>তোপ</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দগুলোর একটি ছোট তালিকা তৈরি করে নিয়মিত রিভিশন দেওয়া। ‘চাকু’ শব্দটি তুর্কি থেকে এসেছে—এই তথ্যটি মনে রাখলেই আপনার কাজ হয়ে যাবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক শব্দের উৎস হলো আরবি ভাষা।</p>
<ul>
<li>‘ফকির’ শব্দটি আরবি <strong>‘ফকর’</strong> (فقر) মূল ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো দারিদ্র্য বা অভাব।</li>
<li>আরবি ভাষায় এর মূল অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যিনি আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন এবং পার্থিব সম্পদের প্রতি উদাসীন।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এই শব্দটি আধ্যাত্মিক সাধক বা দরবেশ বোঝাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আরবি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসা শব্দগুলোর মধ্যে ‘ফকির’ একটি অন্যতম পরিচিত শব্দ।</p>
<p>‘পাউরুটি’ শব্দটি মূলত <strong>পর্তুগীজ</strong> ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগীজরা যখন প্রথম বাংলায় এসেছিল, তখন তারা তাদের দৈনন্দিন খাবারের অনেক নাম আমাদের ভাষায় রেখে গেছে।</li>
<li>‘পাউ’ (Pão) শব্দটি পর্তুগীজ ভাষায় রুটি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই পর্তুগীজ ‘পাউ’ এবং বাংলা ‘রুটি’ মিলে শব্দটি তৈরি হয়েছে ‘পাউরুটি’।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পর্তুগীজদের হাত ধরেই এই শব্দটি আমাদের শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>।</p>
২৭০৫
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ‘লিচু’ কোন বিদেশী ভাষা থেকে নেয়া হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চৈনিক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লিচু মূলত চীন দেশীয় একটি ফল।</p>
<ul>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শব্দ অন্য ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোর উৎস মনে রাখার জন্য শব্দের উৎপত্তিস্থল বা ভৌগোলিক অবস্থান খেয়াল রাখা ভালো।</li>
<li>‘লিচু’ শব্দটি চীনা ভাষা থেকে এসেছে, তাই একে <strong>চৈনিক</strong> শব্দ বলা হয়।</li>
<li>একইভাবে চা, চিনি—এগুলোও চীনা বা চৈনিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লিচুর আদি নিবাস চীন বলেই এর ভাষাগত উৎস চৈনিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বেশ কিছু বিদেশি শব্দ পর্তুগীজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগীজরা যখন প্রথম বাংলায় আসে, তখন তারা তাদের সাথে করে অনেক নতুন ফল ও জিনিসের নাম নিয়ে আসে।</li>
<li><strong>আনারস</strong> ছাড়াও আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>পাউরুটি</strong>, <strong>সাবান</strong>, <strong>আলমারি</strong> এবং <strong>চাবি</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য এই শব্দগুলোকে একটি ছোট গল্পের মতো কল্পনা করে নিতে পারেন, এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা একদম থাকবে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>‘আসমান’ শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>ফারসি ভাষা থেকে আসা আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: খোদা, নমুনা, চশমা, দোকান, এবং কারিগর।</li>
<li>সহজ কথায়, আকাশ বা আসমান সংক্রান্ত এই শব্দটি ফারসি শব্দভাণ্ডারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
২৭০৮
বাংলা ভাষার ব্যবহৃত ‘লেবু’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত <strong>‘লেবু’</strong> শব্দটি মূলত <strong>আরবি</strong> ভাষা থেকে এসেছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিভিন্ন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় মিশে গেছে।</li>
<li>ভাষাবিদদের মতে, আরবি শব্দ ‘লিমুন’ (Līmūn) থেকেই বিবর্তিত হয়ে বাংলায় ‘লেবু’ শব্দটি এসেছে।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>আরবি</strong> দাগিয়ে দেবেন।</li>
</ul>
<p>'বারান্দা' শব্দটি মূলত <strong>ফারসি</strong> ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় গৃহীত হয়েছে, যার মধ্যে 'বারান্দা' অন্যতম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>ফারসি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো সাধারণত আমাদের ঘরোয়া বা প্রশাসনিক কাজের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>'বারান্দা' শব্দটি ফারসি 'বার-আয়িদা' (bar-ayida) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো বাইরের দিকের অংশ বা খোলা জায়গা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, বারান্দা শব্দটি একটি খাঁটি <strong>ফারসি</strong> শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত আইন-আদালত সংক্রান্ত অনেক শব্দই আরবি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিচারিক বা প্রশাসনিক অনেক শব্দই মূলত আরবি থেকে আগত।</li>
<li>"আদালত" শব্দটি আরবি <strong>'আদল'</strong> (adl) মূল ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো ন্যায়বিচার বা সমতা।</li>
<li>যেহেতু এটি বিচার ব্যবস্থার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত একটি শব্দ, তাই এটি আরবি ভাষার শব্দ হিসেবেই গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিচারিক পরিভাষার অধিকাংশ শব্দই আরবি মূলের হওয়ায় "আদালত" শব্দটি অনায়াসেই আরবি হিসেবে মনে রাখা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘অভি’ একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ২০টি সংস্কৃত উপসর্গের একটি হলো <strong>‘অভি’</strong>।</li>
<li>যেহেতু এটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে <strong>তৎসম উপসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>শব্দের শুরুতে বসে এটি নতুন অর্থ তৈরি করে, যেমন: <strong>অভি</strong> + মান = অভিমান, <strong>অভি</strong> + নেতা = অভিনেতা।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘অভি’ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে এটিকে তৎসম উপসর্গের তালিকায় ফেলে দেবেন!</p>
<p>‘প্রভাব’ শব্দটিতে ব্যবহৃত ‘প্র’ উপসর্গটি একটি <strong>সংস্কৃত</strong> উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গগুলোর মধ্যে ‘প্র’ অন্যতম একটি প্রধান উপসর্গ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘প্রভাব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>প্র + ভাব</strong> যোগে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে ‘প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু’—এই জাতীয় উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>তাই যখনই কোনো শব্দে ‘প্র’ উপসর্গ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি একটি সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘নি’ একটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ, যা সাধারণত তৎসম শব্দের সাথেই যুক্ত হয়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়, সেগুলোকে <strong>তৎসম উপসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>‘নিবৃত্তী’ শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, আর এর শুরুতে যুক্ত ‘নি’ উপসর্গটিও সংস্কৃত থেকে আগত। তাই এটি নিঃসন্দেহে তৎসম উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন দেখে যদি বোঝেন শব্দটি সংস্কৃত বা তৎসম, তবে তার সাথে যুক্ত উপসর্গটিও তৎসম হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলোর উৎস মনে রাখা জরুরি।</p>
<ul>
<li>'লা' একটি আরবি উপসর্গ, যার অর্থ হলো 'না' বা 'অভাব'।</li>
<li>এই উপসর্গটি দিয়ে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন শব্দ তৈরি করি, যেমন: <strong>লাজওয়াব</strong> (যার জবাব নেই), <strong>লাপাত্তা</strong> (যার কোনো পাত্তা নেই), বা <strong>ওয়ারিশহীন</strong> বোঝাতে <strong>লাওয়ারিশ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যেসব শব্দে 'লা' যুক্ত হয়ে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'প্রভাব' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li><strong>প্র</strong> + <strong>ভাব</strong> = প্রভাব।</li>
<li>এখানে <strong>প্র</strong> হলো একটি সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি, কিন্তু 'প্র' সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি মূলত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'প্রভাব' শব্দের 'প্র' উপসর্গটি নিঃসন্দেহে একটি <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।