<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুমূর্ষু</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে 'ম' এর সাথে রসুকার (ু) হয়।</li>
<li>মাঝখানের 'ম' এর সাথে দীর্ঘঊকার (ূ) হয়।</li>
<li>সবশেষে 'ষ' এর সাথে রসুকার (ু) হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনে রাখুন <strong>মুমূর্ষু</strong> শব্দটিতে প্রথম ও শেষ অক্ষরে রসুকার এবং মাঝের অক্ষরে দীর্ঘঊকার বসে। এই প্যাটার্নটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুমূর্ষু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>মুমূর্ষু</strong> শব্দটির অর্থ হলো যার মৃত্যু আসন্ন বা যে মরতে বসেছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মরণ ইচ্ছা' বা 'মৃতের মতো অবস্থা'—এই ধরনের ভাব প্রকাশ করতে আমরা এক কথায় <strong>মুমূর্ষু</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>বানানের দিকে খেয়াল রাখবে, এখানে শুরুতে <strong>মু</strong> (রসুকার) এবং শেষে <strong>র্ষু</strong> (রেফ + রসুকার) হয়। এটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বানান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানটি মনে রাখার ছন্দ হলো—<strong>ছোট-বড়-ছোট</strong>। অর্থাৎ, প্রথমে র-কার, মাঝে দীর্ঘ-কার এবং শেষে আবার র-কার। এই নিয়মটি মনে রাখলে আর কখনোই ভুল হবে না!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুমূর্ষু</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে 'মু' (র-কার) বসে।</li>
<li>মাঝখানের বর্ণটিতে 'মূ' (দীর্ঘ-কার) এবং শেষে 'র্ষু' (র-কার) বসে।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখুন: <strong>মুমূর্ষু</strong> শব্দে প্রথমটি ছোট, মাঝখানেরটি বড় এবং শেষেরটি আবার ছোট।</li>
</ul>
<p>বানানটি খেয়াল করলে দেখবেন, এটি মূলত 'মৃ' ধাতু থেকে এসেছে, তাই এর গঠনশৈলীটি একটু ব্যতিক্রম। বারবার লিখলে বা চোখের সামনে রাখলে এই বানানটি খুব সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।</p>
<p>‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের রচয়িতা হলেন <strong>গিরিশচন্দ্র ঘোষ</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘নাট্যাচার্য’ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>গিরিশচন্দ্র ঘোষ বাংলা থিয়েটারের বিকাশে অসামান্য অবদান রেখেছেন।</li>
<li>তার লেখা এই ঐতিহাসিক নাটকটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নাট্যকারের নাম ও নাটকের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
২৮৮৭
চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেন কে? কত সালে?
<p>চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোকপাত করেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। তিনি <strong>১৯২৭</strong> সালে তাঁর গবেষণামূলক আলোচনার মাধ্যমে এটি সবার সামনে তুলে ধরেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের ধর্মমত বা বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ নিয়ে প্রথম বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।</li>
<li>সময়কালটি মনে রাখুন এভাবে: ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ঠিক ২০ বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৯২৭</strong> সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর ধর্মতত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ আবিষ্কারের পর এর অন্তর্নিহিত ধর্মীয় দর্শন ব্যাখ্যা করার কৃতিত্ব ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর।</p>
২৮৮৮
কোন পন্ডিত চর্যাপদের পদগুলো টীকার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন ?
<p>এই বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। অলি আহাদ ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ। তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে এই গ্রন্থে ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বিভিন্ন আন্দোলন এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> জাতীয় রাজনীতিঃ ১৯৪৫ থেকে ৭৫</li>
<li><strong>লেখক:</strong> অলি আহাদ</li>
<li><strong>মূল বিষয়বস্তু:</strong> ব্রিটিশ-পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে পঁচাত্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তন ও ইতিহাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের রাজনীতির এই দীর্ঘ সময়ের ঘটনাবলি সম্পর্কে জানতে হলে অলি আহাদের এই বইটি একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>'শনিবারের চিঠি' উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>দীপক চৌধুরী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি পরিচিত নাম। মনে রাখার সুবিধার্থে আপনি এভাবে ভাবতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সাহিত্যিক দীপক চৌধুরীর লেখনীতে এই উপন্যাসটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটির উত্তর সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে ভালো কৌশল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নামটির সাথে উপন্যাসের নামটি একবার মিলিয়ে নিলে বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এজেন্ট</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত অনেক শব্দই সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>এজেন্ট (Agent)</strong> শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে ইংরেজি শব্দগুলো চেনা খুব সহজ, কারণ এগুলোর উচ্চারণ ও অর্থ ইংরেজি মূল শব্দের সাথে হুবহু মিলে যায়।</li>
<li>দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বোঝাতে আমরা সরাসরি <strong>এজেন্ট</strong> শব্দটিই ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এজেন্ট</strong>। কারণ শব্দটি সরাসরি ইংরেজি শব্দ <strong>Agent</strong> থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>এজেন্ট</strong> শব্দটি ইংরেজি 'Agent' শব্দের হুবহু উচ্চারণ থেকে তৈরি, যা দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক কাজে আমরা নিয়মিত ব্যবহার করি।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: আইন, দাখিল, মুচলেকা) মূলত আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই বিদেশি শব্দের তালিকায় ইংরেজি থেকে আগত শব্দ হিসেবে <strong>এজেন্ট</strong>-ই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>'মুক্তি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মুচ + ক্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'মুচ' হলো ধাতু, যা মূলত কোনো কিছু থেকে মুক্ত হওয়া বা ছেড়ে দেওয়া বোঝায়।</li>
<li>এর সাথে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণগত নিয়মে 'মুচ' ধাতুর সাথে 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হলে চ-এর স্থলে ক হয়ে যায়, যার ফলে শব্দটি 'মুক্তি' হিসেবে রূপ নেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল ধাতু <strong>মুচ</strong>-এর সাথে <strong>ক্ত</strong> প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা 'মুক্তি' শব্দটি পাই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেন শাসন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কবি জয়দেব ছিলেন সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের একজন অন্যতম কবি।</p>
<ul>
<li>জয়দেব তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতগোবিন্দ'</strong> সংস্কৃত ভাষায় রচনা করেছিলেন।</li>
<li>সেন রাজারা শিল্প ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, আর সেই স্বর্ণযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো এই কাব্যটি।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় সেন আমলের সাহিত্যচর্চার কথা বললে জয়দেবের নাম এবং তাঁর এই অমর কাব্যগ্রন্থটি সবার আগে চলে আসে।</li>
</ul>
<p>বাংলা লিপি স্থায়ী রূপ লাভ করে <strong>পাঠান আমলে</strong>। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে বাংলা লিপির রূপ ছিল অনেকটা অস্পষ্ট এবং বিবর্তনের ধারায় ছিল।</li>
<li>পাঠান বা সুলতানি আমলে এসে বাংলা ভাষা ও লিপি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায়।</li>
<li>এই সময়েই বাংলা লিপি তার নিজস্ব এবং সুনির্দিষ্ট একটি কাঠামো বা স্থায়ী রূপ গ্রহণ করে, যা পরবর্তী সময়ে আরও পরিমার্জিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুলতানি বা পাঠান আমলই ছিল বাংলা লিপির বিবর্তনের সেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যখন এটি তার আধুনিক রূপের ভিত্তি খুঁজে পায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।