<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপসর্গ সবসময় শব্দের বা ধাতুর <strong>সামনে</strong> বসে।</li>
<li>এটি শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।</li>
<li>যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার', যা সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বসে যে অব্যয় নতুন অর্থের জন্ম দেয়, তাকেই আমরা <strong>উপসর্গ</strong> বলি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার', যা সম্পূর্ণ নতুন একটি শব্দ।</li>
<li>সহজ ট্রিক: 'উপ' মানে হলো কাছে বা সামনে। তাই যে শব্দাংশ শব্দের সামনে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই উপসর্গ বলে।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো সাধারণত শব্দের শেষে বা পরে বসে কাজ করে, কিন্তু শব্দের শুরুতে বসার একমাত্র ক্ষমতা কেবল উপসর্গেরই আছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘বই’ শব্দটি ‘ব্যতীত’ বা ‘ছাড়া’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অনুসর্গ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে ‘সত্যবই’ বলতে ‘সত্য ছাড়া’ বা ‘সত্য ব্যতীত’ বোঝানো হয়েছে, তাই এখানে ‘বই’ অনুসর্গ হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সংশয়</strong> মানে হলো কোনো কিছু নিয়ে মনের ভেতর দ্বিধা বা সন্দেহ থাকা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রত্যয়</strong> মানে হলো দৃঢ় বিশ্বাস বা কোনো বিষয়ে নিশ্চিত থাকা।</li>
<li>যেহেতু সংশয় মানে অনিশ্চয়তা, তাই এর বিপরীত অবস্থা হবে দৃঢ় নিশ্চয়তা বা প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তা হলো সংশয়, আর সেই বিষয়েই মনে দৃঢ় আস্থা থাকলে তা হলো প্রত্যয়। তাই ব্যাকরণগতভাবে এদের বিপরীত শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতিপাদিক</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো শব্দের সাথে যখন কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তখন সেই মূল শব্দটিকে বলা হয় <strong>প্রাতিপাদিক</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের মূল রূপটিই হলো প্রাতিপাদিক। যেমন: 'হাত', 'বই', বা 'কলম'—এগুলো নিজেই একটি প্রাতিপাদিক কারণ এদের সাথে কোনো বিভক্তি নেই।</li>
<li>যখনই এই শব্দগুলোর সাথে বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -র) যুক্ত হয়, তখন সেটি আর প্রাতিপাদিক থাকে না, বরং পদে পরিণত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: <strong>বিভক্তিহীন শব্দ = প্রাতিপাদিক</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাক্ষুষ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘চক্ষু’ বা চোখ দিয়ে যা দেখা যায় বা গ্রহণ করা হয়, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>চাক্ষুষ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, চোখের সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কিছু বোঝাতে ‘চাক্ষুষ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই ‘চক্ষু দ্বারা গৃহীত’ এর সংকুচিত রূপ হলো <strong>চাক্ষুষ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাববাচ্যের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ভাববাচ্যের</strong> প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে ক্রিয়াপদটিই মুখ্য।</li>
<li>এই বাক্যে কর্তার চেয়ে কাজের ধরণ বা অবস্থার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো বাক্যে কর্তা অস্পষ্ট থাকে এবং ক্রিয়াটি অকর্মক হয়, তখন সেটি সাধারণত ভাববাচ্য হয়।</li>
<li>'কোথায় থাকা হয়'—এখানে 'থাকা' ক্রিয়াটিই প্রধান, তাই এটি চোখ বন্ধ করে ভাববাচ্য।</li>
</ul>
<p>'প্রত্যূষ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>প্রতি + ঊষ</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'প্রতি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'ঊষ' শব্দের শুরুতে থাকা 'ঊ' মিলে 'যূ' (য + ঊ) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে 'ই' বা 'ঈ' পরিবর্তিত হয়ে 'য' হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $ই + ঊ = যূ$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি অনুসরণ করেই 'প্রতি' এবং 'ঊষ' যুক্ত হয়ে 'প্রত্যূষ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিযোগিতা</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলায় 'প্রতিযোগী' শব্দটি লেখার সময় শেষে দীর্ঘ-ঈকার (<strong>ঈ</strong>) হয়।</li>
<li>কিন্তু যখন এর সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ তৈরি হয়, তখন দীর্ঘ-ঈকারটি পরিবর্তিত হয়ে রস-ইকার (<strong>ি</strong>) হয়ে যায়।</li>
<li>তাই সঠিক রূপটি হবে <strong>প্রতিযোগিতা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দের শেষে 'তা' যোগ করলে দীর্ঘ-ঈকার থাকলে তা রস-ইকারে পরিণত হয়, তাই বানানটি হবে <strong>প্রতিযোগিতা</strong>।</p>
<p>'পাশ্চাত্য' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>প্রাচ্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>পাশ্চাত্য</strong> বলতে সাধারণত পশ্চিম দিকের দেশ বা সংস্কৃতিকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রাচ্য</strong> শব্দটি দিয়ে পূর্ব দিকের দেশ বা সংস্কৃতিকে নির্দেশ করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দিক বা ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই পরীক্ষার খাতায় চোখ বন্ধ করে <strong>প্রাচ্য</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>‘প্রাচী’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>প্রতীচী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রাচী</strong> শব্দের অর্থ হলো পূর্ব দিক বা উদয়স্থল।</li>
<li>এর বিপরীত দিক বা অস্তাচল হলো পশ্চিম দিক, যাকে বাংলা ব্যাকরণে <strong>প্রতীচী</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পূর্বের বিপরীত পশ্চিম—আর এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই ‘প্রাচী’র বিপরীত শব্দ হিসেবে ‘প্রতীচী’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বানানটি খেয়াল রাখবেন, এখানে ‘প্র’ এর সাথে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়ে <strong>প্রতীচী</strong> গঠিত হয়েছে।</p>
<p>‘উপরোধ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>অনুরোধ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের ক্ষেত্রে ‘উপরোধ’ শব্দটি মূলত কাউকে কোনো কিছু করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা বা পীড়াপীড়ি করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন আমরা কাউকে কোনো কাজ করার জন্য বারবার বলি বা অনুরোধ জানাই, তখন সেই পরিস্থিতিকে ‘উপরোধ’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘উপরোধ’ শব্দটির অর্থ হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>অনুরোধ</strong> বেছে নিতে পারেন। এটি একটি প্রচলিত শব্দ, যা প্রায়ই বিভিন্ন সাহিত্যিক রচনায় অনুরোধের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>'Comparative' শব্দটির সঠিক পরিভাষা হলো <strong>তুলনামূলক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'Compare' মানে হলো তুলনা করা।</li>
<li>যখন কোনো কিছুর সাথে তুলনা বোঝানো হয়, তখন ইংরেজি শব্দটির শেষে '-ative' যুক্ত হয়ে তা বিশেষণ বা Adjective হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>ঠিক একইভাবে বাংলায় 'তুলনা' শব্দের সাথে '-মূলক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'তুলনামূলক' শব্দটি গঠিত হয়, যা কোনো কিছুর তুলনামূলক অবস্থান বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিজ্ঞপ্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সংবাদপত্রে যখন কোনো বিশেষ তথ্য বা জরুরি ঘোষণা সাধারণ মানুষের নজরে আনার জন্য প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বিজ্ঞপ্তি বলা হয়।</p>
<ul>
<li>নিখোঁজ সংবাদ মূলত একটি তথ্যমূলক ঘোষণা, যা জনসাধারণের সহায়তার জন্য প্রচার করা হয়।</li>
<li>যেহেতু এটি কোনো ব্যক্তিগত অভিযোগ, চুক্তি বা কোনো ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন নয়, তাই এটি সরাসরি বিজ্ঞপ্তির আওতাভুক্ত।</li>
<li>সংবাদপত্রের নির্দিষ্ট কলামে এই ধরনের ঘোষণাগুলো সাধারণত 'বিজ্ঞপ্তি' বা 'নোটিশ' হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।