<p>শব্দার্থের দিক থেকে বিষয়টি খুব সহজ। 'প্রসন্ন' মানে হলো যার মন খুব খুশি বা প্রফুল্ল। অন্যদিকে, 'বিষন্ন' মানে হলো যার মন খারাপ বা মলিন। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে বিষন্নই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<ul>
<li><strong>প্রসন্ন:</strong> প্রফুল্ল বা আনন্দিত অবস্থা।</li>
<li><strong>বিষন্ন:</strong> মন খারাপ বা বিষাদগ্রস্ত অবস্থা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুখের বিপরীত যেমন দুঃখ, ঠিক তেমনি প্রসন্নতার বিপরীত হলো বিষন্নতা।</p>
২৮৫৩
'There is a black sheep in every family' বাক্যের সঠিক অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিটি পরিবারে একজন করে কুলাঙ্গার থাকে</strong>। কারণ এটি একটি ইংরেজি বাগধারা বা Idiom।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি প্রবাদ <strong>"There is a black sheep in every family"</strong> আক্ষরিক অর্থে অনুবাদ করলে ভুল হবে।</li>
<li>এখানে <strong>"black sheep"</strong> বলতে কোনো পশুকে বোঝানো হয়নি, বরং পরিবারের সেই সদস্যকে বোঝানো হয়েছে যে পরিবারের সুনাম নষ্ট করে বা খারাপ কাজ করে।</li>
<li>বাংলায় এমন ব্যক্তিকে আমরা সাধারণত <strong>"কুলাঙ্গার"</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই ভাবার্থ অনুযায়ী, এই বাক্যের সঠিক অনুবাদ হবে প্রতিটি পরিবারে একজন করে কুলাঙ্গার থাকে।</p>
<p>‘প্রাচী’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>প্রতীচী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘প্রাচী’ শব্দের অর্থ হলো পূর্ব দিক বা পূর্ব দিকস্থ।</li>
<li>এর বিপরীত দিক হলো পশ্চিম দিক, আর বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পশ্চিম দিককে বোঝাতে <strong>প্রতীচী</strong> শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, ‘প্রতীচী’ শব্দে ‘ত’-এর সাথে দীর্ঘ-ঈকার ($ঈ$) এবং ‘চ’-এর সাথেও দীর্ঘ-ঈকার ($ঈ$) যুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পূর্বের বিপরীত পশ্চিম, তাই প্রাচীর বিপরীত প্রতীচী।</p>
<p>‘নিগ্রহ’ শব্দের অর্থ হলো কাউকে নির্যাতন করা বা কষ্ট দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>অনুগ্রহ</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ অনুগ্রহ মানে হলো কাউকে দয়া করা বা কৃপা করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিগ্রহ:</strong> কাউকে নিচু করা বা কষ্ট দেওয়া (নেতিবাচক)।</li>
<li><strong>অনুগ্রহ:</strong> কাউকে সাহায্য করা বা দয়া দেখানো (ইতিবাচক)।</li>
</ul>
<p>শব্দ দুটির অর্থ বিপরীতমুখী হওয়ায় ‘নিগ্রহ’-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>অনুগ্রহ</strong>।</p>
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মুমূর্ষু</strong>। এই বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির গঠন হলো: <strong>মু + মূ + র্ষু</strong>।</li>
<li>শুরুতে 'ম'-এ হ্রস্ব-উকার (ু) এবং মাঝখানের 'ম'-এ দীর্ঘ-ঊকার (ূ) বসে।</li>
<li>সবশেষে 'ষ'-এর সাথেও হ্রস্ব-উকার (ু) যুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানটির ছন্দ হলো <strong>ছোট-বড়-ছোট</strong>। অর্থাৎ, প্রথম ম-এ ছোট উ, মাঝের ম-এ বড় ঊ, আর শেষে আবার ছোট উ। এই ছন্দটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকবে না!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহূর্ত</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দটি লেখার সময় আমাদের কিছু ছোট বিষয় খেয়াল রাখতে হয়:</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে 'ম'-এ হ্রস্ব-উকার (ু) বসে।</li>
<li>মাঝখানের 'হ'-এর সাথে দীর্ঘ-ঊকার (ূ) যুক্ত হয়।</li>
<li>সবশেষে রেফ (র্) যুক্ত 'ত' বসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন যে, 'মুহূর্ত' বানানে হ-এর নিচে দীর্ঘ-ঊকার (ূ) ব্যবহার করাটাই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ। তাই সবসময় <strong>মুহূর্ত</strong> বানানটিই সঠিক হিসেবে গণ্য হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহুর্মুহু, ব্যত্যয়, মৃত্যুত্তীর্ণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর গঠন খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>মুহুর্মুহু:</strong> এই শব্দটিতে উভয় ক্ষেত্রেই 'হ'-এর নিচে হ্রস্ব-উ কার (ু) বসে। এটি একটি বিশেষ শব্দ, তাই বানানে কোনো দীর্ঘ-উ কার বা অন্য কোনো জটিলতা নেই।</li>
<li><strong>ব্যত্যয়:</strong> 'বি' উপসর্গের সাথে 'অয়' যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়। এখানে 'ব্য' এর সাথে 'ত্য' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপটি পায়।</li>
<li><strong>মৃত্যুত্তীর্ণ:</strong> এখানে 'মৃত্যু' শব্দের সাথে 'উত্তীর্ণ' শব্দটি যুক্ত হয়েছে। সন্ধির নিয়মে 'মৃত্যু' এর শেষ 'উ' এবং 'উত্তীর্ণ' এর শুরুর 'উ' মিলে দীর্ঘ-উ কার হওয়ার কথা থাকলেও, এই বিশেষ সমাসবদ্ধ শব্দে 'মৃত্যুত্তীর্ণ' বানানটিই প্রমিত ও শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দগুলোর গঠন মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</p>
২৮৬১
প্রথম বাংলা ‘থিসরাস’ (সমার্থক শব্দ) অভিধান সংকলন করেছেন-
<p>প্রথম বাংলা ‘থিসরাস’ বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলনের কৃতিত্ব হলো <strong>অশোক মুখোপাধ্যায়ের</strong>। তিনি দীর্ঘ পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসেন, যা বাংলা সাহিত্যে ও গবেষণায় এক অনন্য সংযোজন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ থিসরাস বা সমার্থক অভিধানের নাম হলো <strong>‘সমার্থক শব্দকোষ’</strong>।</li>
<li>এটি সংকলন করেছেন <strong>অশোক মুখোপাধ্যায়</strong>।</li>
<li>বাংলা শব্দ নিয়ে কাজ করা অভিধানবিদদের মধ্যে তাঁর এই কাজটি বাংলা ভাষার সমৃদ্ধি ও শব্দ ব্যবহারের বৈচিত্র্য বুঝতে আমাদের দারুণ সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। তাকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলার কারণটি বেশ চমৎকার:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বহুভাষাবিদ। তিনি প্রায় <strong>১৮টি ভাষায়</strong> পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>তার স্মৃতিশক্তি ছিল অসাধারণ এবং ভাষাতত্ত্বের ওপর তার অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল।</li>
<li>যেকোনো ভাষার শব্দ বা ব্যাকরণ নিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে সবাই তার কাছেই ছুটে যেত।</li>
<li>একটি জীবন্ত অভিধানের মতো তিনি অনায়াসেই শব্দের উৎস, অর্থ ও ব্যবহার বলে দিতে পারতেন বলেই তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি হিসেবে <strong>শাহ মুহাম্মদ সগীর</strong>-কে গণ্য করা হয়। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৮৯-১৪১০ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> তিনি চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগের কবি।</li>
<li><strong>অবদান:</strong> বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম সার্থক কবি তিনিই।</li>
<li><strong>স্বীকৃতি:</strong> সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন ও ভাষার বিচারে তিনিই প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যখনই প্রাচীনতম মুসলিম কবির কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>শাহ মুহাম্মদ সগীর</strong>-কে বেছে নেবেন।</p>
<p>'মধুমালতী' কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>মুহম্মদ কবীর</strong>। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।</p>
<ul>
<li>এই কাব্যটি মূলত হিন্দি কবি মঞ্ঝনের 'মধু মালতী' অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>মুহম্মদ কবীর ষোড়শ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন।</li>
<li>তার এই কাব্যটি তৎকালীন বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ ও মৌলিক ধারার এক চমৎকার মেলবন্ধন হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের ইতিহাসে 'মধুমালতী' নামটির সাথে <strong>মুহম্মদ কবীর</strong> নামটিই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
২৮৬৫
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি- অথবা, প্রাচীনতম বাঙ্গালী মুসলমান কবি কে?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি হলেন <strong>শাহ মোহাম্মদ সগীর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকদের মতে, তিনিই প্রথম বাঙালি মুসলমান কবি যিনি বাংলা ভাষায় কাব্যচর্চা শুরু করেছিলেন।</li>
<li>তাঁর কাব্য রচনার সময়কাল আনুমানিক ১৪শ থেকে ১৫শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন মুসলিম কবির মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই প্রাচীনতম মুসলিম কবির কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>শাহ মোহাম্মদ সগীর</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।