eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৮৬৬

‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটি রচনা করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাতত্ত্ব ও বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল।</li>
<li>তার এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম ভালোভাবে মিলিয়ে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
২৮৬৭

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দীনেশ চন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হলো <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'</strong>। এটি রচনা করেছেন <strong>দীনেশ চন্দ্র সেন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৯৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।</li>
<li>দীনেশ চন্দ্র সেনই প্রথম ব্যক্তি যিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের নিদর্শনগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে ইতিহাসের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসেন।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে তাঁর অবদানকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
২৮৬৮

বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) কারা রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) বইটির রচয়িতা হলেন <strong>মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান</strong>। এই বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম: <strong>বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক)</strong>।</li>
<li>লেখকদ্বয়: <strong>মুহম্মদ আব্দুল হাই</strong> এবং <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: এই দুই বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ যৌথভাবে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন পর্যায় ও বিবর্তন নিয়ে এই কালজয়ী গ্রন্থটি রচনা করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অপরিহার্য পাঠ্য।</li>
</ul>
২৮৬৯

'বাংলা দেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' কার সম্পাদনায় বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষার গবেষণায় এবং অভিধান প্রণয়নে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান ছিল অসামান্য। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি মূলত তাঁরই দীর্ঘদিনের শ্রম ও পরিকল্পনার ফসল। তিনি বাংলা ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষা বা আঞ্চলিক শব্দগুলোকে সংগ্রহ করে সেগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল রূপ দিয়েছিলেন, যা আজও ভাষাবিদদের কাছে একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>

<ul>
<li>গ্রন্থের নাম: <strong>বাংলা দেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান</strong>।</li>
<li>প্রধান সম্পাদক: <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</li>
<li>প্রকাশক: <strong>বাংলা একাডেমী</strong>।</li>
</ul>
২৮৭০

নির্ভুল বানান কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহুর্মুহু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহুর্মুহু</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মুহুঃ' + 'মুহুঃ' সন্ধি বা দ্বিরুক্তির মাধ্যমে।</li>
<li>এখানে উভয় ক্ষেত্রেই 'মুহু' অংশের 'হ'-এর নিচে <strong>র-ফলা</strong> এবং 'হ'-এর ওপর <strong>রেফ</strong> যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>মনে রাখবেন, রেফ (র্) সবসময় তার পরের বর্ণের মাথায় বসে। তাই 'মুহুর্মুহু' লিখতে 'ম' এর পর 'হ'-এর ওপর রেফ বসবে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বানানটি হলো <strong>মুহু + র্ + মুহু = মুহুর্মুহু</strong>। এটি বারবার বা ঘনঘন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
২৮৭১

কাজী ইমদাদুল হকের আব্দুলাহ উপন্যাসের উপজীব্য কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>কাজী ইমদাদুল হকের <strong>'আবদুলাহ'</strong> উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এর সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল নায়ক আবদুলাহ তৎকালীন সময়ের একজন শিক্ষিত ও সচেতন মুসলিম মধ্যবিত্ত যুবকের প্রতিনিধি।</li>
<li>লেখক এই উপন্যাসে সেই সময়ের মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েনকে খুব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং সেই সময়ের মুসলিম সমাজের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের একটি বাস্তব দলিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জীবনযাত্রা, তাদের শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থানের সংকটই এই উপন্যাসের প্রাণ।</p>
২৮৭২

কোন আমলে বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল একই নামে অবিহিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুসলমান আমলে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুসলমান আমলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলটি বিভিন্ন ছোট ছোট জনপদে বিভক্ত ছিল, যেমন—বঙ্গ, সমতট, গৌড় বা পুণ্ড্র।</li>
<li>মুসলমান শাসনামলে, বিশেষ করে সুলতানি আমলে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ পুরো অঞ্চলটিকে প্রথমবারের মতো <strong>'বাঙ্গালা'</strong> নামে ঐক্যবদ্ধ করেন।</li>
<li>সেই সময় থেকেই ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এই পুরো ভূখণ্ডটি একটি একক নাম 'বাঙ্গালা' বা 'বাংলা' হিসেবে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>

<p>তাই ইতিহাসের পাতায় বাংলা নামের এই ঐক্যবদ্ধ রূপটি মূলত মুসলমান আমলেরই অবদান।</p>
২৮৭৩

It rains cats and dogs- বাক্যের সঠিক বাঙ্গানুবাদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে</strong>। ইংরেজি বাগধারা বা Idiom 'It rains cats and dogs'-এর অর্থ হলো খুব জোরে বা প্রবল বেগে বৃষ্টি হওয়া।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি ইংরেজি Idiom, তাই এর আক্ষরিক অনুবাদ (বিড়াল-কুকুর) করলে হবে না।</li>
<li>এর ভাবার্থ হলো প্রচণ্ড বা মুষলধারে বৃষ্টি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী চলিত রীতিতে 'হচ্ছে' শব্দটি বেশি মানানসই, তাই 'মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে' বাক্যটিই সবচেয়ে শুদ্ধ।</li>
</ul>
২৮৭৪

ধ্বনি - পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ - বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিচাশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিচাশ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>

<ul>
<li>শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের পরস্পর স্থান পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকেই বলা হয় <strong>বর্ণ-বিপর্যয়</strong>।</li>
<li>মূল শব্দটি ছিল 'পিশাচ'। এখানে 'শ' এবং 'চ' নিজেদের জায়গা অদলবদল করে 'পিচাশ' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের বর্ণগুলো উলটপালট হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখনই তাকে আমরা বর্ণ-বিপর্যয় বলি।</li>
</ul>

<p>তাই 'পিশাচ' থেকে 'পিচাশ' হওয়ার এই ঘটনাটিই বর্ণ-বিপর্যয়ের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</p>
২৮৭৫

শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহুর্মহু
ব্যাখ্যা:
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মুহুর্মহু</strong>। এই শব্দটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>শব্দটির গঠন লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানে দুটি অংশই হলো <strong>মুহুঃ</strong>।</li>
<li>সন্ধি বা সমাসের নিয়মে যখন দুটি শব্দ যুক্ত হয়, তখন প্রথমটির বিসর্গ উঠে গিয়ে রেফ ( <strong>র্</strong> ) যুক্ত হয়।</li>
<li>তাই <strong>মুহুঃ + মুহু = মুহুর্মহু</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মনে রাখবেন এখানে উভয় ক্ষেত্রেই <strong>'মু'</strong>-তে রসুকার ( <strong>ু</strong> ) হবে এবং দ্বিতীয় 'মু'-এর ওপর রেফ বসবে। বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে এটি আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
২৮৭৬

চর্যাপদ আবিস্কৃত হয়--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেপালের রাজ-দরবার থেকে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপালের রাজ-দরবার থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই পুঁথিটি মূলত তালপাতায় লেখা ছিল, যা দীর্ঘ সময় ধরে নেপালের রাজকীয় সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত ছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি 'হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ আবিষ্কারের সাথে নেপালের রাজ-দরবারের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
২৮৭৭

শুদ্ধ বানান কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা:
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মূর্ধন্য</strong>। এই বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ হলো <strong>মূর্ধা</strong>, যার অর্থ মাথার তালু বা মস্তক।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মূর্ধা' শব্দের সাথে 'ণ্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>'মূ'</strong>-তে দীর্ঘ-ঊ (ূ) কার এবং রেফ (র্) এর ব্যবহার সঠিক।</li>
<li>সবশেষে যুক্তবর্ণ হিসেবে <strong>'ণ্য'</strong> (ণ + য) ব্যবহৃত হয়, যা এই বানানের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মূর্ধা থেকে মূর্ধন্য—এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে বানানটি আর কখনোই ভুল হবে না।</p>
২৮৭৮

চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কালকেতু
ব্যাখ্যা:
<p>চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো <strong>কালকেতু</strong>। এই কাব্যের কাহিনী মূলত আখেট বা শিকারি কালকেতুকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।</p>

<ul>
<li>চন্ডীমঙ্গল কাব্যের দুটি প্রধান অংশ—'আখেটি খণ্ড' ও 'বণিক খণ্ড'।</li>
<li>এর মধ্যে 'আখেটি খণ্ড'-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো কালকেতু।</li>
<li>দেবী চণ্ডীর কৃপা লাভ এবং কালকেতুর গুজরাট নগর পত্তনের কাহিনীই এই কাব্যের মূল ভিত্তি, তাই কালকেতুই এর প্রধান চরিত্র।</li>
</ul>
২৮৭৯

চৈতন্যদেব আদর করে কার নাম দেন 'কবিকর্ণপুর'?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুরারিগুপ্তের
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুরারিগুপ্তের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনীকারদের মধ্যে মুরারিগুপ্ত ছিলেন অন্যতম প্রধান এবং ঘনিষ্ঠ অনুরাগী।</p>

<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর ভক্তি ও কাব্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে মুরারিগুপ্তকে ভালোবেসে <strong>'কবিকর্ণপুর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>মুরারিগুপ্তের লেখা 'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত' গ্রন্থটি চৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা অন্যতম প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য দলিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মুরারিগুপ্তের অসামান্য পাণ্ডিত্য ও কাব্যিক গুণের স্বীকৃতি হিসেবেই মহাপ্রভু তাঁকে এই বিশেষ নামে ডেকেছিলেন।</p>
২৮৮০

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কালকেতু
ব্যাখ্যা:
<p>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো <strong>কালকেতু</strong>। এই কাব্যটি মূলত দুটি প্রধান খণ্ডে বিভক্ত, যার প্রথম অংশটি 'আখেটিক খণ্ড' নামে পরিচিত। এই খণ্ডের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ব্যাধ কালকেতুকে কেন্দ্র করেই।</p>

<ul>
<li>কালকেতু দেবী চণ্ডীর আশীর্বাদ লাভ করে এবং তার জীবনের নানা চড়াই-উতরাই ও গুজরাট নগরী পত্তনের কাহিনীই এই কাব্যের মূল ভিত্তি।</li>
<li>যদিও ফুল্লরা বা ঈশ্বরী পাটনী এই কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, কিন্তু কাহিনীর বিস্তার এবং গুরুত্বের দিক থেকে কালকেতুই এই কাব্যের কেন্দ্রীয় বা প্রধান চরিত্র।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।