<p>‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাতত্ত্ব ও বাংলা সাহিত্যের একজন দিকপাল।</li>
<li>তার এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম ভালোভাবে মিলিয়ে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
২৮৬৭
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা?
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হলো <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'</strong>। এটি রচনা করেছেন <strong>দীনেশ চন্দ্র সেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৯৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।</li>
<li>দীনেশ চন্দ্র সেনই প্রথম ব্যক্তি যিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের নিদর্শনগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে ইতিহাসের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসেন।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে তাঁর অবদানকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) বইটির রচয়িতা হলেন <strong>মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান</strong>। এই বইটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম: <strong>বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক)</strong>।</li>
<li>লেখকদ্বয়: <strong>মুহম্মদ আব্দুল হাই</strong> এবং <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: এই দুই বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ যৌথভাবে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন পর্যায় ও বিবর্তন নিয়ে এই কালজয়ী গ্রন্থটি রচনা করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি অপরিহার্য পাঠ্য।</li>
</ul>
২৮৬৯
'বাংলা দেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' কার সম্পাদনায় বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষার গবেষণায় এবং অভিধান প্রণয়নে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান ছিল অসামান্য। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটি মূলত তাঁরই দীর্ঘদিনের শ্রম ও পরিকল্পনার ফসল। তিনি বাংলা ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষা বা আঞ্চলিক শব্দগুলোকে সংগ্রহ করে সেগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল রূপ দিয়েছিলেন, যা আজও ভাষাবিদদের কাছে একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<ul>
<li>গ্রন্থের নাম: <strong>বাংলা দেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান</strong>।</li>
<li>প্রধান সম্পাদক: <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</li>
<li>প্রকাশক: <strong>বাংলা একাডেমী</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহুর্মুহু</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মুহুঃ' + 'মুহুঃ' সন্ধি বা দ্বিরুক্তির মাধ্যমে।</li>
<li>এখানে উভয় ক্ষেত্রেই 'মুহু' অংশের 'হ'-এর নিচে <strong>র-ফলা</strong> এবং 'হ'-এর ওপর <strong>রেফ</strong> যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>মনে রাখবেন, রেফ (র্) সবসময় তার পরের বর্ণের মাথায় বসে। তাই 'মুহুর্মুহু' লিখতে 'ম' এর পর 'হ'-এর ওপর রেফ বসবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানটি হলো <strong>মুহু + র্ + মুহু = মুহুর্মুহু</strong>। এটি বারবার বা ঘনঘন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>কাজী ইমদাদুল হকের <strong>'আবদুলাহ'</strong> উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। এর সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল নায়ক আবদুলাহ তৎকালীন সময়ের একজন শিক্ষিত ও সচেতন মুসলিম মধ্যবিত্ত যুবকের প্রতিনিধি।</li>
<li>লেখক এই উপন্যাসে সেই সময়ের মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েনকে খুব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি কেবল একটি গল্প নয়, বরং সেই সময়ের মুসলিম সমাজের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের একটি বাস্তব দলিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জীবনযাত্রা, তাদের শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থানের সংকটই এই উপন্যাসের প্রাণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুসলমান আমলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে বাংলা অঞ্চলটি বিভিন্ন ছোট ছোট জনপদে বিভক্ত ছিল, যেমন—বঙ্গ, সমতট, গৌড় বা পুণ্ড্র।</li>
<li>মুসলমান শাসনামলে, বিশেষ করে সুলতানি আমলে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ পুরো অঞ্চলটিকে প্রথমবারের মতো <strong>'বাঙ্গালা'</strong> নামে ঐক্যবদ্ধ করেন।</li>
<li>সেই সময় থেকেই ভৌগোলিক ও প্রশাসনিকভাবে এই পুরো ভূখণ্ডটি একটি একক নাম 'বাঙ্গালা' বা 'বাংলা' হিসেবে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসের পাতায় বাংলা নামের এই ঐক্যবদ্ধ রূপটি মূলত মুসলমান আমলেরই অবদান।</p>
২৮৭৩
It rains cats and dogs- বাক্যের সঠিক বাঙ্গানুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে</strong>। ইংরেজি বাগধারা বা Idiom 'It rains cats and dogs'-এর অর্থ হলো খুব জোরে বা প্রবল বেগে বৃষ্টি হওয়া।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি ইংরেজি Idiom, তাই এর আক্ষরিক অনুবাদ (বিড়াল-কুকুর) করলে হবে না।</li>
<li>এর ভাবার্থ হলো প্রচণ্ড বা মুষলধারে বৃষ্টি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী চলিত রীতিতে 'হচ্ছে' শব্দটি বেশি মানানসই, তাই 'মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে' বাক্যটিই সবচেয়ে শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিচাশ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের পরস্পর স্থান পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকেই বলা হয় <strong>বর্ণ-বিপর্যয়</strong>।</li>
<li>মূল শব্দটি ছিল 'পিশাচ'। এখানে 'শ' এবং 'চ' নিজেদের জায়গা অদলবদল করে 'পিচাশ' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের বর্ণগুলো উলটপালট হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখনই তাকে আমরা বর্ণ-বিপর্যয় বলি।</li>
</ul>
<p>তাই 'পিশাচ' থেকে 'পিচাশ' হওয়ার এই ঘটনাটিই বর্ণ-বিপর্যয়ের একদম নিখুঁত উদাহরণ।</p>
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মুহুর্মহু</strong>। এই শব্দটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির গঠন লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানে দুটি অংশই হলো <strong>মুহুঃ</strong>।</li>
<li>সন্ধি বা সমাসের নিয়মে যখন দুটি শব্দ যুক্ত হয়, তখন প্রথমটির বিসর্গ উঠে গিয়ে রেফ ( <strong>র্</strong> ) যুক্ত হয়।</li>
<li>তাই <strong>মুহুঃ + মুহু = মুহুর্মহু</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনে রাখবেন এখানে উভয় ক্ষেত্রেই <strong>'মু'</strong>-তে রসুকার ( <strong>ু</strong> ) হবে এবং দ্বিতীয় 'মু'-এর ওপর রেফ বসবে। বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে এটি আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপালের রাজ-দরবার থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এই পুঁথিটি মূলত তালপাতায় লেখা ছিল, যা দীর্ঘ সময় ধরে নেপালের রাজকীয় সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত ছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি 'হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ আবিষ্কারের সাথে নেপালের রাজ-দরবারের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মূর্ধন্য</strong>। এই বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ হলো <strong>মূর্ধা</strong>, যার অর্থ মাথার তালু বা মস্তক।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মূর্ধা' শব্দের সাথে 'ণ্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>'মূ'</strong>-তে দীর্ঘ-ঊ (ূ) কার এবং রেফ (র্) এর ব্যবহার সঠিক।</li>
<li>সবশেষে যুক্তবর্ণ হিসেবে <strong>'ণ্য'</strong> (ণ + য) ব্যবহৃত হয়, যা এই বানানের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূর্ধা থেকে মূর্ধন্য—এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে বানানটি আর কখনোই ভুল হবে না।</p>
<p>চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো <strong>কালকেতু</strong>। এই কাব্যের কাহিনী মূলত আখেট বা শিকারি কালকেতুকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>চন্ডীমঙ্গল কাব্যের দুটি প্রধান অংশ—'আখেটি খণ্ড' ও 'বণিক খণ্ড'।</li>
<li>এর মধ্যে 'আখেটি খণ্ড'-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো কালকেতু।</li>
<li>দেবী চণ্ডীর কৃপা লাভ এবং কালকেতুর গুজরাট নগর পত্তনের কাহিনীই এই কাব্যের মূল ভিত্তি, তাই কালকেতুই এর প্রধান চরিত্র।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুরারিগুপ্তের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনীকারদের মধ্যে মুরারিগুপ্ত ছিলেন অন্যতম প্রধান এবং ঘনিষ্ঠ অনুরাগী।</p>
<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যদেব তাঁর ভক্তি ও কাব্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে মুরারিগুপ্তকে ভালোবেসে <strong>'কবিকর্ণপুর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>মুরারিগুপ্তের লেখা 'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত' গ্রন্থটি চৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা অন্যতম প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য দলিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুরারিগুপ্তের অসামান্য পাণ্ডিত্য ও কাব্যিক গুণের স্বীকৃতি হিসেবেই মহাপ্রভু তাঁকে এই বিশেষ নামে ডেকেছিলেন।</p>
<p>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র হলো <strong>কালকেতু</strong>। এই কাব্যটি মূলত দুটি প্রধান খণ্ডে বিভক্ত, যার প্রথম অংশটি 'আখেটিক খণ্ড' নামে পরিচিত। এই খণ্ডের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ব্যাধ কালকেতুকে কেন্দ্র করেই।</p>
<ul>
<li>কালকেতু দেবী চণ্ডীর আশীর্বাদ লাভ করে এবং তার জীবনের নানা চড়াই-উতরাই ও গুজরাট নগরী পত্তনের কাহিনীই এই কাব্যের মূল ভিত্তি।</li>
<li>যদিও ফুল্লরা বা ঈশ্বরী পাটনী এই কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, কিন্তু কাহিনীর বিস্তার এবং গুরুত্বের দিক থেকে কালকেতুই এই কাব্যের কেন্দ্রীয় বা প্রধান চরিত্র।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।