eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৮৯৬

কোন শাসনামলে 'চর্যাপদ' রচিত হয়েছে বলে জানা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পাল আমলে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পাল আমলে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</li>
<li>ইতিহাসবিদদের মতে, চর্যাপদ রচনার সময়কাল আনুমানিক <strong>৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ</strong> পর্যন্ত।</li>
<li>এই দীর্ঘ সময়কালটি মূলত বাংলায় <strong>পাল রাজবংশের</strong> শাসনকাল ছিল।</li>
<li>পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন এবং চর্যাপদও মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া কবিদের সাধন সংগীত, যা এই সময়েই বিকশিত হয়েছিল।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বলা যায়, চর্যাপদ মূলত পাল আমলের সৃষ্টি।</p>
২৮৯৭

কোন আমলে ব্রাহ্মী লিপিতে কিছু কিছু পরিবর্তন দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত আমল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গুপ্ত আমল</strong>। এর কারণ হলো, প্রাচীন ভারতীয় লিপিতত্ত্বের ইতিহাসে গুপ্ত যুগ একটি সন্ধিক্ষণ হিসেবে কাজ করেছে। এই সময়ে ব্রাহ্মী লিপির গঠনশৈলীতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে, যা পরবর্তীকালে কুটিল লিপি বা আধুনিক বাংলা লিপির বিকাশে ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</p>

<ul>
<li><strong>লিপির বিবর্তন:</strong> মৌর্য আমলের তুলনায় গুপ্ত আমলের ব্রাহ্মী লিপিতে অক্ষরের কোণগুলো আরও স্পষ্ট এবং সুবিন্যস্ত হতে শুরু করে।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> এই আমলেই ব্রাহ্মী লিপি থেকে উত্তর ভারতীয় লিপির ধারাটি আলাদা হয়ে নতুন রূপ নিতে শুরু করে, যা শিলালিপি ও মুদ্রায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> প্রাচীন লিপি থেকে মধ্যযুগীয় লিপিতে উত্তরণের প্রধান ধাপটিই হলো গুপ্ত আমল, যেখানে লিপির শৈল্পিক পরিবর্তনগুলো সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান।</li>
</ul>
২৮৯৮

নিচের কোনটি দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাতসমুদ্র
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাতসমুদ্র</strong>। কারণটা খুব সহজ, দ্বিগু সমাস চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এর গঠন লক্ষ্য করা।</p>

<ul>
<li>দ্বিগু সমাসে পূর্বপদটি সবসময় একটি <strong>সংখ্যাবাচক শব্দ</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'সাতসমুদ্র' শব্দটির শুরুতে 'সাত' একটি সংখ্যা নির্দেশ করছে।</li>
<li>সমাহার বা সমষ্টি বোঝাতে এই সমাস ব্যবহৃত হয়, যেমন: সাত সমুদ্রের সমাহার = সাতসমুদ্র।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো সমাসবদ্ধ পদে শুরুতে সংখ্যা দেখবেন এবং শেষে সমাহার বা সমষ্টির অর্থ প্রকাশ পাবে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে দ্বিগু সমাস বলে দেবেন!</p>
২৮৯৯

উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তুষারশুভ্র
ব্যাখ্যা:
উপমান + বিশেষ্য
২৯০০

‘ঝিনুক’ কোন শব্দ দিয়ে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুক্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুক্তি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুযায়ী 'সুক্তি' শব্দটি ঝিনুকের একটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>

<ul>
<li><strong>সুক্তি</strong> শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ঝিনুক বা ঝিনুকের খোলস।</li>
<li>সাহিত্যিক বা তৎসম শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঝিনুক বোঝাতে এই শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ঝিনুক সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>সুক্তি</strong> অপশনটি বেছে নিতে পারেন। এটি মনে রাখার জন্য 'সুক্তি' ও 'ঝিনুক' শব্দ দুটিকে একসাথে কয়েকবার পড়লেই মাথায় গেঁথে যাবে।</p>
২৯০১

'মুক্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>'মুক্ত' এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>বদ্ধ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মুক্ত মানে হলো যা খোলা বা স্বাধীন, আর এর ঠিক উল্টো অবস্থা হলো কোনো কিছু আটকে থাকা বা আবদ্ধ থাকা।</p>

<ul>
<li><strong>মুক্ত:</strong> কোনো বাধা নেই বা খোলা অবস্থায় আছে।</li>
<li><strong>বদ্ধ:</strong> কোনো কিছু আটকে আছে বা বন্ধ অবস্থায় আছে।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থের দিক থেকে 'মুক্ত' এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'বদ্ধ' সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
২৯০২

কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিশাচ > পিচাশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিশাচ > পিচাশ</strong>। ধ্বনি বিপর্যয় বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো শব্দের ভেতরের দুটি ধ্বনি একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে, তখন তাকেই ধ্বনি বিপর্যয় বলে।</p>

<p>সহজভাবে বিষয়টি খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ: <strong>পিশাচ</strong> (এখানে 'শ' এবং 'চ' পাশাপাশি আছে)।</li>
<li>পরিবর্তিত শব্দ: <strong>পিচাশ</strong> (এখানে 'চ' আগে চলে এসেছে এবং 'শ' পরে চলে গেছে)।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলো নিজেদের স্থান পরিবর্তন করায় এটি ধ্বনি বিপর্যয়ের একটি নিখুঁত উদাহরণ।</p>
২৯০৩

‘থাইল্যাণ্ড’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুক্তভূমি
ব্যাখ্যা:
<p>‘থাইল্যাণ্ড’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>মুক্তভূমি</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘থাই’ (Thai) শব্দের উৎপত্তি হয়েছে ‘থাই’ জাতিগোষ্ঠী থেকে, যার অর্থ হলো ‘স্বাধীন’ বা ‘মুক্ত’।</li>
<li>থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা কখনো কোনো ইউরোপীয় শক্তির উপনিবেশ ছিল না।</li>
<li>এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই দেশটির নামের অর্থ দাঁড়িয়েছে <strong>মুক্তভূমি</strong> বা স্বাধীন মানুষের দেশ।</li>
</ul>
২৯০৪

'মোক্ষ' -এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বন্ধন
ব্যাখ্যা:
<p>'মোক্ষ' শব্দের অর্থ হলো মুক্তি বা সব ধরনের জাগতিক বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়া। তাই এর বিপরীত শব্দ হিসেবে 'বন্ধন' সবচেয়ে উপযুক্ত। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>মোক্ষ:</strong> এর মানে হলো মুক্তি বা স্বাধীনতা।</li>
<li><strong>বন্ধন:</strong> এর মানে হলো আটকে থাকা বা সীমাবদ্ধতা।</li>
</ul>

<p>যেহেতু মোক্ষ মানেই হলো সবকিছুর বাঁধন ছিঁড়ে ফেলা, তাই এর বিপরীত অবস্থা হবে কোনো কিছুতে আটকে থাকা বা <strong>বন্ধন</strong>।</p>
২৯০৫

ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয়-এর দৃষ্টান্ত ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিচাশ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পিচাশ</strong>। বর্ণ-বিপর্যয় বা ধ্বনি বিপর্যয় বলতে বোঝায় যখন শব্দের ভেতর দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেদের স্থান অদলবদল করে।</p>

<p>সহজভাবে বিষয়টি এভাবে দেখুন:</p>

<ul>
<li>মূল শব্দটি ছিল <strong>পিশাচ</strong>।</li>
<li>এখানে 'শ' এবং 'চ' নিজেদের জায়গা পরিবর্তন করে হয়েছে <strong>পিচাশ</strong>।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের ভেতরের বর্ণগুলোর স্থান পরিবর্তনই হলো বর্ণ-বিপর্যয়।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো—শব্দটি উচ্চারণ করার সময় যদি দেখেন বর্ণগুলো উলটপালট হয়ে গেছে, তবেই সেটি বর্ণ-বিপর্যয়।</p>
২৯০৬

‘যা বলা হয়নি'____এক কথায় প্রকাশ কী হবে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনুক্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুক্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>'উক্ত' মানে যা বলা হয়েছে।</li>
<li>এর আগে 'অনু' উপসর্গটি যুক্ত করলে অর্থ দাঁড়ায় 'যা বলা হয়নি' বা 'যা বলার বাকি আছে'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু মুখে উচ্চারণ করা না হলে বা না বলে রাখা হলে তাকে এক কথায় <strong>অনুক্ত</strong> বলা হয়।</p>
২৯০৭

‘সোননাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘সোননাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের পুঁথি সাহিত্যের ধারার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্য।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ মূলত পুঁথি সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘ইউসুফ-জুলেখা’ এবং ‘হাতেম তাঈ’ অন্যতম।</li>
<li>‘সোননাভান’ কাব্যটি মূলত লোকজ কাহিনী অবলম্বনে রচিত, যা তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ: <strong>শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ</strong> বললেই মাথায় যেন ‘সোননাভান’, ‘ইউসুফ-জুলেখা’ এবং ‘হাতেম তাঈ’—এই তিনটি নাম একসাথে চলে আসে।</p>
২৯০৮

‘সোনাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘সোনাভান’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের পুঁথি সাহিত্যের ধারার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্য।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>শাহ মুহাম্মদ গরীবুল্লাহ</strong> অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত পুঁথি সাহিত্যিক।</li>
<li>তার লেখা ‘সোনাভান’ কাব্যটি মূলত বীরত্বগাথা বা রোমান্টিক আখ্যানধর্মী, যা তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—<strong>সোনাভান</strong> এবং <strong>গরীবুল্লাহ</strong>—এই দুটি নাম একসাথে মনে গেঁথে নেওয়া।</li>
</ul>
২৯০৯

ছদ্মনামসহ মূল নাম কোনটি সঠিক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু-কালকুট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমরেশ বসু-কালকুট</strong>। সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য এটি একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>

<p>বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>সমরেশ বসু</strong> যখন গভীর জীবনবোধ বা আধ্যাত্মিক ঘরানার লেখা লিখতেন, তখন তিনি <strong>কালকুট</strong> ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামগুলো মূলত লেখকের ভিন্নধর্মী লেখার শৈলীকে আলাদাভাবে তুলে ধরার জন্য ব্যবহৃত হতো।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য নামের সাথে ছদ্মনামের একটি ছন্দ মিলিয়ে নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সমরেশ বসুর ছদ্মনামই হলো কালকুট, যা বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম।</p>
২৯১০

কোন দুজন বাংলা কাব্য প্রথম প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফার্সি শব্দ ব্যবহার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে আরবি ও ফার্সি শব্দের সার্থক ও প্রচুর ব্যবহারের ক্ষেত্রে <strong>মোহিতলাল মজুমদার</strong> ও <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর নাম সবার আগে আসে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>কাজী নজরুল ইসলাম:</strong> তিনি তাঁর কবিতায় বিদ্রোহ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে প্রচুর পরিমাণে আরবি-ফার্সি শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা বাংলা ভাষাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।</li>
<li><strong>মোহিতলাল মজুমদার:</strong> তিনি তাঁর কাব্যশৈলীতে ধ্রুপদী ও গুরুগম্ভীর শব্দচয়নের পাশাপাশি আরবি-ফার্সি শব্দের চমৎকার মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন।</li>
</ul>

<p>মূলত এই দুই কবির হাত ধরেই বাংলা কাব্যে আরবি ও ফার্সি শব্দের ব্যবহার একটি শৈল্পিক ও প্রভাবশালী রূপ পায়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।