eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৯৪১

‘সুশিক্ষিত লোক মানেই স্বশিক্ষিত-এটি কোন ধরনের বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সরল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘সুশিক্ষিত লোক’ হলো বাক্যের উদ্দেশ্য এবং ‘স্বশিক্ষিত’ অংশটি এখানে বিধেয় হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার নেই যা অন্য কোনো খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করেছে। তাই এটি গঠনগত দিক থেকে একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</li>
</ul>
২৯৪২

কোথাও পথ পেলাম না বলে তোমার কাছে এসেছি।-- বাক্যটি কোন প্রকারের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য অব্যয় (যেমন: এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত থাকে।</li>
<li>প্রদত্ত বাক্যটিতে 'কোথাও পথ পেলাম না' এবং 'তোমার কাছে এসেছি'—এই দুটি অংশ একটি অব্যয় বা যোজক দ্বারা যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।</li>
<li>বাক্য গঠনের গঠনশৈলী এবং অর্থ প্রকাশের ভঙ্গি অনুযায়ী এটি একটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ, যেখানে দুটি স্বতন্ত্র ভাব একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
২৯৪৩

‘যখন তোমার হাতে টাকা হবে, তখন আমাকে দিও’ -কোন ধরনের বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জটিল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাক্যটির গঠন লক্ষ্য করলেই এর রহস্য বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (আমাকে দিও) এবং একটি সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য (যখন তোমার হাতে টাকা হবে) রয়েছে।</li>
<li>জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে 'যখন-তখন', 'যে-সে', 'যদি-তবে'—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে <strong>'যখন'</strong> এবং <strong>'তখন'</strong> অব্যয় দুটি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি জটিল বাক্য।</li>
</ul>
২৯৪৪

‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ -এটি কোন ধরনের বাক্য

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সরল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'সুশিক্ষিত লোক' হলো বাক্যের কর্তা এবং 'স্বশিক্ষিত' হলো তার সম্পর্কে বলা মূল কথা বা বিধেয়।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু) বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যদি-তবে) নেই, যা জটিল বা যৌগিক বাক্যের বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে একটিমাত্র খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন অংশ রয়েছে, তাই এটি একটি নিখুঁত <strong>সরল বাক্য</strong>।</li>
</ul>
২৯৪৫

'লোকটি ধনী কিন্তু কৃপণ'—কোন ধরনের বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
২৯৪৬

'লোকটি ধনী কিন্তু কৃপণ' এটি কোন ধরনের বাক্য ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যকে একটি অব্যয় দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে দুটি অংশ আছে: ১. লোকটি ধনী এবং ২. (সে) কৃপণ।</li>
<li>এই দুটি স্বাধীন অংশকে <strong>'কিন্তু'</strong> অব্যয়টি দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য কোনো সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা) দিয়ে যুক্ত হয়, তখন তাকে <strong>যৌগিক বাক্য</strong> বলে।</li>
</ul>
২৯৪৭

'লোকটি ধনী কিন্তু কৃপণ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
২৯৪৮

‘অপ’ কী ধরনের উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়—বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশী।</p>

<ul>
<li>‘অপ’ একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা বাংলা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সংস্কৃত উপসর্গগুলো চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সাথেই বেশি বসে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে ‘অপ’ অন্যতম। যেমন: অপকার, অপমান, অপচয় ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>তাই কোনো শব্দে ‘অপ’ যুক্ত থাকতে দেখলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় এটি একটি <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>।</p>
২৯৪৯

অপ কি ধরনের উপসর্গ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে 'অপ' হলো একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মোট <strong>২০টি</strong> সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।</li>
<li>এই তালিকার শুরুতেই থাকে: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ এবং আ।</li>
<li>যেহেতু 'অপ' এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই ২০টি উপসর্গের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই হবে, তাহলেই যেকোনো উপসর্গ দেখেই আপনি চিনে ফেলতে পারবেন।</p>
২৯৫০

পুঁথি সাহিত্যের ভাষা কেমন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মিশ্র
ব্যাখ্যা:
<p>পুঁথি সাহিত্যের ভাষা হলো <strong>মিশ্র</strong>। এর কারণ হলো, এই সাহিত্যের ভাষা কোনো নির্দিষ্ট একটি ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। বরং এটি ছিল বাংলা, আরবি, ফারসি এবং হিন্দি শব্দের এক দারুণ সংমিশ্রণ।</p>

<ul>
<li>পুঁথি সাহিত্যের লেখকরা মূলত সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামি ঐতিহ্য ও কাহিনিগুলো তুলে ধরার জন্য এই বিশেষ ভাষাটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>এতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণগত কাঠামোর সাথে প্রচুর বিদেশি শব্দ মিশে এক অদ্ভুত ও সহজবোধ্য রূপ তৈরি হয়েছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, বিভিন্ন ভাষার শব্দের মেলবন্ধনে তৈরি বলেই একে <strong>মিশ্র ভাষা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
২৯৫১

‘অমিল’-এর ব্যসবাক্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নেই-মিল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেই-মিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি একটি <strong>নঞ তৎপুরুষ সমাস</strong>।</p>

<ul>
<li>‘অমিল’ শব্দটিতে ‘অ’ উপসর্গটি ‘না’ বা ‘নেই’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে ‘অ’ বা ‘ন’ থাকে এবং তা অভাব বা না-বাচক অর্থ প্রকাশ করে, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় ‘নেই’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই ‘অমিল’ মানে হলো যার মিল নেই বা যেখানে মিলের অভাব আছে, অর্থাৎ <strong>নেই-মিল</strong>।</li>
</ul>
২৯৫২

ভারতের একাডেমী এওয়ার্ডপ্রাপ্ত আত্মজীবনীমূলক প্রেমের ইয়পন্যাস 'ন হন্যতে' কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মৈত্রেয় দেবী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৈত্রেয় দেবী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'ন হন্যতে' উপন্যাসটি মূলত মৈত্রেয় দেবীর নিজের জীবনের সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা। এই বইটির পেছনের গল্পটি হলো:</p>

<ul>
<li>এটি একটি আত্মজীবনীমূলক প্রেমের উপন্যাস, যেখানে লেখিকা রোমানিয়ান পণ্ডিত মিরচা এলিয়াদ-এর সাথে তার সম্পর্কের স্মৃতি তুলে ধরেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার একটি শ্লোক থেকে, যার অর্থ হলো 'আত্মা কখনো মরে না'।</li>
<li>সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'ন হন্যতে'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>মৈত্রেয় দেবী</strong>-র নাম মনে রাখবেন!</p>
২৯৫৩

“মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে”- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না</strong>। কারণ, একটি বাক্যকে নেতিবাচক বা না-বোধক করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন না করে বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়।</p>

<ul>
<li>মূল বাক্যের ক্রিয়া বা বিশেষ্যকে নেতিবাচক রূপ দিতে হয়।</li>
<li>এখানে 'সবাই অপছন্দ করে' কথাটিকে নেতিবাচক করতে 'সবাই' এর পরিবর্তে 'কেউ না' এবং 'অপছন্দ' এর বিপরীত শব্দ 'পছন্দ' ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>ফলে বাক্যটি দাঁড়ায়: <strong>মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে 'না' বাচক শব্দ যোগ করাই হলো নেতিবাচক বাক্যের মূল কৌশল।</p>
২৯৫৪

বাগধারার অর্থ নির্ণয় করুন ‘ধামাধরা’।

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চাটুকারিতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাটুকারিতা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>'ধামাধরা' বাগধারাটি মূলত এমন কাউকে বোঝায়, যে সবসময় অন্যের তোষামোদ বা তেল মারার কাজে ব্যস্ত থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বা কাউকে খুশি করার জন্য যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মতের সাথে তাল মিলিয়ে চলে এবং অতিরিক্ত প্রশংসা করে, তাকেই আমরা 'ধামাধরা' বলি।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>চাটুকারিতা</strong> বা তোষামোদমূলক অর্থটি বেছে নেবেন।</li>
</ul>
২৯৫৫

বাগধারাটির অর্থ নির্ণয় করুন : ‘ধামাধরা’ :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চাটুকারিতা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাটুকারিতা</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>‘ধামাধরা’ বাগধারাটি মূলত এমন কাউকে বোঝায়, যে সবসময় অন্যের তোষামোদ বা তেল মারার কাজে ব্যস্ত থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বা কাউকে খুশি করার জন্য যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মতের সাথে তাল মিলিয়ে চলে, তাকেই আমরা ‘ধামাধরা’ বলি।</li>
<li>তাই এর অর্থ হিসেবে <strong>চাটুকারিতা</strong> বা তোষামোদ করা একদম যথাযথ।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।