<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে ‘সুশিক্ষিত লোক’ হলো বাক্যের উদ্দেশ্য এবং ‘স্বশিক্ষিত’ অংশটি এখানে বিধেয় হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার নেই যা অন্য কোনো খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করেছে। তাই এটি গঠনগত দিক থেকে একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</li>
</ul>
২৯৪২
কোথাও পথ পেলাম না বলে তোমার কাছে এসেছি।-- বাক্যটি কোন প্রকারের?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য অব্যয় (যেমন: এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত থাকে।</li>
<li>প্রদত্ত বাক্যটিতে 'কোথাও পথ পেলাম না' এবং 'তোমার কাছে এসেছি'—এই দুটি অংশ একটি অব্যয় বা যোজক দ্বারা যুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।</li>
<li>বাক্য গঠনের গঠনশৈলী এবং অর্থ প্রকাশের ভঙ্গি অনুযায়ী এটি একটি যৌগিক বাক্যের উদাহরণ, যেখানে দুটি স্বতন্ত্র ভাব একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
২৯৪৩
‘যখন তোমার হাতে টাকা হবে, তখন আমাকে দিও’ -কোন ধরনের বাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাক্যটির গঠন লক্ষ্য করলেই এর রহস্য বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (আমাকে দিও) এবং একটি সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য (যখন তোমার হাতে টাকা হবে) রয়েছে।</li>
<li>জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে 'যখন-তখন', 'যে-সে', 'যদি-তবে'—এই ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে <strong>'যখন'</strong> এবং <strong>'তখন'</strong> অব্যয় দুটি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি জটিল বাক্য।</li>
</ul>
২৯৪৪
‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ -এটি কোন ধরনের বাক্য
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>একটি বাক্যে যখন একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তখন তাকে সরল বাক্য বলে।</li>
<li>এখানে 'সুশিক্ষিত লোক' হলো বাক্যের কর্তা এবং 'স্বশিক্ষিত' হলো তার সম্পর্কে বলা মূল কথা বা বিধেয়।</li>
<li>বাক্যটিতে কোনো সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু) বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: যে-সে, যদি-তবে) নেই, যা জটিল বা যৌগিক বাক্যের বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে একটিমাত্র খণ্ডবাক্য বা স্বাধীন অংশ রয়েছে, তাই এটি একটি নিখুঁত <strong>সরল বাক্য</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যকে একটি অব্যয় দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে দুটি অংশ আছে: ১. লোকটি ধনী এবং ২. (সে) কৃপণ।</li>
<li>এই দুটি স্বাধীন অংশকে <strong>'কিন্তু'</strong> অব্যয়টি দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য কোনো সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয় (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা) দিয়ে যুক্ত হয়, তখন তাকে <strong>যৌগিক বাক্য</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়—বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশী।</p>
<ul>
<li>‘অপ’ একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা বাংলা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সংস্কৃত উপসর্গগুলো চেনার সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সাথেই বেশি বসে।</li>
<li>বাংলা ভাষায় মোট ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে ‘অপ’ অন্যতম। যেমন: অপকার, অপমান, অপচয় ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো শব্দে ‘অপ’ যুক্ত থাকতে দেখলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় এটি একটি <strong>সংস্কৃত উপসর্গ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে 'অপ' হলো একটি খাঁটি সংস্কৃত উপসর্গ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মোট <strong>২০টি</strong> সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।</li>
<li>এই তালিকার শুরুতেই থাকে: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দূর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ এবং আ।</li>
<li>যেহেতু 'অপ' এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি নিঃসন্দেহে একটি সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই ২০টি উপসর্গের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নিলেই হবে, তাহলেই যেকোনো উপসর্গ দেখেই আপনি চিনে ফেলতে পারবেন।</p>
<p>পুঁথি সাহিত্যের ভাষা হলো <strong>মিশ্র</strong>। এর কারণ হলো, এই সাহিত্যের ভাষা কোনো নির্দিষ্ট একটি ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। বরং এটি ছিল বাংলা, আরবি, ফারসি এবং হিন্দি শব্দের এক দারুণ সংমিশ্রণ।</p>
<ul>
<li>পুঁথি সাহিত্যের লেখকরা মূলত সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামি ঐতিহ্য ও কাহিনিগুলো তুলে ধরার জন্য এই বিশেষ ভাষাটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>এতে বাংলা ভাষার ব্যাকরণগত কাঠামোর সাথে প্রচুর বিদেশি শব্দ মিশে এক অদ্ভুত ও সহজবোধ্য রূপ তৈরি হয়েছিল।</li>
<li>সহজ কথায়, বিভিন্ন ভাষার শব্দের মেলবন্ধনে তৈরি বলেই একে <strong>মিশ্র ভাষা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেই-মিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি একটি <strong>নঞ তৎপুরুষ সমাস</strong>।</p>
<ul>
<li>‘অমিল’ শব্দটিতে ‘অ’ উপসর্গটি ‘না’ বা ‘নেই’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শুরুতে ‘অ’ বা ‘ন’ থাকে এবং তা অভাব বা না-বাচক অর্থ প্রকাশ করে, তখন ব্যাসবাক্য করার সময় ‘নেই’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই ‘অমিল’ মানে হলো যার মিল নেই বা যেখানে মিলের অভাব আছে, অর্থাৎ <strong>নেই-মিল</strong>।</li>
</ul>
২৯৫২
ভারতের একাডেমী এওয়ার্ডপ্রাপ্ত আত্মজীবনীমূলক প্রেমের ইয়পন্যাস 'ন হন্যতে' কার লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৈত্রেয় দেবী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'ন হন্যতে' উপন্যাসটি মূলত মৈত্রেয় দেবীর নিজের জীবনের সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা। এই বইটির পেছনের গল্পটি হলো:</p>
<ul>
<li>এটি একটি আত্মজীবনীমূলক প্রেমের উপন্যাস, যেখানে লেখিকা রোমানিয়ান পণ্ডিত মিরচা এলিয়াদ-এর সাথে তার সম্পর্কের স্মৃতি তুলে ধরেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার একটি শ্লোক থেকে, যার অর্থ হলো 'আত্মা কখনো মরে না'।</li>
<li>সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রেমের দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ন হন্যতে'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>মৈত্রেয় দেবী</strong>-র নাম মনে রাখবেন!</p>
২৯৫৩
“মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে”- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না</strong>। কারণ, একটি বাক্যকে নেতিবাচক বা না-বোধক করার সময় মূল অর্থের পরিবর্তন না করে বিপরীত শব্দ ব্যবহার করতে হয়।</p>
<ul>
<li>মূল বাক্যের ক্রিয়া বা বিশেষ্যকে নেতিবাচক রূপ দিতে হয়।</li>
<li>এখানে 'সবাই অপছন্দ করে' কথাটিকে নেতিবাচক করতে 'সবাই' এর পরিবর্তে 'কেউ না' এবং 'অপছন্দ' এর বিপরীত শব্দ 'পছন্দ' ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>ফলে বাক্যটি দাঁড়ায়: <strong>মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে 'না' বাচক শব্দ যোগ করাই হলো নেতিবাচক বাক্যের মূল কৌশল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাটুকারিতা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'ধামাধরা' বাগধারাটি মূলত এমন কাউকে বোঝায়, যে সবসময় অন্যের তোষামোদ বা তেল মারার কাজে ব্যস্ত থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বা কাউকে খুশি করার জন্য যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মতের সাথে তাল মিলিয়ে চলে এবং অতিরিক্ত প্রশংসা করে, তাকেই আমরা 'ধামাধরা' বলি।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>চাটুকারিতা</strong> বা তোষামোদমূলক অর্থটি বেছে নেবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাটুকারিতা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘ধামাধরা’ বাগধারাটি মূলত এমন কাউকে বোঝায়, যে সবসময় অন্যের তোষামোদ বা তেল মারার কাজে ব্যস্ত থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বা কাউকে খুশি করার জন্য যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের মতের সাথে তাল মিলিয়ে চলে, তাকেই আমরা ‘ধামাধরা’ বলি।</li>
<li>তাই এর অর্থ হিসেবে <strong>চাটুকারিতা</strong> বা তোষামোদ করা একদম যথাযথ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।