<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথ্যা + উক</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শেষে 'আ' কার থাকে এবং তার সাথে 'উ' যুক্ত হয়, তখন সেটি মিলে একটি নতুন শব্দ গঠন করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>মিথ্যা</strong> শব্দের শেষে থাকা 'আ' ধ্বনি এবং <strong>উক</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'উ' ধ্বনি মিলে সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে শব্দ দুটি যুক্ত হয়ে <strong>মিথ্যুক</strong> শব্দটি তৈরি করে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ সেখানে শব্দের মূল রূপ বা সন্ধির নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়নি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাক</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—তৎসম শব্দ বলতে আমরা সেই শব্দগুলোকে বুঝি যেগুলো সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>ঢাক</strong> একটি দেশি শব্দ। এটি আমাদের নিজস্ব ভাষা বা উপভাষা থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, প্রস্তর, চক্র এবং মিথ্যা—এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, তাই এগুলো তৎসম শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দের বানান বা রূপ সংস্কৃতের সাথে হুবহু মিলে যায়, সেগুলোই তৎসম। ঢাক শব্দটি সেই তালিকার বাইরে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজবুলি</strong> মূলত কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা।</li>
<li>মধ্যযুগের কবিরা বৈষ্ণব পদাবলি রচনার সময় মৈথিলি (মিথিলার ভাষা) এবং বাংলার সংমিশ্রণে এই বিশেষ ভাষারীতি তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>মহাকবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় পদ রচনা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান, যার ফলে পরবর্তীকালে বাংলা কবিরাও এই মিশ্র রীতি অনুসরণ করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মৈথিলি শব্দের সাথে বাংলার ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারের মেলবন্ধনেই তৈরি হয়েছে এই মিষ্টি কাব্যভাষা।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'সোম' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো চন্দ্র বা চাঁদ। বাংলা সাহিত্যে এবং অভিধানে চন্দ্রের অনেকগুলো প্রতিশব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'বিধু' অন্যতম। তাই যখনই আপনি 'সোম' শব্দটি দেখবেন, খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে এটি চাঁদের একটি নাম এবং এর সমার্থক শব্দ হিসেবে 'বিধু' একদম সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিতালি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যৌগিক শব্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর অর্থ তার প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মিতালি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মিতা + আলি' যোগে।</li>
<li>এখানে 'মিতা' মানে বন্ধু এবং 'আলি' প্রত্যয়টি ভাব বা সম্পর্ক বোঝায়।</li>
<li>অর্থাৎ, মিতালি শব্দের অর্থ দাঁড়ায় 'বন্ধুত্ব বা মিতালির ভাব', যা এর অংশগুলোর অর্থের সাথে সরাসরি মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, তাকেই আমরা যৌগিক শব্দ বলি। মিতালি শব্দটি এই নিয়মটি পুরোপুরি মেনে চলে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিতভাষী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'মিত' শব্দের অর্থ হলো পরিমিত বা অল্প, আর 'ভাষী' মানে যে কথা বলে।</li>
<li>তাই যে ব্যক্তি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কথা বলে না বা মেপে কথা বলে, তাকে এক কথায় <strong>মিতভাষী</strong> বলা হয়।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবে, 'ভাষী' শব্দটিতে সবসময় দীর্ঘ-ঈ (ঈ) কার ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক বানানটি হবে মিতভাষী।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লেজুড়ে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করি:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'লেজ' একটি অর্থবোধক শব্দ।</li>
<li>এর সাথে 'উড়ে' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে 'লেজুড়ে' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে 'লেজুড়ে' বলতে সাধারণত এমন কাউকে বোঝায় যে অন্যের লেজ ধরে বা তোষামোদ করে চলে।</li>
<li>শব্দটির মূল অংশ 'লেজ' অর্থবহ হলেও, পুরো শব্দটি যখন কোনো ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বা তোষামোদকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি একটি বিশেষ অর্থ বহন করে। তবে ব্যাকরণগতভাবে প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর মধ্যে এটিই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরিফ</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই আরবি থেকে এসেছে, যার মধ্যে 'শরিফ' একটি অন্যতম প্রধান শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'শরিফ' শব্দটি সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>এর অর্থ হলো সম্ভ্রান্ত বা অভিজাত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দগুলো আসে, তাই শব্দটির উৎস মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
২৯৬৪
'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি'- আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়ীতা কে?
<p>আমাদের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' এর রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তিনি এই কালজয়ী গানটি রচনা করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় দেশপ্রেমের প্রেরণায় তিনি এই গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এই গানের প্রথম ১০ লাইনকে আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দুটি ভিন্ন দেশের (বাংলাদেশ ও ভারত) জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।</li>
</ul>
২৯৬৫
‘এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার উর্দ্ধৃমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি।’ এর রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাহবুব আলম চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা কালজয়ী কবিতা <strong>'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'</strong>-এর রচয়িতা হলেন মাহবুব আলম চৌধুরী। এই কবিতাটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ঘটনার পরপরই লেখা হয়েছিল, যা তৎকালীন সময়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি</strong>।</li>
<li>রচয়িতা: <strong>মাহবুব আলম চৌধুরী</strong>।</li>
<li>প্রেক্ষাপট: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার প্রথম লাইনটি একসাথে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মালিনী ফুল তুলে মালা গাঁথে</strong>। একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ থাকে—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। এই বাক্যটি সেই নিয়মগুলো নিখুঁতভাবে মেনে চলে।</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের এক অংশ শোনার পর অন্য অংশ শোনার যে ইচ্ছা, তা এখানে পূর্ণ হয়েছে।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> পদগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে অর্থ বুঝতে কোনো সমস্যা হয় না।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অর্থগত মিল ও ভাবসঙ্গতি এখানে পুরোপুরি বজায় আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যটি পড়ার সাথে সাথেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। তাই এটিই একটি সার্থক বাক্য।</p>
২৯৬৭
কার কাব্য অবলম্বনে আলাওল পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মালিক মুহম্মদ জায়সী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আলাওলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'পদ্মাবতী'</strong> মূলত হিন্দি ভাষার কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর কালজয়ী মহাকাব্য <strong>'পদুমাবত'</strong>-এর ভাবানুবাদ।</li>
<li>আলাওল এই কাব্যটি অনুবাদ করার সময় মূল গল্পের কাঠামো ঠিক রেখে বাঙালি পাঠক ও সংস্কৃতির উপযোগী করে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে 'পদ্মাবতী' কাব্যের মূল উৎস হিসেবে মালিক মুহম্মদ জায়সীর নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রভু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'দাস' বলতে বোঝায় এমন কাউকে যে অন্যের অধীনে কাজ করে বা সেবা করে। অন্যদিকে, 'প্রভু' হলেন সেই ব্যক্তি যার অধীনে দাস কাজ করে বা যিনি মালিক হিসেবে গণ্য হন। তাই অর্থের দিক থেকে এরা একে অপরের বিপরীত।</p>
<ul>
<li><strong>দাস:</strong> সেবক বা অধীনস্থ ব্যক্তি।</li>
<li><strong>প্রভু:</strong> কর্তা বা মালিক, যার অধীনে দাস থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দাস ও প্রভু একে অপরের বিপরীতমুখী সম্পর্ক নির্দেশ করে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কবি হিসেবে <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>-কে ধরা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সময়কাল শুরু হয় ১২০১ সাল থেকে।</li>
<li>বড়ু চণ্ডীদাস রচিত <strong>'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'</strong> কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এই কাব্যের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং মধ্যযুগীয় ধারার সার্থক সূচনা ঘটে।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের আদি কবি হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>‘শ্রীকৃষ্ণ বিজয়’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>মালাধর বসু</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এই কাব্যটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত ভাগবত পুরাণের দশম ও একাদশ স্কন্ধের ভাবানুবাদ।</li>
<li>মালাধর বসুকে গৌড় সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহ <strong>‘গুণরাজ খান’</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ‘শ্রীকৃষ্ণ বিজয়’ কাব্যটি শ্রীকৃষ্ণের জীবনভিত্তিক আখ্যানের অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নাম ও উপাধিটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।