eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৯৮৬

কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মানব-মুকুট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানব-মুকুট</strong>। এয়াকুব আলী চৌধুরী বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট চিন্তাশীল লেখক ও প্রবন্ধকার। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>মানব-মুকুট</strong> গ্রন্থটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক পরিচিতি:</strong> এয়াকুব আলী চৌধুরী মূলত তাঁর মননশীল প্রবন্ধ ও সমাজচিন্তামূলক রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li><strong>গ্রন্থের ধরণ:</strong> তাঁর লেখা এই গ্রন্থটি মূলত মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি জীবনচরিতমূলক গ্রন্থ।</li>
<li><strong>স্মরণ রাখার কৌশল:</strong> পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর লেখা অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন 'ধর্ম ও বিজ্ঞান' বা 'সংস্কৃতি কথা'-র পাশাপাশি 'মানব-মুকুট' নামটিও আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
২৯৮৭

শ্রী চৈতন্যদেব কোন ধর্ম প্রচার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণবধর্ম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৈষ্ণবধর্ম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>শ্রী চৈতন্যদেব ছিলেন ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরুষ।</li>
<li>তিনি শ্রীকৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তিকে কেন্দ্র করে যে মতবাদ প্রচার করেন, তা-ই মূলত <strong>বৈষ্ণবধর্ম</strong> বা গৌড়ীয় বৈষ্ণববাদ নামে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর প্রচারিত এই ধর্মের মূল ভিত্তি ছিল সংকীর্তন এবং ঈশ্বরের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।</li>
</ul>

<p>তাই ইতিহাসে শ্রী চৈতন্যদেবের নাম শুনলেই আমাদের মাথায় সরাসরি বৈষ্ণবধর্মের কথা চলে আসে।</p>
২৯৮৮

‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেক আমরা পরের তরে।’ পঙ্ক্তিদ্বয় কোন কবিতা হতে নেওয়া হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরার্থে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরার্থে</strong>। কামিনী রায়ের লেখা এই বিখ্যাত কবিতাটি আমাদের শেখায় যে, পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আসল আনন্দ অন্যের উপকারে বা পরোপকারে নিহিত।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাবই হলো <strong>পরার্থপরতা</strong> বা অন্যের জন্য কাজ করা।</li>
<li>‘সকলের তরে সকলে আমরা’—এই লাইনটি পড়লেই বোঝা যায় এখানে মানুষের কল্যাণের কথা বলা হয়েছে, যা ‘পরার্থে’ কবিতার মূল সুর।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>পরার্থে</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন, কারণ এটি এই কবিতারই সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙ্ক্তি।</li>
</ul>
২৯৮৯

‘মনু+ষ্ণ’-এর মূলভাব কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মানব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানব</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'ষ্ণ' (ষ্ণ্য) প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যাকে বলা হয় গুণ বা বৃদ্ধি।</p>

<p>সহজভাবে বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>মূল শব্দ 'মনু'-এর সাথে যখন 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন শব্দের প্রথম স্বর 'ম'-এর 'অ' কারটি 'আ' কারে পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $মনু + ষ্ণ = মানব$।</li>
<li>এখানে 'মনু' থেকে 'মানব' হওয়ার প্রক্রিয়াটি সংস্কৃত ব্যাকরণের 'তদ্ধিত প্রত্যয়' বা 'অপত্যবাচক' নিয়মের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>তাই, যখনই দেখবেন কোনো শব্দের শেষে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যুক্ত হচ্ছে, তখন শব্দের শুরুর অক্ষরটি দীর্ঘ বা বৃদ্ধি করে দিলেই সঠিক শব্দটি পেয়ে যাবেন।</p>
২৯৯০

‘কেউ কেটা’ মানে কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গণ্যমান্য ব্যক্তি
ব্যাখ্যা:
<p>‘কেউ কেটা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গণ্যমান্য ব্যক্তি</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সাধারণত সমাজে যাদের বিশেষ গুরুত্ব বা প্রভাব থাকে, তাদেরই আমরা ‘কেউ কেটা’ বলে থাকি।</li>
<li>কথ্য ভাষায় যখন কাউকে প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাতে হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বা যাদের সমাজে গণ্য করার মতো অবস্থান আছে, তাদের ক্ষেত্রেই এই শব্দটি সবচেয়ে মানানসই।</li>
</ul>
২৯৯১

‘মানব’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মনু + ষ্ণ
ব্যাখ্যা:
<p>‘মানব’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মনু + ষ্ণ</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি নিয়ম, যেখানে ‘মনু’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ’ (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মানব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li><strong>প্রকৃতি:</strong> এখানে মূল শব্দ বা প্রকৃতি হলো <strong>মনু</strong>।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> এখানে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়টি হলো <strong>ষ্ণ</strong>।</li>
<li><strong>নিয়ম:</strong> ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ-প্রত্যয় বা ষ্ণ-প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। তাই ‘মনু’ শব্দের ‘ম’-এর সাথে থাকা ‘অ’ কারটি ‘আ’ কারে রূপান্তরিত হয়ে ‘মানব’ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, <strong>মনু + ষ্ণ = মানব</strong>। এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</p>
২৯৯২

‘মাধ্যমিক’ -এর প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাধ্যম+ষ্ণিক
ব্যাখ্যা:
<p>‘মাধ্যমিক’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মাধ্যম + ষ্ণিক</strong>। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ‘ইক’ বা ‘ষ্ণিক’ প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে।</li>
<li>এখানে ‘মাধ্যম’ শব্দের সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মাধ্যমিক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল শব্দ <strong>মাধ্যম</strong>-এর সাথে <strong>ষ্ণিক</strong> প্রত্যয় যোগ করলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত শব্দটি পেয়ে যাই।</li>
</ul>

<p>ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে এ ধরনের শব্দ বিশ্লেষণ করা আপনার জন্য একদম সহজ হয়ে যাবে!</p>
২৯৯৩

সন্ধির মাধ্যমে কিসের লাঘব হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আয়াসের
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আয়াসের</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—আমরা যখন কথা বলি, তখন পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনিকে দ্রুত উচ্চারণ করার জন্য সন্ধি ব্যবহার করি। এর ফলে আমাদের কথা বলার সময় জিহ্বা বা বাগযন্ত্রের ওপর চাপ কম পড়ে।</p>

<p>সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>সন্ধি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের স্বাচ্ছন্দ্য আনা।</li>
<li>পাশাপাশি দুটি ধ্বনি মিলে একটি নতুন ধ্বনি তৈরি হলে উচ্চারণে যে পরিশ্রম বা <strong>আয়াস</strong> লাঘব হয়, সেটিই সন্ধির প্রধান কাজ।</li>
<li>এটি ভাষাকে শ্রুতিমধুর করার পাশাপাশি দ্রুত উচ্চারণেও সাহায্য করে।</li>
</ul>
২৯৯৪

“বাজার শেষ করে বাড়ি” - বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্ক্ষা‘
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাঙ্ক্ষা</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>

<p>একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, বাক্যের এক অংশ শোনার পর অন্য অংশ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ তৈরি হয়, তা পূর্ণ হতে হবে। এখানে "বাজার শেষ করে বাড়ি" বলার পর শ্রোতার মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে— "বাড়ি গিয়ে কী করব?" বা "বাড়ি গিয়ে কী হলো?"</p>

<ul>
<li>বাক্যটি অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছে, অর্থাৎ শ্রোতার জানার তৃষ্ণা বা আকাঙ্ক্ষা মেটেনি।</li>
<li>যেহেতু বাক্যের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ পায়নি এবং আরও কিছু শোনার ইচ্ছা রয়ে গেছে, তাই এখানে <strong>আকাঙ্ক্ষার</strong> অভাব রয়েছে।</li>
</ul>
২৯৯৫

কোন বাক্যে উপমার ভুল হলে কোন গুণের অভাব থাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যোগ্যতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। কারণটা খুব সহজ—একটি সার্থক বাক্যের অর্থগত সামঞ্জস্য থাকাই হলো যোগ্যতা।</p>

<ul>
<li>বাক্যের অন্তর্গত শব্দগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অর্থগত মিল বা সংগতি থাকাকেই যোগ্যতা বলে।</li>
<li>যদি বাক্যে উপমার ভুল প্রয়োগ করা হয়, তবে সেই বাক্যের অর্থ আর ঠিক থাকে না। যেমন: "আমি বর্ষায় বৃষ্টিতে ভিজি" বললে ঠিক আছে, কিন্তু "আমি আগুনে ভিজি" বললে বাক্যটি অর্থহীন হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের সাথে অর্থের সামঞ্জস্য না থাকলে বাক্যের <strong>যোগ্যতা</strong> গুণটি নষ্ট হয়ে যায়।</li>
</ul>
২৯৯৬

খেলা শেষ হলে বাড়ি ফিরব। -এ বাক্যে কোন গুণের অভাব রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাধুর্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাধুর্য</strong>। একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ থাকে—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। তবে বাক্যের অর্থের নান্দনিকতা বা শ্রুতিমধুরতাকে বলা হয় মাধুর্য।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>মাধুর্য</strong> হলো বাক্যের সেই গুণ, যা শোনার পর মনে এক ধরনের আনন্দ বা তৃপ্তি তৈরি করে।</li>
<li>'খেলা শেষ হলে বাড়ি ফিরব'—এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এতে কোনো বিশেষ কাব্যিক বা নান্দনিক আবেদন নেই।</li>
<li>সাধারণত সাহিত্যিক বা অলংকারশাস্ত্রে বাক্যের এই মাধুর্য গুণের অভাব থাকলে তাকে অমার্জিত বা সাধারণ বাক্য হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাক্যের গঠন ঠিক থাকলেও যদি তাতে শ্রুতিমধুর শব্দের ব্যবহার বা ভাবগাম্ভীর্যের অভাব থাকে, তবেই সেখানে <strong>মাধুর্য</strong> গুণের অভাব ধরা হয়।</p>
২৯৯৭

‘শিরে-সংক্রান্তি’ বাগধারাটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বিপদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘শিরে-সংক্রান্তি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>আসন্ন বিপদ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘শিরে’ মানে হলো মাথার ওপর বা খুব কাছে।</li>
<li>‘সংক্রান্তি’ বলতে কোনো কিছুর শেষ সময় বা চূড়ান্ত মুহূর্তকে বোঝায়।</li>
<li>যখন কোনো বিপদ একদম মাথার ওপর এসে পড়ে বা খুব কাছাকাছি চলে আসে, তখনই আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো বিপদ যখন ঘাড়ের ওপর এসে দাঁড়িয়েছে বা খুব দ্রুত ঘটতে যাচ্ছে, সেটাই হলো <strong>আসন্ন বিপদ</strong>।</p>
২৯৯৮

'শিরে-সংক্রান্তি' --অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আসন্ন বিপদ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আসন্ন বিপদ</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>'শিরে' মানে হলো মাথার ওপর এবং 'সংক্রান্তি' বলতে এখানে শেষ সময় বা আসন্ন মুহূর্তকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, যখন কোনো বিপদ একদম মাথার ওপর এসে পড়ে বা খুব দ্রুত ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তখন তাকেই আমরা 'শিরে-সংক্রান্তি' বলে থাকি।</li>
<li>এটি মূলত এমন এক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয় যেখানে বিপদ আর দূরে নেই, বরং ঠিক সামনেই দাঁড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
২৯৯৯

‘ঔদ্ধত্য’-এর বিপরীতার্থক শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিনয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘ঔদ্ধত্য’ বলতে সাধারণত অহংকার বা উদ্ধত আচরণকে বোঝায়। এর ঠিক বিপরীত স্বভাব বা আচরণ হলো নম্রতা বা বিনয়।</p>

<ul>
<li><strong>ঔদ্ধত্য:</strong> অহংকার বা দম্ভপূর্ণ আচরণ।</li>
<li><strong>বিনয়:</strong> নম্রতা বা ভদ্র আচরণ।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই কোনো ব্যক্তি উদ্ধত আচরণ করে, তার বিপরীত গুণটি হবে বিনয়। এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলেই এমন প্রশ্নগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</p>
৩০০০

'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিনয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ঔদ্ধত্য' শব্দটির অর্থ হলো অহংকার বা উদ্ধত আচরণ। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত বৈশিষ্ট্য হলো নম্রতা বা বিনয়।</p>

<ul>
<li><strong>ঔদ্ধত্য:</strong> অহংকার বা দম্ভ প্রকাশ পাওয়া।</li>
<li><strong>বিনয়:</strong> নম্রতা বা ভদ্র আচরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কেউ খুব অহংকারী হয়, তখন তার বিপরীত গুণটিই হলো বিনয়ী হওয়া। তাই শব্দার্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।