<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মালাধর বসু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'।</p>
<ul>
<li>এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে একটি, যা ভাগবত পুরাণের ভাবানুবাদে লেখা হয়েছে।</li>
<li>মালাধর বসুকে গৌড় সুলতান রুকনুদ্দিন বরবক শাহ <strong>'গুণরাজ খান'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক সময় কবির উপাধি নিয়েও প্রশ্ন আসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণবিজয় বললেই আমাদের মাথায় মালাধর বসুর নাম আসা উচিত। এটি মনে রাখার জন্য কবি ও তাঁর বিখ্যাত উপাধিটি একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধাংশু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'সুধাংশু' শব্দের অর্থ হলো চাঁদ বা চন্দ্র। অন্যদিকে, সূর্যকে বোঝাতে আমরা সাধারণত যেসব শব্দ ব্যবহার করি, তার মধ্যে রয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>আদিত্য</strong>: সূর্যের একটি অন্যতম নাম।</li>
<li><strong>ভাস্কর</strong>: যার অর্থ আলো ছড়ান বা সূর্য।</li>
<li><strong>মার্তন্ড</strong>: এটিও সূর্যের একটি পৌরাণিক ও কাব্যিক নাম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সূর্য এবং চাঁদ সম্পূর্ণ আলাদা দুটি জ্যোতিষ্ক। তাই 'সুধাংশু' শব্দটি সূর্যের সমার্থক না হয়ে চাঁদের সমার্থক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>প্রথম ক্লোন শিশু 'ইভা' (Eve)-এর জন্মের সঠিক তারিখ হলো <strong>ডিসেম্বর ২৬, ২০০২</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ইভা ছিল বিশ্বের প্রথম সফলভাবে ক্লোন করা মানব শিশু।</li>
<li>এটি ২০০২ সালের বড়দিনের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ <strong>২৬ ডিসেম্বর</strong> পৃথিবীতে আসে।</li>
<li>এই ঘটনাটি সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল এবং ক্লোনিং প্রযুক্তির ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মারাঠি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, অষ্টাদশ শতাব্দীতে মারাঠা সৈন্যরা বাংলায় লুটতরাজ চালাতে আসত। তাদের এই আক্রমণকারী বাহিনীকে স্থানীয় মানুষজন <strong>'বর্গি'</strong> বলে ডাকত। এই শব্দটি মূলত মারাঠি শব্দ <strong>'বর্গীর'</strong> (Bargir) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো অশ্বারোহী সৈনিক।</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> মারাঠি ভাষা।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> মারাঠা অশ্বারোহী বাহিনী বা 'বর্গীর' থেকে বাংলায় 'বর্গি' শব্দের উৎপত্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মারাঠা যোদ্ধাদের বিশেষ অশ্বারোহী দল বোঝাতে এই শব্দটি বাংলায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>
<p>নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরীর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম হলো <strong>রূপজালাল</strong>। এটি ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নবাব ফয়জুন্নেসা ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন মহীয়সী নারী এবং শিক্ষানুরাগী।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>রূপজালাল</strong> সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
<li>এটি একটি গদ্য-পদ্য মিশ্রিত গ্রন্থ, যা তৎকালীন সময়ে নারীদের লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ুন কবির</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। হুমায়ুন কবির বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। তাঁর লেখা <strong>'অষ্টাদশী'</strong> কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত। এটি মনে রাখার জন্য আপনি নিচের ছোট কৌশলটি ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>হুমায়ুন কবির</strong> মানেই আধুনিক ধারার কাব্যচর্চা।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকায় <strong>'অষ্টাদশী'</strong> নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লেই আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
২৯৭৭
Man gets as much as he wants এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানুষ যত পায়, তত চায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। ইংরেজি প্রবাদ 'Man gets as much as he wants' এর আক্ষরিক অর্থ হলো মানুষের চাহিদার সাথে প্রাপ্তির একটি সম্পর্ক। বাংলায় এই ভাবার্থটি প্রকাশ করতে সবচেয়ে প্রচলিত এবং সঠিক বাগধারা হলো 'মানুষ যত পায়, তত চায়'। এটি মানুষের চিরন্তন অতৃপ্ত স্বভাবকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।</p>
<ul>
<li><strong>Man gets</strong>: মানুষ পায়</li>
<li><strong>As much as</strong>: ততটুকু যতটুকু</li>
<li><strong>He wants</strong>: সে চায়</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানুষের চাহিদার কোনো শেষ নেই, সে যত বেশি পায়, তার চাওয়ার পরিধি তত বাড়তে থাকে। তাই এই অনুবাদটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানুষ মাত্রই ভুল করে</strong>। ইংরেজি প্রবাদ <strong>"To err is human"</strong>-এর আক্ষরিক এবং ভাবার্থ হলো মানুষ ভুল করবেই, কারণ ভুল করা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য।</p>
<ul>
<li><strong>To err</strong> মানে হলো ভুল করা।</li>
<li><strong>Human</strong> মানে হলো মানুষ বা মানুষের বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>তাই পুরো বাক্যটির সহজ অর্থ দাঁড়ায়, ভুল করা মানুষেরই কাজ বা মানুষ মাত্রই ভুল করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানুষ ফেরেশতা নয়, তাই ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়—এটাই এই প্রবাদটির মূল কথা।</p>
২৯৭৯
'মানুষের জীবন ফুলের মত'- এই উক্তিটির মূল ভাব কোনটি?
মানবজীবন ফুলের মতো সৌন্দর্যমণ্ডিত পরোপকারে নিয়োজিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানবজীবন ফুলের মতো সৌন্দর্যমণ্ডিত ও পরোপকারে নিয়োজিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, একটি ফুল যেমন নিজের রূপ ও সুবাস দিয়ে চারপাশকে সুন্দর করে তোলে এবং বিলিয়ে দেয়, তেমনি একজন মানুষের জীবনের সার্থকতাও ঠিক সেখানেই।</p>
<ul>
<li>ফুল যেমন নিজের জন্য বাঁচে না, অন্যের আনন্দ ও পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে, মানুষের জীবনও তেমনি মহৎ কাজের মাধ্যমে অন্যের উপকারে এলে সার্থক হয়।</li>
<li>এই উক্তিটি মূলত মানুষের জীবনের <strong>সৌন্দর্য</strong> এবং <strong>পরোপকারী মানসিকতার</strong> গভীর মেলবন্ধনকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>তাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা কেবল বেঁচে থাকাতে নয়, বরং ফুলের মতো নিজের গুণাবলি দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গড়ে তোলার মধ্যেই নিহিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনু + ষ্ণ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের আদি স্বর যদি 'অ' বা 'আ' থাকে এবং তার সাথে 'ষ্ণ' (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়, তবে আদি স্বরটি 'আ' হয়ে যায়। এই নিয়মটিকেই বলা হয় 'বৃদ্ধি'।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ: <strong>মনু</strong></li>
<li>প্রত্যয়: <strong>ষ্ণ</strong> (যা মূলত 'অ' নির্দেশ করে)</li>
<li>প্রক্রিয়া: <strong>মনু</strong> শব্দের আদি স্বর 'ম'-এর সাথে থাকা 'অ' বৃদ্ধি পেয়ে 'আ' হয়ে যায়, ফলে শব্দটি হয় <strong>মানব</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, <strong>মনু + ষ্ণ = মানব</strong>। এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের 'তদ্ধিত প্রত্যয়' বা 'অপত্যার্থ' প্রত্যয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>‘মন’ শব্দের সঠিক বিশেষণ হলো <strong>মানসিক</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদকে যখন কোনো গুণের বা অবস্থার বর্ণনায় ব্যবহার করা হয়, তখন সেটি বিশেষণ হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>‘মন’ একটি বিশেষ্য পদ, যা দিয়ে কোনো ব্যক্তির চিন্তাশক্তি বা হৃদয়কে বোঝায়।</li>
<li>যখন আমরা মনের কোনো অবস্থা বা বিষয়কে নির্দেশ করি, তখন ‘মন’ শব্দের সাথে ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি <strong>মানসিক</strong>-এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, মনের সাথে সম্পর্কিত যেকোনো কিছুকেই আমরা এক কথায় <strong>মানসিক</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা অভিধানে ‘কুঞ্জর’ শব্দটি মূলত হাতির প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>‘কুঞ্জর’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো হস্তী বা হাতি।</li>
<li>পুরানো কাব্য বা সাহিত্যে বীরত্ব বোঝাতে অনেক সময় হাতির বিশালতাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হতো।</li>
<li>সহজ কথায়, কুঞ্জর = হাতি।</li>
</ul>
২৯৮৩
‘গাহি সাম্যের গান, ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান’। পঙক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোন কবিতার অংশ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবন-বন্দনা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত এই কবিতাটি মূলত মানুষের শ্রম ও কর্মের জয়গান গায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো পৃথিবীর বুকে যারা কঠোর পরিশ্রম করে ফসল ফলায়, তাদের প্রতি সম্মান জানানো।</li>
<li>'ধরণীর হাতে ফসলের ফরমান' বা পৃথিবীর বুকে অন্ন জোগানোর এই মহৎ কাজকে নজরুল তার <strong>জীবন-বন্দনা</strong> কবিতায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই পঙক্তিটি দেখলে সরাসরি 'জীবন-বন্দনা' মনে রাখলেই হবে, কারণ এটি এই কবিতারই শুরুর দিকের একটি শক্তিশালী লাইন।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ছোটগল্পের সংকলনগুলোর মধ্যে <strong>'নয়নচারা'</strong> অন্যতম।</li>
<li>এটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি গল্পগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।</li>
<li>তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং গ্রামীণ জীবনের গভীর বিশ্লেষণ, যা এই গল্পটিতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজশেখর বসু</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের হাস্যরসাত্মক গল্পের জাদুকর হিসেবে পরিচিত <strong>রাজশেখর বসু</strong> তাঁর অধিকাংশ রম্য রচনার ক্ষেত্রে <strong>‘পরশুরাম’</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: <strong>‘পরশুরাম’</strong> মানেই <strong>রাজশেখর বসু</strong>—এই নামটি একটি জুটির মতো মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।