<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার রঘুনাথ রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<p>কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর জীবনের কঠিন সময়ে মেদিনীপুরের আড়রা গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে স্থানীয় জমিদার রঘুনাথ রায়ের সান্নিধ্যে তিনি আসেন। রঘুনাথ রায়ের অনুরোধেই তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'চণ্ডীমঙ্গল'</strong> রচনা করেন।</p>
<ul>
<li>কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ছিলেন রঘুনাথ রায়ের পুত্র রঘুনাথের গৃহশিক্ষক।</li>
<li>এই আশ্রয়ের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এবং জমিদারের উৎসাহেই তিনি কাব্যটি লিখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রঘুনাথ রায় ছিলেন কবির পৃষ্ঠপোষক, যার অনুপ্রেরণায় বাংলা সাহিত্যের এই অমূল্য সম্পদটি রচিত হয়েছে।</p>
৩০১৭
মধ্যযুগের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলতে গর্ববোধ করতেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবদুল হাকিম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি।</p>
<p>কেন তিনি নিজেকে বাঙালি বলতে গর্ববোধ করতেন, তার কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আবদুল হাকিম তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'নূরনামা'</strong>-তে বাংলা ভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন।</li>
<li>সে সময় কিছু মানুষ বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করত, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি সাহসের সাথে লিখেছিলেন যে, যারা বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেও বাংলা ভাষাকে ঘৃণা করে, তাদের বংশপরিচয় নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।</li>
<li>তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন, মাতৃভাষার চেয়ে বড় আর কোনো ভাষা নেই। তাই তিনি গর্বের সাথে নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করতেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মালাধর বসু তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' রচনার জন্য তৎকালীন সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের কাছ থেকে এই বিশেষ উপাধিটি পেয়েছিলেন।</p>
<p>ইতিহাসের এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য সুলতানের নামের সাথে কবির উপাধিকে মিলিয়ে একটি ছোট নোট করে রাখতে পারেন, এতে পরীক্ষার সময় বিভ্রান্তি হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
৩০১৯
কার পৃষ্ঠপোষকতায় কবি আলাওল 'পদ্মাবতী' কাব্য রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাগন ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কবি আলাওলের সাহিত্যিক জীবনের সাথে মাগন ঠাকুরের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
<ul>
<li>আরাকান রাজসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন মাগন ঠাকুর।</li>
<li>তিনি শুধু কবি আলাওলের পৃষ্ঠপোষকই ছিলেন না, বরং তাঁর অনুরোধেই আলাওল মহাকাব্য <strong>'পদ্মাবতী'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>মাগন ঠাকুরের উৎসাহ এবং আর্থিক সহায়তার কারণেই আলাওল তাঁর অমর সৃষ্টিগুলো সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক ইতিহাসে আলাওলের শ্রেষ্ঠত্বের পেছনে মাগন ঠাকুরের অবদান অনস্বীকার্য।</p>
৩০২০
কোরেশী মাগন ঠাকুর নামের কোন অংশ আরাকান রাজাদের দেয়া সম্মানিত উপাধি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঠাকুর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কবি কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।</li>
<li>তাঁর নামের শেষাংশ <strong>'ঠাকুর'</strong> মূলত আরাকান রাজাদের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রদত্ত একটি বিশেষ সম্মানসূচক উপাধি।</li>
<li>ঐ সময়ে রাজদরবারে কবি বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গুণী হিসেবে সম্মানিত করতে রাজারা এই উপাধি ব্যবহার করতেন।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, তাঁর নামের মূল অংশ 'কোরেশী মাগন' হলেও, রাজকীয় সম্মানের পরিচয় বহন করে তাঁর নামের শেষ অংশ <strong>'ঠাকুর'</strong>।</p>
<p>শব্দটির ব্যুৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'ঊর্ণা' শব্দের অর্থ হলো <strong>পশম</strong> বা সুতা।</li>
<li>'নাভ' বা 'নাভি' থেকে যার সুতা বের হয়, তাকেই বলা হয় <strong>ঊর্ণনাভ</strong>।</li>
</ul>
<p>মাকড়সা তার দেহ থেকে এক ধরণের আঠালো সুতা বা জাল তৈরি করে, যা দিয়ে সে শিকার ধরে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণেই মাকড়সাকে বাংলা ভাষায় 'ঊর্ণনাভ' বলা হয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'উর্ণনাভ' একটি চমৎকার শব্দ। এটি মূলত সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে। এর সহজ ব্যাখ্যাটি হলো:</p>
<ul>
<li>'উর্ণা' শব্দের অর্থ হলো পশম বা সুতা।</li>
<li>'নাভ' বা 'নাভি' থেকে যার সুতা বের হয়, তাকেই বলা হয় উর্ণনাভ।</li>
<li>মাকড়সা তার দেহ থেকে বিশেষ এক ধরনের আঠালো সুতা বা জাল তৈরি করে, তাই একেই এক কথায় বলা হয় <strong>উর্ণনাভ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে প্রাণী নিজের নাভি বা শরীর থেকে সুতা বা জাল তৈরি করে, সেই হলো মাকড়সা।</p>
৩০২৩
‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য; তার চেয়ে বেশী সত্য আমরা বাঙালি’- উক্তিটি করেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটির পেছনের মূল বিষয়টি হলো অসাম্প্রদায়িক চেতনা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করতেন, ধর্মের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমাদের জাতিসত্তা। তিনি ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে এই কথাটি বলেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মূল দর্শন:</strong> তিনি ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে বাঙালি পরিচয়কে ধর্মের চেয়েও উর্ধ্বে স্থান দিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> তৎকালীন সময়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে তার এই অসাম্প্রদায়িক চিন্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
</ul>
<p>‘চিন্তা তরঙ্গিনী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিক কবি বলা হয়।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘চিন্তা তরঙ্গিনী’ একটি মাইলফলক, যা তাঁর কাব্য প্রতিভার প্রাথমিক পরিচয় বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
৩০২৬
‘হায়রে কোথাসে বিদ্যা, যে বিদ্যা বলে দূরে থাকি পার্থরথী তোমার চরণে।’ উদ্ধৃত চরণ দুটির কবি কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত চরণ দুটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা <strong>'পদ্মিনী উপাখ্যান'</strong> কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশপ্রেমমূলক কাব্যের পথিকৃৎ বলা হয়। তাঁর রচনার ভাষা ও শৈলী দেখলেই বোঝা যায় এটি তাঁরই সৃষ্টি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাব্যের মূল সুরই ছিল দেশপ্রেম ও বীরত্বগাথা।</li>
<li>'পদ্মিনী উপাখ্যান' তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ, যেখান থেকে এই ধরনের উদ্ধৃতিগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।</li>
</ul>
৩০২৭
‘সতত হে নদ, তুমি পড় মোর মনে। সতত তোমার কথা ভাবি এ ভাবি এ বিরলে।’ চরণ দুটি কবি কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। এই বিখ্যাত চরণ দুটি তাঁর লেখা অমর সনেট <strong>‘কপোতাক্ষ নদ’</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম <strong>সনেট</strong> বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক।</li>
<li>‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি তাঁর সনেট রচনার এক অনন্য নিদর্শন, যেখানে তিনি সুদূর ফ্রান্সে বসেও নিজের জন্মভূমির নদকে পরম মমতায় স্মরণ করেছেন।</li>
<li>যখনই কোনো কবিতায় নস্টালজিয়া বা প্রবাস থেকে দেশের প্রতি গভীর আকুলতা ফুটে ওঠে, সেটি সাধারণত মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘কপোতাক্ষ নদ’ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।</li>
</ul>
৩০২৮
‘কৃষ্ণার সৈকতে ক্ষুদ্র শ্যামল প্রান্তরে বসি বৃদ্ধ বালানাথ কাঁদিছে নীরবে’ - উদ্ধৃত চরণ দুটির কবি কে?
<p>এই বিখ্যাত চরণ দুটি মহাকবি কায়কোবাদের কালজয়ী মহাকাব্য <strong>'মহাশ্মশান'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। এই মহাকাব্যে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের করুণ পরিণতির প্রেক্ষাপটে কবি অত্যন্ত আবেগঘন ভাষায় এই লাইনগুলো রচনা করেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থের নাম:</strong> মহাশ্মশান।</li>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক ও করুণ চিত্র।</li>
<li><strong>কবি:</strong> কায়কোবাদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যটি কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, আর এই ধরনের বিষাদময় ও গম্ভীর পঙক্তিগুলো মূলত তাঁর কাব্যশৈলীরই বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোষ স্বীকার কর, তোমাকে কোন শাস্তি দেব না</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যৌগিক বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য অব্যয় (যেমন: এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা) দিয়ে যুক্ত থাকে।</li>
<li>এই বাক্যটিতে দুটি আলাদা অংশ আছে—'দোষ স্বীকার কর' এবং 'তোমাকে কোন শাস্তি দেব না'।</li>
<li>মাঝখানে একটি কমা (,) ব্যবহার করে বাক্য দুটিকে যুক্ত করা হয়েছে, যা যৌগিক বাক্যের গঠন নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য মিলে একটি নতুন বাক্য তৈরি করে, তখনই তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়। এখানে দুটি আলাদা কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>‘মানী’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>মান + ঈন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘মান’ হলো মূল শব্দ বা প্রকৃতি।</li>
<li>এর সাথে ‘ঈন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘মানীন’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>পরবর্তীতে ‘মানীন’ শব্দের ন-কার লোপ পেয়ে বা সন্ধি ও প্রত্যয়ের নিয়মে এটি ‘মানী’ শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যখন কোনো গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী <strong>মান + ঈন = মানী</strong> রূপটিই গ্রহণযোগ্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।