eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩১০৬

ডুবা শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাসা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাসা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ডুবা' মানে হলো কোনো কিছু পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া বা নিমজ্জিত হওয়া। এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো পানির উপরে ভেসে থাকা। তাই 'ডুবা' শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'ভাসা' সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৩১০৭

গিরিশ চন্দ্র সেনের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ বিয়োগাত্মক নাটক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রফুল্ল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রফুল্ল</strong>। গিরিশ চন্দ্র সেনের এই নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এর কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>প্রফুল্ল</strong> নাটকটি মূলত একটি পারিবারিক বিয়োগান্তক বা ট্র্যাজেডি ঘরানার নাটক, যা তৎকালীন সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো একটি সুখী পরিবারের ভাঙন এবং দারিদ্র্যের কশাঘাতে মানুষের মানবিক বিপর্যয়ের করুণ চিত্র।</li>
<li>এর কাহিনী বিন্যাস এবং চরিত্র চিত্রণে যে গভীর আবেগ ও বাস্তবতার মিশেল রয়েছে, তা একে গিরিশ চন্দ্রের শ্রেষ্ঠ বিয়োগাত্মক নাটকের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পারিবারিক জীবনের টানাপোড়েন এবং ট্র্যাজেডিকে এত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার কারণেই এটি বাংলা নাটকের জগতে অমর হয়ে আছে।</p>
৩১০৮

‘শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রঙ।’-রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রহমান</strong>। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি ভাষা আন্দোলন ও একুশের চেতনাকে তাঁর লেখনীতে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>একুশের চেতনা এবং ভাষা আন্দোলন নিয়ে শামসুর রহমানের অসংখ্য কালজয়ী কবিতা রয়েছে।</li>
<li>‘শহীদের ঝলকিত রক্তের বুদবুদ’—এই রূপকধর্মী বর্ণনাটি তাঁর কাব্যশৈলীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, একুশের কৃষ্ণচূড়া ও চেতনার রঙের সাথে শামসুর রহমানের কাব্যিক আবেগ সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
</ul>
৩১০৯

কোনটি বিদেশী ও তদ্ভব শব্দ যোগে গঠিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হেডমিস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হেডমিস্ত্রী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় শব্দ দুটির উৎস বিশ্লেষণ করলে:</p>

<ul>
<li><strong>হেড:</strong> এটি একটি ইংরেজি শব্দ (বিদেশী)।</li>
<li><strong>মিস্ত্রী:</strong> এটি একটি ফারসি শব্দ, যা বাংলা ভাষায় তদ্ভব বা দেশি শব্দের মতো মিশে গেছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, একটি বিদেশী শব্দের সাথে তদ্ভব শব্দের মিলনে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন ভিন্ন ভিন্ন ভাষার শব্দ পাশাপাশি বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, তখন তাকে মিশ্র শব্দ বলা হয়। এখানে 'হেড' ও 'মিস্ত্রী'র সংমিশ্রণটি সেই নিয়মটিই নিখুঁতভাবে মেনে চলে।</p>
৩১১০

নিচের কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদারহণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো কাজ পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে বোঝায়, তখনই সেটি ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।</p>

<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> শব্দটির অর্থ হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একজনের কান থেকে অন্যজনের কানে কথা বিনিময়।</li>
<li>এই সমাসে সাধারণত পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যোগ হয়। যেমন: কান + কান = কানাকানি।</li>
<li>একইভাবে হাতাহাতি, লাঠালাঠি বা গালাগালি—এগুলোও পারস্পরিক কাজের বিনিময় বোঝায় বলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে একই কাজ দুই পক্ষ মিলে একে অপরের সাথে করছে বোঝাবে, সেটাই ব্যতিহার বহুব্রীহি।</p>
৩১১১

নিচের কোনটি ব্যাতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কানাকানি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কানাকানি</strong>। ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বা একই কাজ দুই পক্ষ মিলে করে বোঝায়, তখনই তাকে ব্যাতিহার বহুব্রীহি বলে।</p>

<ul>
<li><strong>কানাকানি</strong> শব্দটির অর্থ হলো কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ একজনের কানে অন্যজনের কথা বলার কাজ।</li>
<li>এখানে 'কান' ও 'কান' মিলে পারস্পরিক ক্রিয়া বা আদান-প্রদান বোঝাচ্ছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দে একই পদের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং পারস্পরিক কাজ বোঝায়, সেটিই ব্যাতিহার বহুব্রীহি।</li>
</ul>

<p>তাই, কানাকানি শব্দটিতে দুই পক্ষের মধ্যে কান দিয়ে কথা বলার আদান-প্রদান ঘটছে বলে এটি ব্যাতিহার বহুব্রীহির একদম সঠিক উদাহরণ।</p>
৩১১২

নিচে উল্লেখিত শব্দজুটির মধ্যে কোনটিকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাতে হাতে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতে হাতে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দ বা পদ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে যদি বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>হাতে হাতে</strong> শব্দটিতে 'হাত' শব্দটি পরপর দুবার বসেছে।</li>
<li>এটি এখানে একটি বিশেষ অর্থ (যেমন: তাৎক্ষণিক বা সরাসরি) প্রকাশ করছে।</li>
<li>যেহেতু একই শব্দ হুবহু দুবার বসেছে, তাই এটি দ্বিরুক্ত শব্দের একদম সঠিক উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন একটি শব্দ হুবহু দুইবার বসে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করছে, তখনই চোখ বন্ধ করে সেটিকে দ্বিরুক্ত শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
৩১১৩

কোন বাগধারাটি দ্বারা ‘আগ্রহ’ বুঝায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাথা ব্যথা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাথা ব্যথা</strong>। বাংলা ভাষায় কোনো বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহ বা চিন্তা থাকলে আমরা সাধারণত এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মাথা ব্যথা</strong> বাগধারাটির আভিধানিক অর্থ শারীরিক কষ্ট হলেও, প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি তীব্র মনোযোগ বা আগ্রহকে বোঝায়।</li>
<li>যেমন: "সে এই কাজটা নিয়ে খুব মাথা ঘামাচ্ছে" বা "এতে তার খুব মাথা ব্যথা"—এই কথাগুলো দিয়ে মূলত ওই কাজের প্রতি তার গভীর আগ্রহ বা সম্পৃক্ততাকেই প্রকাশ করা হয়।</li>
</ul>
৩১১৪

‘হাতেখড়ি’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে
ব্যাখ্যা:
<p>‘হাতেখড়ি’ শব্দটি একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানকে বোঝায়। তাই এর ব্যাসবাক্য করার সময় আমাদের অনুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখ করতে হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>হাতেখড়ি</strong> বলতে মূলত শিশুদের বিদ্যাশিক্ষার শুরুর অনুষ্ঠানকে বোঝায়।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠান বা উপলক্ষ, তাই ব্যাসবাক্যে <strong>‘যে অনুষ্ঠানে’</strong> কথাটি যুক্ত করা জরুরি।</li>
<li>অর্থাৎ, হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = <strong>হাতেখড়ি</strong>।</li>
</ul>

<p>এই ধরণের সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে বলে একে <strong>অধিকরণ বহুব্রীহি</strong> সমাসও বলা হয়।</p>
৩১১৫

‘ব্রীহি’ শব্দের অর্থ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা:
<p>‘ব্রীহি’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>ধান</strong>। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে এটি একটি তৎসম শব্দ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায় ধানের অপর নামই হলো ‘ব্রীহি’।</li>
<li>কৃষিভিত্তিক শব্দকোষে শস্য বা ধান বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘ব্রীহি’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>ধান</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
৩১১৬

‘অম্বর’-শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আকাশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে ‘অম্বর’ শব্দটি মূলত আকাশের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>

<ul>
<li>‘অম্বর’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো আকাশ বা গগন।</li>
<li>প্রাচীন বা কাব্যিক ভাষায় আকাশকে বোঝাতে এই শব্দটি হরহামেশাই ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানে মেঘ বা অন্য কিছু ভেসে বেড়ায়, সেই বিশাল শূন্যস্থান বা আকাশই হলো অম্বর।</li>
</ul>
৩১১৭

'করী' শব্দের অর্থ কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'করী' শব্দটি মূলত সংস্কৃত শব্দ 'কর' থেকে এসেছে।</p>

<ul>
<li>'কর' শব্দের অর্থ হলো হাত বা শুঁড়।</li>
<li>যেহেতু হাতির শুঁড় থাকে, তাই যার শুঁড় বা 'কর' আছে, তাকেই বলা হয় <strong>করী</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শুঁড় আছে বলেই হাতিকে এই নামে ডাকা হয়।</li>
</ul>

<p>পরের বার যখনই 'করী' শব্দটি দেখবেন, শুধু মনে রাখবেন—<strong>শুঁড় বা কর যার আছে, সেই হাতি</strong>।</p>
৩১১৮

কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদারহণ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাতাহাতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতাহাতি</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এটি কোনো পদের অর্থ সরাসরি প্রকাশ না করে তৃতীয় কোনো অর্থ বা অবস্থাকে বোঝায়।</p>

<ul>
<li><strong>হাতাহাতি</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়—হাতে হাতে যে লড়াই, অর্থাৎ 'হাতে-হাতে যুদ্ধ'।</li>
<li>এখানে 'হাত' বা 'হাতি' কোনোটির অর্থ প্রধান নয়, বরং এখানে একটি বিশেষ 'পারস্পরিক লড়াইয়ের' অবস্থাকে বোঝানো হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো অর্থ বা ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো সমাসবদ্ধ শব্দে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ বা ক্রিয়া বোঝায়, তখনই সেটি বহুব্রীহি সমাস হয়।</p>
৩১১৯

নিচের কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাতাহাতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতাহাতি</strong>। ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। যখন কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় বা একই কাজ দুই পক্ষের মধ্যে বোঝায়, তখনই তা ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>হাতাহাতি</strong> মানে হলো হাতের সাথে হাতের লড়াই। এখানে দুই পক্ষের মধ্যে একই কাজ (মারামারি বা লড়াই) বিনিময় হচ্ছে।</li>
<li>এই সমাসের ক্ষেত্রে প্রথম পদের শেষে 'আ' এবং দ্বিতীয় পদের শেষে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাত + হাত = হাতাহাতি।</li>
<li>একইভাবে কানাকানি, গালাগালি বা মারামারি শব্দগুলোও এই নিয়মে পড়ে, যা পারস্পরিক ক্রিয়া নির্দেশ করে।</li>
</ul>
৩১২০

কোনটি সাধিত শব্দ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গোলাপ</strong>। কারণটা খুব সহজ—শব্দ গঠনের দিক থেকে আমরা শব্দকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করি: মৌলিক ও সাধিত।</p>

<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। <strong>গোলাপ</strong> একটি মৌলিক শব্দ, কারণ একে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া সম্ভব নয়।</li>
<li><strong>সাধিত শব্দ:</strong> অন্যদিকে, পানসা, ফুলেল বা হাতল—এই শব্দগুলোকে বিশ্লেষণ করলে আমরা মূল শব্দ ও প্রত্যয় আলাদা করতে পারি। যেমন: হাত + ল = হাতল। তাই এগুলো সাধিত শব্দ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো একদম অবিভাজ্য বা প্রকৃতির দান, সেগুলোই মৌলিক শব্দ। তাই <strong>গোলাপ</strong> এখানে ব্যতিক্রম।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।